

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সবজি ক্ষেতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুললেন কৃষক মিজানুর রহমান। জাতীয় পতাকার আদলে তার সবজি ক্ষেত ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। কৃষক মিজানুর রহমান কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় রাস্তার পাশে সবুজ পালং শাক ও লাল শাকের চারা দিয়ে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি। জাতীয় পতাকার আদলে করা এ সবজি ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন আশেপাশের মানুষজন। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তা তিনি সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেন জাতীয় পতাকা।
তাছাড়া কৃষক মিজানুর রহমান মনেপ্রাণে ভালোবাসেন কৃষিকাজ। তেমনি ভালোবাসেন লাল-সবুজের পতাকাকেও। তার কৃষিকর্মের মাধ্যমে ফসলি মাঠে ফুটিতে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে কৃষকের এমন শিল্পকর্ম দেখে থমকে দাঁড়ান পথিক। আগ্রহ নিয়ে জাতীয় পতাকার সৌন্দর্য দেখেন।
স্থানীয়রা বলছেন, কৃষক মিজানুর রহমান সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা তৈরি করে যেমন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন, তেমনি দেশের প্রতিও দেখিয়েছেন অকৃত্রিম ভালোবাসা।
কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে জাতীয় পতাকার আদলে সবজি ক্ষেতটি রোপণ করতে বলা হয়। পরে কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও উৎসাহে আমি সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলতে পালং ও শাল শাক দিয়ে এ চিত্রকর্মটি বানাতে সফল হই। দেশের প্রতি দেশপ্রেম উদ্ধুদ্ধ করতে আমি জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলেছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, সবজি চাষ থেকে শুরু করে মিজানুর রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসারের নির্দেশে সবজি ক্ষেত করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। তার সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে এমন দৃশ্যে যে কারও চোখ আটকে যাবে। বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি তৈরি করে সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। এতে করে যারা কৃষক রয়েছেন তাদের মাঝেও দেশপ্রেম জাগ্রত হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, মা, মাটি আর দেশকে মনেপ্রানে ভালেবাসেন সবাই। দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখে সম্মান জানিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে সবজি ক্ষেতেই ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। এভাবে দেশের প্রতি দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে ভবিষতে আরো নিদর্শন বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও মুর্যালসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ন প্রতিকৃতি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহৎ পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে।
এই অভিযানে চার জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাত ৩.২৫ ঘটিকায় ব্রাহ্মণপাড়া থানায় কর্মরত এসআই মোঃ শাহাবুর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় রাত্রীকালীন মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন ০৪নং শশীদল ইউনিয়নের বাল্লক রামচন্দ্রপুর সাকিনে ভারত সীমান্ত হতে রামচন্দ্রপুরগামী রাস্তায় চেকপোস্ট ডিউটি করাকালে একটি মাইক্রোবাস থেকে ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এই সময় মাইক্রোবাসে যাত্রা করছিলেন চার জন মাদক ব্যবসায়ী, যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ জাহাঙ্গীর (৩৪), মোঃ আলমগীর হোসেন (২৮), মোঃ জুয়েল মিয়া (২৯) ও মোঃ শাহপরান (২০)। তারা সবাই ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে যে, তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক মামলা রয়েছে।
এ সম্পর্কে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আতিক উল্লা বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
১৯৯০ সালে তৎকালীন জাতীয় পার্টির সময়ে নির্মিত হয়েছিল চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার উত্তর বাজারের ব্রীজটি। ব্রীজটি নির্মানের কয়েক বছর হলেও ব্রীজটির দু’পাশের প্রবেশদ্বার ভেঙ্গে জনচলাচলে অনুপোযোগী হওয়ায় স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে এ ব্রীজটির দু’পাশের জনচলাচলে পাকাকরনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সাচার উত্তর বাজারে পুরাতন ব্রীজটি সংস্কারের অভাবে ও দু’পাশের মাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ কষ্টে যাতায়াত করে আসছে। বিগত সময়ে অনেক চেষ্টার পরও ব্রীজটির দু’পাশের সংসকার করা হয়নি। ফলে স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ড জামায়েত ইসলামীর সভাপতি মাওলানা মো: মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ও বিএনপিসহ স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ীসহ অন্যন্যাদের আর্থিক সহযোগিতায় শুক্রবার স্বেচ্ছাশ্রমে ব্রীজটির সংস্কার কাজ করা হয়।
কচুয়া উপজেলার সাচার ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মাওলানা মো: মুজাম্মেল হক বলেন, এ ব্রীজ দিয়ে রাগদৈলগামী প্রায় ২০-২৫ গ্রামের হাজার হাজার মানুষের প্রতিনিয়ত যাতায়াত। মানুষের দু:খ-খষ্ট দেখে আমরা স্থানীয়দের সহযোগীতা নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে এ ব্রীজটির সংস্কার কাজ করে দিয়েছি। সাচার রেনেসাঁ হাসপাতালের পরিচালক মো.জিয়াউদ্দিন মজুমদার জানান, গুরুত্বপূর্ন এ ব্রীজটি সংস্কারের উদ্যোগ খুবই প্রসংশনীয়। যারা স্বেচ্ছাশ্রমে এ কাজটি করছে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি সরো এ ব্রীজটি আরো প্রশস্থ বাড়িয়ে নতুন করে দ্রুত নির্মানের দাবী জানাই।
মন্তব্য করুন


শেরপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজ এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। মেয়ের ভালো ফলাফলের পরও তার বাড়িতে যেনো বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে। বিষাদের কারণ যাকে নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠার কথা ছিল, সেই মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজই আজ বেঁচে নেই।
জানা গেছে, শ্রীবরদী উপজেলার চরশিমুলচুড়া গ্রামের বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসী মোকাদ্দেসুর রহমান তোরাব ও মোছা. মনিরা বেগম দম্পতির মেয়ে মাশুরা নোকাদ্দেস তানাজ। গত ৩১ মার্চ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় তানাজ।
রোববার (১২ মে) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, তানাজ জিপিএ-৫ পেয়েছে। শুধুমাত্র বাংলা বিষয়ে এ গ্রেড ছাড়া বাকি সব বিষয়েই এ প্লাস পেয়েছে সে। এ সংবাদ শোনার পর শোক আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিল তার মা-বাবার।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ তানাজের মামা কুয়েতপ্রবাসী সোহাবুর রহমান বাপ্পীকে বিমানবন্দর থেকে আনতে সপরিবারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। পথে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার জামান ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় এসএসসি পরীক্ষার্থী তানাজ ও তার ছোট ভাই আড়াই বছর বয়সী শিশু আনাছ। তাদের মা-বাবাসহ তিনজন আহত হয়।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ কুমিল্লার সাব্বির হোসেন ৪০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে মারা গেছেন।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দেবিদ্বার ভিংলাবাড়ি এলাকায় তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত সাব্বির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল এলাকার হলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই নানাবাড়ি দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
সাব্বিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো: শাহিনুল ইসলাম।
পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুল ইসলাম বলেন, সাব্বিরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আমরা তার বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে তার মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু স্থানীয় লোকজন আমাদের বাধা সৃষ্টি করে বলেন- তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করবেন। পরে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সাব্বিরের মরদেহ দাফনের অনুমতি দিয়ে থানায় ফিরে আসি।
নিহত সাব্বির হোসেন(১৯) তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। বছর তিনেক আগে তার বাবার মৃত্যুর পর সাব্বির সংসারের হাল ধরতে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সির বরাত দিয়ে উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান তামিম বলেন, নিহত সাব্বির আমাদের দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। দলীয় পদ-পদবি না থাকলেও তিনি আমাদের দলীয় প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশ নিতেন। আমাদের কাছে তার ছবি আছে। সে ছাত্র আন্দোলনের সময় সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিল। আমরা তার হত্যার বিচার চাই। দলীয়ভাবে আমরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


রোববার দুপুরে নাটোরের নলডাঙ্গায় ১১টি মোটরসাইকেলে গ্রামবাসীর ওপর সন্ত্রাসীরা আক্রমণের চেষ্টা চালাচ্ছে—এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সেনাসদস্যরা। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পচারমোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সোমবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নলডাঙ্গা থানার ওসি মোহা. মনোয়ারুজ্জামান বলেন, রোববার দুপুরে ২০ থেকে ২২ জনের একটি দল পচারমোড় এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রামবাসীর ওপর আক্রমণের চেষ্টা চালায়। এ সময় এলাকাবাসী সেনাবাহিনী টহল দলকে বিষয়টি জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সশস্ত্র দল ১১টি মোটরসাইকেল রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
সেনাসদস্যরা সন্ত্রাসীদের রেখে যাওয়া মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করে থানায় হস্তান্তর করেছেন ।
মোটরসাইকেল মালিকদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনশুমারির কুমিল্লা জেলার রিপোর্ট ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. অমৃত কুমার দেবনাথ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং স্বাগত বক্তব্যসহ জনশুমারির জেলার তথ্য তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান।
পরে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান জনশুমারি ও গৃহগণনার কুমিল্লা জেলার রিপোর্টের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। জেলা প্রশাসক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের বইটি ব্যবহারের ওপর গুরত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে জনশুনানির রিপোর্টে বলা হয়, ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী কুমিল্লার বর্তমান জনসংখ্যা ৬২ লাখ ১২ হাজার ২শ ১৬ জন। জনসংখ্যায় পুরুষের তুলনায় নারী সংখ্যা বেশি।
বর্তমানে কুমিল্লা মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার কারী ৭১ দশমিক ৪২ ভাগ। এর মধ্যে নারী চেয়ে পরুষ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেশী। ইন্টারনেট ব্যবহার কারী কুমিল্লায় ৫০ দশমিক ২৯ ভাগ।নারী চেয়ে পুরুষ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেশী।
এদিকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন জেলার ৯৯ দশমিক ৩৪ ভাগ মানুষ। যেখানে ১৯৯১ সালে ছিলো ১২ দশমিক ১৪ ভাগ। এছাড়াও জনশুমারিতে উঠে আসা জেলার নানা তথ্য তুলে ধরা হয় এই রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে।
মন্তব্য করুন


ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলী খেলায় চ্যাম্পিয়ন
কুমিল্লার বাঘা শরীফ বলী।
বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে অনুষ্ঠিত
জব্বারের বলী খেলার ১১৫তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় কুমিল্লার বাঘা শরীফ ও রাশেদ।
ফাইনালে প্রায় ১১ মিনিট
লাড়াইয়ের পর কুমিল্লার
বাঘা শরীফের কাছে হার মানতে হয় রাশেদের।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি
হয়ে রাঙামাটির সৃজন চাকমাকে হারিয়ে ফাইনালে যান রাশেদ। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে রাসেলের
এর প্রতিপক্ষ ছিলেন কুমিল্লার
বাঘা শরীফ।
এদিকে
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয় পান সৃজন চাকমা। এর আগে বিকেল চারটায় শুরু হয় বলী
খেলার ১১৫ তম আসর। এতে অংশ
নেন ৮৪ জন বলী ।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের আয়োজনে সকল বয়সের নারী পুরুষদের নিয়ে কুড়িগ্রামে দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় করছে।
আজ সকালে কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে কালে ডাক্তার পাড়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সকাল থেকেই বেশ কৌতূহল নিয়ে ডাক্তারপাড়া গ্রামে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। শিশু-কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সী মানুষদের আগমনে মিলন মেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠানটি। এসব খেলা দেখতে এলাকার সব বয়সী মানুষের অংশ গ্রহণে সৃষ্টি হয় এক আনন্দঘন পরিবেশ। কিছুক্ষণের জন্য অনেকে যেন নিজের বয়স ভুলে ফিরে যান অতীতে কিংবা শৈশবে।
গ্রামীণ খেলাধুলার মধ্যে ছিল বিস্কুট দৌড়, হাড়িভাঙ্গা, বালিশ খেলা, সুঁই সুতা, সাঁতার, চোখ বেঁধে হাঁস ধরা, তৈলাক্ত কলা গাছ বেয়ে চড়া, পানিতে বলিশ খেলা ও যেমন খুশি তেমন সাজ। সকল বয়সের শতাধিক নারী পুরুষ ৯টি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ী ৩০জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও পিপি এস এম আব্রাহাম লিংকন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি সাঈদ হাসান লোবান, কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান মাসুদ, কুড়িগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরুণ কুমার রায়, বেলগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ লিটন মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সূর্য, দৈনিক মানবজমিন ও করতোয়ার সাংবাদিক মিজানুর রহমান মিন্টু, উলিপুর ডট কমের সিনিয়র রিপোর্টার অমিত চন্দ্র পাল প্রমুখ।
খেলা দেখতে আসা মোঃ আব্দুল হাই বলেন, এসব খেলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ১০-১৫ বছর পর গ্রামের অতীত খেলা দেখে খুবই আনন্দ পেলাম।
শিক্ষার্থী মোঃ নুর মামুন বলেন, টিভিতে মাঝে মধ্যে এসব খেলা দেখি।আজ স্বচোখে দেখে খুব মজা করছি। আগে গ্রাম গঞ্জে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসে বৈশাখী মেলায় গ্রামে গ্রামে এসব খেলা হতো।এখন এগুলো প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ও নতুন প্রজন্মদের জন্য এসব খেলা অবহ্যত রাখা উচিৎ।
দুর্বার তারুণ্য বাংলাদেশের সভাপতি রেজওয়ানুল হক নুরনবী বলেন, গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে এ খেলার আয়োজন করা হয়েছে।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আহবায়ক শ্যামল ভৌমিক বলেন, কালের বিবর্তনে গ্রামীণ খেলাধুলা হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক যুগে মোবাইল ইন্টারনেটের কারনে এসব খেলা থেকে মানুষজন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সরকার ও সচেতন মহলের উচিৎ গ্রামীণ খেলাধুলাকে বাচিয়ে রাখতে সু দৃষ্টি রাখা।
মন্তব্য করুন


রমজান মাসকে সামনে রেখে পর্যটক কমে যাওয়ার আশঙ্কায় কক্সবাজারের উখিয়া থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মার্চ) উখিয়ার ইনানীর নৌ-বাহিনীর জেটিঘাট থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ ২টি চলাচল করবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মিয়ানমারে সংঘাতের কারণে নিরাপত্তা বিবেচনায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটেও পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এরপর কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ইনানীর নৌবাহিনী জেটি থেকে এমভি বারো আউলিয়া ও কর্ণফুলী নামের ২টি জাহাজ চলাচল করে আসছিল।
বারো আউলিয়ার পরিচালক মাহাবুব হোসেন জানিয়েছেন, পর্যটক চাহিদার কারণে এক মাস ইনানী-সেন্টমার্টিন রুটে দুটি জাহাজ চলাচল করেছিল। রমজানে পর্যটকের সংখ্যা কমে যাবে। এ কারণে সোমবার থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার(১০ মার্চ) সবশেষ জাহাজ দুটি সেন্টমার্টিনে গেছে। আগের দিন এবং এর আগে দ্বীপে থেকে যাওয়া পর্যটকদের নিয়ে জাহাজ দুটি ইনানীতে নৌ-বাহিনীর জেটিঘাটে ফিরে এসেছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. ইয়ামিন হোসেন বলেছেন, জাহাজ মালিক কর্তৃপক্ষ হয়তো ব্যবসায়িক কারণে লোকসান এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন