

মো; মাসুদ রানা,কচুয়া (চাঁদপুর) ॥
চাঁদপুরের কচুয়ায় কলা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছেন মিজানুর রহমান নামের এক কৃষক। বর্তমানে তার জমিতে চার শতাধিক কলা গাছ আছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় রাস্তার পাশে কলার বিশাল বাগান করেছেন মিজানুর রহমান। বর্তমানে তার বাগানে প্রায় ২০০ কলার ছড়ি আছে। জমি ইজারা নিয়ে কলা চাষের পাশাপাশি হলুদ,মিষ্টি আলু, লাউ,টমেটে ও নানা জাতের সবজির আবাদ করেছেন তিনি।
অন্য ফসল বিক্রিতে কিছু ঝামেলা থাকলেও কলা বিক্রিতে কোনো ঝামেলা নেই। খুচরা পাইকাররা জমি থেকেই কলা কেটে নিয়ে যান। সবরি কলার কাঁদি ৪০০-৫০০ টাকা, সাগর কলার কাঁদি পাইকারি বিক্রি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বিক্রি হয়।
কৃষক মিজানুর রহমান কলা চারা রোপনে ব্যয় হয়েছির মাত্র ১০ হাজার টাকা। পরবর্তীতে বছর খানেক সময় গেলে তার কলা বাগান থেকে আয় হয় ৫০ হাজার টাকা। বর্তমানে কলা বাগনে আরো কলার ছড়া রয়েছে। বর্তমানে বাগানে যে কলা আছে তা ৫০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি হবে বলেও জানান তিনি।
তাছাড়া দুই থেকে তিন ফুট লম্বা কলা গাছের চারা লাগানোর ৮-৯ মাসের মধ্যেই ফল পাওয়া যায়। কলার চারা একবার রোপণ করলে পুনরায় তা আর রোপণ করতে হয় না। গাছের কলা একবার পূর্ণাঙ্গ বয়স হলে কেটে ফেলার কিছুদিন পর ওই গাছের গোড়া থেকে নতুন চারা জন্মায়। কৃষক মিজানুর রহমান কলা চাষ করে নিজের পরিবারের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন তিনি। কলা চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন তিনি।
কলা চাষিরা মো. মিজানুর রহমান বলেন, এক বছর আগে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে করার আবাদ করি। পাঁচ বছরের জন্য ৭২ শতাংশ জমি ইজারা নিয়ে এ জমিতে কলা চাষের পাশাপাশি সমন্বিত সবজির আবাদ করেছি। কৃষি অফিসের সার্বিক সহায়তা ও পরামর্শে কলার ফলন ভালো হায়েছে। প্রথম ৫০ হাজার টাকার অধিক কলা বিক্রি করি।
কচুয়া উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা টিটু মহন সরকার বলেন, কলা চাষ তেমন কোনো খরচ নেই। কলা চাষে লাভের অংশ বেশি। এ উপজেলার বিভিন্ন ব্লকে দিন দিন বাড়ছে কলার চাষ। কম শ্রম, অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কলা চাষ। রাস্তার ধারে কিংবা বাগানের পতিত জায়গাকে ব্যবহার করে কলা চাষই সফলতার হাসি এনেছে চাষী মিজানুর রহমান। ফলে দিন দিন বেড়েই চলছে কলা চাষ। সম্পৃক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন চাষি।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি
কুমিল্লা মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করেছে ।
শনিবার বিকেলে মাদকবিরোধী এ টাস্কফোর্স অভিযানে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ ১ জনকে আটক করা হয়
।
আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)মো: মেহেদী হাসান এর নেতৃত্বে ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর নির্দেশনায় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক কাজী দিদারুল আলম এর সার্বিক তত্বাবধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন নিশ্চিন্তপুর বাজারে পরিচালিত এ টাস্কফোর্স অভিযানে ডিএনসি-কুমিল্লা, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের অংশগ্রহণে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন মোসা: মিলন বিবি (৬৩) কে ৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় ।
আসামীর
বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান ।
মন্তব্য করুন


খুলনার কয়রায় ৪৮ কেজি হরিণের মাংসসহ ০১ শিকারিকে গ্রেপ্তার করেছে বনরক্ষীরা।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে হরিণ শিকার করে মাংস পাচারের সময় ৪নং কয়রা সংলগ্ন শাকবাড়িয়া নদীতে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। কাশিয়াবাদ স্টেশন কর্মকর্তা “ মো. নাসির উদ্দী “ এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি নৌকা, ১১৫ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও হরিণ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। আটক দিদারুল ইসলাম (৩৫) কয়রা উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের হামিদ গাজীর ছেলে।
খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) “ মো. শামীম রেজা মিঠু “ বলেন, এ ব্যাপারে ০২ জনের নাম উল্লেখ করে বন্যপ্রাণী আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দ হরিণের মাংস ও মাছ পচনশীল হওয়ায় আদালতের অনুমতিক্রমে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হরিণ শিকারিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে একটি গাভির ছয় পায়ের বাছুরের জন্ম হয়েছে।এ চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গাভির মালিকের বাড়িতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের কৃষক মাহামুদুল হকের গাভিটি এ বাছুরটির জন্ম দেয়।
বর্তমানে বাছুরটি সুস্থ আছে। ছয় পা বিশিষ্ট বাছুরটি দেখতে আসা অনেকেই বলেন,লোকমুখে জানতে পারি নওদাপাড়া গ্রামে ৬ পায়ের একটি বাছুর জন্মেছে। তাই বাছুরটি দেখতে আসলাম। বাছুরটি দেখে খুব ভাল লাগলো।
গাভিটির মালিক মাহামুদুল হক বলেন, অনেক যত্ন করে ছোট থেকেই গাভিটিকে লালন-পালন করেছি। শুক্রবার সকালে গাভিটি প্রথম একটি বাছুর জন্ম দেয়। বাছুরটির পিঠের উপর অতিরিক্ত দুটি পা আছে। বর্তমানে গাভি ও বাছুরটি সুস্থ আছে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কুমিল্লা অংশের নাঙ্গলকোট পৌরবাজার এলাকায় রেলসীমানা দখল করে গড়ে ওঠা প্রায় শতাধিক অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রশাসন। আজ বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত একটানা এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
নাঙ্গলকোট পৌরবাজার রেলগেট থেকে শুরু করে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পূর্ব পাশের বিশাল এলাকা জুড়ে এই অবৈধ স্থাপনাগুলো গড়ে উঠেছিল।
উচ্ছেদ অভিযানে রেলওয়ের কঠোর পদক্ষেপ
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন রেলওয়ের বিভাগীয় স্টেট অফিসার মো. খোরশেদ আলম। অভিযানে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
এ সময় নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা উপস্থিত ছিলেন। ভ্যাকুয়াম মেশিন (Vaccum Machine) ব্যবহার করে একে একে সব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
দখলদারদের অভিযোগ ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
এদিকে, উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা অভিযোগ করেছেন যে, তাদের কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ দেওয়া হয়নি। ফলে হঠাৎ চালানো এই অভিযানে তারা মালামাল সরানোর সুযোগ পাননি, যার কারণে তারা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
তবে রেলওয়ে স্টেট অফিসার মো. খোরশেদ আলম এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে রেলওয়ের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া তুলছিল। তিনি নিশ্চিত করেন, "দখলদারদের কয়েক দফা লিখিত নোটিশ ও মাইকিং করা হয়েছিল, কিন্তু তারা স্থান ছাড়তে রাজি হননি। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাধ্য হয়েই এই উচ্ছেদ অভিযান চালাতে হয়েছে।"
তিনি আরও জানান, দেশের সমস্ত রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


অসহায় বাবা-মায়ের জন্য আট টাকার শাড়ি লুঙ্গীর
হাট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুড়িগ্রামে শতাধিক দুঃস্থ অসহায় বাবা মায়ের জন্য
ভ্রাম্যমান শাড়ি লুঙ্গীর হাটের আয়োজন করে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ফাইট আনটিল লাইট
(ফুল)নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ভ্রাম্যমান এ হাটে আট টাকা দরে একটি শাড়ি,
একটি লুঙ্গি এবং দু' টাকায় একটি ব্লাউজের পিস বিক্রি করা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) কুড়িগ্রাম সদর
উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কুমোরপুর দাখিল উলুম মাদ্রাসা মাঠে নাম মাত্র মূল্যে
এসব শাড়ি,লুঙ্গী বিক্রি করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের
চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান,সিনিয়র গণ মাধ্যমকর্মী শফি খান, স্থানীয় ইউপি সদস্য
হামিদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সহকারি আতাউর রহমান ও স্বাস্থ্যকর্মী লেলিনসহ অনেকে।
আট টাকায় শাড়ি পেয়ে বৃদ্ধ আমেনা বেওয়া বলেন, বর্তমানে
বাজারে একটা শাড়ির দাম নিম্নে ৩০০ টাকা। সেই শাড়ি আট টাকায় পেয়ে খুব উপকার হলো।
লুঙ্গী পেয়ে হামিদ মিয়া বলেন, হামার ৬৫ বছর বয়সে
কোন দিন দেহি নাই আট টাহায় এহান(একটা) লুঙ্গি পাওয়া যায়। আইজ সেই আট টাহায় লুঙ্গি
কিনলং। খুব খুশি নাগছে।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব
সাইদুর রহমান বলেন, ফুল দীর্ঘদিন ধরে জেলায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অসহায় বাবা মা কে
নিয়ে কাজ করে আসছে। ফুলের আজকের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
ফাইট আনটিল লাইট ফুল এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল
কাদের বলেন, কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সামাজিক সংগঠন ফুল শহর গ্রাম ও
প্রত্যান্ত চরাঞ্চলের মানুষ মাঝে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে এক
যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছে। আমরা ত্রানে নয় বিনিময়ে উপহার দিয়ে মানুষের
মানসিকতার পরিবর্তন আনতে চাই।তাই অসহায় বাবা মায়ের কাছে মাত্র ৮ টাকার
বিনিময়ে শাড়ি লুঙ্গি বিক্রি করার ব্যবস্থা করছি।
মন্তব্য করুন


দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তীব্র শীত আর অনুভূত হচ্ছে না। তাপমাত্রা কিছুটা উঠানামার মধ্যে থাকলেও কনকনে ঠান্ডা আর অনুভূত হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে বৃষ্টিরও পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তীত থাকতে পারে। (৩ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সকাল ৯টায় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, শীতের তীব্রতা আর থাকবে না; তবে শীত একদম বিদায়ও নিচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিজুড়ে মৃদু শীত অনুভূত হবে।তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একটা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস থাকলেও জোরালো না।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অপর দিকে মংলা ও ভোলায় সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সারাদেশে শনিবার তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকলেও রাতে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। এ ছাড়া রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। পরদিন সোমবারও (৫ ফেব্রুয়ারি) দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সিনপটিকে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যান্য জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আর বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
মন্তব্য করুন


গতকাল ১৯ অক্টোবর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের কান্দিরপাড় উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ০৫ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল ১১ টায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের কান্দিরপাড় উচ্চ মাধ্যমিক শাখার শিক্ষার্থী জিসান ও ফাহাদের সাথে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী তানভিন সিফাতের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সিফাত ফাহাদকে মারপিটের হুমকি দেয় ও তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় সিফাত তার বহিরাগত বন্ধুদের ফোন দিলে তারা এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সিফাত ও তার সহযোগী কিশোর গ্যাং সদস্যরা ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা করে। এতে ০৫ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উল্লেখিত ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের লক্ষে র্যাব কার্যক্রম শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে কিশোর গ্যাং সদস্য ১। তৌহিদুল ইসলাম মাহিম (১৮), পিতা-মোঃ মামুন, মাতা-তানিয়া বেগম, সাং-আনন্দপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা, ২। মোঃ ফাহিম (১৭), পিতা-মোঃ আবু তাহের, মাতা-জমিলা বেগম, সাং-দেওরা, থানা-বরুড়া, এ/পি সাং-দক্ষিণ চর্থা, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৩। শাফায়েত ইসলাম (২১), পিতা-মোঃ লিটন, মাতা-সালমা আক্তার, সাং-কান্দিরপাড়, ৪। রহমাতুল ফুয়াদ (১৮), পিতা-আঃ রহমান টিটু, মাতা-ইয়াসমিন আক্তার, সাং-ভাটপাড়া চৌমুহনি, ৫। সালমান শিকদার (১৭), পিতা-ফারুক শিকদার, মাতা-সাজিয়া খাতুন, সাং-চানপুর, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৬। রাকিবুল হাসান (২১), পিতা-দৌলত হোসেন, মাতা-নুরজাহান বেগম, সাং-শিকারপুর, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা, ৭। রাফাতুল ইসলাম রাতুল (২২), পিতা-একরামুল হক বাবুল, মাতা- ফাতেমা আক্তার মুন্নি, সাং-বিষ্ণুপুর মৌলভিপাড়া, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৮। শাওন রায় (২২), পিতা-অবিনাশ চন্দ্র রায়, মাতা-শিপন রানী রায়, সাং-মাধবপুর, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-এসআর এন্টারপ্রাইজ, সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সের ২য় তলা, কান্দিরপাড়, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে ১৯/১০/২০২৫ইং তারিখ রাতে র্যাবের অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড় এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানান, কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেতর (তারাবাড়ি) এলাকায় রংপুর এক্সপ্রেসের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে বন্ধ রয়েছে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার এ ঘটনাটি ঘটে ভোর ৪টা ৫৭ মিনিটে।
টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম বলেন, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভোরে বেতর এলাকায় পৌঁছালে একটি বগি লাইনচ্যুত হয়।
বগিটি যাত্রীদের মালামাল বহনকারী ছিল। এতে বন্ধ রয়েছে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল। ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়েছে উদ্ধারকারী ট্রেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা–০৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে টানা নয়দিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীতে বিশাল মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা দাবি করেন।
সন্ধ্যায় টাউন হল মাঠ থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এরপর মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে এসে সমাবেশ করে। পুরো সমাবেশ ও মিছিলজুড়ে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন— “কুমিল্লা–৬ জনতার দাবি, ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন এবার চাই”, “ত্যাগীর মর্যাদা দিতে হবে, ইয়াছিন ভাইকে মনোনয়ন দিতে হবে”,
"১৭ বছর যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "জেল জুলুম জামিনে যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "এই কুমিল্লার মাটি ইয়াছিন ভাইয়ের ঘাটি","এক দুই তিন চার মনির চৌধুরী, কুমিল্লা ছাড়", "উড়ে এসে নমিনেশন, মানি না মানবো না"।
মিছিলের একাধিক অংশে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা হাতে মশাল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সমর্থকরা জানান, গত ৩ নভেম্বর রাতে মহাসড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর নগরীর কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মশাল মিছিল বের করা হয়। ৫ নভেম্বর নারী সমর্থকদের উদ্যোগে নারীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
৬ নভেম্বর নফল রোজা রেখে সমর্থকেরা সন্ধ্যায় গণ–ইফতারের আয়োজন করেন। ৭ নভেম্বর জুমার নামাজের পর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৮ নভেম্বর কান্দিরপাড় পূর্বালী চত্বরে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে মনোনয়ন দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়।
৯ নভেম্বর কারা–নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে হাজী ইয়াছিনের পক্ষে মানবিক ও রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়। আর ১০ নভেম্বর স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তারা ইয়াছিনকে “সৎ, ত্যাগী ও এলাকার উন্নয়ন–বান্ধব নেতা” হিসেবে তুলে ধরে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
টানা কর্মসূচির নবম দিনে অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবারের মশাল মিছিল। নেতাকর্মীদের দাবি, কুমিল্লা–৬ আসনে ত্যাগী, গ্রহণযোগ্য এবং শ্রমীচেতন রাজনীতিক হিসেবে হাজী ইয়াছিনই হচ্ছেন এলাকার মানুষের পছন্দের প্রার্থী।
নেতাকর্মীরা আরও জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বন্যা দুর্গত অঞ্চলে ও কুমিল্লা মহানগরীর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করে যাচ্ছেন বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু।
উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, কুমিল্লা জিলা স্কুলের আশ্রয় কেন্দ্রে চাহিদা মত রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, মেডিসিন, ওরস্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী দিয়ে যাওয়ার কাজ করে যাচ্ছে বিবেক ।
কুমিল্লাতে এরই মধ্যে কুমিল্লা হাই স্কুল, সংরাইশ সালেহা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,ধর্মপুর মহিলা সরকারি কলেজর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রত্যেকের চাহিদা অনুযায়ী উপহার সামগ্রী বন্টন করেছে আত্ম মানবতার সেবায় নিয়োজিত সংগঠন বিবেক ।
পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনেও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের কাজ করে আসছে সংগঠনটি ।
সহযোগিতা প্রদানের কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই ইউসুফ মোল্লা টিপু আশ্বস্ত করেছেন বন্য পরবর্তী সময়ে পুনর্বাসন সহ অনেক উদ্যোগ বিবেক হাতে নিয়েছে যার কার্যক্রম কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে।
এখানে
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিবেক সংগঠন থেকে যা কিছু করা হয় সেগুলোর আর্থিক অনুদান একমাত্র
বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু'র নিজ অর্থায়নে করা হয়।
মন্তব্য করুন