

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা
ও শোকের মধ্য দিয়ে আজ
বুধবার (১৬ জুলাই) শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণ করেছে বেগম রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু
সাঈদের প্রথম শাহাদাতবার্ষিকীতে বেরোবিতে শহীদ আবু সাঈদ তোরণ ও মিউজিয়াম এবং শহীদ
আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ’র
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে
শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বেলা ১১টায় শহীদ আবু সাঈদ তোরণ, মিউজিয়াম স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তি স্থাপন করেন।
উদ্বোধন শেষে দোয়া মোনাজাত করা হয়।
পরে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিচারণে আলোচনা সভা
অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন,
অন্তর্বর্তী
সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল এবং
পরিবেশ, বন
ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের
(ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ, শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের
সদস্য প্রফেসর ড. তানজীম উদ্দীন খান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. শওকাত আলী। বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম ও
ডিআইজি আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তী
সরকারের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল বলেন, দ্রুতই আবু সাঈদ হত্যার বিচার হবে। তাঁর বাবা
এ বিচার দেখে যেতে পারবেন। এ সরকারের আমলেই জুলাই হত্যার বিচার হবে।
পরিবেশ, বন
ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, রংপুর অঞ্চলের মানুষ আর বৈষম্যের শিকার থাকবে
না। ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এ বছরেই হবে। এছাড়া
কুড়িগ্রামে ইপিজেড হবে। রংপুর অঞ্চলে হবে চীনের অত্যাধুনিক হাসপাতাল।
আজকের এই দিনে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া আবু
সাঈদকে স্মরণ করে কাঁদছেন তার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। তারা বলেছেন, আবু সাঈদ যেন এক আলোকবর্তিকা। বাংলাদেশের
মানুষের মুক্তির দিশারী।
শহীদ আবু সাঈদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয়
সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজের করা ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যে কথাটা আমি আগে বলেছিলাম, নির্বাচন
অত সহজ হবে না, ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। গত কয়েকদিনের ঘটনা, শুক্রবারের (হাদির ওপর
গুলি) ঘটনা এবং চট্টগ্রামে আমাদের প্রার্থীর উপরে গুলিবর্ষণের ঘটনা; এ সবকিছু নিয়েই
প্রমাণিত হচ্ছে যে, যা আমি বলছিলাম তা কিন্তু সত্য হচ্ছে আস্তে আস্তে। এজন্য দেশের
বর্তমান পরিস্থিতিতে মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গত শনিবার সন্ধ্যায়
রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’
শীর্ষক কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান বলেন, আমরা যদি নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে নিয়ে না আসি, আমরা যদি নিজেরা
ঐক্যবদ্ধ না হই। এ দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি বলেন,
প্রত্যেকবার এ দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়েছে, প্রত্যেক বার আপনারা, কখনো শহীদ জিয়ার
নেতৃত্বে, কখনো দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে, আস্তে আস্তে সেই খাদের কিনারা থেকে
দেশকে আবার বের করে নিয়ে এসেছেন।
ষড়যন্ত্রের
বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিভিন্ন সূত্রের
খবর বলছে, এ ষড়যন্ত্রগুলো আরও খারাপও হতে পারে। আমাদের ভয় পেলে চলবে না, মানুষদের সাহস
দিতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যত ঐক্যবদ্ধ হবো, আমরা যত সামনে এগিয়ে আসব, যেকোনো
মূল্যে নির্বাচন হবে; এ পরিস্থিতি যত আমরা তৈরি করব, ষড়যন্ত্রকারীরা তত পিছু হটতে বাধ্য
হবে।
চট্টগ্রামে
ও ঢাকায় দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে তারেক বলেন, চট্টগ্রামে
ঘটনা ঘটেছে, গতকাল (শুক্রবার) একটা ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা দিয়ে কেউ কোনো ফায়দা লোটার অবশ্যই
প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের
আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পেছনে কারো কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কিনা ভেবে দেখার
পরামর্শ দিয়েছেন এই নেতা।
নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে আমি কী পেলাম এটা বাদ দিতে হবে। সময়
এসেছে আমি দেশ এবং জাতির জন্য কতটুকু করতে পারলাম। আজকে আপনি যদি দেশ এবং জাতির জন্য
কিছু করেন, তাহলে আগামী দিনে আপনার
যুদ্ধে নামার
আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নেই। দয়া করে আসুন, এ যুদ্ধে
আমাদের জিততে হবে, এ যুদ্ধে জেতার সবচেয়ে বড় সহযোগী কে? বাংলাদেশের জনগণ। বাংলাদেশের
জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ যুদ্ধে আমাদেরকে জিততে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
তারেক রহমানকে
‘গণতন্ত্রের পথপ্রদর্শক’ আখ্যা আমির খসরু বলেন, এখন যার অপেক্ষায় বাংলাদেশ, গণতন্ত্রের
টর্চ বেয়ারার তারেক রহমান আগামী ২৫ তারিখে (ডিসেম্বর) বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। এটা আমাদের
আনন্দের সংবাদ।
নেতাকর্মীদের
উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের নেতা ২৫ তারিখ আসছেন। সেদিন থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক
অঙ্গনে এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি হবে। আপনাদের সবাইকে সেদিনের জন্য, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত
থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে করার লক্ষ্যে
সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন,
মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে পরীক্ষার সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হবে। ‘অটোপাশ’র
আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।
আজ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান
এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায়
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এসময় মন্ত্রী পরীক্ষায়
যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি ঘোষণা করেন।
তিনি
বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথ ‘বডি সার্চ’
নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
ড.
এহছানুল হক মিলন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও যদি নকল পাওয়া যায়,
তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে এর জন্য দায় নিতে হবে।’
এছাড়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত কোনো গুজব বা কনটেন্ট ছড়ালে কঠোর আইনানুগ
ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
পরীক্ষার্থীদের
প্রকৃত মেধা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্র্যাকটিক্যাল বা ব্যবহারিক
পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত মূল্যায়নের মাধ্যমেই
শিক্ষার্থীদের ফলাফল নির্ধারিত হতে হবে।
নকলের
বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়তে দেশব্যাপী জেলা পর্যায়ে ‘মোটিভেশনাল মিটিং’
আয়োজন করা হবে বলেও সভায় জানানো হয়।
সভায়
মন্ত্রী দেশের শিক্ষা কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা
তুলে ধরেন। তিনি জানান, যেসব জেলায় বর্তমানে ‘জিলা স্কুল’
নেই, সেখানে নতুন করে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই স্কুলগুলো প্রথম শ্রেণি থেকে
দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হবে।
মতবিনিময়
সভায় মন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর
তালিকা পুনরায় তদন্ত করে হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন।
সভায়
শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানগণ পরীক্ষা আয়োজনের বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


ট্রাভেল ব্যাগে করে অভিনব কায়দায় পাচারের সময় ১৪৭ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদককারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাদের।
আটকরা হলো: মো. বিল্লাল হোসেন ওরফে সবুজ (৩২) ও মো. আরিফ বিল্লাহ (৩৬)।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক (অপারেশন অফিসার) আমিনুল ইসলাম।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযানে তাদের কাছ ১৪৭ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বহনে ব্যবহৃত ১টি ট্রাভেল ব্যাগ ও ৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ১৪৭ বোতল ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃত ২ ব্যক্তি পেশাদার মাদককারবারি। তারা বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লাফেভ বিদায়ী সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন।
হেলেন লাফেভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে অর্থ উদ্ধার এবং তা বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে।
‘চুরি করা টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়,’ বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এটি করব।’
এসময় একজন শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে লাফেভের দায়িত্ব পালন ও সেবার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার আন্তরিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে হেলেন লাফেভ বলেন, ‘আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে খুবই গর্বিত।’
এসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিকেনের একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে উত্তর আমেরিকার দেশে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করছে।
আলোচনায় বিচারিক সংস্কার, দক্ষিণ এশীয় বিদ্যুৎ সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্বৈরচারী সরকার আমলে বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা, বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সংস্কার এবং শ্রম সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে।
তাঁর সরকার ব্যাপক শ্রম সংস্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়াসে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ।
মন্তব্য করুন


আগামী ১ নভেম্বর থেকে পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে কঠোর মনিটরিং চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। পাশাপাশি পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, শুধুমাত্র পলিথিনের শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হচ্ছে। কোনো সুপারশপ পলিথিন শপিং ব্যাগ সরবরাহ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।
সভায় পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ বাস্তবায়ন ও পলিথিনের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, মানুষ যদি পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করে, তাহলে উৎপাদনও বন্ধ হবে। এজন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে। কেউ ইচ্ছে করে গাফিলতি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পলিথিন ব্যাগের ক্ষতিকর প্রভাব বুঝে মানুষ যেন এটি থেকে সরে আসে, সে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পাটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পাটের ব্যাগের সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধ করা হবে।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কমনওয়েলথ চার্টার হলো বিশ্বের ৫৬টি দেশের
২.৭ বিলিয়ন মানুষের নৈতিক দিকনির্দেশনা। এই চার্টারের মূল্যবোধগুলো অবমূল্যায়িত হলে
একটি দেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। তাই এই কর্মশালা শুধু সময়োপযোগী নয়, অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের তরুণরা এই চার্টার সম্পর্কে জানলে তারা জাতি গঠনে আরও দক্ষভাবে
অবদান রাখতে পারবে।
গত ২৩ ও ২৪ জুন ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই
দিনব্যাপী এক কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় কমনওয়েলথ সচিবালয় কর্মশালার আয়োজন করে ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
মধ্য দিয়ে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে খুবই
আন্তরিক।
এ
খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত রাখার
জন্য তিনি আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক
বাণীতে এসব কথা বলেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’
উদ্যাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
(বিএবি) এর সকল অংশীজন এবং সহযোগী সংস্থাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। দিবসটির এবারের
প্রতিপাদ্য ‘অ্যাক্রেডিটেশন : ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ক্ষমতায়ন (এসএমই)’, বর্তমান
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
ক্ষুদ্র
ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বৃহৎ অংশ এসএমই খাত থেকে আসে।
নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসএমই খাতের
প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা, ক্রেতা ও ভোক্তার
পরিবর্তনশীল চাহিদা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এ সকল
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রয়োজন সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগ।
তিনি
আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা জাতীয় গুণগতমান অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য
ও সেবার সরবরাহ ব্যবস্থার সকল পর্যায়ে গুণগতমান নিশ্চিতকরণ, দক্ষ কারিগরি জনবল সৃষ্টি,
বাণিজ্যে কারিগরি বাধা অপসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে এ
সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএবি এ
লক্ষ্যে কাজ করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সনদ প্রদানকারী
সংস্থা এবং পরিদর্শন সংস্থাসহ মোট ১৫৫টি সরকারি, বেসরকারি এবং বহুজাতিক সংস্থাকে আন্তর্জাতিক
মান অনুসারে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে।’
প্রধান
উপদেষ্টা ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা
করছি।
মন্তব্য করুন


জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান মালা-২০২৫ উদযাপনের অংশ হিসেবে সেনাসদরের নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন, কুমিল্লা এরিয়ার ব্যবস্থাপনায় প্রায় দেড় হাজার অসহায় গরীব ও অসুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।
সোমবার
(২৮ জুলাই) কুমিল্লা নগরীর শাকতলা এলাকার দ্যা
ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্সে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা সেনানিবাস হতে আগত মেডিসিন, সার্জারী, গাইনি, শিশু রোগ, অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ, মেডিকেল অফিসার ও প্যারামেডিক্স এর সমন্বয়ে বিশেষায়িত মেডিকেল দলের মাধ্যমে এই চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
পুরুষ,
স্ত্রী ও শিশুসহ আনুমানিক প্রায় দেড় হাজার
স্থানীয় জনসাধারণকে বিনামূলো চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রী প্রদান করা
হয়েছে।
এছাড়াও একটি ফিল্ড অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হয়, যেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মাইনর অপারেশন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এই মহতী কার্যক্রমের পরিকল্পনা করায় স্থানীয় জনসাধারণ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়ে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদাবাজিতে জড়িতদের সেই পথ ছেড়ে সৎ জীবনে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, চাঁদাবাজি ভিক্ষার থেকেও ঘৃণ্য কাজ এবং কোনো অবস্থাতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই জনসভা থেকে তিনি বিশেষভাবে তাদের প্রতি অনুরোধ জানাতে চান, যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত—তারা যেন অবিলম্বে এ পথ ত্যাগ করে সঠিক পথে ফিরে আসে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, হালাল উপার্জনের সুযোগ তৈরি করতে জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য—দেশে এখন এমন একটি কাজ রয়েছে, যেটাকে কেউ কেউ পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে, আর সেই পেশার নাম হচ্ছে চাঁদাবাজি।
জনসভায় উপস্থিত মানুষদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কেউ কি চাঁদাবাজের ভাই, বাবা, সন্তান, স্বামী-স্ত্রী, মা বা বোন হিসেবে পরিচিত হতে চায়? উপস্থিত জনতার কাছ থেকে তিনি এর কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি বলেও উল্লেখ করেন।
জামায়াত আমির স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যারা এই কাজ থেকে সরে আসবে না, তাদের ব্যাপারে দলের অবস্থান একেবারে পরিষ্কার—কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজির সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। তিনি বলেন, এই অপকর্মকে তারা ঘৃণার চোখে দেখেন এবং এটি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট।
শেষে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ইনশাআল্লাহ, কোনো মায়ের সন্তানকে চাঁদাবাজিতে জড়াতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে দলের অবস্থান চূড়ান্ত এবং এতে কোনো আবেগ বা নাটক নেই—সবকিছুই স্পষ্ট।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন