

লন্ডনে
চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে
ঢাকায় ফিরছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন দুই পুত্রবধূ। এদিন সকালে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।
বেগম
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে
ফেরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি
থাকবে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা
উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন
পর্যন্ত যাত্রা সুগম করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও
থাকবে।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার ঢাকায় ফেরার উপলক্ষে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তার জন্য
কাজ করছে। একইরকম তথ্য দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি
জানান, আগামীকাল সোমবার (৫ মে) যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি অবতরণ করবে। এদিন
বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে থাকবে নিশ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নেতাকর্মীদের জন্যও জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশনা।
নির্দেশনাগুলো
হলো: অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে কোনো যানজট সৃষ্টি না করে একহাতে
জাতীয় পতাকা এবং আরেক হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
এছাড়া
সাধারণের চলাচলের জন্য ওইদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত মূল সড়ক এড়িয়ে এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।
আরও
বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও চেয়ারপারসনের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সব নেতাকর্মী
দলীয় পতাকা এবং জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার একপাশে দাঁড়াবে। চেয়ারপারসনের গাড়ির সঙ্গে
মোটরসাইকেল এবং হাঁটা সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।
অভ্যর্থনা
জানানোর জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অবস্থানের কথাও জানিয়েছে দলটি।
সংগঠনের
নাম ও অবস্থান:
>মহানগর
উত্তর বিএনপি, বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়ান হোটেল।
>ছাত্রদল,
লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে খিলক্ষেত।
>যুবদল,
খিলক্ষেত থেকে হোটেল র্যাডিসন।
>মহানগর
দক্ষিণ বিএনপি, হোটেল র্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম।
>স্বেচ্ছাসেবক
দল, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান।
>কৃষকদল,
বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড়।
>শ্রমিক
দল, কাকলী মোড় থেকে বনানী শেরাটন হোটেল।
>ওলামা
দল, তাঁতী দল, জাসাস, মৎস্যজীবী দল, বনানী শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার।
>মুক্তিযোদ্ধা
দল ও সব পেশাজীবী সংগঠন, বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২।
>মহিলা
দল, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিএনপি
জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতারা, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিভিন্ন
জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, যার যার সুবিধামতো স্থানে অবস্থান করবেন।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বাসায় ফিরেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বাসায় ফিরবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিস, হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত বছরের ৯ আগস্ট খালেদা জিয়াকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিতে তার পরিবার থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। কিন্তু অনুমতি দেয়নি সরকার। পরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসনের রক্তনালিতে অস্ত্রোপচার করা হয় ২৭ অক্টোবর। তার স্বাস্থ্য কিছুটা স্থিতিশীল হলে সে দফায় পাঁচ মাসের বেশি সময় চিকিৎসা শেষে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তিনি বাসায় ফেরেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা পেয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি হন। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাগারে ছিলেন। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এক নির্বাহী আদেশে তার সাজা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দেয়। তখন থেকে ছয় মাস পরপর মুক্তির মেয়াদ বাড়াচ্ছিল সরকার। তবে ক্ষমতার পালাবদলের পর অন্তর্বর্তী সরকার তাকে সব মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হতে যাচ্ছে ।
বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। আর ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ।
মুসলমানদের বৃহত্তম এই সম্মেলন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বছর দুইপর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম পর্ব হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সম্পূর্ণ মাঠ ইতোমধ্যেই খুঁটি বসানো শেষ হয়েছে। নামাজে দাগ কাটাও প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে ময়দানটি। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম পাশের সামিয়ানা টাঙানোর কাজ প্রায় শেষ। মাইকের জন্য বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। তুরাগ তীরের প্রায় ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ইজতেমা ময়দানে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা এসে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে এরই মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করেছে মুসুল্লিরা। প্রতি বছরের মতো ইজতেমার নিরাপত্তায় আশপাশে সিসি টিভি বসানোসহ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের ভেতর ও বাইরে কাজ করবেন।
মুসুল্লিরা বলছেন, বিশ্বের লাখ লাখ দেশি-বিদেশি মেহমান আসবে ইজতেমা ময়দানে। তাদের থাকা-খাওয়া ও বসার জন্য তারা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন।
জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইজতেমা করার জন্য প্রয়োজনীয় টয়লেট, পানি সরবরাহ এবং ওজু-গোসলের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলছেন, নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ইজতেমা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করে পাঠানো হয়েছে কারাগারে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সেনাবাহিনী ও সদর মডেল থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আটক করে দালাল চক্রের ৫ সদস্যকে।
পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: বানিয়াচং উপজেলার মাহমুদুল হাসান (৩০), সেলিম মিয়া (৪২), জাকারিয়া আহমেদ (৩০) ও নবীগঞ্জ উপজেলার শামীম মিয়া (২৭), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার জসিম (৪৩)।
সোমবার সেনাবাহিনী ও পুলিশের আকস্মিক যৌথ অভিযান চলাকালে কয়েকজন দালালকে হাসপাতাল এলাকা থেকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। এ সময় ৫ জনকে আটক করা হয়।
রাতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর জানান, বিকেলে ২০২২ সালের একটি প্রতারণা মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সেখান থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দালালদের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছিলেন বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল প্রকৃতির লোকজন। দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক রোগীর প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। শহরের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকের পৃষ্ঠপোষকতায় সক্রিয় এ দালাল চক্র।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন আজ মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি
) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে
সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর দুর্গাপূজা আয়োজনের সার্বিক
প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জে রামকৃষ্ণ
মিশন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা নারায়ণগঞ্জে পূজা উৎসব আয়োজনের জন্য ৩২
লাখ টাকা এবং প্রতিটি মণ্ডপে পাঁচশ কেজি চাউল দেয়া হয়েছে বলে জানান।
তিনি বলেন,
এখানে পূজামণ্ডপকে ঘিরে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা রাখা হয়েছে। ২৪ তারিখ
থেকে আনসার সদস্যরা থাকবে এবং তাদের সাথে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য,
পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও থাকবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সারাদেশে ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপ রয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে
পূজা উদযাপন কমিটির ৭জন, ৮জন আনসার এবং পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা থাকবে।
এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৮০ হাজার ভলেন্টিয়ার থাকবে।
মন্তব্য করুন


লেফটেন্যান্ট তানজিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত ছয় জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে শহিদ হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩)। গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৩টার দিকে চকরিয়া এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে শহিদ হন তিনি।
পরে ওই এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে চিরুনি অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ৬ জনকে আটক করা হয়। এ সময় আটকদের কাছ থেকে দুটি দেশিয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১১ রাউন্ড গুলি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃতদের মধ্যে ৪ জন প্রত্যক্ষভাবে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। অবশিষ্ট দুজন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে।
আটকরা হলো- মো. বাবুল প্রকাশ (৪৪), মো. হেলাল উদ্দিন (৩৪), মো. আনোয়ার হাকিম (২৮), মো. আরিফ উল্লাহ (২৫), মো. জিয়াবুল করিম (৪৫) এবং মো. হোসেন (৩৯)।
ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত সদস্যদের আটক করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকদের চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাসদস্য বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন


ছাত্র আন্দোলনে আহতদের মধ্যে ১০০ জন
পুলিশের চাকরি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সিআইডির প্রধান
কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সিআইডিতে
আজকে আমার একটা নরমাল ভিজিট ছিল। আমার সঙ্গে আইজিপি ছিলেন। আমরা অনেক বিষয়ে কথা বলেছি।
আপনারা জানেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অনেকে নিহত এবং আহত হয়েছেন। যারা আহত
হয়েছেন তাদের কর্মসংস্থানের একটা ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা এই বিষয়ে একটা প্রপোজাল পাঠিয়েছি। যারা আহত হয়েছে তাদেরকে পুলিশে
চাকরি দেওয়ার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাইকেতো আর পুলিশে নেওয়া যাবে না, তবে একেকজন একেকভাবে
আহত হয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আহতদের মধ্যে ১শ’ জনকে আমরা পুলিশ বাহিনীতে নিব।
আমরা দ্রুত এই বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করব। আমরা আপাতত ১শ’ জন আহতকে দিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি,
পরবর্তীতে আমরা এই সংখ্যাটা আরো বাড়াব। আমরা আপাতত পুলিশে শুরু করছি পরবর্তীতে আমরা
আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সকল ডিপার্টমেন্টে এটা করে দিব। ট্রাফিক ব্যবস্থার একটা সমস্যা রয়ে
গেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আমরা এক হাজার ছাত্রকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম।
এখন পর্যন্ত ৪শ’ জন শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আরো একটি প্রপোজাল পাঠিয়েছিলাম
যে, বিভিন্ন বাহিনীতে যারা অবসরে গিয়েছেন তাদের নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক শৃঙ্খলায় নিয়োজিত
করা। তবে অবসরপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে রেসপন্স খুব কম দিয়েছেন। আমি ভেবেছিলাম তারা অনেকে
আসতে চাইবে। তবে আমরা আপাতত ৫০-৬০ জনের মত পেয়েছি। আমরা চেয়েছিলাম অন্তত ৫শ’ জন দিয়ে
শুরু করি।
শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে ট্রাফিক
ব্যবস্থাপনার বিষয়টা কেমন হবে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারা যেন পড়াশোনা
ঠিক রাখতে পারে সেজন্য তাদেরকে আমরা সময়টা কম দিয়েছি। তারা যেন পড়াশোনাও করতে পারে
এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি। তাদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে।
তারা রাস্তায় ২-৩ ঘণ্টা কাজ করবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের
আমলে সব থেকে বড় সমস্যা ছিল মানি লন্ডারিং। মানি লন্ডারিং নিয়ে আমি সিআইডি প্রধানকে
সব থেকে বেশি ইন্সট্রাকশন দিয়েছি। আমি সিআইডি প্রধানকে বলেছি যে, তিনি যেন দ্রুত বাংলাদেশ
ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির ঘটনার প্রতিবেদন দেন। বিগত সরকারের আমলে মানি লন্ডারিং সব
থেকে বেশি হয়েছে। আমি সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছি মানি লন্ডারিং এর মামলাগুলোর প্রতিবেদন
যেন দ্রুত দেয়া হয়। তদন্তের
নামে সময়ক্ষেপন করে লাভ নেই। আমি একটা রিপোর্ট চাই যে কারা কারা মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে
জড়িত। সেটা আমি সিআইডিকে বলেছি। যদি তদন্তের নামে দুই তিন বছর চলে যায় তাহলে তো এটার
কোন কার্যকারিতা থাকে না।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার (৩০ আগষ্ট) চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড
উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ছিন্নমুল এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি দেশীয় অস্ত্র তৈরীর কারখানার
সন্ধান পায়।
উক্ত কারখানা হতে চারজন সন্ত্রাসীসহ ৬ টি দেশীয়
অস্ত্র, খালি কার্তুজ ৩৫ রাউন্ড, তাজা কার্তুজ ৫ রাউন্ড, চাইনিজ কুড়াল ১ টি, ছুরি
২০ টি, ওয়াকিটকি চার্জারসহ ২ টি, মেগাফোন ১ টি, প্যারাসু্ট ফ্লেয়ার ৪টি এবং
অন্যান্য অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জামাদি ও যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সদস্যদের নিকটস্থ থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তি, নিরাপত্তা ও
স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সন্ত্রাস দমনে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত
থাকবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগেই একটি গোষ্ঠী জনগণকে প্রতারণার মধ্যে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এখনই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে নির্বাচনের পর পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। শুধু রাজনৈতিক প্রতারণাই নয়, মুসলমানদের শিরকের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নিজের প্রথম নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে দেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। কোথাও ব্যালট ছিনতাই, কোথাও রাতের আঁধারে ভোট, আবার কোথাও ডামি প্রার্থীর মাধ্যমে ভোটের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিএনপির লক্ষ্য দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বনির্ভর করে তোলা—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিথ্যা, কুফরি ও হঠকারিতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি দাবি করেন, দেশকে স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করা হয়েছে, এবার মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পালা। শুধু ভোট দেওয়ার বা মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করলেই চলবে না, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাও জরুরি।
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে বিএনপি কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু করতে চায় এবং ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে এবং কর্মক্ষম মানুষদের উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সিলেটের জনসভা শেষে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ঘেঁষে ছয়টি জেলার ছয়টি পৃথক স্থানে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার শেরপুর এলাকার একটি মাঠ এবং হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত
সব আসামি খালাস পেয়েছেন।
রায়ে এ মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের
ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে এ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি
সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশ বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।
এর আগে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ ২১ নভেম্বর
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ করেন। সেদিন আদালত মামলা দুটি
রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। আজ রায় ঘোষণা করা হল।
২০১৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা
দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
কোনো ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে
হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে।
পাশাপাশি দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে
আসামিদের জেল আপিল, নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী আসামি
পক্ষ আপিল করে।
গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট
গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায়
২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে ২০০১-২০০৬ আমলের বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী
আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম ও আসামি শেখ আবদুস সালাম ২০২১ সালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যান।
মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান, বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন
সাজা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। এরপর ওই বছরই
হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দণ্ডিত কারাবন্দিরা আপিল দায়ের করেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার
ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক
সরকার এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির (হত্যা ও বিস্ফোরক) নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে
২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মামলার অধিকতর তদন্ত
হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১৮ সালের
১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) রায়
দেন। রায়ের পর একই বছর বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছে।
পেপার বুক প্রস্তুত করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে মামলায় আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি
সম্পন্ন হলো। এখন হাইকোর্ট রায়ের অপেক্ষায়। এ মামলায় বিএনপি'র শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত
করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে বারবার দাবি করে আসছিল দলটি।
মন্তব্য করুন