

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া :
চাঁদপুরের কচুয়ার পালাখাল রেড রিলেশন যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার ৪র্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিগত করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এবং রক্তদানে ভূমিকা রাখায় ৫৫জন সংগঠনের দায়িত্বশীল এবং গুনীজনকে সংবর্ধনা,গরীব দু:স্থ পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন,মাদ্রাসায় কোরআন শরীফ ও টিউবওয়েল বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে সংগঠনের সভাপতি আশরাফুল আলম রিজন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও কচুয়া উপজেলা পরিবারের টিম মেম্বার সাইফুল ইসলাম রনির পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিআরবি কেবলসের ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম রনি।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ এমরান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ও পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ইকবাল উদ্দিন আহমেদ মিঠু,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির হোসেন,শ্রীবাস সাহা,ব্যাংকার আবুল কালাম আজাদ,শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেন্ট কালেক্টর ইনচার্জ সাজেদুল হাসান কামাল,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম,বাংলাদেশ স্কাউট কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী লিডার ট্রেইনার একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন সুমন প্রমুখ। পরে গুনী ব্যক্তিদের মাঝে সন্মননা ক্রেষ্ট ও অসহায় পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন,টিউব ওয়েল ও পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। এসময় সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অজিত সাহা,আবু সুফিয়ান সহ রেড রিলেশন সংগঠনের সদস্য ও জেলার বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৩ নভেম্বর দুপুরে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন নূরপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সুজন নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০
কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সুজন (২৯) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর থানার মধ্য বাঁশদূতপুর গ্রামের মৃত হাকিম এর
ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার
বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ৭ সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে মহাসমারোহে উদযাপিত হতে যাওয়া ‘মাওলিদুন্নবী (দ.) সেলিব্রেশন-২০২৬’ সার্বিকভাবে সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে এক বিশাল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় কুমিল্লার বিশিষ্ট পীর-মশায়েখ, আলেম-ওলামা, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতাগণসহ সর্বস্তরের পেশাজীবী মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংহতি ও সার্বজনীন অংশগ্রহণ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বরুড়া ঐতিহ্যবাহী অলিতলা দরবারে পীর সাহেব অধ্যাপক কাজী গোলাম মহিউদ্দিন লতিফী, কুমিল্লা বখশীয়া দরবারের পীর সাহেব মাওলানা কুতুবউদ্দিন সাহিদী বখশী, ঘিলাতলা দরবারের পীর সাহেব মুফতি সাকিউল কাউসার, পীরে তরিকত ইউনুস বখশী,রেজভীয়া দরবারের খলিফা মাওলানা শাহ মোহাম্মদ আনোয়ার রেজভী,শাহ মুহাম্মদ আহমেদ উদ্দীন মানিক গাফফারী, শাহ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বখশী আবুল উলাইয়া দরবারের প্রতিনিধি জামিয়ল হক জামাল, খলিলুর রহমান , কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামআত সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান সরকার, বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্ট কুমিল্লা জেলার সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ মিয়াজি, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আকবরী, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম জাবির,মাহমুদ আলম, মাওলানা সাদিকুর রহমান খান, কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান বাশারী,
আবু ইউছুফ জুয়েল, চান্দপুরী শাহ দরবারের প্রতিনিধ মাওলানা নোমান ইকরামুল হক,মাওলানা মাসুম বিল্লাহ মিয়াজি, রঘুপুর দাখিল মাদরাসার সুপার মুফতি শাহ জালাল, নুরে মদিনা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শাহ জালাল, আল মদিনা সুন্নিয়া নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল হান্নান, নাশীদুল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি পরিচালক মাওলানা মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন, কুমিল্লা দারুণ্নাজাত স্কুল এন্ড মাদরাসা পরিচালক মাওলানা আবদুল কাদের, জামেয়া আকবরিয়া মাদরাসা পরিচালক মাওলানা আবদুল কাদের রেজভী,আত-তাহফীজ রাহমানিয়া আহমাদিয়া মডেল মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা সাইদুল ইসলাম সাকেরী, রওজাতুর রহমাহ তাহফিজুল কোরআন মাদরাসা পরিচালক মাওলানা আশিকুর রহমান মজুমদার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম।
অতিথিরা আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে সুশৃঙ্খল ও গণমানুষের মেলবন্ধনে পরিণত করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।
মাওলিদুন্নবী (দ.) সেলিব্রেশন ২০২৬ আহবায়ক মো: মোজাহিদ চৌধুরী ও সদস্য সচিব মুফতি ইব্রাহিম আল কাদেরী বলেন, প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর আগমন বার্তা ও সুন্নাহর শিক্ষাকে সার্বজনীনভাবে ছড়িয়ে দিতে এ সেলিব্রেশন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভার মূল প্রস্তাবনা ও সিদ্ধান্তসমূহ:
ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা: জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচারণা ত্বরান্বিত করা।
সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা: টাউন হল ময়দানে আগত আশেকে রসূল (দ.) জনতার সার্বিক নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও বসার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা।
প্রতিনিধিত্বশীল উপস্থিতি: সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত উদযাপনের রূপরেখা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।
উপস্থিত সুধীজন ও আয়োজকরা যৌথভাবে ৭ সেপ্টেম্বরের মাওলিদুন্নবী (দ.) সেলিব্রেশনে দল-মত ও ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের তাওহীদি জনতাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করার বিনীত আহ্বান জানান
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১৪৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯
ডিসেম্বর) ভোরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে আসামী ১। মোঃ আলমগীর ও ২। মোঃ
ছাব্বির হোসেন টুটুল নামের দুই জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
হেফাজত হতে ১৪৬ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোঃ আলমগীর (৫১) চট্টগ্রাম জেলার বন্দর থানার পূর্ব নিমতলা (দিয়ারবাড়ী) গ্রামের
মৃত হাজী মোঃ ইউনুস এর ছেলে এবং ২। মোঃ ছাব্বির হোসেন টুটুল (৩৫) একই থানার পূর্ব নিকতলা
(খয়রাতি মাঝির লেন) গ্রামের মোঃ হারুন অর রশিদ এর ছেলে।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


শেরপুর
জেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর নিখোঁজ সেই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, গ্রেফতার তরুণীর সঙ্গে নিহত তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু একটি সম্পর্ক চলাকালে আরেক সম্পর্কে জড়িয়ে
যান ওই তরুণী। তাই ১ম প্রেমিককে সরিয়ে দিতে ২য় প্রেমিকের সহায়তায় তাকে হত্যা করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, এ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) শহরের কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নতুন করে আরেক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ।
নিহত সুমন মিয়া (১৭) পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক মো: নজরুল ইসলামের ছেলে। সে শেরপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, অভিযুক্ত তরুণী আন্নী বেগম (১৭), বাবা আজিম উদ্দিন (৪২) ও দ্বিতীয় প্রেমিক রবিন (১৭)।
জানা যায়, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে প্রথমে পরিচয় এবং পরে প্রেমে জড়ায় শেরপুর পৌরসভার কসবা বারাকপাড়া এলাকার কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন ও শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়নের কাউনেরচর এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আন্নী বেগমের। সুমনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে থেকেও সুমনের অপর বন্ধু শেরপুর শহরের সজবরখিলা মহল্লার ফোরকান পুলিশের ছেলে রবিনের সঙ্গে গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক। রবিন ময়মনসিংহের একটি কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। পথের কাটা সুমনকে সরাতে ৪ নভেম্বর বিকেলে সুমনকে বিয়ের কথা বলে রবিনের বাড়িতে ডেকে আনে আন্নী ও রবিন। এরপর তাকে হত্যা করে নিজ উঠানে লাউয়ের মাচার নিচে মাটিতে পুঁতে রাখে সুমনের মরদেহ।
এদিকে রাতে সুমন বাড়ি ফিরে না এলে পরদিন সদর থানায় প্রথমে নিখোঁজ ডায়েরি এবং পরে আন্নী ও তার বাবা-মাসহ কয়েকজনের নামে অপহরণ মামলা দায়ের করে সুমনের বাবা নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার রাতে আন্নী বেগম ও তার বাবাকে গ্রেফতার করে। পরে আন্নীর স্বীকারোক্তিতে তার অপর প্রেমিক রবিনকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ির আঙিনায় মাটিচাপা দেওয়া সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রথমে মামলা নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থী আন্নী ও তার বাবাকে গ্রেফতার করেছি। পরে আন্নীর দেওয়া তথ্যমতে রবিনকে গ্রেফতার করা হয়। রবিনের স্বীকারোক্তিতে তার বাড়ি থেকে মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তদন্ত করে বের করা হবে।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুরে তিন দিনব্যাপী উপজেলা কৃষি মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই মেলায় মোট ১১ টি স্টল নিয়ে এই মেলার আয়োজন করা হয়।
১৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মাঠে চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় এবং খামারবাড়ি ঢাকা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে এই মেলার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা তপন রায়, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ইফতেখার নাইম সহ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা বৃন্দ।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে এক যুবককে দুটি খুঁটির সঙ্গে
বেঁধে গান গেয়ে পিটিয়ে মারার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিশ
সেকেন্ডের সে ভিডিওতে দেখা গেছে, এক যুবককে উড়ালসড়কের নিচে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা
হয়েছে। এ সময় গান গেয়ে তাকে মারধর করতে দেখা যায় কয়েকজন তরুণকে।
তবে ঘটনাটি গত ১৪ আগস্টের হলেও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় গত শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যে যুবককে মারধর
করা হয়, সে যুবকের নাম মো: শাহাদাত হোসেন (২৪)। তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার পাঁচবাড়িয়া
গ্রামের ২নং নদনা ইউনিয়নের মিয়া জান ভুঁইয়া বাড়ির মৃত মোহাম্মদ হারুনের ছেলে। শাহাদাত
থাকতেন চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বিআরটিসি এলাকার বয়লার কলোনিতে। তিনি নগরের
ফলমণ্ডির একটি দোকানে চাকরি করতেন।
তবে যে স্থানে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল
সেটি চট্টগ্রাম নগরীর আখতারুজ্জামান উড়াল সড়কের নিচে ২নং গেট মোড় এলাকায়। গত ১৪ আগস্ট
রাতে নগরে প্রবর্তক এলাকা থেকে পুলিশ শাহাদাতের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরদিন শাহাদাতের
চাচা মো: হারুন বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি
করা হয়। কিন্তু কেন এ হত্যাকাণ্ড কিংবা কার সঙ্গে বিরোধ, তা এজাহারে উল্লেখ নেই।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ আগস্ট রাতে প্রবর্তক
এলাকা থেকে ক্ষতবিক্ষত ও অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে
ওই ব্যক্তিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার চাচা ফেসবুকে লাশের ছবি দেখে থানায় এসে মামলা করেন। তবে মারধরের
শিকার ব্যক্তি যে শাহাদাত, সেটি জানা গেছে তার স্ত্রীর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে
শনাক্ত করার পর।
মামলার এজাহারে নিহত শাহাদাতের চাচা
মো: হারুন উল্লেখ করেছেন, ১৩ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের
হন শাহাদাত। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফোন করলে কিছুক্ষণের মধ্যে বাসায় চলে আসবেন বলে তার
স্ত্রীকে জানান শাহাদাত। গভীর রাত পর্যন্ত স্বামী বাসায় ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজি করেন
স্ত্রী শারমিন। সে সময় শাহাদাতের মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
গেল ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফেসবুকে
বাদী দেখতে পান, নগরের প্রবর্তক মোড়ের অদূরে বদনা শাহর মাজারের বিপরীতে সড়কের পাশে
তার ভাতিজা শাহাদাত হোসেনের মৃতদেহ পড়ে আছে। পরে এদিন রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে শাহাদাতের লাশ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী শারমিন আক্তার
ও বাদী।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার
ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শাহাদাতের স্ত্রী মারধরের শিকার ব্যক্তি
শাহাদাত বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে যারা মারধর করছেন, তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায়
চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন মহাসড়ক হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
আজ রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় মহাসড়কের শৃঙ্খলা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মিয়াবাজার হাইওয়ে থানাধীন চৌদ্দগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকা হতে মহাসড়কে থাকা অস্থায়ী স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদ করা হয়।
এ সময় হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের এডিশনাল ডিআইজি মো: খাইরুল আলম, কুমিল্লা হাইওয়ে সার্কেল এএসপি ও অফিসার ইনচার্জ মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও এই অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সেনাবাহিনীর মেজর পদমর্যাদার অফিসার এর নের্তৃত্বে একটি টিম, এসি ল্যান্ড ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


খাগড়াছড়িতে ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে
মা-ছেলেসহ চারজন নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৫ মে) ভোরে জেলার দীঘিনালা,
রামগড় ও মাটিরাঙ্গায় এসব ঘটনা ঘটে।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বজ্রপাতে টিনের
ঘরে আগুন লেগে মা-ছেলে নিহত হয়েছেন। ভোরে দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের মধ্যবেতছড়ি গ্রামে
এ ঘটনা ঘটে।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন- দীঘিনালার মধ্যবেতছড়ির
মো: ছাদেক মিয়ার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০) ও তার ছেলে হানিফ মিয়া (৮)। ঘটনার সময় হাসিনা
বেগমের স্বামী ছাদেক মিয়া বাড়িতে ছিলেন না। খবর পেয়ে দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা
ঘরের আগুন নিভিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে ভারি বৃষ্টির
সঙ্গে বজ্রপাতে ছাদেক মিয়ার মাটির ঘরের টিনের চালে আগুন লেগে যায়। এ সময় ঘরের ভেতরে
থাকা তার স্ত্রী হাসিনা বেগম ও ছেলে হানিফ মিয়া আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান। তবে
এ সময় সঙ্গে থাকা তার আরেক ছেলে মো: হাফিজ (১১) প্রাণে বেঁচে যায়।
দীঘিনালা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) মো: নুরুল হক জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া
হবে।
এদিকে খাগড়াছড়ির রামগড়ে বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টির
সময় বাড়ির উঠানে থাকা দুটি গরুসহ গনেজ মারমা (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। ভোরে
রামগড়ের দুর্গম হাজাছড়া পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে নিহত গনেজ মারমা দুর্গম হাজাছড়া
গ্রামের বাসিন্দা কংজ মারমার ছেলে।
একইদিন মাটিরাঙ্গায় বজ্রপাতে সুমিকা
ত্রিপুরা (২৭) নামে এক গৃহিণী নিহত হন। এসময় তার দুই ছেলে আহত হয়। এছাড়া তার ঘরে থাকা
তিনটি ছাগল মারা যায়। সুমিকা ত্রিপুরা মাটিরাঙ্গার বেলছড়ি ইউনিয়নের শশীকারবারী পাড়ার
বাসিন্দা সুশেন ত্রিপুরার স্ত্রী। তার দুই ছেলে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
চিকিৎসাধীন আছে।
বেলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রহমত
উল্যাহি বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, এ মৃত্যু বড়ই মর্মান্তিক। মাটিরাঙ্গা
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারকে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এই মুহূর্তে কুমিল্লা গোমতী নদীর পানি বিপদসীমার ১১৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। (বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ ঘটিকায়)
আপনারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যান। আদর্শ সদর উপজেলার সকল স্কুল কলেজ মাদ্রাসা খোলা আছে। যেটা কাছে সেটাতে উঠে যান। গোমতী নদীর পাড় থেকে দয়া করে দর্শনার্থীগণ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। উপজেলা প্রশাসন আদর্শ সদর, কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


রিমানন্ড ও জামিনা না মঞ্জুর করে
টিকটকার মামুন মামুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১১ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন।
টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের
(২৫)
বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
করেন বান্ধবী লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮)।
এর আগে সোমবার (১০ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দাউদকান্দি থানা পুলিশ। এরপর তাকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আজ (মঙ্গলবার) তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানার উপ-পরিদর্শক মো: শাহজাহান। আসামিপক্ষে বেশ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন লায়লা।
মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে তার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন তাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা ছিল না। তাই প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ায় এবং মামুন লায়লাকে বিয়ে করবে জানালে তাকে নিজ বাসায় থাকার অনুমতি দেন তিনি (লায়লা)।
পরে ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করতে থাকেন। সেখানে লায়লার বাসায় তার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন মামুন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সর্ম্পক করেন তিনি। মামুন তার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই ওই বাসায় গিয়ে থাকতেন। লায়লা মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামুনকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।
মন্তব্য করুন