

বর্তমান পরিস্থিতিতে চলমান এইচএসসি
ও সমমানের অবশিষ্ট পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে হবে, তা পরে
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান
তপন কুমার সরকার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, এসএসসির ফলাফলের সঙ্গে সমন্বয়
করে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দাবিতে সচিবলায়ে বিক্ষোভ করেন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা।
সকাল থেকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হন তারা। দুপুরের দিকে স্লোগান দিতে
দিতে সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন শিক্ষার্থীরা।
তারা জানান, বন্যা, কোটা সংস্কারসহ
নানা কারণে গত ৫ মাস ধরে পরীক্ষার মধ্যে আছেন। এ ছাড়া কোটা সমন্বয় ও সরকার পতনের এক
দফা আন্দোলনে অনেক পরীক্ষার্থী নিহত ও আহত হয়েছেন। অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি। এমন পরিস্থিতিতে
বারবার পরীক্ষার পেছানোর ফলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। তাই আহতদের রেখে
এ বছর আর পরীক্ষা দিতে চান না তারা।
এ ছাড়াও তাদের এসএসসি ফলাফলের সঙ্গে
সমন্বয় করে দ্রুত এইচএসসির ফলাফল প্রকাশের দাবিও জানান তারা।
মন্তব্য করুন


সরকার দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজের আট হাজার ৮০৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বলা হয়,৮৮০৭ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে স্কুলের সাত হাজার ৭১৪ জন এবং কলেজের এক হাজার ৯৩ জন।
মাউশি সূত্র আরো জানায়, প্রতি দুই মাস পর পর মাউশিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবার যারা হচ্ছেন তাদের বেশিরভাগই গত বছর নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী।
সভা সূত্রে বিস্তারিত জানা গেছে, স্কুল পর্যায়ের সাত হাজার ৭১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে ঢাকার ৭২৭ জন, বরিশালের ৫৭৫ জন, ময়মনসিংহের এক হাজার ৩০৪ জন, খুলনার এক হাজার ৪৪৫ জন, চট্টগ্রামের ৭২৯ জন, কুমিল্লার ৬৬২ জন, রাজশাহীর ৭০২ জন, রংপুরের এক হাজার ১২৭ জন এবং সিলেটের ৪৪৩ জন রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
ঘোড়াঘাট পৌরশহরে আলম মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার
(১৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নয়াপাড়া
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম মিয়া ওই এলাকার মৃত মোখছেদ শেখের ছেলে।
পরিবার
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলম মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন। রাতের
কোনো একসময় তার স্ত্রী বাড়ির উঠানে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তার
মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং গলাকাটা অবস্থায় পড়েছিলেন। পরে স্ত্রীর চিৎকার শুনে তাদের
ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বাবাকে উদ্ধার করেন।
এরপর
রাত সাড়ে তিনটার দিকে স্বজনরা ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্তমানে
নিহতের মরদেহটি তার নিজ বাড়িতে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘোড়াঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।
ঘোড়াঘাট
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কাজ
চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
বীরগঞ্জে মাছবাহী পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায়
আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের
দিনাজপুর-পঞ্চগড় সড়কের পাঁচপীর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন- দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার মালগ্রামের মো. নাজমুল ইসলামের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার
(২৮) ও তাদের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩)। এ ঘটনায় মো. নাজমুল ইসলাম আহত হয়ে হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন।
পুলিশ
জানায়, নাজমুল তার স্ত্রী ও ছেলেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দেখানোর জন্য নিজ বাড়ি থেকে
মোটরসাইকেলে করে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর থানার উত্তর গড়েয়া এলাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
তারা বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের পাঁচপীর নামক স্থানে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি
মাছবাহী পিকআপ তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে নাজমুল রাস্তায় ছিটকে পড়লে পিকআপটি
দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী ও ছেলের শরীরের উপর তুলে দেয়। ঘটনাস্থলেই দুজনের
মৃত্যু হয়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত নাজমুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বীরগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পিকআপটি
আটকের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


রেখে যাবো
সংসারে কিছু কিছু নয়,সব কিছুই রেখে যেতে হয়,
সাজানো গোছানো কিংবা অগোছালো ঘরদোর,
আত্মীয় -পরিজন,বন্ধু-স্বজন,সন্তান-সন্ততি মায়াডোর।
কিছু অপূর্ণ আশা,কিছু অসমাপ্ত কাজ
রেখে যাওয়া ভালো জীবনের সিম্ফনিতে নিঃশব্দে নীরবে,
তারপর
হারিয়ে যাওয়া ছায়াপথে।
ফেলে তো যেতেই হবে মায়াময় ধুলোমাখা চিরচেনা পথ,
সে পথেই পড়ে রবে সংসারের অভ্রভেদী রথ।
শ্রাবণের বৃষ্টির জন্য কাছে রেখে যাবো
বুকের ভেতর জমানো কান্নার সমুদ্দুর।
তীব্র শীতে উষ্ণতার জন্য রেখে যাবো
ভালবাসার রোদ্দুর।
আমার অন্তিম অর্ঘ্য রেখে যাবো
মায়াবী অসামান্য পৃথিবীতে।
ক্ষীণ আশার দীপ জ্বেলে রাখি-
প্রজন্মান্তরে সুখের সোনালী কুটির হবে আমার এ ভিতে।
মল্লিকা বিশ্বাস
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র সংস্কারে দলের
প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দলটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য
রাখা, পুলিশের জন্য স্বাধীন কমিশন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্র
সংস্কারে সেক্টর অনুযায়ী আলাদা আলাদা ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দলটি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন,
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের
কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন। অনুষ্ঠান
পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান
আকন্দ।
জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, এই ১০ প্রস্তাব শুধুমাত্র অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। নির্বাচিত কোনো সরকারের জন্য নয়।
এই সরকারের কাছে তাদের মোট ৪১টি প্রস্তাব
আছে, যার মধ্যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
জামায়াতের
সংস্কারের প্রস্তাবগুলো হলো--
১.
আইন ও বিচার
● উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের জন্য
সুষ্ঠু ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।
● বিচার বিভাগ থেকে দ্বৈত শাসন দূর
করতে হবে।
● বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে
পৃথকীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
● আইন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে সুপ্রিম
কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে
বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও গণমানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যশীল আইন
প্রণয়ন করতে হবে।
● ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ওসকল কালো আইন বাতিল করতে হবে।
● বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিভাগীয়
পর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● নিম্ন আদালতের যথাযথ স্বাধীনতা নিশ্চিত
করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে।
● সকল ফৌজদারি মামলা তদন্তের জন্য স্বাধীন
তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।
● দেওয়ানি মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫
বছর এবং ফৌজদারি মামলাসমূহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান করতে হবে।
২.
সংসদ বিষয়ক সংস্কার
● সংসদের প্রধান বিরোধীদল থেকে একজন
ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করতে হবে।
● সংসদীয় বিরোধী দলীয় নেতার নেতৃত্বে
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
● সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের পর্যাপ্ত
সময় দিতে হবে।
৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার
● জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক
ব্যবস্থা (Proportional Representation-PR) চালু করতে হবে।
● সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত
করার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে।
● নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার
জন্য বিভিন্ন দেশে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।
● কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের চাকরি
ছাড়ার কমপক্ষে ৩ বছরের মধ্যে কোনো ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
● স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে
সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে।
● অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার
জন্য সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ২০০৮ সালে প্রবর্তিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা বাতিল
করতে হবে।
● নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার
নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে সার্চ কমিটি
গঠিত হবে।
● জাতীয় সংসদ নির্বাচন একাধিক দিনে
অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
● ঘওউ- ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের
অধীনে আনতে হবে।
৪. আইনশৃঙ্খলা সংস্কার
ক) পুলিশ বাহিনীর সংস্কার
● ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রণীত পুলিশ
আইন পরিবর্তন এবং পুলিশের জন্য একটি পলিসি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।
● পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি
এবং চাকরিচ্যুতির জন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে।
● নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির
ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না তথা সর্বপ্রকার
দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
● পুলিশ ট্রেনিং ম্যানুয়ালের মধ্যে
ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত
করতে হবে।
● পুলিশের মধ্যে মারণাস্ত্রের ব্যবহার
বাতিল করতে হবে।
● রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে
আসামি পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং মহিলা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের অভিভাবকের
উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
● বিচার বিভাগীয় সদস্যদের দ্বারা পুলিশ
ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকতে হবে।
● পুলিশের ডিউটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা
উন্নত করতে হবে।
● ‘পুলিশ আইন’ পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের
মাধ্যমে আধুনিকায়ন করতে হবে।
খ)
র্যাব বিষয়ক সংস্কার
● র্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর
প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।
● গত সাড়ে ১৫ বছর যারা র্যাবে কাজ
করেছে তাদেরকে স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদেরকে পুনরায় র্যাবে নিয়োগ
দেয়া যাবে না।
● বিচারবহির্ভূত সকল প্রকার হত্যাকাণ্ড-
বন্ধ করতে হবে।
● র্যাবের সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং-এর
জন্য সেল গঠন করতে হবে। কোনো র্যাব সদস্য আইনবহির্ভূত কোনো কাজে জড়িত হলে এই সেল তার
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করবে।
● মিডিয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়ন
ও অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. জনপ্রশাসন সংস্কার
● জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির,
সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
● যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে
শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
● সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে
করতে হবে।
● চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২
বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর
নির্ধারণ করতে হবে।
● চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার
বৈষম্য নিরসন করতে হবে।
● সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে
বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয়
মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।
● চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য
দূর করতে হবে।
● বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি
চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের
নিয়োগ বাতিল করতে হবে।
৬.
দুর্নীতি
● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ,
ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।
● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করতে হবে।
● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে।
● বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচারকৃত
অর্থ ফেরত আনার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
● মন্ত্রণালয় ভিত্তিক দুর্নীতি দমন
কমিশন গঠন করতে হবে।
● দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন সংস্কার,
জনবল ও পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।
● রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে
ভোগ দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন করতে হবে।
৭.
সংবিধান সংস্কার
● রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে
ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার বিধান সংযুক্ত করতে হবে।
● একই ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের বেশি
প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৮.
শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার
ক) বিরাজমান সমস্যার আলোকে শিক্ষা সংস্কার
প্রস্তাব
● ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক
এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বলবৎ রাখতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পাবলিক
পরীক্ষা বাতিল করে পূর্বের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে।
● পাঠ্যপুস্তকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের
বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।
● সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয়
মূল্যবোধবিরোধী উপাদান বাদ দিতে হবে।
● সকল শ্রেণিতে নবী করিম সা. এর জীবনীসহ
মহামানবদের জীবনী সংবলিত প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে।
● স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা
করতে হবে। বিদ্যমান স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে সরকারীকরণ করতে হবে।
● প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে কামিল
মাদরাসাকে সরকারীকরণ করতে হবে।
● কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ
শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।
● Department of Higher Education নামে
একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।
● শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত শিক্ষা
কমিশনের সকল ধারা তথা সাধারণ, আলিয়া, কওমীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
খ)
সংস্কৃতি সংস্কার
● জাতির ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও
মূল্যবোধের আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।
● জাতির ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয়
করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তা পালনের ব্যবস্থা
করতে হবে।
● নাটক, সিনেমাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক
অনুষ্ঠানগুলো অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও বিভিন্ন কন্টেন্টে বিভিন্ন ধর্ম,
বিশেষ করে ইসলামকে হেয় করা থেকে বিরত থাকার বিধান প্রণয়ন করতে হবে।
● প্রাণীর মূর্তিনির্ভর ভাস্কর্য নির্মাণ
না করে দেশীয় প্রকৃতি, ঐতিহ্যকে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন-ভাস্কর্যে তুলে আনতে হবে।
● সকল গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম
প্রচার নিশ্চিত করতে হবে।
৯.
পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার
● পররাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল
গণতান্ত্রিক দেশের সাথে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে
হবে।
● জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চীন, নেপাল,
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানিবণ্টন চুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।
● আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাণিজ্যিক
সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।
● অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিগত সরকারের
আমলে সম্পাদিত সকল চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি রিভিউ কমিশন গঠন করতে হবে।
● বাংলাদেশকে আসিয়ান জোটভুক্ত করার
উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
● শক্তিশালী SAARC পুনর্গঠনের উদ্যোগ
গ্রহণ করতে হবে।
● কোনো দেশের সাথে চুক্তি অথবা সমঝোতা
চুক্তি হলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উত্থাপন করে বিস্তারিত
আলোচনা পূর্বক তা অনুমোদন করতে হবে।
১০. ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার
● ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে (ইফাবা)
রাষ্ট্রের কল্যাণে অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
● ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিকে স্বতন্ত্র
সংস্থা বা দপ্তরে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
● ইসলামিক মিশনকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের
অধীনে স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● হজ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র অধিদপ্তর
প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
● হজ্জ ও উমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর
উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
● ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে দেশের বরণ্যে আলেমগণ সম্পৃক্ত থাকবেন।
● বিতর্কিত সকল বই বাতিল ও প্রকাশনা
বন্ধ করতে হবে।
● সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় কার্যক্রম
পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়
নেতা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এটিএম মাছুম, সাইফুল আলম খান মিলন,
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব
জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরের
রায়পুরে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথিদের খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার
(৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের মন্ত্রী পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন বেলাল হোসেন (৪০), শাহিনুর (৪০) ও ইয়াসিন (২২)। স্থানীয়রা তাদের
উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, কেরোয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহ আলম পাটোয়ারীর মেয়ে নাজমার সঙ্গে কলাকোপা এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে মুক্তার হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় তিন লাখ
টাকা। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর অতিথিদের খাবার
পরিবেশন করা হচ্ছিল। এ সময় বরের
বড় ভাই খাবারের পরিমাণ নিয়ে আপত্তি তোলেন। বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
পরিস্থিতি
উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বরও এতে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে তিনি বাঁশ ও লাঠি খুঁজে
হামলার চেষ্টা করেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি শুরু
হলে তিনজন আহত হন।
কনের
বাবা শাহ আলম পাটোয়ারী বলেন, খাবার পরিবেশন নিয়ে বরের ভাই প্রথমে আপত্তি জানান। বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তা বাড়তে থাকলে বরও উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এরপরই মারামারির ঘটনা ঘটে।
রায়পুর
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) মামুনুর রশিদ জানান, সংঘর্ষের পর তিনজনকে হাসপাতালে
আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। অপর একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রায়পুর
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল মান্নান বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানে মারামারির বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ভোর ৬টা ২২ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। প্রথমে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর আজ ভোর ৬টার দিকে মারা যান।
মোহাম্মদ সাইফুল মালিকের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের ছেলে। ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া সাইফুল মালিক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।
জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে যোগদান করেন।
এদিকে সাইফুল মালিকের অকাল মৃত্যুতে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ জেলা পুলিশ শোক প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
ও রাশিয়া জনশক্তিখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে রাশিয়ায়
বর্তমানে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখে
উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ায় চলমান
তিন দিনের সরকারি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই প্রস্তাব দেন।
বিজ্ঞপ্তিতে
আরও বলা হয়, রুশ কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবের ওপর দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে
এবং উভয় পক্ষই শিগগিরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দুই
দেশের আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি দশগুণ বাড়ানোর বিষয়টি অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উঠে এসেছে।
জনশক্তি
খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ও রাশিয়া একমত
হয়েছে যে বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম এবং তা উল্লেখযোগ্যভাবে
বাড়ানো উচিত।
রাশিয়ায়
বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ সামগ্রীর বাজার বাড়ানোর সম্ভাবনার
কথাও তুলে ধরেন ড. খলিলুর রহমান।
বাণিজ্যের
নতুন সুযোগ সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি বাংলাদেশি
ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রুশ পক্ষ।
এছাড়া
দুই দেশের আলোচনায় প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত সহযোগিতা
বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।
কৃষি
ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য
একটি রুশ প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই প্রস্তাবেও
তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।
পাশাপাশি
বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা প্রণয়ন এবং এই খাতে ‘সেন্টার
অব এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে
মস্কো।
ড.
খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে রাশিয়া সফরে রয়েছেন। এই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর
পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল আগামী ২৬-২৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।
১৮ নভেম্বর শনিবার এ তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার বলেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল প্রকাশের জন্য আগামী ২৬-২৮ নভেম্বরের মধ্যে সময় চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তবে আমরা তারিখ পাইনি এখনও।
আগামী ২৬ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন