

লন্ডনে
চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে
ঢাকায় ফিরছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন দুই পুত্রবধূ। এদিন সকালে কাতারের আমিরের পাঠানো একটি বিশেষ এয়ার
অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পৌঁছাবেন তিনি।
বেগম
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের দেশে
ফেরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, পাশাপাশি
থাকবে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থা।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা
উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তার বাসভবন
পর্যন্ত যাত্রা সুগম করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও
থাকবে।
ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার ঢাকায় ফেরার উপলক্ষে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তার জন্য
কাজ করছে। একইরকম তথ্য দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি
জানান, আগামীকাল সোমবার (৫ মে) যাত্রা শুরু করে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহন করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি অবতরণ করবে। এদিন
বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা পর্যন্ত খালেদা জিয়ার যাত্রাপথে থাকবে নিশ্ছিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়া নেতাকর্মীদের জন্যও জারি করা হয়েছে কড়া নির্দেশনা।
নির্দেশনাগুলো
হলো: অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে কোনো যানজট সৃষ্টি না করে একহাতে
জাতীয় পতাকা এবং আরেক হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে দেশনেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
এছাড়া
সাধারণের চলাচলের জন্য ওইদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলী পর্যন্ত মূল সড়ক এড়িয়ে এলিভেটেড
এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।
আরও
বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও চেয়ারপারসনের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সব নেতাকর্মী
দলীয় পতাকা এবং জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার একপাশে দাঁড়াবে। চেয়ারপারসনের গাড়ির সঙ্গে
মোটরসাইকেল এবং হাঁটা সম্পূর্ণরূপে নিষেধ।
অভ্যর্থনা
জানানোর জন্য বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অবস্থানের কথাও জানিয়েছে দলটি।
সংগঠনের
নাম ও অবস্থান:
>মহানগর
উত্তর বিএনপি, বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়ান হোটেল।
>ছাত্রদল,
লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে খিলক্ষেত।
>যুবদল,
খিলক্ষেত থেকে হোটেল র্যাডিসন।
>মহানগর
দক্ষিণ বিএনপি, হোটেল র্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম।
>স্বেচ্ছাসেবক
দল, আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান।
>কৃষকদল,
বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড়।
>শ্রমিক
দল, কাকলী মোড় থেকে বনানী শেরাটন হোটেল।
>ওলামা
দল, তাঁতী দল, জাসাস, মৎস্যজীবী দল, বনানী শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার।
>মুক্তিযোদ্ধা
দল ও সব পেশাজীবী সংগঠন, বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২।
>মহিলা
দল, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিএনপি
জাতীয় নির্বাহী কমিটির নেতারা, গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড।
>বিভিন্ন
জেলা থেকে আগত নেতাকর্মী, যার যার সুবিধামতো স্থানে অবস্থান করবেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের ৪ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার ( ২২ জানুয়ারি ) সকালে সিলেটে এক
পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি
এ কথা বলেন।
তারেক রহমান জানান, ফ্যামিলি কার্ডটি মূলত পরিবারের
প্রধান নারীর নামে দেওয়া হবে।
কার্ডের সুবিধাদি তুলে ধরে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে
প্রতিটি পরিবারকে মাসে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে।
তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত
করে তিনি আরও বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাকে
আধুনিকায়ন করা হবে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে বিএনপি।
‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক
এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এ সময় তারেক রহমান তরুণদের কথা শোনেন এবং তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
এই মতবিনিময় শেষে তারেক রহমান সিলেটের সরকারি আলিয়া
মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ (ন্যাশনাল
চার্টার) বিষয়ে গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসার
বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ৩১ জানুয়ারি ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা
(ওআইসি)-সহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এর
পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ৩২
জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এ
নিয়ে আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০ জন, যা ২০২৪ সালের
৭ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
এর
আগে ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৮ জন, ১১তম জাতীয় নির্বাচনে ১২৫ জন এবং ১০ম নির্বাচনে
মাত্র চারজন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ছিলেন।
ওআইসি’র
দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন সংস্থাটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ইউনিটের
প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার। এছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) থেকে
২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান
ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে
একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।
পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল,
এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল
অ্যাফেয়ার্স-এর মতো সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবেও নির্বাচনী
কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক
পর্যবেক্ষকদের সফর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ
বলেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো বাড়বে। আমন্ত্রণ জানানো কয়েকটি
দেশ এখনো তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করেনি।
যেসব
দেশ এখনো প্রতিনিধি চূড়ান্ত করেনি— তাদের মধ্যে রয়েছে ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া,
ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া। এছাড়া দক্ষিণ
এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম ফেমবোসা শিগগিরই তাদের পর্যবেক্ষকদের
নাম ঘোষণা করতে পারে।
এবারের
নির্বাচনে ৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী
৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে
অনুষ্ঠিত হবে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট।
মন্তব্য করুন


দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালন করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার
জন্য তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের প্রতি অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি),
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতাদের সঙ্গে কথা
বলেন।
এ
সময়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে
নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
প্রথমে
প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে
বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে
সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত
করেছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম। একইসঙ্গে তিনি গণতন্ত্র,
আইনের শাসন এবং মানবাধিকার রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ব্রিটিশ
পার্লামেন্টে ‘বাংলাদেশ ইলেকশন: হোয়াট নেক্সট?’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় হাইকমিশনার
আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণতান্ত্রিক নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কমনওয়েলথ
পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) আয়োজিত আলোচনা সভাটি গতকাল (মঙ্গলবার) ব্রিটিশ
পার্লামেন্টের কমিটি রুমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি প্যানেল আলোচনায় সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করেন
ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম।
আলোচনায়
বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস
উইন্টারটন, চ্যাথাম হাউজের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সিতেজ বাজপেয়ী এবং
ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (আইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সোহেলা নাজনীন।
অনুষ্ঠানে লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন, এমপি রূপা হক এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক
ও মানবাধিকার কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
আবিদা
ইসলাম বলেন, সরকার সকল বাংলাদেশির জীবনমান উন্নয়নে অর্থবহ পরিবর্তন আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং ‘জুলাই সনদে’-এর
সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে।
নতুন
সরকারের অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক
ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখেন। বর্তমান সরকারের
লক্ষ্য হল বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করা। তিনি ‘ফ্যামিলি
কার্ড’ বাস্তবায়ন প্রকল্পকে সামাজিক অন্তর্ভুক্তির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
হিসেবে উল্লেখ করেন, যা নারীর ক্ষমতায়ন ও অধিকার নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পররাষ্ট্রনীতির
বিষয়ে আবিদা ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির মূল দর্শন হল সার্বভৌমত্ব ও
জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার
দেওয়া।
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান ব্যারোনেস উইন্টারটন।
একই সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাজ্যের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। নিজের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ বিষয়ক এই বাণিজ্য দূত বলেন, স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকলে বাংলাদেশের
প্রবৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ
থেকে যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া সম্পদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উইন্টারটন জানান, পাচারকৃত
অর্থ ফেরত আনা বা আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার সহযোগিতা করছে। আলোচনা শেষে
সিতেজ বাজপেয়ী তার পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় জাতীয়
নির্বাচনে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিতই ছিল।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ
অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড
সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত
অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।
সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্যাপন
উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, দেশের
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত
গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।
এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার
তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের নতুন
এক বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন কিছু গড়ার সক্ষমতা রাখি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
সমাবর্তন ভাষণে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, আমরা চাইলে আমাদের মতো
করে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি। তবে, তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকা দরকার-
কেমন পরিবেশ ও সমাজ তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সেই সম্পর্কে।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পটভূমি স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে যে সভ্যতা চলছে তা একটি ধ্বংসাত্মক অর্থনীতির সভ্যতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে অর্থনীতি তৈরি করেছি তা মানুষের জন্য নয়,
বরং ব্যবসার জন্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসাকেন্দ্রিক
এই সভ্যতা আত্মঘাতী এবং তা টিকবে না।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এসে আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালে চবিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চট্টগ্রামে
দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সহায়তা করতে গঠিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল চবির অর্থনীতি
বিভাগে।
অনুষ্ঠানে, চবি কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক
ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডি লিট) উপাধিতে ভূষিত করে।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার অধ্যাপক ইউনূসের
হাতে ডি লিট সনদ তুলে দেন।
সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজসহ অন্যান্যরাও বক্তব্য রাখেন।
চবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন
খান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চবি আজ দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবর্তনের আয়োজন করে, যেখানে
২২,৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাজজাদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান চাকরিতে প্রবেশের বয়সীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সবৃদ্ধির দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আবেদন করেন।
আর তখন করা সেই আবেদনটি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির সম্পৃক্ততা থাকায় সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ কুমিল্লা সার্কিট হাউজে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়ল, তা আমাদের দেখার বিষয় না। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হলো কিনা, তা দেখার বিষয়।আমরা শুনছি বিএনপি নির্বাচনে আসতে চায়। দলটি যদি পর্দার আড়ালে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে আসতে চায়, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী তফসিল পেছানোর সুযোগ আছে। আমরা সব নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছি। কারা নির্বাচনে আসবে, কারা আসবে না, সেটা দেখার সুযোগ নেই। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। এটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ নেই। আমরা আশাবাদী, ভোটাররা উপস্থিত হবেন। ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে আমরা কাজ করব। রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করলে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তফসিলের আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে জামালপুরের ডিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। আগে যদি পারি, এখন কেন পারব না?
মতবিনিময় সভায় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ছুটির দিনেও অফিস করছেন। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি তেজগাঁও কার্যালয়ে আসেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে অফিস করেছেন। কর্মসূচি ছিল কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, রাশেদ হুমায়ুন কবির, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. টি. এম. শামসুল ইসলাম, জাহের উর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আবদুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরো জানান, বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর প্রতি শনিবার সরকারি ছুটির দিনে অফিস করেছেন তিনি। গত শনিবার তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন।
মন্তব্য করুন