

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
গত বছরের ১৫ মার্চ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা আত্মহত্যা করেন। তার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় অব্যহতি পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণ না মেলায় অন্যহতি দেওয়া হয় বলে জানা যায়। তবে সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকীকে (আম্মান) অভিযুক্ত করা হয়।রোববার (১০ আগস্ট) কুমিল্লার আদালতে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মিজানুর অভিযোগ পত্র জমা দেন।
প্রায় দেড় বছর পর কুমিল্লার আদালতে রোববার (১০ আগস্ট) অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান বলেন, অবন্তিকার মা সহপাঠী আম্মান ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে আসামি করে মামলাটি করেছিলেন। মামলাটি তদন্তে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাসহ ২৩ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অবন্তিকার মোবাইল ফোনে থাকা বেশ কিছু ছবি, স্ক্রিন শট, মেসেঞ্জার ও হোয়াটস অ্যাপের কিছু ক্ষুদে বার্তা জব্দ করা হয়। তার ফেসবুকে দেওয়া ‘সুইসাইড নোট’ পর্যালোচনা করা হয়েছে। মোবাইলটি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠিয়ে প্রতিবেদন আনা হয়। আম্মান বিভিন্নভাবে অবন্তিকাকে মানসিকভাবে হয়রানি করতেন। মোবাইলে এমন কিছু ক্ষুদে বার্তাও পাওয়া গেছে। এসব হয়রানির কারণে অবন্তিকা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। সেসব উল্লেখ করেই অভিযোগ পত্র দেওয়া হয়েছে।গত বছরের ১৫ মার্চ রাতে কুমিল্লা নগরীর একটি ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন অবন্তিকা। এর আগে ফেসবুক পোস্টে শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ করেন তিনি পরদিন ১৬ মার্চ তার মা তাহমিনা শবনম দুজনকে আসামি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন।
অবন্তিকার মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মেয়ের মৃত্যুর নেপথ্যে জড়িতরা শাস্তি পাবে কিনা শুরু থেকেই সন্দেহ ছিল। যে জবি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও মেয়েকে বাঁচাতে পারিনি, সেই প্রশাসন কীভাবে দায় এড়াতে পারে?’
তিনি আরও বলেন, ‘অবন্তিকার মতো অসংখ্য মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়রানির শিকার হয়। কেউ নীরবে সহ্য করে, কেউ প্রতিবাদ করে মৃত্যুর মুখে পড়ে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে শনিবার রাতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ডিএমপি ঢাকা জেলার মিরপুর থানার ৬৮নং জনতা হাউজিং, শাহ আলীবাগ এলাকার মৃত ওসমান গনির ছেলে মাঃ ইমামুল হক @শুক্কুর এবং কক্সবাজার জেলার কক্সবাজার সদর থানার পূর্ব মুক্তার পোল, ০৬ নং ওয়ার্ড এর মৃত দানু মিয়ার ছেলে দিদারুল আলম (৫০)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জানায়, তারা উভয়েই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা সাধারণ পেশার আড়ালে এসকল মাদকদ্রব্যের পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী মোঃ ইমামুল হক শুক্কুর ড্রাইভার পেশার আড়ালে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। এই চক্রটি পারস্পারিক যোগসাজসে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যের বড় আকারের চালান দীর্ঘদিন যাবৎ ট্রাক, পিকআপ, কার্ভাড ভ্যান সহ অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের পণ্যদ্রব্য পরিবহনের আড়াঁলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কুমিল্লা ও ঢাকা সহ পাশর্^বর্তী জেলা সমূহে সরবরাহ করে থাকে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় আরো জানায় এই বিপুল পরিমান ইয়াবা এর চালান ঢাকাসহ পাশর্^বর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে গোয়েন্দা কার্যক্রম ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আভিযানিক দল মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য মোঃ ইমামুল হক @শুক্কুর ও দিদারুল আলম’দ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক তাদের দেখানো মতে সদর দক্ষিণ থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকার ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক হতে গ্রেফতার করে ০১ টি ব্যাগে সর্বমোট ৪০,০০০ পিস উদ্ধার করে যার আনুমানিক মূল্য ০১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্তদের বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসংক্রান্তে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-১১ এর গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যা মামলায় আব্দুর রাজ্জাক নামের এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ
নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দেবিদ্বার পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ
সম্পাদক।
শনিবার (২৩ মে) রাত দেড়টায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ৫ নম্বর
ওয়ার্ড বানিয়াপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) দেবিদ্বার বানিয়াপাড়া গ্রামের
মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে।
জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্টে সরকার পতনের আন্দোলনে
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রুবেল হত্যার সঙ্গে জড়িত
ছিলেন তিনি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন,
শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবিদ্বার পৌর এলাকার বানিয়াপাড়ার রাজ্জাকের
নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রুবেল হত্যাসহ
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপ-পরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে আজ ৯জানুয়ারি বিকালে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের সাথে রাস্তার উপর কুমিল্লা হতে ঢাকাগামী তিশা ট্রাভেলস বাস তল্লাশী করে ৫ কেজি গাঁজাসহ মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রকাশ বেনজির নামের একজন আসামিকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার বাগচর গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে।
আসামীর বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল:
দীর্ঘ
পাঁচ বছর পর আবারও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হলো বাংলা নববর্ষের বর্ণাঢ্য
আয়োজন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিনব্যাপী ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস ছিল উৎসবমুখর, প্রাণবন্ত। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।
উৎসবের সূচনা হয় সকাল সাড়ে ৯টায়, ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়, যেখানে বর্ষবরণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
সকাল
১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে শুরু হয় বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। ছেলেদের
জন্য আয়োজন করা হয় মোরগ লড়াই আর মেয়েদের জন্য ছিল মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, যা
শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দ ছড়িয়ে দেয়।
সকাল
সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন লোকগান, নৃত্য,
কবিতা আবৃত্তি ও নাটিকা। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ বাংলা নববর্ষকে ঘিরে
নিজ নিজ স্টলে পরিবেশন করে ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি — পাটিসাপটা, চিতই, দুধচিটা, মালপোয়া
প্রভৃতি।
ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “বাংলা নববর্ষ এদেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। এটি আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতি চেতনা জাগ্রত করবে।”
প্রো-ভাইস
চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার
দায়িত্ব আমাদের সকলের। এমন আয়োজন সেই দায়িত্ব পালনকে আরও বেগবান করে।”
ট্রেজারার
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, নতুন বছর আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে
দিয়েছে। অতীতের অন্যায়-অবিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্রের
পথে।
প্রায়
পাঁচ বছর পর কুবিতে এই আয়োজন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা
গেছে। দিনভর চলা নানা আয়োজনে মুখর ছিল গোটা ক্যাম্পাস।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত চক্রের চারজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চান্দিনা উপজেলার কেরনখাল কাঠবাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এসময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র, একটি মাইক্রোবাস ও একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ফারুক ওরফে জজ মিয়া (৩৭), বাবুল ওরফে সেলিম (৪৮), সুজন চন্দ্র সরকার (২৫) এবং আব্দুর রশিদ (৫৫)। এদের মধ্যে ফারুক ওরফে জজ মিয়ার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা, বাবুলের বিরুদ্ধে ১টি মামলা এবং আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
মন্তব্য করুন


বাঁচা-মরার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৮ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপে সুপার ফোরে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে দেশের বাইরে প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে হারালো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে আফগানিস্তানকে ১৫৫ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেনার সেদিকুল্লাহ অটলকে শূন্য রানে এলবিডাব্লিউ করেন বাহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। ওই ওভার মেইডেন নেন নাসুম। উইকেট হারানোর পরেও চড়াও হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তবে পঞ্চম ওভারে এসে সেই জুটিও ভেঙেছেন নাসুম। তার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ৫ রানে ফিরেছেন ইব্রাহিম। অবশ্য আফগানিস্তান রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। আফগান ব্যাটার কাটা পড়েন আম্পায়ারর্স কলে।
পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট নেয়ার পাশাপাশি আফগানদের চেপে ধরে টাইগার বোলাররা। ৬ ওভারে আফগানদের সংগ্রহ মাত্র ২৭ রান।
৮ দশমিক ৩ ওভারে এসে গুলবাদিনকে বিদায় দিয়ে আফগানদের আরও চাপে ফেলেন রিশাদ। গুলবাদিনের ফিরতি ক্যাচ নেন এই লেগি। আফগান এই ব্যাটার ১৪ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন। গুরবাজ এক প্রান্ত আগলে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালেও ড্রিংকস ব্রেকের পর রিশাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে ৩৫ রানে কাটা পড়েন। তার ৩১ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়। এটি ছিল রিশাদের দ্বিতীয় উইকেট। আফগানরা চতুর্থ উইকেট হারায় ৬২ রানে।
১৩তম ওভারে পঞ্চম উইকেটও তুলে নেয় বাংলাদেশ। মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হন মোহাম্মদ নবী (১৫)। তাতে ৭৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে আরও বিপদে পড়ে আফগানিস্তান। তবে ক্যামিও ইনিংসে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ব্যবধান কমাচ্ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার ব্যাটে ১৫তম ওভারে স্কোর একশ ছাড়ায় আফগানদের। তবে এই ব্যাটারকে ৩০ রানে থামিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ওমরজাই ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন।
১৮ বলে যখন ৩১ রান দরকার ঠিক তখনই রান আউটের ফাঁদে করিম জান্নাত। সোহানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে রান আউট হন তিনি। ১২৪ রানে পড়ে সপ্তম উইকেট। ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার চেষ্টায় ছিলেন রশিদ খান। প্রথম বলে চার মারলেও ১৮ দশমিক ২ ওভারে মোস্তাফিজের বলেই ২০ রানে কাটা পড়েন তিনি। তাতে ১৩২ রানে অষ্টম উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
পরের বলে নতুন নামা গজনফরকেও গ্লাভসবন্দি করান কাটার মাস্টার। তাতে জয়ের আরও কাছে চলে আসে বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে সোহানের হাতে তালুবন্দি হন নুর। এতেই ৮ রানের পরাজয় ঘটে আফগানদের।
বাংলাদেশের হয়ে এই ম্যাচে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। তাসকিন, রিশাদ এবং নাসুম নিয়েছেন দুটি করে। তবে চার ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন নাসুম।
এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চার পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিমের সাথে ওপেনিংয়ে নামেন সাইফ হাসান। ভাগ্যের সহায়তা পান দুজনই। প্রথম ওভারে ক্যাচ তুলেও বেঁচে যান সাইফ হাসান। তৃতীয় ওভারে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় তানজিদ হাসানের। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশ তোলে বিনা উইকেটে ৫৯।
একসময় মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ ১৭০-১৮০ রানের দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু তানজিদ ছাড়া বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দল ৫ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫৪ রানের মাঝারি সংগ্রহ।
আফগান স্পিনার নুর আহমেদকে ছক্কা মারতে গিয়ে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ৩১ বলে ৫২ রান করেন ওপেনার তানজিদ। ২৮ বলে ৩০ আসে সাইফের ব্যাট থেকে। বাকিরা কেউই ত্রিশ পেরোতে পারেননি।
১৩ তম ওভারে তানজিদের বিদায়ের পর শেষ ৭.১ ওভারে বাংলাদেশ মাত্র ৫০ রান তুলতে পেরেছে। এ সময় হারিয়েছে মাত্র ২ উইকেট। জাকের আলি করেন ১৩ বলে ১২ এবং নুরুল হাসান ৬ বলে ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। আর ২০ বলে ২৬ রান করে আউট হন তাওহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশ এর আগে একবারই আফগানদের ১৫৫-এর বেশি লক্ষ্য দিতে পেরেছে। ২০২২ সালে মিরপুরে সেই ম্যাচে ১৫৬ রানের লক্ষ্য ছুঁতে নেমে ৯৪ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। সেই ম্যাচেও নাসুম আহমেদ ৪ উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। এ ম্যাচেও প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন এই বোলার।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ১৭ ডিসেম্বর র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর (মিস্ত্রী পুকুরপাড়) এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
এ সময় গ্রেফতার করা হয়—১. আরিফ হোসেন (২৯)২. মোঃ সোহাগ মিয়া (২৭)৩. মোঃ শাফি (১৯)প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়—গ্রেফতারকৃত আসামী আরিফ হোসেন (২৯) কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার ঝলম গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি হাবিবুল্লাহর ছেলে। মোঃ সোহাগ মিয়া (২৭) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোঃ শাফি (১৯) একই থানার রাচিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং জাকির হোসেনের ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিল।
র্যাব-১১ এর মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪,২০০ পিস ইয়াবা, নগদ ৫৪
হাজার টাকা ও মোবাইলসহ একজন নারীকে আটক করেছে ডিএনসি, কুমিল্লা।
শনিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এঁর সার্বিক তত্ত্বাবধানে
ও পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান এঁর নেতৃত্বে
ডিএনসি- কুমিল্লা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন মনোহরপুর সোনালী মসজিদ রোডস্থ ৩৪১ নং গফুর ভিলা নামীয় বিল্ডিংয়ের
দ্বিতীয় তলার উত্তর পাশের ফ্ল্যাট থেকে আসামী রুবিনা আক্তারকে আটক করে। এ সময় তার
কাছ থেকে ৪,২০০ পিস ইয়াবা, নগদ ৫৪ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী
মডেল থানার ধর্মপুর এলাকার মৃত সহিদুল ইসলাম এর মেয়ে রুবিনা আক্তার (৩৪)।
আসামীর বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোহাম্মদ
ইব্রাহিম খান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণীর ১০(গ) ধারায়
কোতয়ালী থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব-১১। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ শহরের গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন করেছেন তারা।
র্যাব সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধ দমনসহ দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে দেশ ও জনগনের স্বার্থে আইনশৃংখা রক্ষায় কুমিল্লা র্যাব নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এই উপলক্ষে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা শহরের আশেপাশের এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। মহাসড়কে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য র্যাব সদস্যরা গভীর রাত পর্যন্ত টহল পরিচালনা করবে। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ শহরের গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার, সিএনজি, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশী করবে। তাছাড়াও জনগনের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জনবহুল এলাকাও গুরুত্বপূর্ন সরকারি বেসরকারি স্থাপনায় নাশকতামূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধে র্যাবের টহল টিমের পাশাপাশি সাদা পোষাকের গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাবের কোম্পানী অধিনায়ক ও উপ পরিচালক মেজর সাদমান ইবনে আলম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, র্যাব দেশের মানুষের শান্তিশৃংখলা রক্ষায় বরাবরই দায়িত্ব পালন করে আসছে। দেশের যে কোন পরিস্থিতিতে দেশের আইনশৃংখলা রক্ষায় প্রস্তুত। অতীতেও র্যাব চাঞ্চল্যকর অপরাধী, তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, হত্যা মামলার আসামী, ধর্ষণ মামলার আসামী, অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার, প্রতারণা মামলার আসামী গ্রেফতারসহ আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন করেছে।
মন্তব্য করুন