

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, আমাদের সংবিধানে বলা আছে। দেশের মালিক জনগণ জনগণের হাতেই সকল ক্ষমতা। তারা ঠিক করবে। আগামী পাঁচ বছর কারা দেশ চালাবে, কিভাবে চলবে। জেলা পর্যায়ের পরে প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে ভোটার গাড়ি যাবে।
৫ জানুয়ারি সোমবার কুমিল্লা টাউন হল মাঠে ফেস্টিভ ইলেকশন ক্যাম্পেইন এর আওতায় নির্বাচনী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোটের গাড়ির মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, ভোটের গাড়ি এখন কুমিল্লায়। আপনারা সবাই নির্ভয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে গণভোটে অংশ নিবেন। দীর্ঘদিন ধরে আমরা বাংলাদেশে কোন অংশগ্রহণমূলক ভোট গ্রহণ পাইনি। যাদের বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বের তারা কখনো ভোট দিতে পারেনি। এমন অনেকেই আছে। এই অবস্থার অবসান আমরা এবার করতে যাচ্ছি। এই অবস্থার অবসানের জন্য সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশকে বলা হয়েছে সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য । জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মকর্তাও নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য বলেছেন ।
প্রশাসন বিএনপি'র দিকে ঢুকে গেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বলা আছে প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে। এ ধরনের কোন বিচ্যুতি যাতে না ঘটে প্রশাসনের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট আছেন তাদেরকে বলা হয়েছে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়েছে। আমি আশা করছি অনেকের আশঙ্কা ভুল প্রমাণ করে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোট কখনো তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার হাবিবুর রহমান কুমিল্লা জেলার প্রশাসনে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
মন্তব্য করুন


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট লড়াই মানেই মাঠের ভেতর ও বাইরের উত্তেজনা। সেই উত্তেজনার আরেক অধ্যায় আজ বুধবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। বাইরে থেকে সম্পর্ক যতই ঠাণ্ডা দেখাক, মাঠে দুই দলের মধ্যে উত্তাপের ঘাটতি নেই।
ভারত এখনো টুর্নামেন্টে অপরাজিত এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার আত্মবিশ্বাস তো আছেই। শেষ ৩২ ম্যাচে মাত্র তিনটিতে হেরেছে তারা, যা তাদের সাম্প্রতিক ফর্মের সাক্ষ্য দেয়। অন্যদিকে, সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেলেও ফাইনালের স্বপ্ন ধরে রাখতে এই ম্যাচে জয় গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতকে হারানো অসম্ভব নয়। তার মতে, নিজেদের সেরা খেলাটা খেলে ভারতের ভুলগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।
ভারতের মতো দলের বিপক্ষে জিততে হলে নিখুঁত হতে হবে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই। দুবাইয়ের স্লো পিচে শরিফুলের বদলে দেখা যেতে পারে আগ্রাসী পেসার তানজিম হাসান সাকিবকে। ওপেনিংয়ে তানজিদ ও সাইফ, তিনে লিটন, এরপর হৃদয়, শামীম ও জাকের আলী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একজন বাড়তি অলরাউন্ডার হিসেবে সাইফউদ্দিনের খেলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী, শামীম হোসেন, মেহেদী হাসান, শরীফুল ইসলাম/তানজিম সাকিব, নাসুম আহমেদ/সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।
ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: অভিষেক শর্মা, শুভমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), তিলক ভার্মা, শিভম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, জসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সরকারি সিদ্ধান্তে আনন্দ প্রকাশ
করেছে বিএনপি।
আজ রবিবার (১১ মে) দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক
বিবৃতিতে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি আমরা প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে সাক্ষাৎকালে
তার হাতে দেওয়া পত্রে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল
হিসেবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সর্বশেষ সাক্ষাৎকালেও
তার হাতে দেওয়া পত্রে আমরা পতিত ফ্যাসিবাদী দল ও সেই দলীয় সরকারের সঙ্গে যারাই যুক্ত
ছিল, তাদের বিচার দ্রুত করে দেশের রাজনীতির ময়দানকে জঞ্জালমুক্ত করার দাবি জানিয়েছি।
আলোচনায় আমরা স্পষ্ট করে বলেছিলাম যে, আইনি প্রক্রিয়াতেই ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করা সম্ভব ও উচিত। বিভিন্ন সভা, সমাবেশে ও আলোচনায় আমরা আমাদের এসব দাবি বার
বার উত্থাপন করেছি।
উল্লেখযোগ্য যে, আমরা প্রশাসনিক আদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের
বিরুদ্ধে বলেই বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে
নিষিদ্ধ ঘোষণার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিএনপি।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা আনন্দিত যে, বিলম্বে
হলেও গত রাতে (১০ মে) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত করার এবং বিচারকার্য নির্বিঘ্ন করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী
দল আওয়ামী লীগ ও তার সঙ্গে যুক্ত সব সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করে বিচারিক প্রক্রিয়ায়
গুম, খুন, নিপীড়ন ও জনগণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন অপশাসন চালনাকারী ফ্যাসিবাদী দলের বিচার
করার সিদ্ধান্তকে আমরা সঠিক বলে মনে করি। তবে আমাদের দাবি মেনে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হলে চাপের মুখে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিব্রতকর ও অনভিপ্রেত অবস্থায় সরকারকে পড়তে হতো
না। ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে মনে
রাখবেন বলে আমরা আশা করি। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণ তাদের ভোটাধিকার
তথা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য গুম, খুন, জেল, জুলুম
সহ্য করেও অব্যহত লড়াই করেছে। তাদের সেই দাবি এখনও অর্জিত হয়নি। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার
সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণঅর দাবিও ক্রমাগত উপেক্ষিত হওয়ায় জনমনে যে ক্ষোভোর সৃষ্টি
হচ্ছে, সে ব্যাপারে সচেতন হওয়ার জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অগ্রগতি ও জাতি গঠনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়। দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আপনারা যে ত্যাগ ও নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন, তা দৃষ্টান্তমূলক।’
আগামী নির্বাচনে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমাদের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে সত্যিই একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে হবে। এটি শুধু একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে না, বরং শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করবে। ভোটাররা যখন ভোট দিতে বের হবেন, তা উৎসবমুখর হবে এবং জাতি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করবে যে তারা দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে অংশ নিয়েছেন।’একইসঙ্গে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা, অগ্রগতি, জাতি গঠন এবং সংকটকালে জনগণের পাশে দাঁড়ানোয় সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেন।
আজ রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স (এনডিসি) ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স (এএফডব্লিউসি)-২০২৫-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মহামারীর মতো সংকটে সশস্ত্র বাহিনীর অব্যাহত প্রচেষ্টা দেশের জনগণের কল্যাণে তাদের প্রস্তুতি ও অটল নিষ্ঠার প্রমাণ বহন করে।’ বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক শান্তিতে অবদান রাখার জন্যও ধন্যবাদ জানান, যা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতি
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় তিনি দেশবাসীকে দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের এই আনন্দময় মুহূর্তে আসুন আমরা সকল বাংলাদেশীর সঙ্গে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’
স্নাতক সম্পন্ন করা অফিসারদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের গ্র্যাজুয়েশন আপনার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করা সত্যিই একটি বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি আপনার জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত। এই অর্জন বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের প্রতিফলন। এখন আপনি উচ্চতর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত, যা আপনাকে জাতীয় নিরাপত্তা, রাষ্ট্র পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ, কৌশল প্রণয়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের জটিলতাগুলো বোঝার ক্ষমতা প্রদান করবে।’
ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, কলেজটি এমন নেতৃবন্দ গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যারা জটিল ও ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেকে নিবেদিত করতে সক্ষম হবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা এমন এক এক সময়ে আছি যখন অর্থনৈতিক কেন্দ্রীকরণের গুরুত্ব এশিয়ার দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে, বাংলাদেশ এমন একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে যা অসাধারণ সুযোগ প্রদান করে। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য এই অনন্য ভূ-রাজনৈতিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।’
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স একটি কৌশলগত স্তরের কোর্স, যা অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা বোঝার, বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স কৌশলগত ও অপারেশনাল স্তরের ওপর কাজ করে এবং কৌশলগত ও ট্যাকটিক্যাল স্তরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়ক। এই কোর্স চলাকালীন, আপনি বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ যেমন সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সাইবার হুমকি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিশ্লেষণে যুক্ত হয়ে পড়েছেন।’
বিদেশি গ্রাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আশা করি, এখানে আপনার সময়কালে আপনি এমন বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন যা দিগন্ত বিস্তারী যা আমাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গভীরতর বোঝাপড়া তৈরি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের উপস্থিতি আমাদের প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আমি বিশ্বাস করি, আপনারা আপনার নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করবেন। বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও মজবুত করবেন। আমি আপনাদের আগামীর জন্য সফলতা কামনা করছি।’
এনডিসির অবদানের প্রশংসা করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ প্রতিষ্ঠার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। ‘এটি স্বীকার করা গুরুত্বপূর্ণ যে এনডিসি কেবল সামরিক ক্ষেত্রে নয়, ভবিষ্যত নেতৃত্ব গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর বেসরকারি প্রশাসন,পররাষ্ট্র ক্যাডার, পুলিশ, আর্মি ও বিডিপির উঁচু পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এনডিসি কোর্সে অংশগ্রহণ করা আমাকে অত্যন্ত আনন্দ দেয়।’
তিনি আরও বলেন, বিদেশি কর্মকর্তাসহ কোর্সটি চিন্তাধারা বিনিময়, বন্ধুত্ব সৃষ্টি এবং বোঝাপড়া সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য অসাধারণ সুযোগ প্রদান করে। ‘আমি কমান্ড্যান্ট, শিক্ষক ও স্টাফদের আন্তরিক প্রশংসা জানাই, যারা ২০২৫ সালের এনডিসি কোর্স এবং সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্সটি উৎকর্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছেন,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।
অধ্যাপক ইউনূস কোর্সে অবদান রাখার জন্য রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ রিসোর্স পার্সন এবং বিশেষ বক্তাদের প্রশংসা জানিয়ে বলেন, ‘আমি সেই দেশের সমর্থনকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করি, যারা স্টাডি ট্যুরের আয়োজন করেছে, যা এই কোর্সের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
তিনি আরো বলেন,‘ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী যে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ তার মূলমন্ত্র ‘সুরক্ষা থেকে জ্ঞান’ বজায় রাখবে। এই প্রচেষ্টা আপনাদের নতুন ভূমিকা গ্রহণের সময় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নির্ধারণে পথ দেখাবে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জটিলতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।’
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল মিশরের রাজধানী কায়রোতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিবেন। তিনি বর্তমানে ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের সফরে সেখানে অবস্থান করছেন।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আজ বাসস’কে বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল ১৯ ডিসেম্বর, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিবেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আল-আজহার আল শরীফ মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম আহমেদ এলতায়েবের আমন্ত্রণে মিশরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিবেন।
গ্র্যান্ড ইমাম গত ১২ নভেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে রিটজ কালর্টন হোটেলে সাক্ষাতকালে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা ডি-৮ অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনে যোগ দিবেন, যা ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন নামে পরিচিত। এই সম্মেলন মিশরের রাজধানীতে ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি বলেছেন, শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানসহ কয়েকটি ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রের সরকার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান
ও ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতি নানা আকুফো-আদো ঢাকায় এসেছেন।
রবিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে ঢাকায় পৌঁছানোর বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেন নানা আকুফো-আদো।
এক
বার্তায় তিনি বলেন, গণতন্ত্র কমনওয়েলথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যা এর সনদে অন্তর্ভুক্ত
একটি মৌলিক বৈশ্বিক মূল্যবোধ। কমনওয়েলথের নীতিতে জনগণের স্বাধীনভাবে নিজেদের ইচ্ছা
প্রকাশ এবং তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা নির্ধারণের
অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
জনগণের
কল্যাণ ও সমৃদ্ধির স্বার্থে এসব গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান
তিনি।
এর
আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে আসে। দলটি আগামী ১৮
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি এবং সার্বিক পরিবেশ মূল্যায়ন
করবে।
বাংলাদেশে
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা এই বিশেষ দলটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন
প্রকাশ করার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে তার ভেরিফাইড ফেসবুক
পেজে গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি
স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে
তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়া সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন।
তার রোগমুক্তির জন্য দল–মত–নির্বিশেষে দেশের সব শ্রেণির মানুষ
আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা তার সুস্থতার জন্য দোয়ার পাশাপাশি
চিকিৎসায় সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক
রহমান লেখেন, দেশি–বিদেশি চিকিৎসক দল পেশাদারিত্বের পাশাপাশি
সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বন্ধুপ্রতীম বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকেও উন্নত
চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আগ্রহ জানানো হয়েছে। সবার দোয়া ও ভালোবাসার
জন্য জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার দ্রুত
আরোগ্যের জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।
স্ট্যাটাসে
নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ
পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো
এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন
নয়।’
পরিস্থিতি
অনুকূলে এলেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সম্ভব হবে বলে
আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।
রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে
আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার পর থানায় হামলার ঘটনায় রাজধানীসহ দেশের যেসব থানায় রাখা প্রশ্নপত্র পুড়ে গেছে, সেসব এলাকার এইচএসসি ও সমমানের ১১ আগস্টের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না।
তবে এখনও এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত দু-এক দিনের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


আইন,
বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
জুলাই সনদকে শ্রদ্ধা করে।
তিনি
বলেন, ‘এনসিপির নেতারা গণভোট নিয়ে যেসব বক্তব্য দিচ্ছেন, তা তারা না বুঝেই দিচ্ছেন।
তারা অর্ধেক বুঝেছেন। আমরা তাদের এই বক্তব্যের জবাব জাতীয় সংসদে দেব। তারা যে বক্তব্য
দিচ্ছেন তা সঠিক নয়, বিএনপি জুলাই সনদকে শ্রদ্ধা করে এবং জুলাই সনদের আলোকেই পথ হেঁটে
যেতে চাই। ইমোশন ও আইনকে একসাথে নিয়েই আমরা চলতে চাই।’
সোমবার
(১৬ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মোড়াগাছা-হাশিমপুর খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন
শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মামলা
জট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা সব পক্ষের সাথে কথা বলে সবার মতামতের ভিত্তিতে এসব মামলার
ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’
আইনমন্ত্রী
বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন এবং অবৈধ দখলদার
উচ্ছেদ করবে।
এর
আগে খাল খনন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
জেলা প্রশাসক আহমেদ মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-৪
আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা
আহমেদ বাচ্চু, কুষ্টিয়া-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আফজাল হুসাইন, কুষ্টিয়া জেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিনসহ বিএনপি'র স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা সিটির সঙ্গে ৯ মার্চ পৌরসভা, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনও আছে। পরিস্থিতি ভালো আছে।
তবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বুধবার (৬ মার্চ) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আলমগীর বলেছেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি। যে সব জায়গা থেকে চাহিদা এসেছে সেখানে বেশি ফোর্স দিয়েছি। অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটও দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের মূল্যায়ন পরিবেশ ভালো। আশাকরি নির্বাচন ভালোভাবেই হবে। আমাদের প্রস্তুতি সব দিক থেকেই ভালো।
তিনি বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়টা হলো আমাদের প্রকল্পে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। জনবল রাখা হয়নি। এজন্য নিয়মিত কর্মকর্তাদের দিয়েই বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকি। আমাদের আর্থিক, জনবলের সীমাবদ্ধতা আছে। এজন্য অনেকগুলো ইভিএমই কাজ করছে না। অচল হয়ে যাচ্ছে। ইভিএম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলো সচল পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোই ব্যবহারের জন্য পাঠানো হচ্ছে।
সিটি ভোটে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না, সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ভোটের ক্ষেত্রে উত্তেজনা থাকেই। সব প্রার্থীই চায় নির্বাচনে জেতার জন্য। তবে এরকম কোনো ইয়ে নাই ওখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হবে, এ ধরনের তথ্য আমাদের কাছে নাই। তারপরও সতর্কতা হিসেবে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে তারা যে অতিরিক্ত ফোর্স চেয়েছে সেভাবে দিয়েছি। নিয়ন্ত্রণের বাইরে পরিস্থিতি চলে গেলে কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা বন্ধ না করলে আমরা (কমিশন) বন্ধ করে দেবো।
মন্তব্য করুন


মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তির গ্রেপ্তার দাবি করে তার বাড়ির সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরুইল ইউনিয়নের কচুরি বেপারিবাড়ি এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।স্থানীয়দের সঙ্গে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা জানান, ওই এলাকার মো. আব্দুল হেলিমের ছেলে ইলিয়াস, যিনি সোহেল মিয়া নামেও পরিচিত, ঢাকায় বসবাস করলেও এলাকায় এসে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। একসময় আর্থিকভাবে অসচ্ছল থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তার বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।তারা আরও অভিযোগ করেন, সোহেলের ছোট ভাই বিল্লালের নেতৃত্বে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্র গড়ে উঠেছে। সোহেল এর আগেও একাধিকবার মাদক সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন। তবে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে দাবি এলাকাবাসীর।এ অবস্থায় দ্রুত সোহেল, তার ভাই বিল্লালসহ সংশ্লিষ্ট মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় গড়ে ওঠা মাদকের আস্তানাগুলো উচ্ছেদের দাবি জানান তারা।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পারভেজ আহমেদ জামিন, ইখলাস উদ্দিন, মুরাদ মিয়া, তানভীর হক, সুজন আহম্মেদ, রুবেল মিয়া ও আলিম উদ্দিন। বক্তারা অভিযোগ করেন, সিংরুইল ইউনিয়নে বর্তমানে ইয়াবা, গাঁজা ও মদসহ বিভিন্ন ধরনের নেশাজাতীয় দ্রব্য সহজেই পাওয়া যাচ্ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বাবা আব্দুল হেলিম বলেন, এলাকায় অবৈধ মাটি ব্যবসার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল-আমীন জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন