

বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ
মধ্যরাতের পরে অথবা কালকে সকালের ভেতরে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডা. জাহিদ।
এবার তার সঙ্গী হবে ৬ চিকিৎসকসহ ১৪ জন। এবারও সঙ্গী হিসেবে নাম রয়েছে গৃহপরিচারিকা
ফাতেমা বেগমের। দীর্ঘদিন ধরে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তিনি।
এবারের
সফরে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দুই গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ও রুপা সিকদার থাকবেন বলে বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জানা
গেছে, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগম ২০১০ সাল থেকে বেগম জিয়ার ছায়াসঙ্গী হয়ে রয়েছেন। ২০১৮
সালে স্বেচ্ছায় বেগম জিয়ার সঙ্গে কারাগারেও ছিলেন তিনি। বেগম জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে
থাকলে তিনিও থাকেন হাসপাতালে। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
বাতিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়াকে গুলশাল কার্যালয়ের সামনে আটকে দেওয়া
হয়েছিল। তখনো পতাকা হাতে বেগম জিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় ফাতেমাকে।
তার
গ্রামের বাড়ি ভোলায়। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান বেগম খালেদা জিয়া।
তখনো তার সঙ্গী ছিলেন ফাতেমা বেগম।
এবারের
খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে যাবেন—পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ
হোসেন, ডা. এনামুল হক চৌধুরী (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী,
ডা. সাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ
আল মামুন, হাসান শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই
মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট
সেক্রেটারি), ফাতেমা বেগম (গৃহকর্মী), রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
মন্তব্য করুন


কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন নিয়ে তাড়াহুড়ার
করছেন, তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই, সংস্কার শেষ হলেই নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হবে।
নির্বাচন নিয়ে অধৈর্য হওয়ায় সরকারের সংস্কার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন
অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে দিনাজপুরের
কাহারোল উপজেলা মিলনায়তনে শীত বস্ত্র বিতরণ এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ফ্যাসিবাদী
ব্যবস্থার বিলোপের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠান যেভাবে সংস্কার করা দরকার সেই সংস্কারের
এজেন্ডা নিয়ে কাজ করছে। সংস্কার কমিশন রিপোর্ট দিলে আমরা সে অনুযায়ী কাজ করব। প্রধান
উপদেষ্টা নির্বাচনের একটি রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন। তবে আগামী নির্বাচন নির্ভর করছে
সংস্কার কার্যক্রমের ওপর। সংস্কার কমিশনগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারের প্রস্তাব
দেবে। সে রিপোর্টগুলো নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার পলিটিক্যাল পার্টিদের সঙ্গে আলোচনা
করা হবে। সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মতবিনিময় শেষে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড
অব অনার প্রধান করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের
সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার
বিভাগের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক আবু জাফর, উপদেষ্টার একান্ত সচিব আবুল হাসান, পুলিশ
সুপার নাজমুল হাসান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন
কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অটোরিকশা চালক মো. সাব্বির হোসেন (১৮) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনা জড়িত ৭জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, লুন্ঠিত অটোরিকশা ও চালকের ব্যবহত মোবাইল ফোন।
বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
গ্রেফতার আসামীরা হলেন-চাঁদপুর সদরের তরপুরচন্ডী এলাকার মো. জহির বাবলা (৪৫), মতলব দক্ষিন উপজেলার মো. আনিছুর রহমান (২৫), একই উপজেলার মো. রাজু বেপারী (২৫), মো. রাকিব (২৩) ও মো. আমির হোসেন হানজালা (২৫), নরসিংদী জেলার পলাশ থানার চরসিন্দুরের কবির হোসেন (৩৫) এবং দিনাজপুর জেলার কোতয়াালী থানার মতুল্লাপুর এলাকার হামিদুর রহমান (৪১)।
পুলিশ সুপার জানান, কচুয়া পালাখাল ইউনিয়নের ভুঁইয়ারা গ্রামের অটোরিকশা চালক মো. সাব্বির হোসেন গত ২৪ জানুয়ারি বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ী থেকে বের হন। এরপর রাতে বাড়ীতে ফিরেননি। পরদিন ২৫ জানুয়ারি তার মা জাহানারা বেগম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ওই দিন বিকেলে পুলিশ স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে ওই ইউনিয়েনর সেঙ্গুয়া নামক স্থান থেকে হাত পা বাধা সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় চালকের মা জাহানারা বেগম ২৬ জানুয়ারি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি গ্রহনের পর কচুয়া থানা পুলিশ একটি চৌকস দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. দেলোয়ার হোসেন রাজিবসহ দলটি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে আসামী হানজালাকে গ্রেফতার করেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুর ও নারায়নগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বাকী আসামীদের গ্রেফতার করেন।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, অটোরিকশা চালক সাব্বির হত্যায় জড়িত ছিলেন ৯জন। এর মধ্যে ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তারা অন্য কোন অপরাধে জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আসামীদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী, সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) মো. রিজওয়ান সাঈদ জিকু, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়ায় কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে 'দরবার' এবং সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতার সাথে পালন করায় অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি সকল সেনাসদস্যকে দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় ধৈর্য্য ও পেশাদারিত্বের সাথে অসামরিক প্রশাসন এবং দেশের জনসাধারণকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে রাষ্ট্র প্রদত্ত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা বিচক্ষণতার সাথে প্রয়োগ করে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি সেনা সদস্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সকলকে প্রস্তুত থাকতে বলেন। এছাড়াও, নবনির্মিত সেনানিবাসের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সেনাপ্রধান ৭ পদাতিক ডিভিশনে চলমান বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন ।
পরিদর্শনকালে সেনাসদর ও বরিশাল এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ ছাড়াও জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ, অসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে ০৬ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত (২১ জুন) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০), ২। মোঃ শাহিন (৪৮), ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) এবং ৪। মোঃ খোকন (৫০) নামক ০৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ২,৫৪০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত (২১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মিজানুর রহমান (২২) এবং ২। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৯,৭৯০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জামাল হোসেন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শাসনগাছা গ্রামের মৃত শফিক ইসলাম এর ছেলে, ২। মোঃ শাহিন (৪৮) একই গ্রামের মৃত খয়েজ আলী এর ছেলে, ৩। রাসেল আহমেদ (২৭) একই গ্রামের মৃত আবুল হাশেম এর ছেলে, ৪। মোঃ খোকন (৫০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সাতোরা চম্পকনগর গ্রামের মৃত তাজুল এর ছেলে, ৫। মিজানুর রহমান (২২) কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার পরকরা গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে এবং ৬। মোঃ আব্দুর রশিদ (৫০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর বিজয়পুর গ্রামের মানিক মিয়া এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ও সদর দক্ষিণ থানা এবং এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী এক মাসের মধ্যে গুম প্রতিরোধ বিষয়ক আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। গুম বিষয়ক একটি শক্তিশালী স্থায়ী কমিশন গঠন করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ
সোমবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে জাতিসংঘের গুম সম্পর্কিত কার্যনির্বাহী দলের (ওয়ার্কিং গ্রুপ) সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান
তিনি।
আইন উপদেষ্টা বলেন, বিগত সরকারের আমলে জাতিসংঘের গুম সম্পর্কিত ওয়ার্কিং গ্রুপ বারবার বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিল। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি, তাদের চিঠির উত্তর পর্যন্ত দেয়নি। আমাদের সরকারের একটা কমিটমেন্ট ছিল গুমের তদন্ত ও বিচার করা। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশে এসেছে, আমরা তাদের সঙ্গে আজ মিটিং করেছি। মিটিংয়ে বসার পর তারা আমাদের কিছু কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তারা গুম কমিশনের, তদন্ত কমিশনের প্রশংসা করেছেন, আমরা আইন প্রণয়নের যে উদ্যোগ নিয়েছি, সেটার প্রশংসা করেছেন। তারা গুম বিষয়ক কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলেছেন।
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, যিনি এতদিন চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে আগামী ২৩ জুন থেকে তিন বছরের জন্য তাকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (১১ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৩ জুন বিকেল থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফকে (সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দেওয়াপূর্বক ওই তারিখ বিকেল থেকে ৩ বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পান।
১৯৯৭-২০০০ মেয়াদে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ছিলেন তার শ্বশুর প্রয়াত মুস্তাফিজুর রহমান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন,
জুলাই হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনা আমাদের মূল লক্ষ্য। এটা আমাদের শপথ, আমাদের অঙ্গীকার।
চব্বিশের জুলাইয়ে আন্দোলনে দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী-জনতাকে হত্যা করেছিল ফ্যাসিস্ট
সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যার
চিত্র।
আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা মাগুরা সরকারি
উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক
আব্দুল কাদের, মাগুরা পৌরসভার প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বিএম
সাজিন ইসরাত ও ক্রীড়া সংগঠক বারিক ননজাম বারকি।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান
খান কামালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারের রায় মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। আমরা চাই
তাদের দেশে এক্সট্রাবিশন করা হোক। তাদের আপিল করার অধিকার আছে। দেশীয় আন্তর্জাতিক নিয়ম
মেনে তাদের রায় দ্রুত কার্যকর হয় আমরা সেইটা করবো। যারা যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে
জড়িত ছিল। যাদের হাতে রক্তের দাগ লেগে আছে তাদের প্রত্যেককে আমরা বাংলাদেশে ফিরে আনবো
এটা শহীদদের কাছে আমাদের দায় আমাদের শপথ। আমরা ফেল করলে এটা পরবর্তী জেনারেশন নিবে।
এ জায়গায় কারো ছাড় নেই। দেশে প্রত্যেকটা মানুষ একতাবদ্ধ তাদের ছেলে মেয়েকে যারা খুন
করেছে, পঙ্গু করে দিয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনবো এটা আমাদের শপথ।
আমাদের হাতে ৭০ দিনের মতো আছে ইলেকশনের আগ পর্যন্ত আমরা পারবো কিনা জানি না, তবে আমাদের
চেষ্টা থাকবে। আমরা কোনো মাইনাস ফোরের কথা বলিনি। এ কথা যারা বলছে তারা স্বৈরাচারের
দোসরের মতো। যিনি মাইনাস হয়েছেন তিনি হত্যাযজ্ঞ করে মাইনাস হয়েছেন। উনি উনার পরিবারকে
নিয়ে চোরতন্ত্র জারি করেছিলেন সে জন্য উনি মাইনাস হয়ে গেছে।
শফিকুল আলম বলেন, খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় নেতা। আপামর জনসাধারণের নেতা। উনি শুধু বিএনপির নেতা না। আমরা তার সুস্থতা কামনা করি। তিনি দেশে ফিরে আসুক। বাংলাদেশের তার প্রেজেন্টটা খুবই প্রয়োজন। আমরা চাই উনি নির্বাচনে থাকবেন এবং কনটেস্ট করবেন।
তিনি আরও বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের
লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে দেশে
সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা
সম্পন্ন করেছে। আমরা চাই দেশে শান্তি ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
মন্তব্য করুন


জুলাই
সনদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক
উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। কয়েক
মিনিটের মধ্যেই তার পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
বুধবার
(১১ মার্চ) রাত ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই স্ট্যাটাস দেন তিনি।
স্ট্যাটাসে
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘জুলাই সনদ Non-negotiable’।
মাত্র
৩ শব্দের এ স্ট্যাটাসটি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
স্ট্যাটাসটিতে
প্রায় ২৫ হাজার রিঅ্যাক্ট পড়েছে। পাশাপাশি প্রায় এক হাজার ২০০ আইডি থেকে স্ট্যাটাসটির
মন্তব্যের ঘরে নানা মন্তব্য করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও স্বাস্থ্য প্রশাসনের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে দায়িত্বরত অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরকে।
বুধবার (৭ ফেব্রয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পারসোনেল-২ শাখার যুগ্মসচিব মো. মঞ্জুরুল হাফিজের সই করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে ।
এছাড়াও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক পদে থাকা অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে করা হয়েছে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।
বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বরত মো. শামিউল ইসলামকে করা হয়েছে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. হারুন অর রশীদকে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/ স্বাস্থ্য সার্ভিসের নিন্ম বর্ণিত কর্মকর্তাদের তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন