

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া :
চাঁদপুরের কচুয়ায় শিক্ষার মান উন্নয়নে বক্সগঞ্জ গোলামুর রহমান মডেল একাডেমীতে অভিভাবক সমাবেশ,শিক্ষার্থীদের সনদপত্র ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ওই একাডেমীর আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে হিসেবে এসব সনদপত্র বিতরন করেন বক্সগঞ্জ গোলামুর রহমান মডেল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. গোলাপ শাহ।
একাডেমীর শিক্ষক পারভেজ হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান শিক্ষক তাছলিমা আক্তার, শিক্ষক মোশারফ হোসেন,জাহিদ হোসেন,সানজিদা আক্তার সহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য যে, কচুয়া কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় ওই একাডেমী থেকে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে একজন ট্যালেন্ট পুল ও ৩জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তি লাভ করে। ট্যালেন্টপুলে ফারিয়া আক্তার,সাধারন গ্রেডে মিম আক্তার,আব্দুল আজিজ ও জিহাদ হোসেনকে নগদ অর্থ সহায়তা ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। পাশাপাশি বক্সগঞ্জ গোলামুর রহমান মডেল একাডেমীটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে ভালো ফলাফল করে আসছে। ভবিষ্যতেও আরো ভালো ফলাফল অর্জন করতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান গোলাপ শাহ সহ অন্যান্য শিক্ষকরা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
তরুন প্রজন্মকে মাদকের আগ্রাসন থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাইতো এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে উপজেলার খিলমেহের গ্রামে। যুব সমাজের অবক্ষয় রোধ ও সমাজের নানা অপরাধ রোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়। পাশাপাশি এলাকায় ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি ও উদীয়মান খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ম্যাচের আয়োজন। প্রতিবছর এমন উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান আয়োজক কমিটি। কচুয়া উপজেলার খিলমেহের গ্রামের বেপারী বাড়ি এলাকায় বিবাহিত ও অবিবাহিত খেলোয়ারদের মধ্যে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন ইচ্ছা সংগঠনের আয়োজনে এ ম্যাচের আয়োজন করা হয়। এতে বিবাহিত খেলোয়াররা ৫-১ গোলে বিজয়ী লাভ করেন।
খেলার প্রথমার্ধের ১০ মিনিটের সময় বিবাহিত খেলোয়ার সোহেল মৃধা গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটের সময় অবিবাহিত খেলোয়ার রেজাউল গোল করে সমতা আনে। দ্বিতীয়ার্ধে বিবাহিত দলের খেলায়াররা ৫-১ গোলে চ্যাম্পিয়ান হয়। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাহিদ সরকার,মাহবুব প্রধান,শামীম আহমেদ বেপারী,সুমন সরকার,কামাল হোসেন,খোরশেদ আলম মৃধা,হারুন পাঠান,আব্দুল কাদির, কবির পাঠান,জাকির হোসেন ও সাদ্দাম হোসেন। পরে চ্যাম্পিয়ান ও রার্নাসআপ খেলোয়ারদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। খেলাটি পরিচালনায় করেন রেফারী আশিকুর রহমান,ল্যান্সম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন খোরশেদ ও জাহিদ সরকার।
মন্তব্য করুন


সিলেটের কানাইঘাটে নিখোঁজ হওয়ার সাতদিন
পর শিশু মুনতাহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রোববার (১০ নভেম্বর) ভোর ৪টার দিকে বাড়ির
পাশের একটি খালে কাদামাটিতে পুঁতে রাখা মরদেহ সরানোর চেষ্টাকালে জনতার সহায়তায় উদ্ধার
করে পুলিশ।
শিশু মুনতাহা হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য এক নারীসহ আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট ছয়জনকে আটক করেছে সিলেট
জেলা পুলিশ।
আজ রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুরে তাদের
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুল
আওয়াল।
আটককৃতরা হলেন- ইসলাম উদ্দিন, নিজাম
উদ্দিন ও নাজমা বেগম। এক আত্মীয়ের বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, মুনতাহা কানাইঘাট উপজেলার
সদর ইউনিয়নের বীরদল গ্রামের ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে। গত ৩ নভেম্বর
সকালে বাবার সঙ্গে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফেরে শিশু মুনতাহা। দুপুরের
দিকে বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। কিন্তু বিকেলে বাড়ি না ফিরলে
তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে কোথাও তাকে পায়নি। পরে রোববার ভোররাতে মুনতাহার
বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর সকালে তিন নারীকে আটক করে
পুলিশ।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের
ভূঞাপুরে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে খারাপ হওয়ায় স্বর্ণা আক্তার (১৭) নামে এক
এসএসসি পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে
আত্মহত্যা করেছে।
শনিবার
(১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভূঞাপুর পৌর
এলাকার বেতুয়া পলিশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পরীক্ষার্থী একই এলাকার সোনা
মিয়ার মেয়ে ও সে
টেপিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী।
পরিবার
ও স্থানীয়রা জানান, স্বর্ণা এ বছর টেপিবাড়ি
উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা
দিচ্ছিলো। গত বৃহস্পতিবার (১৫
ফেব্রুয়ারি) তার প্রথম পরীক্ষা
বাংলা ছিল। পরীক্ষা দিয়ে
আসার পর থেকে সবার
কাছে সে বলেছে তার
পরীক্ষা ভালো হয়নি। তাই
সে পাস করতে পারবে
না। এ নিয়ে দুইদিন
ধরে চিন্তিত ছিল। পরে শনিবার
রাতে তার নিজের শোয়ার
কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে
ঝুলে আত্মহত্যা করে। ভোরে তার
মা ফজরের নামাজের জন্য ডাকতে গেলে
স্বর্ণাকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে
ভূঞাপুর থানা পুলিশ তার
মরদেহ উদ্ধার করে।
এ
বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান
উল্লাহ্ জানান,
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে
ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল
হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে
মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা
হবে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরলেন লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট টিম ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স’-এর কর্ণধার ও প্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর নিজ বাসভবনে পৌঁছালে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রবেশমুখ থেকেই মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন তার বন্ধুমহল, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় ভাই-ব্রাদার্সরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মানুষকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এলাকাবাসীও।
নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা মোসা. জুহরা বেগম। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এতদিন আমার কাছে ছিল না, আমার বুক খালি ছিলো। আজ আমার ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।” মায়ের এমন আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে নাড়া দেয়।
ছেলের দেশে ফেরা নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেন তার বাবা মো. হাসানও। কুমিল্লা সিডি হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকরি করেছি মানুষের সেবা দিয়ে। জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিলো ছেলেকে এত বছর দূরে রাখা। আজ ওকে নিজের চোখের সামনে দেখে মনে হচ্ছে জীবনের বড় একটা শূন্যতা পূরণ হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়ে ছিলো আমার প্রিয় জন্মভূমি কুমিল্লায়। এতদিন পর দেশে এসে সবাই যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেছে, এতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই ভালোবাসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
কুমিল্লার ক্রিকেটাঙ্গন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও জানান তিনি। সিহান বলেন, “আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা আছে। আমি চাই কুমিল্লা থেকে আরও ভালো মানের ক্রিকেটার তৈরি হোক এবং দেশের ক্রিকেটে কুমিল্লা আরও শক্ত অবস্থানে যাক।”
কুমিল্লা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া উত্তর গাংচরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি মোসা. জুহরা বেগম ও মো. হাসান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর বর্তমানে তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। লন্ডনে বসবাস করলেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কুমিল্লার প্রতি টান তাকে সবসময়ই নাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
প্রবাসে থেকেও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সিহান। তিনি ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট ক্লাব’-এর মালিক এবং সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গন ও পরিচিত মহলে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করছেন, তার এই প্রত্যাবর্তন কুমিল্লার ক্রিকেট উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযানে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী
ও একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু গাঁজা ও ইয়াবা সহ আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গতকাল (২৮ জুন) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ছুপুয়া
এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। বাবলু মিয়া
(২৩), পিতা-জাকির হোসেন, সাং-আইরল, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ২। বিল্লাল হোসেন
(২২), পিতা-মাহবুল হক, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
মুন্না হোসেন (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল করিম, সাং- আলিপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরা;
৪। মোঃ সাইফুল ইসলাম কামাল (১৯), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট,
জেলা-কুমিল্লা; ৫। মোঃ সোহাগ (২৫), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-শফিবাদ, থানা-কচুয়া, জেলা-
চাঁদপুর; ৬। মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল বারেক, সাং-পানিপাড়া, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা
৭। ইমরান হোসেন বাবু (২৫), পিতা-মাহবুল হক, সাং-শহীদপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
৮। মোঃ সালমান হোসেন (১৯), পিতা-মৃত শহীদুল ইসলাম, সাং-মাঝিআলী, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর;
৯। মোঃ শাহেদ হাসান (২০), পিতা-মৃত কবির হোসেন, সাং-পানিপাড়া; ১০। মোঃ হুমায়ুন হোসেন
(২০), পিতা-মোঃ আবুল বাশার, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
১১। মোঃ কাওসার (২২), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে
গ্রেফতার করা হয় এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ১২। মোঃ জসিম উদ্দিন (১৬), পিতা-মোঃ
জাফর আলী, সাং-পশ্চিম নোয়াগাও, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৭০
গ্রাম গাঁজা ও ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, আসামীরা ও আইনের সহিত
সংঘাতে জড়িত শিশু দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের
পার্শ্ববর্তী খাবারের হোটেল গুলোতে ট্রাকের ড্রাইভার ও হেল্পারদের নিকট মাদক বিক্রয়
করে আসছিল। কিছু হোটেলের মালিক/ম্যানেজারগণ খাবার হোটেলের ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসার
সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ট্রাকের চালকেরা খাবার খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য উক্ত
খাবার হোটেল গুলোতে বিরতি নিয়ে থাকে। বিরতিকালে ড্রাইভার এবং হেলপাররা হোটেল গুলো থেকে
মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এবং সেবন করে। মাদক সেবী ট্রাকের ড্রাইভাররা নেশাগ্রস্থ অবস্থায়
রাতে মহাসড়কে গাড়ি চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার
হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রয়কালে
অবৈধ মাদক সহ আসামীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক করে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বরগুনার আমতলীতে সেতু ভেঙে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস পানিতে ডুবে নিহত ৭ জনের দাফন
সম্পন্ন হয়েছে।
আজ রোববার সকালে মাদারীপুর জেলার শিবচরের ভদ্রাসন ইউনিয়ন ও ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নের
পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে রাত তিনটার দিকে মরদেহ বাড়িতে
পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শনিবার রাত তিনটার দিকে গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচরে পৌঁছায় দুর্ঘটনায় নিহত
৭ জনের মরদেহ। এ সময় জড়ো হন প্রতিবেশীরাও। পরে রোববার সকালে ভদ্রাসন ইউনিয়নের সাহা
পাড়া, ওমেদপুর ও ভান্ডারিকান্দি ইউনিয়নের ক্রোকচর গ্রামে জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের
পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় শিবচর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফন কার্য সম্পন্ন করতে ১০
হাজার করে মোট ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
জানা যায়, বরগুনার আমতলীতে বোনের মেয়ে হুমায়রা আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ
দিতে বুধবার রাজধানী ঢাকা থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাদারীপুরের শিবচরের ভদ্রাসনের
গ্রামের বাড়িতে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ভাগ্যক্রমে
তিনি বেঁচে গেলেও প্রাণ হারায় তার স্ত্রী শাহানাজ আক্তার মুন্নী ও দুই মেয়ে তাহিয়া
ও তাসদিয়া। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কেড়ে নেয় ব্যাংক কর্মকর্তার বোন, ভাবী, দুই ভাগ্নেসহ
একই পরিবারের ৭ জনকে।
নিহতরা হলেন - শিবচরের ভদ্রাসনের গ্রামের আবুল কালাম আজাদ-এর স্ত্রী শাহানাজ
আক্তার মুন্নী (৪০) ও তার দুই মেয়ে তাহিয়া (০৭) এবং তাসদিয়া (১১)। একই এলাকার মৃত ফকরুল
আহম্মেদের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৪০), সোহেল খানের স্ত্রী রাইতি আক্তার (৩০), বাবুল মাদবরের
স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) এবং রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রুমি বেগম (৪০)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , আমতলীর কাউনিয়ার মনিরুল ইসলামের মেয়ে হুমায়ারার সঙ্গে
একই এলাকার সেলিম ইসলামের ছেলে সোহাগের বিয়ে শুক্রবার দুপুরে সম্পন্ন হয়। শনিবার দুপুরে
কনেপক্ষ আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় বহনকারী মাইক্রোবাসটি লোহার সেতু ভেঙে পানিতে ডুবে
যায়। এ ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৭ জনই মাদারীপুরের শিবচরের।
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান বলেন, বৌভাত অনুষ্ঠানে যোগ
দিতে গিয়ে একসঙ্গে একই পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। শোকবহ পরিবারের পাশে থাকবে
জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে জনপ্রতিনিধিকেও বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অযত্ন ও অবহেলা পড়ে আছে রায় বাহাদুর শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরী জমিদার বাড়ি। এক সময়ের খ্যাত জমিদার বাড়িটি এখন পরিত্যক্ত ভূতুড়ে বাড়িতে পরিনত হয়েছে। বাড়িটির চারদিকে খসে পড়ছে পলেস্তরা, জমে আছে শ্যাওলা। ভিতরে ময়লা আবর্জনায় জমে এখন জরাজীর্ণ অবস্থায়।
জানা যায়, বাংলার আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইতিহাস আর ঐতিহ্য। তারই মধ্যে অন্যতম ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ কচুয়া উপজেলা। কচুয়া সদর থেকে প্রায় ১৮ কি.মি. দূরে অবস্থিত এ জমিদার বাড়িটি। উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের পাথৈর গ্রামে প্রায় ২শ বছর আগে নির্মিত হয় এ জমিদার বাড়ি। জমিদার শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরী ছিলেন এই বাড়ির নির্মাতা। দোল মন্দির, শিব মন্দির, দুর্গা মন্দির সহ বিশাল এক দীঘি আছে জমিদার বাড়ির আঙ্গিনায়। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জমিজমা ও বিশাল সহায় সম্পত্তি রেখে ভারতে চলে যান জমিদার শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরী ও তার পরিবার। ওই সময়ের বাসিন্দাদের এমন কেউ ছিলো না যে তখনকার জমিদার রায় বাহাদুর শরৎ চন্দ্র চৌধুরীকে চিনতেন না।
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জমিদার বাড়ি এখন পরিত্যক্ত ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়েছে। অথচ বাড়িটিকে ঘিরে রয়েছে পুরোনো ইতিহাস। এখানে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল দিঘি, মাঠ এবং কারুকার্য জমিদার বাড়ি। এই ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িটি অবহেলিত থাকলেও শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আনাগোনা থাকে সব সময়। অথচ সংস্কারের মাধ্যমে এটা হতে পারে অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। জমিদার বাড়ির শিলালিপি থেকে জানা গেছে, প্রায় ২শ বছর পূর্বে শরৎ চন্দ্র সেন চৌধুরীর হাত ধরে ইট, পাথর আর সুড়কির গাঁথুনিতে নির্মাণ করা হয় জমিদার বাড়িটি। বাড়ির মূল প্রবেশপথের পশ্চিম পাশেই রয়েছে একটি পুকুর। পুকুরটিতে রয়েছে সুন্দর একটি ঘাট। জমিদার বাড়িটি পুরানো হওয়ার কারণে বাড়ির চারদিকের পলেস্তরা খসে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আমিন মিয়া, মোস্তাক মিয়া, বিষ্ণপদ আচার্য্য ও আবুল কাসেম বলেন, আমাদের জন্মের পরে থেকেই এই জমিদার বাড়িটি দেখছি। আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে শুনেছি প্রজাকল্যাণ ও বিভিন্ন ধরনের জনহিতকর কাজে জমিদার পরিবারের সদস্যদের খ্যাতি ছিল। তবে আজ সেই জমিদার বাড়ির জমিদারি নেই, নেই কোনো উত্তরসূরিও। বর্তমানে প্রাসাদের অনেকাংশ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, ভবনগুলো শ্যাওলা পরে আছে।
এখানে এখন প্রতিদিন শত শত মানুষ ঘুরতে আসছে। কেউ কেউ পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন। স্থানটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংস্কারের ব্যবস্থা নিলে এটি রক্ষা করা সম্ভব হবে। আর না হয় একসময় হারিয়ে যাবে পাথৈর গ্রামের এই জমিদার বাড়িটি।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাপাতলি লতিফিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে মাদ্রাসা মিলনায়তনে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: মনিরুল ইসলাম মজুমদারের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক মো: আফজাল হোসাইনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো: হেলাল উদ্দিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, গোহট দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান মো: আমির হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আলী, গভর্নিং বডির দাতা সদস্য মো: সোহেল প্রধান, সদস্য মাওলানা আব্দুল হাই, মাসনীগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিন উল্লাহ, কহলথু্ির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবিএম এমরান হোসেন, চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সোহাগ উদ্দিনসহ আরো অনেকে। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পরে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা ও দোয়া কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়। একই দিনে কহলথুরী হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৯জন তন্মধ্যে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫১ জন, পাসের হার শতকরা ৯২.৭১ ভাগ। আলিমে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ জন ও পাসের হার শতকরা ৯১.৩৯ভাগ।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে মোট ২ হাজার ১শ ৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে তন্মধ্যে পাস করে ১হাজার ৯শ ৮৩জন। এছাড়া ১৩টি মাদ্রাসা থেকে মোট ৪শ ৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে তন্মধ্যে পাস করে ৪শ ৩৫জন।
ফলাফলের দিক থেকে আশেক আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ ও ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ শীর্ষে রয়েছে। আশেক আলী খান স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে ২৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২ জন।
অপর দিকে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ থেকে ১৪৬জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ জন। এছাড়া আলিম পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে শতভাগ কৃতকার্য হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের আমড়াতলী ইউনিয়নের উত্তর
রসুলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মানাধীন সেপটিক ট্যাংকিতে পড়ে তিন বছর বয়সী মোছা.
নুরী নামে এক শিশু নিহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকেলে রসুলপুর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী
ইউনিয়নের প্রবাসী মোহাম্মদ রিজানের কন্যা মোছা. নুরী।
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার পুলিশ পরিদর্শক
তদন্ত শিবেন বিশ্বাস নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার
বিকালে তার মায়ের সাথে নানা বাড়ি বেড়াতে যাবার কথা ছিল। দুই মাসের বেশী সময় ধরে
উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকির জন্য গর্ত করে ফেলে রাখে
ঠিকাদার। কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনি ছাড়াই ফেলে রাখা হয় সেপটিক ট্যাংকের জন্য করে রাখা
গর্তটি। বৃষ্টির পানিতে পুরো হয়ে যাওয়ায় ওই শিশু কন্যা পড়ে যায় গর্তে। বৃহস্পতিবার
দুপুর ২টার দিকে নুরের লাশ ভেসে উঠে ওই গর্তের পানিতে।
রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা শামীম আহমেদ
জানান, কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী ছাড়াই ফেলে রাখা হয় সেপটিক ট্যাংকের জন্য করে রাখা গর্তটি।
বৃষ্টির পানিতে পুরো হয়ে যাওয়ায় ওই শিশুটি পড়ে যায় গর্তে। পরে দুপুর ২টার দিকে নুরীর
মরদেহ ভেসে ওঠে ওই গর্তে।
উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. স্বপন আহমেদ জানান, আমরা বারবার ঠিকাদারকে বলেছিলাম যেন
সেপটিক ট্যাংকের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য। উনি কেন এটা করলেন না, আমার বোধগম্য
নয়। আমরা উপজেলা চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি যাথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস
দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ
পরিদর্শক তদন্ত শিবেন বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আমরা পরিবারের অভিযোগের
ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন