

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় শীতের শুরু থেকেই লেপ-তোষকের দোকানে কারিগরদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী লেপ-তোষক তৈরি করছেন তারা। রেডিমেড লেপ-তোষক-ম্যাট্রেসের কদর বৃদ্ধি, উপকরণের মূল্য ও মজুরি বৃদ্ধির কারণে এবার কমেছে চাহিদার পরিমাণ। সে কারণে কারিগরদের ব্যস্ততাও আগের থেকে একটু কম। তীব্র শীত শুরু হতে এখনো বাকি কিছুদিন। কনকনে শীতের আগে তাই লেপ-তোষকের দোকানে আসছেন ক্রেতারা। নতুনের পাশাপাশি কেউ কেউ আবার পুরনো লেপ-তোষকই নতুন করে গড়িয়ে নিচ্ছেন।
জানা যায়,কচুয়া পৌর বাজার, রহিমানগর, সাচার, পালাখাল ও জগতপুর বাজারে কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। এসকল দোকানে বানানো লেপ-তোষকের পাশাপাশি রেডিমেড লেপ-তোষকও বিক্রি হচ্ছে। এবারে তুলা ও কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে লেপ, তোষক তৈরিতে খরচও বেড়েছে। উপকরণ ও মজুরি মিলিয়ে গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর খরচ কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। তাই কমেছে অর্ডারের সংখ্যা। সেই সাথে কম্বল, ফোম ও ম্যাট্রেসের ব্যবহার বেড়ে যাবার কারণে লেপ তোষকের কারিগরদের ব্যস্ততাও আগের চেয়ে কমেছে। এ কাজের সাথে জড়িত কারিগররা ঝুঁকছেন অন্য পেশায়।
পালাখাল বাজারের লেপ-তোষক কারিগর লোকমান হোসেন বলেন, প্রায় ৩৮ বছর ধরে এ কাজের সাথে রয়েছি। দিনে ৫শ থেকে ৬শ টাকা মজুরি পাই। আগে দিনে এক হাজার টাকাও মজুরি পেয়েছি। কম কাজ ও কম মজুরির জন্য এখন লেপ-তোষকের কারিগররা অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।
অন্য কারিগর আবু সুফিয়ান বলেন, কয়েক বছর আগেও কাস্টমার বেশি ছিল। বর্তমানে ম্যাট্রেস আর ফোমের ব্যবহার বেড়ে যাবার কারণে কাস্টমার কমেছে। তাছাড়া, কাপড় ও তুলার দামও বেড়েছে আগের চেয়ে। তাই এ পেশাকে টিকে রাখতে সরকারি-বেসরকারি ভাবে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন কারিগর ও ব্যবসায়ীরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলায় পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
শনিবার কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে চিফ জুডিশিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, কুমিল্লার আয়োজনে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ
হাসান সিজেএ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ, কুমিল্লা
(ভারপ্রাপ্ত) নাসরিন জাহান।
উক্ত কনফারেন্সে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, কুমিল্লার সার্বিক
কার্যক্রম সন্তোষজনক মর্মে অভিনন্দন জানানো হয় ।
সন্তোষজনক এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান
(সিজেএ), কুমিল্লা মহোদয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী
ইমরুল হাসান এর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আব্বাস উদ্দিন এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন
জেলা প্রশাসক খন্দকার মুঃ মুশফিকুর রহমান, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত
ডিআইজি মো: খাইরুল আলম, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম বার, পিবিআই কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার, মো. মিজানুর রহমান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কুমিল্লা ইউনিটের পুলিশ
সুপার, একেএম জহিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ শামছুল তাবরীজ, সিভিল সার্জন
ডাঃ নাছিমা আকতার, জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির
সভাপতি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর
আলম ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতের অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট
মোঃ জসিম উদ্দিন আবাদ।
অনুষ্ঠানে বিজ্ঞ সিজিএম পারস্পরিক সহযোগীতার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ন্যায়
বিচার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয় ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
হোমনায় প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফয়সল (২২) কে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে
হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
সোমবার
সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ
জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লা হোমনা উপজেলার রাজনগর গ্রামের মোঃ ফুল মিঞার ছেলে
মোঃ শামীম মিয়া (২৪) ও একই উপজেলার সাফলেজি গ্রামের মোঃ বেদন মিয়ার ছেলে মোঃ দুলাল
মিয়া (২০)।
মামলার
বিবরণে জানাযায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার ফয়সল আসামি
মোঃ শামীম মিয়ার কলেজ পড়ুয়া বোন মেহেদী আক্তার (১৮) এর প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পূর্ব
পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ৫ জুন ফয়সল তার মামা নজরুল মিয়ার ছাদে বন্ধুদের
সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় তার মোবাইলে আসামি শামীম ফোন করে বলে আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা
বিদ্যালয়ের নির্মানাধীন বিল্ডিংয়ে যাওয়ার জন্য। তখন ফয়সাল কাউকে কিছু না বলে শামীরের
কথামতো মামা বাড়ীর ছাদ থেকে বের হয়ে বাড়ীতে ফিরে না আসায় স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে
খোজাখুজি করে না পেয়ে নিহতের বৃদ্ধ পিতা মোঃ মকবুল হোসেন হোমনা থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি
করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে প্রথমে
আসামি মোঃ শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করার পর শামীম জানায় প্রথমে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ
করে এবং পরে ধারালো ছুরিকাঘাতে জবাই করে ফয়সলকে হত্যা করে লাশটি বিদ্যাময়ের মাঠে মাটিতে
পুঁতে রাখা হয়।
এ
ব্যাপারে ২০২০ সালের ১৩ জুন নিহত ফয়সলের বড় বোন হোমনা থানাধীন রাজনগর গ্রামের হারুন
মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার বাদী হয়ে মোঃ শামীম মিয়াসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে হোমনা
থানায় মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা
এসআই মোঃ শামীম সরকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে আসামি মোঃ
শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়াকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
তারা
বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দির সময় শামীম জানান,
২০২০ সালের ৫ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার সময় ফয়সলকে প্রথমে শ্বাসরোধ পরে জবাই করে হত্যা
করে লাশ মাটির নিচে পুঁতে রাখে। ঘটনার ১২দিন পর গ্রেফতারকৃত আসামি শামীম এর দেখানো
মতে ভিকটিম ফয়সলের অর্ধ গলিত মরদেহ আমিরুল ইসলাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠের মাটির
নিচ থেকে হোমনা থানাপুলিশ উদ্ধার করে সূরতাল রিপোর্ট তৈরি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে
১০জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামিদ্বয়ের প্রদত্ত
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া'র
বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে
প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রায়
ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শামীম মিয়া ও মোঃ দুলাল মিয়া আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত
ছিলেন।
এ
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট শেখ
মাসুদ ইকবাল মজুমদার ও মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল
রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
অপরদিকে,
আসামিপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী এডভোকেট বিমল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এ রায়ে আসামিপক্ষ
অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


সবুজের মাঝে ফুটে আছে গোল গোল ফুল। কোনোটি হলুদ, কোনোটি বেগুনি রঙের। কাছে গেলে ভুল ভাঙে। কারণ এগুলো রঙিন ফুলকপি। কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার শিবপুর গ্রামের মাঠে এই দৃশ্য দেখা যায়। এই জেলার ১৭টি উপজেলায় জনপ্রিয় হচ্ছে রঙিন ফুলকপি চাষ। চাহিদা বেশি ও স্বাদ ভালো হওয়ায় ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষক। আগামীতে তারা আরও বেশি জমিতে চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন।
শিবপুর মাঠে গিয়ে দেখা যায়, পাশের গ্রামের উৎসুক মানুষ রঙিন ফুলকপির জমির পাশে ভিড় করছেন। কেউ ফুলকপি কিনতে এসেছেন। কেউ জানতে এসেছেন কোথায় এর বীজ পাওয়া যায়। অনেকে ফুলকপি ধরে দেখছেন। হাত দিয়ে পরীক্ষা করছেন- রং আসল না কৃত্রিম!
শিবপুর গ্রামের কৃষক খলিলুর রহমান বলেছেন, দেড় যুগ ধরে সবজি চাষ করি। এ্ই প্রথমবার ১৫ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করেছি। প্রথমে মানুষ হাসাহাসি করেছে, ভালো ফলন হবে না বলে মন্তব্য করেছে। ফলন দেখে এখন অনেকে চাষের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। প্রতিটি ফুলকপি বড়গুলো ৭০-৮০ টাকা, ছোটগুলো ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। বৃষ্টিতে কিছু সমস্যা হয়েছে, না হলে আরও ভালো ফলন পেতাম।
স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেছেন, শিবপুরে প্রথম রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে। এ চাষ দেখে অন্য কৃষকরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন। সাধারণ ফুলকপির চেয়ে এর দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষক।
উপজেলা কৃষি অফিসার বানিন রায় বলেছেন, আমরা কয়েকজন কৃষককে রঙিন ফুলকপির বীজ দিয়েছি। তার মধ্যে শিবপুরের মাঠে ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে রঙিন ফুলকপি চাষের আগ্রহ বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার মুরাদনগরে অটোরিকশা চালক মাহবুব আলম ওরফে মাসুম (৩২) হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত দুই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অটোরিকশাও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ১৯ জুন বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা মাহবুব আলম।
রাত ১০টার দিকে তিনি জীবিত অবস্থায় শেষবারের মতো পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ জুন সকালে মুরাদনগর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরে একই দিন সকালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উনকী ইউনিয়নের বেলাবাড়ি গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার একটি টিনশেড ঘরের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের মাথা, চোখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় কুমিল্লার পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাঞ্ছারামপুর বাজার তদন্ত কেন্দ্র ও বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, নিহতের অটোরিকশা বিক্রির চেষ্টা চলছে।
পরে অভিযান চালিয়ে দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ টিলি এলাকা থেকে মো. নাঈম ইসলাম (২৩) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশাটি উদ্ধার এবং অপর সহযোগী আয়মান সরকার (২০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মাসুমকে হত্যা করা হয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ সুপার আরও জানায়,গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


প্রচণ্ড গরমে দেশব্যাপী জারি রয়েছে তিন দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট
অ্যালার্ট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা
মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও এদিন ছিল
৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দাবদাহে দেশের বিভিন্ন
স্থানে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তীব্র দাবদাহের কারণে হিটস্ট্রোক বা
সানস্ট্রোকে সারা দেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই যখন অবস্থা, তখন গরমের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এদিন
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর
কোনোটিরই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ছিল না।
এছাড়া ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে ২১ ডিগ্রি, বাহরাইনের রাজধানী মানামার
তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, ইরানের তেহরানে ২৬ ডিগ্রি, সিরিয়ার আলেপ্পোতে ২৫ ডিগ্রি,
তুরস্কের আঙ্কারায় ১১ ডিগ্রি, ইরাকের বসরাতে ৪০ ডিগ্রি, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে
২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সৌদির জেদ্দাতে ৩৩ ডিগ্রি, কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে ৩৬
ডিগ্রি, ওমানের মাস্কাটে ২৮ ডিগ্রি, ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে ২৫ ডিগ্রি এবং
ইসরায়েলের তেলআবিবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াভিত্তিক অ্যাপ ‘অ্যাকুওয়েদার’-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব
আমিরাতের আবুধাবিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জর্ডানের রাজধানী
আম্মানের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি, ইরাকের বাগদাদের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, লেবাননের
রাজধানী বৈরুতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি, কাতারের দোহারে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি,
তুরস্কের ইস্তাম্বুলের তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ
অন্য সময়ের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। এপ্রিলের পাশাপাশি এবার মে মাসও উষ্ণতম মাস হতে
যাচ্ছে। মে মাসে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে
দেশের আবহাওয়া বিভাগ।
একনজরে দেখে নিন হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো
প্রচণ্ড মাথাব্যথা : হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। এ
ছাড়া গরমে মানুষের মাইগ্রেন ট্রিগার করতে পারে। এটি হিটস্ট্রোকের অন্যতম একটি
লক্ষণ হতে পারে।
বেশি তৃষ্ণা অনুভব ও অতিরিক্ত ঘামানো : হিটস্ট্রোকের আগে অনেক বেশি তৃষ্ণা অনুভব হবে, সেইসঙ্গে
ডিহাইড্রেটেড এবং আড়ষ্টতা অনুভব হতে পারে। শরীর নিজেকে ঠান্ডা করার জন্য অতিরিক্ত
ঘাম তৈরি করতে পারে।
হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে।
শ্বাসকষ্ট : হিটস্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট এবং দ্রুত ও ভারী
শ্বাস-প্রশ্বাসও।
দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া : তীব্র গরমের কারণে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করে। এতে শরীরে
ক্লান্তি ও দুর্বলতা তৈরি হয়। ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এগুলো হিটস্ট্রোকের
লক্ষণ।
পেশিতে ব্যথা : হিটস্ট্রোকের আগ মুহূর্তে পেশিতে ব্যথা অনুভব হতে পারে। যদিও
সাধারণ ব্যথা ভেবে অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না।
কথা জড়িয়ে যাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে যেসব লক্ষণ দেখা যায়, তারমধ্যে একটি হলো কথা
জড়িয়ে যাওয়া। ব্যক্তি অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করতে পারে।
বমি বমি ভাব : মাথাব্যথা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন ও হাইপারভেন্টিলেশন থেকে অক্সিজেনের
অভাব ইত্যাদির কারণে হিটস্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব হতে পারে।
বিরক্তি-বিভ্রান্তি : মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোকের আগে মানুষ বিরক্ত বোধ
করতে পারে, রাগান্বিত হতে পারে, অযৌক্তিক কথা বলতে পারে এবং এমনকি প্রলাপ বকতে
করতে পারে।
ঘাম না হওয়া : হিটস্ট্রোকের আরেকটি লক্ষণ হলো প্রচণ্ড গরমেও ঘাম না হওয়া।
সাধারণত এর মানে হচ্ছে, শরীরে ঘাম হওয়ার মতো পানি আর নেই বা শরীরের প্রাকৃতিক শীতল
প্রক্রিয়াটি কাজ করছে না।
চিকিৎসকদের মতে, হিটস্ট্রোক এড়াতে শরীর হাইড্রেট রাখার কোনো বিকল্প
নেই। তাপমাত্রা বেশি হলে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের পোশাক পরে ঘরের বাইরে যেতে হবে।
সূর্যের আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে সানগ্লাস ব্যবহার করা। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ
পানি পান করতে হবে। তবে কৃত্রিম চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


অভিনব
কায়দায় কুমড়া শাকের আড়ালে গাঁজা পাচারকালে ডিএনসি- কুমিল্লার হাতে ১৩ কেজি গাঁজাসহ
আটক দুই নারী।
ডিএনসি
কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে ও উপ-পরিদর্শক মো:
মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১৩ কেজি গাঁজাসহ দুজন নারী
মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।
আজ
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারস্থ গাড়ীচালকদের
বিশ্রামাগারের সামনে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা হতে ঢাকাগামী Asia Aircon নামের
বাসে তল্লাশি করে ৭ কেজি গাঁজাসহ জাহানারা (৫০) নামের একজন আসামিকে আটক করা হয়। আটককৃত
আসামি কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার কাশিপুর গ্রামের মৃত শরীফ আলীর মেয়ে। একই বাস তল্লাশি
করে ৬ কেজি গাঁজাসহ জুবেদা বেগম (৪৭) নামের একজন আসামিকে আটক করা হয়। উক্ত আসামি গোপালগঞ্জ
জেলার মকসুদপুর থানাধীন গোবাহাড়া এলাকার মৃত ইয়াদ আলী মোল্লার মেয়ে।
আসামীদের
বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক মোঃ মুরাদ হোসেন বাদী
হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


দেশের চার অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তাই সতর্কতা সংকেত তোলা হয়েছে সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে।
সোমবার (৩ জুন) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানায়, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্য একটি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আরও অগ্রসর হওয়ার জন্য পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার (৫ জুন) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকাল পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়া থানা অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) আবদুল্লাহিল কাফি জানান, পোশাক কারখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রদানের সময় স্ট্যাম্পের চাহিদার সুযোগ নিয়ে কোটি টাকার জাল স্ট্যাম্প সরবরাহ করে আসছিল একটি চক্র। এমন চক্রের সন্ধান পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া থানা পুলিশ আর এ অভিযানে বিপুল সংখ্যক জাল স্ট্যাম্পসহ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-বরিশাল জেলার সদর থানার ব্রাউন কম্পাউন্ড রোড এলাকার মৃত আ. রশিদ হাওলাদারের ছেলে মো. আসিফ ইকবাল (৩৮) ও মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর থানার বাহেরচর গ্রামের হোসেন মোল্লার ছেলে মো. জুয়েল (৪২)। একটি পোশাক কারখানায় জার স্ট্যাম্প বিক্রির সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস্) আবদুল্লাহিল কাফি বলেন, জাল স্ট্যাম্প তৈরির কারখানা আমরা গত ঈদের আগে শনাক্ত করে চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করেছি। তারা কিন্তু ধরন পরিবর্তন করেছে। পোশাক কারখানার বেতনের সময় ১০ টাকার জাল স্ট্যাম্পের প্রয়োজন হয়। একই সঙ্গে পণ্য শিপমেন্টের সময় ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প প্রয়োজন হয়। এ চাহিদাকে চক্রটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার ডংলিয়ন পোশাক কারখানায় জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করতে আসেন আসামি আসিফ ইকবাল। খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
পুলিশের উপস্থিত বুঝতে পেরে তিনি আসিফ ইকবাল পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ টাকা মুল্যের ২ লাখ ৯০ হাজার ২০০ টি রিভিনিউ স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার মৌচাক বাজারের ইউনিয়ন ব্যাংকের সামনে থেকে মো. জুয়েল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ১০ টাকা মূল্যের ১০ হাজার ও ৫০০ টাকা মূল্যের ৪০ হাজার স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়। যার মুল্য দুই কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ জাল স্ট্যাম্পের কারখানার করা হচ্ছে। দ্রুত কারখানাসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হবে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন কমিটিতে উদবাতুল বারী আবু সভাপতি এবং মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৯ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদও ঘোষণা করা হয়েছে।বুধবার (১৫ জুলাই) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঘোষিত কমিটিতে নজরুল ইসলাম ভিপিকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং খলিলুর রহমান বিপ্লবকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে।কমিটিতে একাধিক সহ-সভাপতি, যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিষয়ক সম্পাদক, সহ-সম্পাদক এবং সদস্যসহ মোট ১৫১ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।এছাড়া ৯ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদও গঠন করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন বেগম রাবেয়া চৌধুরী, ফজলুল হক ফজলু, ফরিদ উদ্দিন আহাম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের জিলানী, এস এ বারী সেলিম, ফরহাদ আক্তার মো. শাহরিয়ার, ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অধ্যাপক ডা. নীলুফা পারভীন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি হিসেবে উদবাতুল বারী আবু এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুর নেতৃত্বে ১৫১ সদস্যকে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নিম্নে পূর্ণাঙ্গ কমিটি উল্লেখ করা হলো:
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা মন্ডল
১. উপদেষ্টা বেগম রাবেয়া চৌধুরী
২. উপদেষ্টা ফজলুল হক ফজল
৩. উপদেষ্টা ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ
৪. উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম
৫. উপদেষ্টা এডভোকেট আব্দুল কাদের জিলানী ৬. উপদেষ্টা এস এ বারী সেলিম
৭. উপদেষ্টা ফরহাদ আক্তার মো. শাহরিয়ার
৮. উপদেষ্টা ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
৯. উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. নীলুফা পারভীন
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি
১. সভাপতি উদবাতুল বারী আবু
২. সিনি. সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ভিপি
৩. সহ-সভাপতি শওকত আলী বকুল
৪. সহ-সভাপতি আতাউর রহমান ছুটি
৫. সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ রতন
৬. সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মজুমদার
৭. সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট হোসেন মিয়া
৮. সহ-সভাপতি মাহাবুবুর রহমান দুলাল ভিপি
৯. সহ-সভাপতি রেজাউল হক আঁখি
১০. সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মেহেদী
১১. সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান
১২. সহ-সভাপতি আবদুল জলিল
১৩. সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান কামাল
১৪. সহ-সভাপতি রায়হান রহমান হেলেন
১৫. সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম
১৬. সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার
১৭. সহ-সভাপতি শ্যামল কৃষ্ণ সাহা
১৮. সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু
১৯. সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খলিলুর রহমান বিপ্লব
২০. যুগ্ম সম্পাদক জলিশ আব্দুর রব
২১. যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন
২২. যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক
২৩. যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক নেছার আহাম্মেদ রাজু
২৪. যুগ্ম সম্পাদক রিয়াজ খান রাজু
২৫. যুগ্ম সম্পাদক মোর্শেদ আলম
২৬. যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রুবেল
২৭. যুগ্ম সম্পাদক ফেরদৌস পাটোয়ারী
২৮. যুগ্ম সম্পাদক মো. কামাল হোসেন
২৯. যুগ্ম সম্পাদক বদরুল হাসান রাব্বু
৩০. কোষাধ্যক্ষ আহাম্মেদ শোয়েব সোহেল
৩১. সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজিব
৩২. সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ
৩৩. সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল
৩৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন পারভেজ
৩৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ফুয়াদ আহাম্মেদ
৩৬. সাংগঠনিক সম্পাদক মোসাম্মৎ ফরিদা আক্তার ডলি
৩৭. প্রচার সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন ভিপি ৩৮. দপ্তর সম্পাদক ইকরাম হোসেন তাজ
৩৯. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব চৌধুরী
৪০. প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সারজেক আলম সরকার
৪১. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দাউদ আহম্মেদ
৪২. মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপিকা নাজমা আক্তার চৌধুরী
৪৩. যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনির
৪৪. ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন
৪৫. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু ইউসুফ পাখি
৪৬. স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন
৪৭. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী
৪৮. তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান
৪৯. প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শোহেব বিন আহাম্মেদ সোহেল
৫০. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহরাব হোসেন
৫১. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক নাছির উদ্দিন সুমন
৫২. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবু তাহের মুহিত
৫৩. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া
৫৪. পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডা. প্রিয়ম চক্রবর্তী
৫৫. শিশু বিষয়ক সম্পাদক কাজী মেহেদী হাসান সুমন
৫৬. ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মেজর বদরুল আমিন সরকার
৫৭. ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তাছমিনা আক্তার লিন্ডা
৫৮. ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সামসুল আলম টিপু
৫৯. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান রানা
৬০. স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক
৬১. শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ
৬২. তাঁতী, মৎস্যজীবী ও উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক মোবারক হোসেন
৬৩. সহ-কোষাধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম (রহমান)
৬৪. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নেছার আহাম্মেদ দিপু
৬৫. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ মাহমুদ দিপু
৬৬. সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রবিউল হক শামীম
৬৭. সহ-দপ্তর সম্পাদক দেওয়ান সালাউদ্দিন আহাম্মেদ
৬৮. সহ-দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন
৬৯. সহ-প্রচার সম্পাদক ফরিদ আলী
৭০. সহ-সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর হোসেন মোল্লা
৭১. সহ-সম্পাদক ধর্ম বিষয়ক তোফাজ্জল হোসেন বেলাল
৭২. সহ-সম্পাদক ধর্ম বিষয়ক নাসির উদ্দিন নাসির
৭৩. সহ-সম্পাদক ধর্ম বিষয়ক ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন
৭৪. সহ-সম্পাদক আইন বিষয়ক অ্যাডভোকেট মাহাবুব খন্দকার
৭৫. সহ-সম্পাদক আইন বিসয়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত মিঠু
৭৬. সহ-সম্পাদক আইন বিষয়ক অ্যাডভোকেট মাহামুদা খানম শিল্পী
৭৭. সহ-সম্পাদক মহিলা বিষয়ক আছমা আক্তার
৭৮. সহ-সম্পাদক মহিলা বিষয়ক রেহানা রহমান
৭৯. সহ-সম্পাদক যুব বিষয়ক ডা. খাজা মোর্শেদ মাহমুদ তুষার
৮০. সহ-সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক মো. হামিদ উদ্দিন মজুমদার সুমন
৮১. সহ-সম্পাদক ছাত্র বিষয়ক গোলাম মুর্তুজা তপু
৮২. সহ-সম্পাদক শ্রম বিষয়ক কামাল হোসেন (হাসেম)
৮৩. সহ-সম্পাদক পরিবেশ বিষয়ক জামাল আহাম্মেদ
৮৪. সহ-সম্পাদক প্রশিক্ষণ বিষয়ক ডা. দেবাশীষ চক্রবর্তী
৮৫. সহ-সম্পাদক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক মোস্তফা মজুমদার
৮৬. সহ-সম্পাদক তাঁতী, মৎস্যজীবী ও উপজাতি বিষয়ক জাকির হোসেন
৮৭. সহ-সম্পাদক স্থানীয় সরকার বিষয়ক আবুল খায়ের
৮৮. সদস্য কাউসার জামান বাপ্পী
৮৯. সদস্য মোস্তাক মিয়া
৯০. সদস্য আনোয়ার হোসেন
৯১. সদস্য বদরুল আলম বাবুল
৯২. সদস্য বেলায়েত হোসেন কনক
৯৩. সদস্য মনোয়ার হোসেন সেলিম
৯৪. সদস্য আব্দুল মতিন
৯৫. সদস্য জামাল হোসেন
৯৬. সদস্য এডভোকেট সেলিম হোসেন রনি
৯৭. সদস্য মো. জাকির হোসেন (৪নং ওয়ার্ড)
৯৮. সদস্য আবুল হোসেন
৯৯. সদস্য তোফায়েল আহাম্মেদ
১০০. সদস্য ফরিদ আহাম্মেদ মজুমদার
১০১. সদস্য আক্তার হোসেন
১০২. সদস্য আতিকুল ইসলাম
১০৩. সদস্য মো. হাসমত
১০৪. সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন শিশু
১০৫. সদস্য জাবেদ আহম্মেদ মজুমদার কিসলু
১০৬. সদস্য আব্দুল কুদ্দুস
১০৭. সদস্য মো. মাসুদ হোসেন
১০৮. সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম ইকবাল কবির
১০৯. সদস্য গোলাম মোস্তফা বাবুল
১১০. সদস্য হুমায়ন কবির
১১১. সদস্য সেলিনা বেগম
১১২. সদস্য কিশোর দেবনাথ
১১৩. সদস্য নাজিম উদ্দিন ভূইয়া আজাদ
১১৪. সদস্য খোকন আহাম্মেদ
১১৫. সদস্য সাইফ আহাম্মেদ সাইফুল
১১৬. সদস্য আলেক হোসেন
১১৭. সদস্য মাসুক মিয়া
১১৮. সদস্য তাজুল ইসলাম তাজু
১১৯. সদস্য সাদেকুল ইসলাম
১২০. সদস্য মোশারফ হোসেন বাবু
১২১. সদস্য জামাল হায়দার
১২২. সদস্য এস এম সবুর বশির
১২৩. সদস্য জহির উদ্দিন
১২৪. সদস্য নাসির উদ্দিন
১২৫. সদস্য মো. লিটন মিয়া
১২৬. সদস্য জমিরুল হক জামাল
১২৭. সদস্য জাকির হোসেন
১২৮. সদস্য এনামুল কিবরিয়া রনি
১২৯. সদস্য শ্যামল কুমার সাহা
১৩০. সদস্য শাহাদাত হোসেন সাগর
১৩১. সদস্য মনির হোসেন
১৩২. সদস্য সালেহ উদ্দিন সেলিম
১৩৩. সদস্য মো. মাহাবুবুল আলম
১৩৪. সদস্য শাহাদাত হোসেন সানি
১৩৫. সদস্য সফিকুল ইসলাম স্বপন
১৩৬. সদস্য লিটন পাল
১৩৭. সদস্য মো. আব্দুর রহিম খান
১৩৮. সদস্য অ্যাডভোকেট মোজাদ্দেদ হোসেন আদনান
১৩৯. সদস্য আমজাদ হোসেন মজুমদার
১৪০. সদস্য মাহাবুবুর রহমান
১৪১. সদস্য মহিবুর রহমান তুহিন
১৪২. সদস্য আশিকুর রহমান শিমুল
১৪৩. সদস্য মঞ্জুরুল আলম
১৪৪. সদস্য লে. কমান্ডার (অব:) শাহজাহান মজুমদার
১৪৫. সদস্য অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন
১৪৬. সদস্য সোহেল মজুমদার
১৪৭. সদস্য গোলাম মো. হুমায়ন কবির
১৪৮. সদস্য মো. হানিফ
১৪৯. সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম
১৫০. সদস্য আমজাদ হোসেন মজুমদার জিহাদ
১৫১. সদস্য মো. শাহাজান।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগজিনসহ এনামুল হক (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকা থেকে।
র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে (১০ জানুয়ারি) রাতে শিবগঞ্জের শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকায় এনামুলের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। সে সময় তার ষ্টোর রুমে একটি ধানের ড্রাম থেকে ১টি বিদেশি অস্ত্র, ২১ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিনসহ হাতেনাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে দায়ের করা অস্ত্র মামলায় এনামুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন।
মন্তব্য করুন