

কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইন জিরোপয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত ১৪
কিলোমিটার অলওয়েদার সড়কে একটি আলপনা আঁকা হয়েছে।
এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস
লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগের এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে
‘আল্পনায় বৈশাখ ১৪৩১’।
গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই বৈশাখী আলপনা অঙ্কন শেষ হয় রোববার (১৪
এপ্রিল)।
আর এই বৈশাখী আলপনা অঙ্কন করেছেন প্রায় ৭০০ জন শিল্পী।
কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইনে ১৪ কিলোমিটার সড়কে বৈশাখী আলপনা ঘুরে দেখলেন ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং রোববার
(১৪ এপ্রিল) সকালে মিঠামইন উপজেলার অলওয়েদার সড়কের জিরো পয়েন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত থেকে তুলির আঁচড়ের মাধ্যমে বৈশাখী আলপনার সমাপ্তি করেন।
একটি মোটরসাইকেল নিজেই চালিয়ে মিঠামইন অলওয়েদার সড়কের জিরো পয়েন্টে থেকে ঘুরতে
বের হন প্রতিমন্ত্রী। এসময় তার পেছনে বসা ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম
উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পহেলা বৈশাখের আলপনার উৎসব আবার
ফিরে আসায় বাঙালি চেতনার উদযাপন তার চেনা রূপ লাভ করেছে। আয়োজকদের প্রতি আমি শুভকামনা
জানাচ্ছি । এ আয়োজন ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা
অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স
অফিসার তাইমুর রহমান প্রমুখসহ সংশ্লিষ্ট আরো অনেকেই।
এই সড়কের আলপনা আঁকার পর বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ
নেবেন আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁওয়ের মুদি দোকানি সওদাগর বর্মন প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে তৈরি করছেন দৃষ্টিনন্দন বাড়ি । সদর উপজেলার ঢোলারহাটে তার এই বাড়ি দেখতে প্রতিদিনই ভীড় অনেকে। আগ্রহ নিয়ে দেখছেন বৈচিত্র্যময় এই বাড়িটি। বাড়িটি এখন ‘বোতল বাড়ি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মুদি ব্যবসায়ী সওদাগর বর্মন তার দোকানে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল এবং সংগ্রহ করা দেড় মণ বোতল দিয়ে শুরু করেছেন বাড়ি নির্মাণ। ইটের বদলে প্লাস্টিকের বোতলে বালু ভর্তি করে সিমেন্ট দিয়ে পরিবেশবান্ধব বাড়ি তৈরির কাজ করছেন তিনি। বর্তমানে ঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। ১ কক্ষের বাড়িটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
স্থানীয় অনেকে বলেন, ইটের বদলে যে বোতল ব্যবহার করে বাসা তৈরি করা যায় তা আগে জানা ছিলো না। বিষয়টি ভিন্ন রকম। ইট দিয়ে যে দেয়াল করা হতো এটা তার থেকে বেশি শক্ত মনে হচ্ছে।
এদিকে সওদাগর বর্মণ বলেছেন, ইউটিউব দেখে শিখেছেন বোতল বাড়ি তৈরির কাজ। তিনি আগামী মাসের মধ্যে বাড়িটির কাজ সম্পূর্ণ করার ব্যাপারে আশাবাদী।
মন্তব্য করুন


যৌতুকের
টাকা না পাওয়ায় ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আসর থেকে বর নিয়ে চলে যাওয়ার
অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের বর ছিলেন, নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের বামনগাঁও
গ্রামের মো. শরীফ মিয়ার ছেলে মো: হাসেন মিয়া (২৫)।
এ
ঘটনায় আজ (১/১২/২৩) দুপুরে ভুক্তভোগী কনের বাবা বাদী হয়ে বর ও বরের বাবাসহ ৩ জনকে অভিযুক্ত
করে কলমাকান্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১/১২/২৩) বিকেলে নেত্রকোনার
কলমাকান্দায় রংছাতি ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ১ সপ্তাহ আগে বামনগাঁও গ্রামের মো: হাসেন মিয়ার বিয়ে ঠিক
হয় পার্শ্ববর্তী রংছাতি ইউনিয়নের বটতলা গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে। বিয়ে ঠিক হওয়ার সময়
কনের বাবা বিয়ের খরচ বাবদ বরের পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা দেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে
এ বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। বর তার আত্মীয়-স্বজনসহ ৪০ জন বরযাত্রী নিয়ে আসেন। খাওয়া-দাওয়া
শেষে বিয়ের কার্যক্রম শুরু হলে বরের পক্ষ থেকে আরো ৭০ হাজার টাকা যৌতুক চাওয়া হয়। কনের
পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে রাজি না হলে বিয়ের আসর থেকে বরের লোকজন বরকে নিয়ে চলে যান।
এ
বিয়ে উপলক্ষে দুই লাখ টাকা খাওয়া-দাওয়া ও ডেকোরেশন বাবদ খরচ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ
করেন কনের বাবা।
কলমাকান্দা থানার ওসি আবুল
কালাম গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ট্রাভেল ব্যাগে করে অভিনব কায়দায় পাচারের সময় ১৪৭ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদককারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন সাইনবোর্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় তাদের।
আটকরা হলো: মো. বিল্লাল হোসেন ওরফে সবুজ (৩২) ও মো. আরিফ বিল্লাহ (৩৬)।
সোমবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক (অপারেশন অফিসার) আমিনুল ইসলাম।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযানে তাদের কাছ ১৪৭ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বহনে ব্যবহৃত ১টি ট্রাভেল ব্যাগ ও ৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ১৪৭ বোতল ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃত ২ ব্যক্তি পেশাদার মাদককারবারি। তারা বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ফেনসিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছিলেন।
র্যাব-১০ এর উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম আরও জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ঝাড়খন্ডোল এলাকা হতে ৩২ বোতল বিদেশী মদ ও ১৭ ক্যান বিয়ার’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ঝাড়খন্ডোল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৩২ বোতল বিদেশী মদ ও ১৭ ক্যান বিয়ার’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাওড়া থানার চতোরা শরীফ গ্রামের মোঃ ইউসুফ এর ছেলে মোঃ লোকমান হোসেন (৩৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশী মদ, বিয়ার’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।
উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে আজ
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের
পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের পাশে রাস্তার উপর ঢাকা অভিমুখী হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাস তল্লাশী করে ১৫ কেজি গাঁজাসহ মোসা: কল্পনা আক্তার (৩০) ও কুলসুম আক্তার (২৪)
নামীয় দুইজন আসামিকে আটক করা হয়।
আসামী মোসা: কল্পনা আক্তার ও কুলসুম
আক্তার দুটি কাপড়ের ব্যাগে ৭.৫ কেজি করে মোট ১৫ কেজি গাঁজা নিয়ে কুমিল্লার নিমসার বাজার থেকে হানিফ-পাহাড়িকা ডিলাক্স
নামক বাসে ওঠেন।
আসামিরা জানান যে, সংসার চালানোর জন্য
টাকার বিনিময়ে এটি ঢাকায় পৌঁছে দিবেন।
আটককৃত আসামি মোসা: কল্পনা আক্তার
(৩০) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার বুরবুরিয়া
গ্রামের মো: মাসুদ রানার স্ত্রী। অপর আসামি কুলসুম আক্তার (২৪) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার দুর্গাপুর গ্রামের নুর মোহাম্মদের
স্ত্রী।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মো: মুরাদ
হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের চরভৈরবী থেকে ষাটনল পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার নদী এলাকায় বসবাস করেন প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জেলে। দেশের ৬টি অভয়াশ্রমে ইলিশ সহ সব ধরনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে গত মধ্যরাতে।মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর সহ নদী অঞ্চলে জেলেদের ইলিশ ধরতে দেখা গেছে।
যৌথ
অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক
টন ছাড়িয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জেলা মৎস্য অফিস।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশসহ অন্য মাছ শিকারে প্রস্তুতি নেন।
জেলা
মৎস্য অফিস জানিয়েছে, এবার ৫৭৫টি অভিযান, ১২৮টি মোবাইল কোর্ট, ৩৩৪ জন জেলেকে আটক করে
বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রায় ৫৩ দশমিক ৯১০ লাখ মিটার কারেন্ট
জাল জব্দ করা হয়েছে। এদিকে, ৩ দশমিক ৪১৬ মেট্রিক টন জাটকা আটক করে দুস্থ ও এতিমদের
মাঝে বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। আর জরিমানা আদায় করা হয়েছে ছয় লাখ ৫০৫ টাকা।
নিষেধাজ্ঞা
শেষে মাছ শিকার নিয়ে নৌ পুলিশ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার সময় ১ মার্চ থেকে ২৭ এপ্রিল
পর্যন্ত ইলিশ অভয়াশ্রমে অভিযান চালিয়ে ১৯ কোটি ১৩ লাখ মিটার অবৈধ জাল, ১৭ হাজার ৮১৯
কেজি মাছ, ২৪৪টি নৌকাসহ এক হাজার ১১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলার নৌ থানা পুলিশ।
তাদের বিরুদ্ধে ১৭০টি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ২২৬ আসামিকে ৪৮টি মোবাইল কোর্টের
মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ২১৩ জনকে ছয় লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। ১৫২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
জেলা
মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান বলেন, জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে জনপ্রতি ৪০
কেজি করে চার কিস্তিতে মোট ১৬০ কেজি চাল সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলা প্রশাসন,
পুলিশ প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও জেলা টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযানে জাটকা সংরক্ষণ অভিযান সফল
হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে। তাছাড়া অসাধু
জেলেদের আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
দেশের
ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাসের কর্মসূচি ঘোষণা
করে। এই নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে ।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের কচুয়ায় ছাত্রলীগ নেতা ও আওয়ামী
লীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ রাতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলার কচুয়া
থানাধীন সাচার বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন
ছাত্রলীগ কর্মী মোঃ কামরুল হাসান রিয়াদকে গ্রেফতার করা হয়। একই রাতে পরিচালিত অন্য
একটি অভিযানে চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানাধীন কোয়া এলাকা হতে আওয়ামীলীগ নেতা বিল্লাল হোসেনকে
গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ কামরুল হাসান
রিয়াদ (৩১) চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার সুয়ারুল গ্রামের আব্দুর রব পাঠান এর ছেলে এবং
২। বিল্লাল হোসেন (৪৫) একই থানার কোয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত ১ নং আসামী
মোঃ কামরুল হাসান রিয়াদ (৩১) কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাচার
ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি এবং ২ নং আসামী বিল্লাল হোসেন (৪৫) কচুয়া পৌর ০৩ নং ওয়ার্ড
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল। তারা উভয়েই লিফলেট বিতরণ ও নাশকতা কার্যক্রম পরিচালনার
দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের
জন্য চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মাদক
ব্যবসা ও সেবনের প্রতিবাদ করায় কুমিল্লা নগরীর বিষ্ণুপুর এলাকায় এক ভূমি অফিসের পিয়নকে
কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত
মো. আজহারুল ইসলাম বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক (পিয়ন) হিসেবে
কর্মরত রয়েছেন।
স্বজনরা
জানান, সম্প্রতি ফেসবুকে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করছিলেন আজহারুল
ইসলাম। এর জেরে সোমবার গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা
তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে ও ভবিষ্যতে এ ধরনের লেখালেখি করলে প্রাণে মেরে
ফেলার হুমকি দেয়।
পরে
আহত অবস্থায় আজহারুলকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
স্বজনরা
আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকার লালমাই পাহাড়ে অনেক বছর ধরে একটি গুঞ্জন প্রচলিত–এখানে তেল-গ্যাসের সন্ধান মিলেছিল, বিদেশি কোম্পানি এসে খননও করেছিল; কিন্তু একটি অদৃশ্য হেলিকপ্টার এসে কূপ সিলগালা করে দেয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসায় এলাকাজুড়ে আবারও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশে এখনও বড় আকারের খনিজ তেলের মজুত আবিষ্কৃত হয়নি। দেশের প্রধান জ্বালানি নির্ভরতা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর। সিলেটের হরিপুর ও মৌলভীবাজারের বরমচাল ছাড়া উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদনের ইতিহাসও সীমিত। ফলে দেশের অধিকাংশ জ্বালানি তেল এখনও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সালের দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। সেখানে ‘লালমাই-১’ ও ‘লালমাই-২’ নামে দুটি কূপ খনন করা হয়। অনুসন্ধানের শুরুতে কিছু পরিমাণ তেলের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরীক্ষামূলক উত্তোলনে উৎপাদন খুবই কম ছিল। লালমাই-১ কূপ থেকে দৈনিক মাত্র ২০ থেকে ২৫ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছিল। লালমাই-২ কূপে চাপ কম থাকায় সেটিও বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগী হয়নি।
কথিত আছে–প্রতিদিন অন্তত কয়েকশ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হলে একটি তেলকূপকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক ধরা হয়। সেই তুলনায় লালমাইয়ের উৎপাদন ছিল খুবই সীমিত। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি উঠে আসা, চাপ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এড়াতে নিয়ম অনুযায়ী কূপগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ বা ‘প্লাগ অ্যান্ড অ্যাবানডন’ করা হয়।
মো. সিরাজ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখানে তেল-গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। আমরা নিজের চোখে দেখেছি। ২০০২ সালে কোরিয়ান কোম্পানি খনন করতে আসে। পরে তারা চলে যায়। হাজার-হাজার মিটার খনন করা হয়েছিল। এক সময় হেলিকপ্টার এসে এটি সিলগালা করে দেয়।
বড় ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, এ জায়গাটা আমাদের বাড়ির পাশে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এটা সিসা ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন বন্ধ করা হলো, কে করল আজও জানি না। সরকার চাইলে আবার অনুসন্ধান করতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত তেল বা গ্যাসকূপ খোলা অবস্থায় রেখে দিলে গ্যাস লিক, অগ্নিকাণ্ড কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি দূষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে অলাভজনক কূপগুলো সিলগালা করা হয়।
পেট্রোবংলার উপব্যবস্থাপক সৈকত মাহমুদ বলেন, লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হলেও সেখানে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক তেলের মজুত পাওয়া যায়নি। ফলে কূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন