

আজ (১৪ নভেম্বর ২০২৪) জাহানাবাদ সেনানিবাসস্থ এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ আর্মি সার্ভিস কোরের ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে এএসসি কোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অভ্যর্থনা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত এএসসি কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এএসসি কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এএসসি কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড এর কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল এএসসি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বরং মানুষ
হিসেবে এবং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করে সাংবিধানিক অধিকার চাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী
মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে যাচ্ছি, যেখানে সবাই এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। এখানে
পরিবারের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা মুসলমান,
হিন্দু, বৌদ্ধ হিসেবে বিবেচিত নই; মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত
হোক। আপনারা যদি টেনে টেনে নিয়ে আসেন আমি ওমুক, আমি তমুক, এটা আবার পুরোনো জায়গায় চলে
গেলো। আপনারা বলেন যে আমি মানুষ, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমার সাংবিধানিক অধিকার এই,
আমাকে দিতে হবে। সব সরকারের কাছে এটাই চাইবেন। সব সমস্যার গোড়া হলো আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো
পচে গেছে। এ কারণেই এসব গোলমাল হচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক করতে হবে। ন্যায়বিচার
হলে কে বিচার পাবে না আমাকে বলেন। কোন ধর্মের, কোন জাতের, আইনে কি বলা আছে যে মুসলমান
সম্প্রদায় হলে এই আদালতে হবে, হিন্দু হলে ওই আদালতে যাবে। সবার জন্য আইন একটা, কার
সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে যে এ রকম একটা, ওই রকম একটা। এটা এমন রোগ, মূলে যেতে হবে।
আপনারা যদি বলেন আমাদের সংখ্যালঘুরা, এটা বললে মূল সমস্যা থেকে আমরা দূরে সরে যাচ্ছি।
আমাদের বলতে হবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটা পেলে বাকস্বাধীনতা
প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটিই হলো আমাদের মূল লক্ষ্য।
সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা বিভিন্ন খোপের (বিভেদ) মধ্যে চলে যাইয়েন না। এই খোপ হলে, খোপের
মধ্যে মারামারি-কাটাকাটি লেগে যাবে। এক হয়ে আসেন। এক আইন, আমাদের আইনি অধিকার দিতে
হবে। বলেন, আপনারা আইনি অধিকার পান না, বিচার হয় না। এটাই হলো আসল জিনিস। বিচারব্যবস্থা
আমাদের দিকে তাকায় না, পুলিশ আমাদের দিকে তাকায় না। কারণ, আমি অধিকারটা … করতে পারি
নাই। আমাদের নীতিটা আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। খোপ খোপ করতে আরম্ভ করবেন, তারাও
মজা পেয়ে যাবে। ওই মজার খেলাতে আমাদের আর নিয়ে যাইয়েন না। আমরা এসেছি, আমরা এক মানুষ,
আমাদের এক অধিকার। এর মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যাবে না। একটু সহযোগিতা করেন আমাদের,
একটু ধৈর্য্য ধরেন। কী করতে পারলাম, কী পারলাম না সেটা পরে বিচার কইরেন। যদি না পারি
আমাদের দোষ দেবেন।
এর আগে সনাতন ধর্মের ধর্মীয় নেতারা
বিভিন্ন সময় তাদের ওপর হামলার কথা তুলে ধরেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের কাছে এসব
সমস্যার স্থায়ী প্রতিকার চান। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করে ন্যায়
প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তাদের আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় আসছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম পাকিস্তান হয়ে ঢাকায় আসবেন।
সূত্র জানায়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফর নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। আগামী ৪ অক্টোবর তিনি ঢাকা সফরে আসতে পারেন।
সোমবারের (৩০ সেপ্টেম্বরের) মধ্যে সফরের তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
আগামী ৪ অক্টোবর পাকিস্তান হয়ে ঢাকায় আসবেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি ঢাকা সফরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরে শ্রম বাজার ইস্যুতে সুখবর পেতে পারে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলে হামলায় কারা জড়িত তাদের
বের করতে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ।
ভূমি উপদেষ্টা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে
সম্প্রীতি নষ্ট করতে বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এসব হামলা চালিয়েছে তারা
কোত্থেকে এসেছে কেউ জানে না।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের
স্থানীয় সরকার বিভাগ কার্যালয়ে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভের
নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে
দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বিশদ আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপদেষ্টা হাসান আরিফ বলেন, আমরা
ছাত্র-জনতা-শ্রমিকের ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছি। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা
করতে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশে এমন একটা পরিবেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু
নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রণালয়গুলো ব্যক্তি নির্ভর হওয়া উচিত না, সিস্টেম নির্ভর হওয়া উচিত। এমন একটা সিস্টেম
প্রতিষ্ঠিত করতে হবে যাতে মন্ত্রী হিসেবে যে ব্যক্তিই আসনে অধিষ্ঠিত হোক না কেন, সিস্টেমের
কোনো ব্যত্যয় না ঘটে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী বৃহস্পতিবার (৬
নভেম্বর) চার দিনের সরকারি সফরে তার নিজ জেলা পাবনায় যাচ্ছেন।
গত বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার
আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে
পাবনায় পৌছাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর জেলা সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার
গ্রহণ করবেন তিনি। পরে সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন রাষ্ট্রপতি।
পরদিন শুক্রবার (৭ নভেম্বর) আরিফপুরে পিতা-মাতার
কবর জিয়ারত করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।
এরপর শনিবারও (৮ নভেম্বর) সার্কিট হাউজে নিকট আত্মীয়দের
সঙ্গে দেখা করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাতে সেখানেই থাকবেন তিনি।
সফরের শেষ দিন রোববার (৯ নভেম্বর) সার্কিট হাউজে
গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয়
নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসককে প্রশাসনিক ব্যবস্থার
সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান (সিজেসিসি) জেনারেল
সাহির শামশাদ মির্জা গতকাল (শনিবার) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক
সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ বিভিন্ন
বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
দুই দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও জনগণের পারস্পরিক
সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে জেনারেল মির্জা পাকিস্তানের পক্ষ থেকে নানা খাতে সহযোগিতা
আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য,
যোগাযোগ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
‘আমাদের দুই দেশ একে অপরকে সহায়তা করবে,’ বলেন জেনারেল
মির্জা।
তিনি আরও জানান, করাচি ও চট্টগ্রামের মধ্যে দুইমুখী
নৌপথ ইতোমধ্যে চালু হয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা-করাচি আকাশপথও চালু হবে।
দুই পক্ষ মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে উত্তেজনা প্রশমনের
প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ভুয়া তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের
অপব্যবহারের মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রবণতার চ্যালেঞ্জ নিয়েও মতবিনিময়
হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ভুয়া খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য
এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই বিপদের বিরুদ্ধে বৈশ্বিকভাবে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা
ড. খলিলুর রহমান, সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে
নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।
মন্তব্য করুন


প্রবাসী
কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল
বলেছেন, ডিজিটালাইজেশনের কারণে বিদেশি যাওয়া কর্মীদের ভোগান্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে
দুর্নীতি আগের তুলনায় অনেক
কমেছে।
তিনি
বলেন, প্রবাসী অ্যাপসের মাধ্যমে শত শত হাজার
কোটি টাকা প্রবাসীদের থেকে
আদায় করা হতো। যারা
বিদেশে যাবেন কর্মীদের থেকে অনেক ধরনের
দুর্নীতি হতো। সেটা বন্ধ
করার জন্য আমরা প্রাণান্ত
প্রচেষ্টা করেছি।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক
অভিবাসী দিবস এবং জাতীয়
প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষ্যে
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা
বলেন।
তিনি
বলেন, আমাদেরকে আইওএম অনেক হেল্প করেছে।
এটার জন্য আইএলও অনেক
হেল্প করেছে। এটার জন্য আমরা
ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট প্লাটফর্ম নামে সম্পূর্ণ একটা
অনলাইন প্লাটফর্ম চালু করেছি। সমস্ত
বিদেশে গমন ১০০ শতাংশ
ডিজিটালাইজ করেছে। এখন ডিজিটালাইজেশন করার
কারণে দুর্নীতি, হয়রানি, ভোগান্তি হওয়ার সুযোগ অনেক কমেছে। তারপরও
মেশিনের পিছনে তো মানুষ থাকে।
আমাদেরকে মনে রাখতে হবে,
সেই মানুষগুলোকে এই দায়িত্বটা পালন
করতে হবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেন, যারা ভোটের জন্য
নিবন্ধন করেছেন প্রথমবারের মতো ভোট দিতে
পারবেন। আমি সবার কাছে
অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলতে চাই,
প্রবাসীদের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেটা
আমরা প্রতিফলন করে ঢাকা এয়ারপোর্টে
প্রথমবারের মত অনেক রুটিন
কাজ করেছি। প্রবাসীদের জন্য আমাদের রুটিন
কাজের বাইরে প্রথমবারের মত কিছু স্টেপ
নিতে পেরেছি। অবশ্যই এগুলো যথেষ্ট না।
তিনি
আরও বলেন, সৌদি আরবের সাথে
প্রথমবারের মত বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক
চুক্তি করেছে। চুক্তি করার সাথে সাথে
ওদের ইম্প্যাক্ট বোঝা যায় না,
কিন্তু একটা ভালো ইম্প্যাক্ট
অবশ্যই আসবে। সৌদি মিনিস্টার আমাকে
বলেছেন, তোমাদের অনেক সরকার অনেক
চেষ্টা করেছে, এটা হয়নি। আমাদেরকে
বাংলাদেশি মিশনের মানুষজন বলেছেন পাকিস্তান বা ইন্ডিয়ার সাথে
ওই ধরনের কোনো চুক্তি হয়নি।
বাংলাদেশের সাথে হয়েছে।
তিনি
বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে
সিন্ডিকেট নিয়ে অনেক অভিযোগ
শোনা যায়। মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেটকে আমরা সম্পূর্ণ ডিলিস্টিং
করেছি। আমরা স্ট্রংলি বলেছি,
আমরা সিন্ডিকেট হতে দিব না।
এখানে প্রবাসী শ্রমিকদের থেকে অবৈধভাবে অনিয়ন্ত্রিত
মুনাফা অর্জনকরে যে সিন্ডিকেট হয়েছিল,
সেটা ভাঙার চেষ্টা করেছি। অন্তত হতে দেইনি এখনো।
আমাদের মনে হয়, আমাদের
আরো অনেক কিছু করার
আছে।
তিনি
আরো বলেন, আমাদের পরবর্তী যে সরকার থাকবেন,
তাদের যদি বাংলাদেশের মানুষের
প্রতি মিনিমাম ভালোবাসা থাকে, নিজের মধ্যে যদি মিনিমাম ঈমান
থাকে, যদি তাদের মধ্যে
সত্যি মিনিমাম কৃতজ্ঞতাবোধ থাকে, আমরা যতটুকু কাজ
করেছি সেগুলো এগিয়ে নিবেই। তারা আমাদের চেয়ে
অনেক বেশি সময় পাবেন।
প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য আরো অনেক
বেশি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আসিফ মাহমুদ। বৃহস্পতিবার বিদায়ী ক্যাবিনেট বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করেন।পোস্টে তিনি লিখেছেন, গত ষোলো মাস তাকে নানাভাবে শেখার সুযোগ করে দিয়েছে। নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন তিনি। বাধা, হুমকি কিংবা চাপ—সবকিছু উপেক্ষা করে কাজে অবিচল থাকার কথাও উল্লেখ করেন।তিনি আরও জানান, আল্লাহর রহমত ও মানুষের সমর্থনে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনায় অটল থাকার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন উদ্যোগ, কাজ এবং সিদ্ধান্তে প্রশংসা যেমন এসেছে, সমালোচনাও ছিল। তবে মানুষের চোখে যে চূড়ান্ত ফলাফল দেখা যায়, তার পেছনের পরিশ্রম ছিল অনেক বেশি কঠিন—এ কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তার ভাষায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর নীতিতে স্থির থাকার কারণে বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর বিরূপতার মুখে পড়তে হয়েছে, ভবিষ্যতেও এর মুখোমুখি হতে হতে পারে। তবুও মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও আস্থা তাকে শক্তি জোগায়, আর সেই কারণেই এসব ভয় তাকে আর দমাতে পারে না।
মন্তব্য করুন


ইংরেজি
নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।
আজ
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে
বলা হয়েছে, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে
হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়াও ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও
জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম
দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড
হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ৬ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে
পারে। ইংরেজি নববর্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস উড়ানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়ে
ঢাকার ক্লাবগুলোতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থের
জন্য ক্ষতিকর এ কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হলো।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন
কমিশন (ইসি) আগামী শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তফসিলি ব্যাংক খোলা রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকে
চিঠি দিয়েছে।
বুধবার
(২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে
ইসলামীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব
আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করেছি আগামী
শনিবার তফসিলি ব্যাংকগুলোকে খোলা রাখতে। যা মনোনয়নপত্র দাখিলের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বিষয়,
ব্যাংকের ট্রানজেকশনের কোনো বিষয় থাকলে সেটা যেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা বা তাদের এজেন্টরা
ঠিকমত সম্পন্ন করতে পারেন।’
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘সংবর্ধনায়’ আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে কি না, এ বিষয়ে
নির্বাচন কমিশন দেখভাল করবেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আখতার আহমেদ বলেন বলেন,
‘সেটি রিটার্নিং অফিসার দেখবেন।’
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
মিন্টো রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ছিলেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস। জাতীয় নির্বাচনের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যমুনা ছেড়েছেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সেখানেই উঠবেন। তাই এরইমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে যমুনা।
সংশ্লিষ্টরা
জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ সুবিধা বিবেচনা করে তার বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত
করা হয়েছে যমুনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অপচয় কমাতে এর সংস্কার কাজে বাড়তি
খরচ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।
তিনি
বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাহুল্য খরচ পরিহার করতে চান সবসময়ই। তাই আমরা কোনো বাহুল্য খরচে
যাচ্ছি না। ভেতরে রঙ করা হয়েছে। সাথে করা হয়েছে হাইজেনিক ওয়াশ (জীবাণুমুক্তের জন্য
পরিচ্ছন্ন করা)। যাতে আমরা খুব অল্প বাজেটের ভেতরে সাশ্রয়ীভাবে এই জিনিসটা করতে পারি।
এরইমধ্যে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কয়েকটি কর্মসূচি এখানে পালন করেছেন। কিন্তু বসবাসের জন্য
কবে যমুনায় উঠবেন তা জানাননি।
প্রধান
প্রকৌশলী জানিয়েছেন, যখনই নির্দেশনা পাবেন, সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেয়া আছে। যমুনায়
ওঠার সিদ্ধান্ত হলে সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যে সব প্রস্তুত হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন