

বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাহিদ।
এবার তার সঙ্গী হবে ৬ চিকিৎসকসহ ১৪ জন। এবারও সঙ্গী হিসেবে নাম রয়েছে গৃহপরিচারিকা
ফাতেমা বেগমের। দীর্ঘদিন ধরে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তিনি।
এবারের
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ও রুপা সিকদার থাকবেন বলে বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জানা
গেছে, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ২০১০ সাল থেকে বেগম জিয়ার ছায়াসঙ্গী হয়ে রয়েছেন। ২০১৮
সালে স্বেচ্ছায় বেগম জিয়ার সঙ্গে কারাগারেও ছিলেন তিনি। বেগম জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
থাকলে তিনিও থাকেন হাসপাতালে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশাল কার্যালয়ের সামনে আটকে দেওয়া
হয়েছিল। তখনো পতাকা হাতে বেগম জিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ফাতেমাকে।
তার
গ্রামের বাড়ি ভোলায়। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বেগম খালেদা জিয়া।
তখনো তার সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা বেগম।
এবারের
খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে যাবেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ
হোসেন, ডা. এনামুল হক চৌধুরী (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী,
ডা. সাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ
আল মামুন, হাসান শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই
মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট
সেক্রেটারি), ফাতেমা বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক আজ ৫ জানুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সম্মনিত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের মগবাজারস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংগঠনের নায়েবে আমীরগণ, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলগণসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি। প্রশাসনের মধ্যে কিছু কিছু সরকারি কর্মকর্তা একটি বিশেষ দলের পক্ষে কাজ করছে বলে বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযোগ আসছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনো প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে।
দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। দেড় হাজার শহীদ, ত্রিশ হাজারের অধিক আহত ও পঙ্গুত্ববরণের মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের এই প্রিয় নতুন বাংলাদেশকে কোনো ধরনের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র বা কোনো গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি হতে দেয়া যাবে না।
নির্বাচন কমিশন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে এবং বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়।
অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা শতভাগ নিশ্চিত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক
গণসংবর্ধনা স্থান ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্ট বর্জ্য পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।
আজ
(শুক্রবার) সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে
বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকাল থেকেই ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে
(৩০০ ফিট মহাসড়ক), এয়ারপোর্ট রোড এবং সংলগ্ন এলাকাজুড়ে জমে থাকা সব ধরনের বর্জ্য পরিষ্কার
করা হচ্ছে।
গতকাল
(বৃহস্পতিবার) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, গণসংবর্ধনা
স্থান ও আশপাশ এলাকায় সৃষ্ট বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম শুক্রবার সকালে শুরু হবে।
ঢাকা
মহানগর উত্তর বিএনপির তত্ত্বাবধানে স্বেচ্ছাসেবক ও দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে
এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ‘শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মসূচির
পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও নগর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় বিএনপি সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা
পালন করে আসছে। সংবর্ধনা শেষে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সেই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে জানান
বিএনপির নেতারা।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ
উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক রেজোল্যুশন (প্রস্তাবনা) সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
হয়েছে। ১১২টি দেশ এই রেজোল্যুশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
প্রথম মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ
‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজোল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে, যা শান্তি
ও অহিংসার সংস্কৃতিকে উন্নীত করার জন্য আটটি বিশেষ ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে, সে অনুযায়ী
কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান রয়েছে এতে। এছাড়া সাধারণ পরিষদের সভাপতির
নেতৃত্বে ২০১২ সাল থেকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের
ফোরামের আয়োজন করে আসছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
(২ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
বাংলাদেশের পক্ষে এটি উত্থাপন করেন। শুক্রবার (৩ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন
এ তথ্য জানায়।
স্থায়ী মিশন বলছে, চলতি বছর
আলোচ্য রেজোল্যুশনটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা এ বছরে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা
এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
প্রস্তাবনাটি উপস্থাপনের
সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত
প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ বিশ্ব ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং মানবিক মর্যাদা
অবজ্ঞার মুখোমুখি। এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতা থেকে উত্তরণে মানবমনে সম্প্রীতি
ও সহমর্মিতার ভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, সমতা ও সব মানুষের সমমর্যাদার চেতনাকে সমুন্নত
করতে হবে এবং সর্বোপরি যুদ্ধের চেয়ে শান্তিকে অনেক বেশি লাভজনক করে তুলতে হবে।
যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের
নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির
ধারণা প্রবর্তনের বাংলাদেশের উদ্যোগটি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বৈষম্য,
বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা এবং পরাধীনতা আমাদের একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করে।
এ কারণেই আমরা শান্তির প্রসারকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক নীতিতে পরিণত করেছি।
এবারের রেজোল্যুশনে শান্তির
সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচির ২৫তম বার্ষিকী যথাযথভাবে পালন ও উদ্যাপনের
জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে দিনব্যাপী একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আহ্বান করার জন্য
অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ রেজোল্যুশনে সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
এবং মিডিয়াসহ অন্যান্য অংশীজনদের শিক্ষা ও জনসচেতনতা সম্প্রসারণসহ অন্যান্য আয়োজনের
মাধ্যমে যথাযথভাবে এই বার্ষিকীটি পালনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
রেজোল্যুশনটির বিবেচনার পূর্বে
শান্তির সংস্কৃতির ওপর সাধারণ পরিষদে একটি সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বহুসংখ্যক
সদস্য রাষ্ট্র বক্তব্য দেয়। এ সময় তারা শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি
বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে।
সবশেষে প্রতিনিধি দলগুলো
জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক
নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানায়।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন
রাষ্ট্রপতি।
ধর্ম
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
মঙ্গলবার
গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি ও সচিবালয়ের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে তাদের সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন
দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের
নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য
জানান জামায়াত আমির।
ফেবসুক
পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকার হবে জনগণের নিকট দায়বদ্ধ।
যুগ
যুগ ধরে এ দেশে জবাবদিহিতা ছাড়াই দেশ শাসন করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
হয়েছে পর্দার আড়াল থেকে। ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির পাহাড়কে গোপন করা হয়েছে চুপিসারে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় আমরা যদি সেবা করার সুযোগ পাই, আমাদের
মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ
করতে বাধ্য থাকবেন।
তাদের
নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।’
জামায়াত
আমির তার পোস্টে বলেন, ‘আমাদের সরকার চলবে স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে,
যেখানে প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। সরকারি কাজ, ব্যয় এবং সেবা প্রদানের
প্রতিটি ধাপ নাগরিকরা সরাসরি (রিয়েল-টাইম) পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। জনগণের থেকে লুকিয়ে
রাখার এই সংস্কৃতির চিরস্থায়ী অবসান ঘটবে, ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে
নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, সব ধরনের প্রস্তুতি
নেওয়া আছে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
তিনি
বলেন, যে সময় নির্বাচন হবে, সে সময়ের জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার আমরা সেই ধরনের
প্রস্তুত রয়েছি।
আজ
শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে র্যাব-১ অফিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এটা আপনারাও বলছেন। গত ১১ মাসে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত
হবে। এবারের জামাতের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান একই সঙ্গে এখানে নামাজ আদায় করবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন
শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম।
পরিদর্শনকালে
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান
রুমন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার
শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার।
প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার
গঠনের পর এটিই প্রথম ঈদুল ফিতর। এই ঈদ জামাত আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের সদয় সম্মতি জানিয়েছেন। ফলে সাধারণ
মুসল্লিরা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই জামাতে নামাজ আদায়ের বিরল সুযোগ পাবেন।’
দেশবাসীকে
অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সঠিক নির্দেশনায় এবারের
ঈদযাত্রা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। নৌ, রেল ও সড়কপথে মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে
পৌঁছাতে পারছেন।
প্রস্তুতি
পরিদর্শন শেষে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতি ও সুবিধা
সম্পর্কে জানান, ঈদগাহ ময়দানে ৩ হাজার ৫০০ নারীসহ মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা
করা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, ওজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া
পর্যাপ্ত ওজুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবেশের সময় গেট সীমিত থাকলেও নামাজ শেষে দ্রুত প্রস্থানের
জন্য সবগুলো গেট খুলে দেওয়া হবে।
আবহাওয়া
প্রতিকূল থাকলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত
হবে।
ডিএসসিসি
প্রশাসক মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে ঈদগাহে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান
এবং আয়োজন সফল করতে নগরবাসী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুশিল্পীরা পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে খ্যাতি অর্জন করবে।
আজ
শনিবার ঢাকার রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) অডিটোরিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু-কিশোরদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
নতুন
কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু-কিশোরদের অভিনন্দন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হিসেবে নতুন কুঁড়ির শিশুশিল্পীদের সংস্কৃতিচর্চা চালিয়ে যেতে হবে। একইসঙ্গে অন্যান্য বিষয়েও শিশুশিল্পীদের প্রতিভা বিকশিত করতে হবে। শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে অভিভাবক ও শিক্ষকগণের ভূমিকা
তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় শিশুশিল্পীরা যে সাফল্য দেখিয়েছে,
তার মূলে রয়েছে অভিভাবক ও শিক্ষকগণের অবদান।
তিনি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুশিল্পীদের অভিভাবক ও শিক্ষকগণকে অভিনন্দন
জানান।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, ‘তোমরা অনেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী হয়েছ। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ অনেকেই হয়তো তোমাদের পরিচিত। গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতরা যে
বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নের পথে হাঁটার জন্য আমরা এই আয়োজনটা (নতুন
কুঁড়ি) করেছি।
২০
বছর পর নতুন কুঁড়ি
প্রতিযোগিতা শুরুর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, গত জুলাই মাসে
এই প্রতিযোগিতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে বিজয়ী শিশুশিল্পীদের পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে
শেষ হলো। নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজনের জন্য তিনি বিটিভির মহাপরিচালক-সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে
ধন্যবাদ জানান।
মাহফুজ
আলম বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটা আশার সঞ্চার হয়েছে যে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি টিকে থাকবে এবং সারা দুনিয়ায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী সরকারও নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুশিল্পীরা শিল্প-সাহিত্য অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে। এই শিশুশিল্পীরা বাংলাদেশের
শিল্প-সাহিত্যকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতির বক্তৃতায় বিটিভির মহাপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার
প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও আন্তরিক পদক্ষেপের
কারণে মাত্র দেড় মাসের মধ্যে নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে।
প্রতিযোগিতায়
বিজয়ী শিশুশিল্পীদের নিয়ে বিটিভির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার সকল শাখার সেরা দশ জন সরাসরি
বিটিভির শিল্পী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে। এছাড়া বিটিভি আয়োজিত শিশুপ্রহর অনুষ্ঠানে শুধু নতুন কুঁড়ির সেরা দশের শিল্পীরা অংশগ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানটি প্রতি শুক্রবার প্রচারিত হবে।
বাংলাদেশ
টেলিভিশন আয়োজিত পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে নতুন কুঁড়ি ২০২৫ প্রতিযোগিতায় ক ও খ
বিভাগের প্রতি বিষয়ে ১ম, ২য় ও ৩য়
স্থান অর্জনকারী মোট ৭৩ জন শিশুশিল্পী
পুরস্কৃত হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুশিল্পীরা হলো :
ক
বিভাগ : অভিনয়ে ১ম আরহাম হাসান
আরিয়ান; ২য় রুফাইদা আফরা;
৩য় মুগ্ধতা মল্লিক। আধুনিক গানে ১ম প্রিয়সী চক্রবর্তী;
২য় স্মিতা বাড়ই; ৩য় শেখ রোদসী
রায়ান। আবৃত্তিতে ১ম আরিশা দানীন
মাহা; ২য় মোঃ ইছা
আল মাহিম; ৩য় নাভীদ হাসান।
উচ্চাঙ্গ নৃত্যে ১ম মোছাঃ আদৃতা
তাসনিম লাবণ্য; ২য় শৌনক কুন্ডু;
৩য় আর্যশ্রী বিশ্বাস পৃথা। কৌতুকে ১ম সাবিক সাদত;
২য় জেরাল্ড বিশ্বাস; ৩য় মাহিরা। গল্প
বলায় ১ম রোহিনী হাসান
হৃদ্ধি; ২য় আয়েশা সিদ্দিকা;
৩য় নুসরাত তাসনিম। দেশাত্মবোধক গানে ১ম অংকিতা সরকার;
২য় মো. ইহানুর রহমান; ৩য় তোজো মণ্ডল।
নজরুল সংগীতে ১ম অরিত্রা বসাক;
২য় শ্রেয়া রায়; ৩য় অংকিতা সরকার।
রবীন্দ্রসংগীতে ১ম প্রিয়সী চক্রবর্তী;
২য় আরিশা দানীন মাহা; ৩য় শুভশ্রী সরকার।
লোকসংগীতে ১ম চিশতি রহমতুল্লাহ
সাফীন মন্ডল; ২য় আইয়ান রেজা;
৩য় মো. ইহানুর রহমান। সাধারণ নৃত্যে ১ম ঐশ্বর্য্য জিতা
স্পর্শ; ২য় নাজিফা হোসেন
(স্বাধিকা); ৩য় দীপশিখা দে।
হামদ-নাতে ১ম সুরাইয়া আক্তার;
২য় তাসবিহা আয়ান তানহা; ৩য় শুহাদা।
খ
বিভাগ : অভিনয়ে ১ম হুমায়রা আসিফা;
২য় মাহিমা জামান কথা; ৩য় মুরাদুস সালিহীন।
আধুনিক গানে ১ম রোদসী নূর
সিদ্দিকী; ২য় তুষ্মি দাস;
৩য় শ্রীতমা রায়। আবৃত্তিতে ১ম সাবিলা সুলতান
বাণী; ২য় আফিয়া সাইয়ারা
ত্বাহা; ৩য় নাহিনা বিনতে
জামান। উচ্চাঙ্গ নৃত্যে ১ম মৃনময়া পাল
ও তুলি মল্লিক (যৌথভাবে); ২য় তনুশ্রী মন্ডল;
৩য় কায়নাত বিনতে মোর্শেদ রাই। কৌতুকে ১ম দিশান রায়
দুর্জয়; ২য় এহসানুল হক;
৩য় তাসফিয়া মুনতাহা। গল্প বলায় ১ম ফাইরুজ বারী
মালিহা; ২য় সমহৃদ্ধি সূচনা
স্বর্গ; ৩য় মাহিমা জামান
কথা। দেশাত্মবোধক গানে ১ম শ্রেয়া সাহা;
২য় শ্রদ্ধা কর্মকার; ৩য় অন্বেষা বর্মন।
নজরুলসংগীতে
১ম আজমাইন আরহাম; ২য় শুভমিতা তালুকদার;
৩য় অন্বেষা বর্মন। রবীন্দ্রসংগীতে ১ম শুভমিতা তালুকদার;
২য় শ্রীতমা রায়; ৩য় অন্বেষা বর্মন।
লোকসংগীতে ১ম কুমারী রিয়া
ব্যাধ; ২য় মোঃ বাইজিদ
আহমেদ; ৩য় তানিশা ইসলাম
হিয়া। সাধারণ নৃত্যে ১ম রাওজা করিম
রোজা; ২য় রাধিকা তাছাল্লুম
রিয়ন্তি; ৩য় ইউশা শাহিরা
আনুভা। হামদ-নাতে ১ম আহনাফ আদিল;
২য় তাসনিম জাহান; ৩য় রোদসী নূর
সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে
১ম স্থান অর্জনকারীকে ২ লক্ষ টাকা,
২য় স্থান অর্জনকারীকে ১ লক্ষ টাকা
এবং ৩য় স্থান অর্জনকারীকে
৫০ হাজার টাকার চেক-সহ ট্রফি ও
সনদ প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার ক বিভাগের চ্যাম্পিয়ন
প্রিয়সী চক্রবর্তী এবং ‘খ’ বিভাগের চ্যাম্পিয়ন
শুভমিতা তালুকদার গত ১৩ নভেম্বর
প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকার
চেক ও ট্রফি গ্রহণ
করে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
হয়েছে।
আজ
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা
অনুষ্ঠিত হয়।
সভায়
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তারেক
রহমান এর আগে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস
করতে আসেন।
কার্যালয়ের
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে
স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী
নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের
সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী
একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা কার্যালয় চত্বরে রোপণ এবং মহান আল্লাহপাকের কাছে শুকরিয়া
আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থীর সংখ্যা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারা দেশে ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায়
মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে ভোটের লড়াইয়ে নামছেন। এর মধ্যে নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী
১ হাজার ৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ২৪৯ জন।
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) দিবাগত রাতে ইসি সচিবালয়ের
পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক এই তথ্য জানান।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৮৮টি
আসনে প্রার্থী দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
২৫৩টি আসনে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে জাতীয় পার্টি ১৯২টি,
গণঅধিকার পরিষদ ৯০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৪টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি
এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩০টি আসনে তাদের প্রার্থী দিয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, বর্তমানে ২৯৮টি আসনের প্রার্থী তালিকা
চূড়ান্ত হলেও পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের জন্য নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে ওই
দু’টি আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আগামী ২৭ জানুয়ারির পর জানা যাবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা
থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ৩০০ সংসদীয় আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট
পেপারের মাধ্যমে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার
(সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিলেন।
সেই অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়।
মন্তব্য করুন