আর কতদিন থাকতে পারে শৈত্যপ্রবাহ জানালেন আবহাওয়াবিদ

আর কতদিন থাকতে পারে শৈত্যপ্রবাহ জানালেন আবহাওয়াবিদ
ছবি

 দেশজুড়ে বিরাজমান শীতল পরিস্থিতি আগামী শুক্রবার (২ জানুয়ারি) পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। এ বিষয়ে তিনি সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিশ্লেষণমূলক পোস্ট প্রকাশ করেন।পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সোমবার রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি আগামী চার দিন সারাদেশে একই ধরনের কুয়াশা ও ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে তিনি ধারণা দেন।পলাশ জানান, সোমবার দুপুর ২টায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া কুয়াশার চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের ৬১টি জেলার আকাশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার উপস্থিতি রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাংশ, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি এলাকায় তুলনামূলকভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ জেলায় দুপুর ৩টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম এবং অনেক জায়গায় সারাদিন সূর্য আড়ালেই থাকতে পারে। এছাড়া মঙ্গলবার দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এ অবস্থায় নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতার আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, সন্ধ্যার পর থেকে সারাদেশের নদ-নদীর ওপর মাঝারি থেকে অত্যন্ত ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ফলে সব ধরনের নৌযানকে ধীরগতিতে এবং বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা ও মেঘনা নদীর ওপর কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।এছাড়া সন্ধ্যা ৭টার পর রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানান তিনি। এসব অঞ্চলের সড়ক ও মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে গতি নিয়ন্ত্রণ করে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে পঞ্চগড়–রংপুর–বগুড়া–সিরাজগঞ্জ–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কে কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস

মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ছবি

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ।

তিনি মাইক্রোক্রেডিটর জন্য আলাদা আইন করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এনজিও ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে মাইক্রোক্রেডিটকে ব্যাংকিংয়ের ধারণা গ্রহণ করতে হবে। আর এ ধারণা গ্রহণ করেই ঋণগ্রহিতাকে সেবা দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘মাইক্রোক্রেডিট এখনো এনজিও। এই এনজিও থেকে উত্তরণ ঘটাতে হবে। এনজিও পর্যায়ে থেকে গেলে ব্যাংকিং মেজাজ আসবে না। মেজাজে আসতে হলে এটাকে ব্যাংক হতে হবে। মাইক্রোক্রেডিটর জন্য আলাদা আইন করতে হবে।

আজ শনিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবন উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।

গ্রামীণ ব্যাংকের শুরুর সময়কার স্মৃতিচারণ করে প্রফেসর ইউনূস বলেন, আমরা যখন গ্রামীণ ব্যাংক করলাম তখন আপত্তি উঠলো এটাকে ব্যাংক বলা যাবে কি না। আমরা বললাম, আমাদেরটাই প্রকৃত ব্যাংক, তোমাদেরটা লোক দেখানো। ব্যাংক যে শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে সেটা হলো ট্রাস্ট, তোমরা যেটা করছো সেটা ডিসট্রাস্ট। আমাদের ব্যাংকিং মানুষের বিশ্বাসের ভিত্তিতে হয়েছে। জামানতবিহীন ব্যাংক, বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা টাকা দেই। আজ এমন সময় আমরা আলাপ করছি যখন জামানতওয়ালা ব্যাংক, যারা নিজেদের প্রকৃত ব্যাংক বলে দাবি করত তাদের অনেকে আজ হাওয়া। টাকা নিয়ে লোপাট। ব্যাংক শেষ। আর মাইক্রোক্রেডিটের পরিসংখ্যান দেখেন। কেউ পয়সা নিয়ে পালায় নাই। এই হলো পরিহাস।

মাইক্রোক্রেডিটই ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এটাই প্রকৃত ব্যাংকিং, আগামী দিনের ব্যাংকিং যেটাতে মানুষ নিজের পরিচয়ে কাজ করবে, নিজের বিশ্বাসের ওপরে ব্যাংকিং চলবে, টাকার উপরে না।

 

মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের পর প্রত্যেক এনজিও চেষ্টা করলো একইরকম কিছু করতে। ক্রমে ক্রমে প্রসার হতে আরম্ভ করল। নানারকমের নতুন নতুন জিনিস, নানা আইডিয়া নিজেদের সুবিধার জন্য ঢোকাতে আরম্ভ করল। এটা ভবিষ্যতের জন্য খারাপ হবে মনে করে একটি রেগুলেটরি অথরিটির প্রয়োজন হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম, তারা বলল ‘আমাদের কাজ না। অর্থ মন্ত্রণালয় শুরুতে গুরত্ব দিল না, পরে বলল ‘আচ্ছা কী করতে হবে জানাও’। তখন আমরা বললাম, ‘রেগুলেটরি অথরিটি হওয়া দরকার, কারণ যে হারে বাড়ছে বড় রকমের সমস্যা হতে পারে।

তৎকালীন গভর্নর ফখরুদ্দীন সাহেব আমাদের সমর্থন করলেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে এটা হতে পারবে না। তারা ব্যাখ্যা চাইল। আমি বললাম, এটা বহু দেশে বলেছি, এখনো বলি, গ্রামীণ ব্যাংকও ব্যাংক, অন্যান্য ব্যাংকও ব্যাংক। কিন্তু তফাত অনেক। উদাহরণ দেই, আমেরিকান ফুটবলও ফুটবল। ইউরোপিয়ান ফুটবলও ফুটবল। কিন্তু খেলা ভিন্ন। আপনি যদি ইউরোপিয়ান ফুটবলের রেফারিকে দিয়ে আমেরিকান ফুটবল খেলা চালাতে চান ইট উইল বি অ্য ডিজাস্টার। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে ক্ষুদ্রঋণ নিয়ন্ত্রণ করবেন, সে তো ক্ষুদ্রঋণ জানেই না। সে তো ইউরোপীয় ফুটবলের রেফারি,’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন।

তিনি আরোও বলেন, ‘অবশেষে ফখরুদ্দীন সাহেব রাজি হলেন। গভর্নরকে দিয়ে এটা পরিচালনা করানোর ব্যাপারেও তাঁকে রাজি করাতে হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে এর অফিস করার আলোচনা ছিল। আমরা বললাম, আলাদা জায়গায় অফিস হতে হবে... আজকে নতুন ভবন হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা এটিকে বোঝার চেষ্টা করেছেন, নিয়মকানুন করেছেন। তারা যদি অন্যান্য ব্যাংকের রেগুলেটরি নিয়মের ওপর এটা স্থাপন করত তাহলে মাইক্রোক্রেডিট সেদিনই শেষ হয়ে যেত, আর খুঁজে পাওয়া যেত না। আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কে হবে এ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ না, যে দেশেই মাইক্রোক্রেডিট হয়েছে সে দেশই সমস্যায় পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি তাদেরকে বারে বারে বলে এসেছি তোমাদের এত কিছু চিন্তা করতে হবে না। কারণ বাংলাদেশ এর সমাধান দিয়ে দিয়েছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি শুধু যে বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছে তা না এটা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক দেশের জন্যে সহায়ক হয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রেগুলেটরের ওপর কড়া না হয়ে ইউজার ফ্রেন্ডলি রেগুলেশন যেন হয় সেভাবে আইন করা, যেন কোনোকিছু চাপিয়ে না দেয়া হয়। এমআরএকে এখন রেগুলশনের পাশাপাশি প্রমোশনাল অ্যাক্টিভিটিও দেখতে হবে। সেভিংসের রিটার্ন, সার্ভিস চার্জ যেন সহজ হয় সেদিকে নজর দিন। উপকারভোগীদের জন্য যেন সহজ হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মাইক্রোক্রেডিট আজ অনেক দূর এগিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের ১০ শতাংশ সমপরিমাণ সম্পদ আছে মাইক্রোক্রেডিট সেক্টরে। সবচেয়ে বড় কথা, ব্যাংকিং খাতে যে জায়গাগুলোতে দুর্বলতা আছে, মাইক্রোক্রেডিট সে জায়গায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সদস্যদের সঞ্চয় বেড়ে ৬৮ হাজার কোটি টাকার ওপর, পুঞ্জীভূত উদ্বৃত্ত বেড়ে ৬১ হাজার কোটি টাকার উপরে হয়েছে। এটা বড় অর্জন। তারা নিজেদের সঞ্চয় ও উদ্বৃত্ত দিয়ে নিজেদের গড়ে তুলছে। বিদেশি সহায়তা, অনুদান নাই বললেই চলে। দাতা তহবিল তিন হাজার কোটি টাকার মতো। এটা খুবই নগণ্য।

বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতি বাড়ছে। এজেন্ট ব্যাংকিং ছড়িয়ে পড়ছে। মাইক্রোক্রেডিটের শাখা আছে ২৬ হাজারের মতো। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। এখানে একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে ফরমাল সেক্টরের পদচারণা বাড়ছে, বাড়বে। মাইক্রোফাইন্যান্স ইন্সটিটিউটটে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে হবে। মাইক্রোক্রেডিট আরও ফাংশনাল করতে রেগুলেটরি অথরিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে কাজ করবে,’ বলেন তিনি।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি নিয়ে নতুন আইনের খসড়া করা হয়েছে। সরকারের কাছে শিগগিরই নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাসের নতুন সময়সূচি

রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাসের নতুন সময়সূচি
সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম চালু থাকবে। 


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই ১০ দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রমের জন্য সময়সূচি প্রকাশ করেছে ।


নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ক্লাস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সই করা এক পরিপত্রে এ রুটিনটি প্রকাশ করা হয়েছে।


পবিত্র রমজান মাসে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিসের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব দপ্তর চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর জোহরের নামাজের জন্য দুপুর সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।


এদিকে, রমজান উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) থেকে সারা দেশের সব মাদ্রসায় ছুটি শুরুর কথা ছিল। তবে স্কুল-কলেজের পর অবশেষে মাদ্রাসার ছুটির তালিকাও সংশোধন করে সরকার। এতে ১৫ দিন ছুটি কমানো হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদ্রাসায় ক্লাস-পরীক্ষা চলবে ২১ মার্চ পর্যন্ত। দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলোতেও শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

মিললো ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাসের সন্ধান

মিললো ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাসের সন্ধান
সংগৃহীত

রোববার (২৮ জানুয়ারি) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের রশিদপুর দুই নম্বর কূপে ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে।


মন্ত্রণালয় জানায়, কূপে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে আপার স্যান্ড টপ জোনে টেস্টিং করে গ্যাস স্তরের সন্ধান পাওয়া যায়। আর এখান থেকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে দৈনিক ৮০ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।


গ্যাসের বর্তমান গড় মূল্য বিবেচনায় এ স্তরে উত্তোলনযোগ্য ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মূল্য ১০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা।


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর আগে সিলেটের হরিপুর এলাকায় ১০ নম্বর কূপ থেকে চার স্তরের তেল গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন । চার স্তরের মধ্যে একটি স্তরে সম্পূর্ণ তেলের খনি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ: সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোমের গৌরবময় ইতিহাস

জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ: সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোমের গৌরবময় ইতিহাস
ছবি

মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাংবাদিকদের সেকেন্ড হোম হিসেবে খ্যাত জাতীয় প্রেস ক্লাবের আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ বিশেষ দিনে ক্লাবের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের সকল সাংবাদিকদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর ‘পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব’ হিসেবে যাত্রা শুরু হয় দেশের শীর্ষ সাংবাদিক সংগঠনটির। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের সহায়তা, সুস্থ সাংবাদিকতা, পারস্পরিক সম্পর্কের বিকাশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

প্রথমে ১৮ তোপখানা রোডে মাসিক ১০০ টাকায় ভাড়া নেয়া ভবনে ক্লাবের কার্যক্রম শুরু হয়। ভবনটি একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবন ছিল, যেখানে বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু বসবাস করতেন। ক্লাবের প্রথম সভাপতি ছিলেন মুজিবুর রহমান খাঁ এবং প্রথম আজীবন সদস্য ছিলেন এন. এম. খান।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর সময় ক্লাব ভবনটি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সভায় ক্লাবের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘জাতীয় প্রেস ক্লাব’। ১৯৫৫ সালে গৃহীত হয় প্রেস ক্লাবের লোগো।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হয় ১৯৭৭ সালে, যখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্লাবের জন্য বর্তমান স্থানের জমি বরাদ্দ দেন এবং সরকারের অর্থায়নে নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করেন।

১৯৭৬ সালে সাংবাদিকদের দাবিতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রেস ক্লাবকে সরকারি তহবিল থেকে ভবন নির্মাণে সহায়তা করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “প্রেস ক্লাব একটি জাতীয় ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, এর উন্নয়ন মানে গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও সাংবাদিকতার প্রসার।” তার নির্দেশনায় সরকার ক্লাবের বর্তমান ভবন নির্মাণ করে, যা আজও সাংবাদিক সমাজের ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

পরবর্তীতে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেস ক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ক্লাবের জমি ৯৯ বছরের জন্য স্থায়ী লিজ হিসেবে ঘোষণা দেন। বর্তমানে ক্লাবের মোট জমির পরিমাণ প্রায় দুই একর।

প্রেস ক্লাব শুধু সাংবাদিকদের সংগঠন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও সাক্ষী। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে এই ক্লাব পরিণত হয়েছিল ‘গণতন্ত্র স্কয়ারে’।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ শুভক্ষণে সাংবাদিকরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশের গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রায় যাদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি ক্লাবের হারানো ঐতিহ্য ও গৌরব পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে— যেন জাতীয় প্রেস ক্লাব সবসময় সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব, স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতীক হয়ে থাকে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ
সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের একদিন আগে গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance (ICPPED) যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের সভায় গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

২০০৬ সালের ২০ ডিসেম্বর গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পর ২০১০ সালে এ সনদের বাস্তবায়ন শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৭৫টি দেশ এ সনদে যুক্ত হয়েছে।

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের লক্ষ্য হলো: গুম বন্ধের পাশাপাশি এ অপরাধের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হয় ৫২৭ জন ওসি

লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হয় ৫২৭ জন ওসি
ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই থানার (ওসি)-দের পদায়ন করা হয়।

 নির্বাচনে দায়িত্ব পালন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য লটারি করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পদায়নের আগে সৎ,

 নিরপেক্ষ পরিদর্শকের তালিকা ইউনিট প্রধানদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। তার ওপর ভিত্তি করেই এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লটারিতে মোট ৫২৭ থানায় নতুন  (ওসি) পদায়ন করা হয়েছে। পদায়নকৃতদের নামের তালিকায় প্রস্তাবিত লেখা রয়েছে। 

৫২৭ থানার মধ্যে মেট্রোপলিটনের কোনো থানার (ওসি)-কে পদায়ন করা হয়নি।পদায়নের মধ্যে রয়েছে-ঢাকা রেঞ্জে ১৩ জেলায় ৯৮ থানার ওসি, চট্টগ্রাম রেঞ্জে ১১ জেলায় ১১১ থানার ওসি, খুলনা রেঞ্জে ১০টি জেলায় ৬৪ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে।

 এছাড়াও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ৪ থানায় ৩৬ ওসি, বরিশাল রেঞ্জের ৬ জেলায় ৪৬ ওসি, সিলেট রেঞ্জের ৪ জেলায় ৩৯ থানার ওসি, রাজশাহী রেঞ্জে ৮ জেলায় ৭১ থানার ওসি এবং রংপুর

 রেঞ্জের ৮ জেলার ৬২ থানার ওসিকে পদায়ন করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে, সারা দেশে থানার সংখ্যা ৬৩৯টি।

 এরমধ্যে জেলা পর্যায়ে থানার সংখ্যা ৫২৭টি, মেট্রোপলিটন এলাকায় ১১০। মেট্রোপলিটন এলাকার ১১০টি থানার ক্ষেত্রে লটারি হবে না বলে জানায়

 সূত্রটি। সূত্রমতে, মেট্রোপলিটন এলাকায় অভ্যন্তরীণভাবে ওসি পদায়নের কাজটি করবেন সংশ্লিষ্ট কমিশনাররা।

 এর আগে গত ২৬ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ৬৪

 জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) লটারির মাধ্যমে পদায়ন করা হয়।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া
ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, নেতৃত্ব এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গঠনে তাঁর ভূমিকা বিশ্ব গণমাধ্যমে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়।

বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা ও গণমাধ্যমগুলো তাঁর রাজনৈতিক উত্থান, সংগ্রাম ও অবদানের ওপর আলোকপাত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, যাঁকে অনেকেই আগামী নির্বাচনে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে পারেন বলে মনে করছিলেন, মঙ্গলবার সকালে ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।

সরকার তাঁর মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। বুধবার তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি আরো বলেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থতা ও কারাবাস সত্ত্বেও খালেদা জিয়া গত নভেম্বর মাসে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। গত বছর গণ-অভ্যুত্থানে তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর এটিই ছিল দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।

বিবিসি ‘খালেদা জিয়া: নিহত নেতার বিধবা স্ত্রী থেকে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণকারী খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। একসময় তাঁকে তাঁর স্বামী, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা ও ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়া জিয়াউর রহমানের ‘লাজুক গৃহিণী হিসেবে বর্ণনা করা হতো। তবে ১৯৮১ সালে স্বামীর হত্যাকাণ্ডের পর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্বে উঠে আসেন এবং নব্বইয়ের দশক ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন বলে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বিএনপি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি যেসব দুর্নীতি মামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন, সেগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছিলেন খালেদা জিয়া। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে থাকা শেষ দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে খালাস দেন, যার ফলে তিনি ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতেন। এপি আরও জানায়, ২০২০ সালে অসুস্থতার কারণে কারামুক্তির পর তাঁর পরিবার অন্তত ১৮ বার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কাছে তাঁকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেওয়ার আবেদন জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অবশেষে তাঁকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়। তিনি জানুয়ারিতে লন্ডন যান এবং মে মাসে দেশে ফেরেন।

রয়টার্স শিরোনাম দেয়- ‘বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মারা গেলেন

রয়টার্স জানায়, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া খালেদা জিয়া দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন।

চিকিৎসকদের বরাতে বলা হয়, তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বুক ও হৃদ্রোগে ভুগছিলেন।

আল জাজিরা জানায়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও দেশের অস্থির রাজনীতির এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব খালেদা জিয়া দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন।

কাতারভিত্তিক এই গণমাধ্যমটি আরও একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে- ‘খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী - ক্ষমতা ও প্রতিরোধের এক জীবন শিরোনামে।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান তাদের অনলাইন সংস্করণে লিখেছে- ‘বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মারা গেলেন

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদনে লিখেছে- ‘খালেদা জিয়া: কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারকারী এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া কয়েক দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করেন।

দীর্ঘদিন বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার ভোরে ঢাকায় দীর্ঘ অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেন।

পিটিআই জানায়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার জন্য সমর্থকদের কাছে তিনি ব্যাপকভাবে সমাদৃত। নব্বইয়ের দশক এবং ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক প্রভাবশালী নাম।

ভারতের বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, ‘একদা রাজনীতিতে ঘোর অনিচ্ছুক ‘ফার্স্ট লেডি থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী!’ জলপাইগুড়ির ‘পুতুল হয়ে উঠেছিলেন ‘বেগম জিয়া-শীর্ষক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয় তাঁর স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর। ১৯৮২ সালে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ৯০-এর দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বার এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বার তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অধ্যায়ের অবসান হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি শুধু একটি দলের প্রধানই ছিলেন না, বরং সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশ-বিদেশে অসংখ্য মানুষ শোক প্রকাশ করছেন।

বেগম জিয়ার ইন্তেকালে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারাদেশে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল, গুলশানে তাঁর বাসভবন ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শোকাহত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সেখানে অসংখ্য মানুষকে অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। সারাদেশে সব জায়গায় দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে শোকের মাতম।

 

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে
ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

 শনিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

নিম্নচাপটি আজ সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৫৫ কি.মি. দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩০৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২৬৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কি.মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৫০ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

পহেলা বৈশাখে এবার ইলিশের সরবরাহ কম,দামও বেশি

পহেলা বৈশাখে এবার ইলিশের সরবরাহ কম,দামও বেশি
সংগৃহীত

পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে শুরু করে পান্তা-ইলিশ শোভা পায় বাঙালির পাতে।

ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে রুপালি ইলিশের কদর থাকে বরাবরই তুঙ্গে।

এবারও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যথারীতি বাজারে ইলিশের চাহিদা রয়েছে। তবে সে তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় বেশি দামেই ইলিশ মাছ কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

মাছ ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, অন্যান্য সময়ের চাইতে এখন ইলিশ ধরা পড়ছে কম। এজন্য বাজারে সরবরাহ কম, ফলে দাম বেশি। সাধারণত সরবরাহ বেশি হলেই দাম কম হয়। কিন্তু এবার পাইকারি বাজারেও ভিন্ন চিত্র।

বড় আকারের ইলিশের দেখা খুব একটা মিলছে না। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজির নিচে, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে জাটকা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রতিকেজি জাটকা বিক্রি করছেন সাড়ে ৬ শ' থেকে ৭ শ' টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ দাম ১২০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১৩৫০ থেকে দেড় হাজার টাকার মতো। ১ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৫৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ।

এবার ঈদের ছুটির সঙ্গে এবার পহেলা বৈশাখের ছুটি একসঙ্গে হওয়ায় অনেক মানুষ শহরে নেই ফলে অন্যান্যবারের পহেলা বৈশাখের মতো ইলিশ বেচাবিক্রির ধুম সেভাবে চোখে পড়ছে না।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা কম থাকায় বেশিরভাগ দোকানি অলস সময় পার করছেন। ঈদে শাকসবজির দাম বাড়েনি। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। সোনালি বা লেয়ার মুরগির দামও বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। এছাড়া বেশিরভাগ দোকানে গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা, আর খাসির মাংসের দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। সার্বিকভাবে বাজার স্বাভাবিকই আছে। তবে ঈদের ছুটির কারণে চাহিদা কম, ফলে সরবরাহও কম। একই প্রভাব পড়েছে ইলিশের বাজারে, যার ফলে বড় আকারের ইলিশেরও দেখা মিলছে না।


ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০

দেশে প্রত্যাবর্তনে তারেক রহমান পাবেন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

দেশে প্রত্যাবর্তনে তারেক রহমান পাবেন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে কোনো শঙ্কার কারণ নেই।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আসন্ন বড়দিন উপলক্ষে আতশবাজি পোড়ানো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বড়দিনে সড়ক অবরোধ করে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুমিল্লায় ট্রাক চালককে হত্যা ঘটনায় গ্রেফতার ৫

দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

কিশোরগঞ্জের কৃষিকে শিল্পে পরিণত করা হবে: শফিকুর রহমান

নির্বাচনে নিরপেক্ষতা রক্ষায় কোনো ছাড় নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ

বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)

আজ পবিত্র শবে বরাত: রহমত ও মাগফিরাতের রজনী

বাড়ির সামনে রেখে আসা হয় বিষাক্ত মিষ্টির প্যাকেট, খেয়ে প্রাণ হারালেন গৃহবধূ-সহ ৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি ৯ ফেব্রুয়ারি

ভোটের দিন ইন্টারনেট বন্ধ করলে আইনি ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

প্রবাসীদের ভোটে কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি মো. সানাউল্লাহ

১১

বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

১২

শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় রাখতে ইইউর কাছে আবেদন প্রধান উপদেষ্টার

১৩

কোনো মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি

১৪

তারেক রহমানের আগমন ঘিরে যশোরে জোর প্রস্তুতি

১৫

নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: প্রত্যাশা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৬

একটি দল মিথ্যা বলে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

১৮

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

১৯

পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

২০