

আজ (১১ নভেম্বর ৪)
আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুল (এসিএন্ডএস), হালিশহর, চট্টগ্রামে রেজিমেন্ট অব
আর্টিলারির ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি,
পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল এ পৌঁছালে তাকে জিওসি, আর্মি
ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার,
চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট, আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে
সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির অধিনায়ক ও অন্যান্য
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির
গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সেই সাথে
আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন
চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির সকল সদস্যদের
প্রতি আহবান জানান।
এছাড়া, রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান নবগঠিত 'আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর' হতে জ্যেষ্ঠতম ইউনিট অধিনায়ককে সোল্ডার টাইটেল ও ক্যাপ ব্যাজ দ্বারা অলংকৃত করেন।
এছাড়াও, তিনি পরিচালক, এডহক
আর্মি এয়ার ডিফেন্স পরিদপ্তর এর নিকট নবগঠিত 'আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর' এর পতাকা
হস্তান্তর করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর সকল আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডারগণ, আর্টিলারি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, সেনাবাহিনী প্রধান
চট্টগ্রামের ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড সংলগ্ন খিল্লাপাড়ায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট
আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এই
হাসপাতাল নির্মাণ সুদক্ষ চিকিৎসক তৈরীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য
এবং তাদের পরিবারবর্গের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে
জিওসি, আর্টডক; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ;
আর্মি মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ, চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, ফ্যাকাল্টিগণ,
ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের
গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্ব
এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গঠনে তাঁর ভূমিকা বিশ্ব গণমাধ্যমে বিশেষভাবে তুলে ধরা
হয়।
বিশ্বের
প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা ও গণমাধ্যমগুলো তাঁর রাজনৈতিক উত্থান, সংগ্রাম ও অবদানের ওপর
আলোকপাত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বার্তা
সংস্থা এএফপি বলেছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, যাঁকে অনেকেই আগামী
নির্বাচনে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে পারেন বলে মনে করছিলেন, মঙ্গলবার সকালে ৮০ বছর বয়সে
মৃত্যুবরণ করেছেন।
সরকার
তাঁর মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। বুধবার
তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বার্তা
সংস্থা এএফপি আরো বলেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থতা ও কারাবাস সত্ত্বেও খালেদা জিয়া গত নভেম্বর
মাসে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। গত
বছর গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের
পর এটিই ছিল দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
বিবিসি
‘খালেদা জিয়া: নিহত নেতার বিধবা স্ত্রী থেকে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী’
শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণকারী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
একসময় তাঁকে তাঁর স্বামী, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা ও ১৯৭৭ সালে
রাষ্ট্রপতি হওয়া জিয়াউর রহমানের ‘লাজুক গৃহিণী’ হিসেবে বর্ণনা করা হতো। তবে ১৯৮১ সালে
স্বামীর হত্যাকাণ্ডের পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্বে উঠে আসেন
এবং নব্বইয়ের দশক ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
পালন করেন।
অ্যাসোসিয়েটেড
প্রেস (এপি) জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন বলে মঙ্গলবার
এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বিএনপি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি যেসব দুর্নীতি মামলার মুখোমুখি
হয়েছিলেন, সেগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন খালেদা জিয়া। চলতি
বছরের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে থাকা শেষ দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে খালাস
দেন, যার ফলে তিনি ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতেন। এপি আরও জানায়,
২০২০ সালে অসুস্থতার কারণে কারামুক্তির পর তাঁর পরিবার অন্তত ১৮ বার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার সরকারের কাছে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানালেও তা প্রত্যাখ্যান
করা হয়।
২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অবশেষে তাঁকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়। তিনি জানুয়ারিতে লন্ডন যান এবং মে মাসে দেশে ফেরেন।
রয়টার্স
শিরোনাম দেয়- ‘বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মারা গেলেন’
রয়টার্স
জানায়, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া খালেদা জিয়া দীর্ঘদিনের
অসুস্থতার পর মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন।
চিকিৎসকদের
বরাতে বলা হয়, তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বুক ও হৃদ্রোগে ভুগছিলেন।
আল
জাজিরা জানায়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও দেশের অস্থির রাজনীতির এক প্রভাবশালী
ব্যক্তিত্ব খালেদা জিয়া দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।
কাতারভিত্তিক
এই গণমাধ্যমটি আরও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে- ‘খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের প্রথম নারী
প্রধানমন্ত্রী - ক্ষমতা ও প্রতিরোধের এক জীবন’ শিরোনামে।
ব্রিটিশ
দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান তাদের অনলাইন সংস্করণে লিখেছে- ‘বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মারা গেলেন’।
ভারতীয়
সংবাদ সংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদনে লিখেছে- ‘খালেদা জিয়া: কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের
রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব’।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে খালেদা জিয়া কয়েক দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেন।
দীর্ঘদিন
বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার ভোরে ঢাকায় দীর্ঘ অসুস্থতার
পর মৃত্যুবরণ করেন।
পিটিআই
জানায়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার জন্য সমর্থকদের কাছে তিনি ব্যাপকভাবে
সমাদৃত। নব্বইয়ের দশক এবং ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন
এক প্রভাবশালী নাম।
ভারতের
বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ‘একদা রাজনীতিতে ঘোর অনিচ্ছুক ‘ফার্স্ট লেডি’
থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী!’ জলপাইগুড়ির ‘পুতুল’ হয়ে উঠেছিলেন ‘বেগম জিয়া’-শীর্ষক
প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য,
বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের
মৃত্যুর পর। ১৯৮২ সালে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ৯০-এর দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের
বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী
অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, ১৯৯৬ সালের
১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বার এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বার তিনি
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
আন্তর্জাতিক
গণমাধ্যমগুলোতে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অধ্যায়ের অবসান
হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি শুধু একটি দলের প্রধানই ছিলেন না, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রের
ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে উল্লেখ
করা হয়েছে।
দীর্ঘ
চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়ার
মৃত্যুতে দেশ-বিদেশে অসংখ্য মানুষ শোক প্রকাশ করছেন।
বেগম জিয়ার ইন্তেকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারাদেশে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল, গুলশানে তাঁর বাসভবন ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শোকাহত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে অসংখ্য মানুষকে অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। সারাদেশে সব জায়গায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে শোকের মাতম।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৫ আগস্ট) রাত ৯টা
২০ মিনিটে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের কয়েক মিনিটেই শিক্ষার্থীদের
জনস্রোতে পালিয়ে গেছেন হাজারো আনসার সদস্য।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সমন্বয়ক
সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ অনেককে সচিবালয়ে আটকে রাখে আনসার সদস্যদের একটি দল।
এই খবরে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হন তারা। পেটুয়াদের
ভূমিকায় অবতীর্ণ হন আনসার সদস্যদের অনেকে। পরে স্রোতের মতো আসতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের ধাওয়ায় পালিয়ে যান আনসার সদস্যরা।
জানা যায়, মেনে নেওয়া হয়েছে তাদের যৌক্তিক দাবি। তারপরও আনসারদের একাংশ ঘেরাও করেন সচিবালয়। সেখানে আটকে রাখেন সমন্বয়কদের। সচিবালয় থেকে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে করা লাইভে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান সেখানের পরিস্থিতি। এরপর পরই এক পোস্টে তিনি লেখেন, সচিবালয়ের সামনে আনসার সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নির্মমভাবে পেটাচ্ছে।
এর আগে বিকেলে কয়েক দফা
দাবিতে আন্দোলন করে আসা আনসার সদস্যরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন বলে জানান।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ্ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি
আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও আমাদের সবাইকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি।
সেপকসের পৃষ্ঠপোষক, লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সারাহনাজ কমলিকা জামান আজ জলসিঁড়ি এলাকার শেখ রাসেল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে প্রধান অতিথি থেকে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সেপকসের এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সংগঠনের সকল সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, সেপকসের বিভিন্ন আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক শাখাসমূহের মাধ্যমে দেশব্যাপী শীতার্ত গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।
শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সেনাসদরে কর্মরত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সহধর্মিনীগণ, সেপকস ঢাকা অঞ্চলের সভানেত্রী, সেপকস ঢাকা অঞ্চলের পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যগণ, অফিসারগণ; অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যগণ; বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ ।
মন্তব্য করুন


নিকটজন হারানোর
শূন্যতা পেরিয়ে পুরো বাংলাদেশই পরিবার হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার
সকাল ১০টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পোস্টে তারেক
রহমান লিখেছেন, ‘গভীর শোক ও কৃতজ্ঞতায় ভাস্বর হয়ে আমি আমার প্রিয় মা, জীবনের প্রথম
শিক্ষক, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আমার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছি। তার অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তবু,
এই কঠিন মুহূর্তে দেশের মানুষের অভূতপূর্ব উপস্থিতি আমাকে একাকিত্বে ভুগতে দেয়নি।’
অগণিত নেতাকর্মী,
শুভাকাঙ্ক্ষী, পরিবার ও দেশবাসীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি লেখেন,
‘লাখ লাখ মানুষ একসঙ্গে এসে যেভাবে সম্মান জানিয়েছে, ভালোবাসা দিয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে
পাশে দাঁড়িয়েছে, তা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে- তিনি শুধু আমার মা ছিলেন না অনেক
দিক থেকে তিনি ছিলেন সমগ্র জাতির মা।’
কূটনীতিকদের
উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লেখেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ
প্রতিনিধি, বৈশ্বিক কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহোযোগীরা সশরীরে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানান।
আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যেসব দেশ সমবেদনা প্রকাশ করেছে তাদের প্রতিও আমি ধন্যবাদ জানাই।
আপনাদের এই সহমর্মিতা আমাদের হৃদয় গভীরভাবে ছুঁয়ে গেছে।’
শোকের এই মুহূর্তে
বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করে তারেক রহমান
বলেন, ‘আজ এত মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে মনে হচ্ছে, নিকটজন হারানোর শূন্যতা পেরিয়ে
পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে।’
সারাজীবন মানুষের
সেবা করে আসা খালেদা জিয়ার সেই দায়িত্ব ও উত্তরাধিকার গভীরভাবে অনুভব করছেন জানিয়ে
তিনি বলেন, ‘একাগ্রতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি: যেখানে আমার মায়ের
পথচলা থেমেছে, সেখানে আমি চেষ্টা করব সেই পথযাত্রাকে এগিয়ে নিতে। সেই মানুষদের জন্য,
যাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তাকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শক্তি দিয়েছে, প্রেরণা যুগিয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শকে ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শুক্রবার বিকেলে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি তাঁর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতাম। তখন প্রায়ই বলতাম—বেগম জিয়া ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কি ভালো আছে বা ভালো থাকবে? বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় যখন বন্দি ছিলেন, তখন তাঁর পক্ষে কথা বলার সুযোগ আমার হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তাঁর পক্ষে কথা বলার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না।”
স্মৃতিচারণ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে বিচারটি হয়েছিল, সেটি ছিল অদ্ভুত ও উদ্ভট। সেই মামলার শুনানিতে অন্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে তিনি গভীরভাবে শকড হয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, “বেগম জিয়া বিস্মিত ও ব্যথিত হয়ে বলেছিলেন—‘আমি মেরে খেয়েছি এতিমের টাকা?’ অথচ সেই আবেগপূর্ণ প্রশ্নকেই বিচারক রায়ে লিখেছেন যে, বেগম জিয়া নিজেই নাকি অপরাধ স্বীকার করেছেন।”
আসিফ নজরুল বলেন, এই ঘটনাগুলো দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-৯ আসন (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এনসিপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। এ লক্ষ্যে তিনি ভোটারদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তাসনিম জারা জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে অন্তত ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিতে হবে। তবে সময় হাতে রয়েছে মাত্র একদিন, যা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া এত অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন। তিনি ঢাকা-৯ আসনের যেকোনো ভোটার বা তাদের পরিচিতদের নির্ধারিত বুথে এসে স্বাক্ষর দেওয়ার আহ্বান জানান। স্বাক্ষর দেওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সঙ্গে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে, যা মোবাইলে লেখা কিংবা কাগজে লিখে আনলেও গ্রহণযোগ্য হবে। খিলগাঁও তালতলা মার্কেট সংলগ্ন ন্যাশনাল আইডিয়াল কলেজের বিপরীতে এবং বাসাবো বালুর মাঠ এলাকায় স্বাক্ষর সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তাসনিম জারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একজন ভোটারের একটি স্বাক্ষরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, তাই সময়ের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি। উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী জোট গঠনের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে গিয়ে প্রয়াত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
হাইকমিশনে খোলা শোক বইয়ে শোকবার্তাও লিখেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গত সপ্তাহে মারা যাওয়া প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে ৭ দিনের শোক পালন করছে ভারত।
ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা সকাল সাড়ে ১১টায় বারিধারায় হাইকমিশনে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হাইকমিশনারের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বন্ধু মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিচারণ করেন।
প্রয়াত ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তিনি (মনমোহন সিং) অনেক সরল এবং জ্ঞানী ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ভারতকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করতে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন মনমোহন সিং।
মন্তব্য করুন


ভারতের সুরাট শহরের জাহাঙ্গীরপুরা এলাকায় একটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটেছে। ৫৭ বছর বয়সী নীতিনভাই আদিয়া তার ফ্ল্যাটের জানালার কাছে ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ অনিচ্ছাকৃতভাবে পড়ে গেলে তার পা আটকা যায় অষ্টম তলার একটি ফ্ল্যাটের জানালার গ্রিলে।ঘটনার পর প্রতিবেশীরা ফায়ার ব্রিগেডকে খবর দেন। জাহাঙ্গীরপুরা, পালানপুর এবং আদাজান থেকে তিনটি ফায়ার স্টেশন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। উদ্ধারকর্মীরা দড়ি ও নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার করে এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আদিয়াকে নিরাপদে টেনে বের করেন। এই সময়ে নিচে নিরাপত্তা জাল বসানো হয়।
উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, এবং চিকিৎসা চলছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, তার পা গ্রিলে আটকে থাকলেও দমকল কর্মীদের তৎপরতায় তিনি নিরাপদে উদ্ধার হন।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বলেন, বিগত সময়ে বাজেট বরাদ্দে অসম
বণ্টন হতো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের মতো অঞ্চলগুলো বারবার
বঞ্চিত হতো। এখন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সুষম বাজেট বণ্টনের মাধ্যমে সেই বৈষম্য দূর
করেছে। বঞ্চিত এলাকাগুলোর দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনে সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন
বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের নিবন্ধন
বাতিল করে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ শুক্রবার
(২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে আমার বাংলাদেশ-এবি পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর
অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি জানান।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ
ইসলাম বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনার
মূল বিষয় হলো সংস্কার, নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের
বিচার। এই তিনটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক এবং এর মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রূপান্তর
সম্ভব। ৫ আগস্ট দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে, তারা আর রাজনীতি করতে পারবে না। জনগণই তাদের ভাগ্য
নির্ধারণ করবে, যা ভোটের মাধ্যমে অথবা
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে। ইতিহাসে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, যেখানে জনগণ মুজিববাদ ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান
করেছে। জনরোষের ভয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাই তাদের রাজনীতি
করার নৈতিক ভিত্তি নেই। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের রাজনীতি থেকে বের করে
দেওয়াই একমাত্র উপায়। অবিলম্বে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং তাদের সাংগঠনিক
কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা উচিত।
নাহিদ ইসলাম সংস্কারের
প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, দেশের সব রাজনৈতিক দল সংস্কারের কথা বলছে। একটি মৌলিক
সংস্কারের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ প্রশস্ত করতে হবে।
অন্যথায় জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না।
মন্তব্য করুন