

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১২পিচ স্বর্ণের বারসহ ৩ পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।
শনিবার রাত ৩ টার দিকে অভিযান চালিয়ে এ স্বর্নের চালানটি আটক করা হয়। এসময় ১ কেজি ৩৯৯ গ্রাম (১১৯.৯৮ ভরি) ওজনের ১২পিচ স্বর্ণের বার এবং ০১টি মোটর সাইকেলসহ ৩ জন আটক।
আটককৃতরা হলো, বেনাপোল সীমান্তের পুটখালী গ্রামের আজমীর, জালাল ও নুরুজ্জামান।
খুলনা-২১ বিজিবি ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ খুরশীদ আনোয়ার পিএসসি, জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি স্বর্ণের একটি চালান বাংলাদেশ হতে ভারতে পাচার হতে পারে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তের দৌলতপুর বিওপি’র একটি টহল দল মেইন পিলার ১৭/৭ এস এর ১৭০ আর পিলার হতে আনুমানিক ৭.৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দৌলতপুর গ্রামস্থ রাস্তার পার্শ্বে গোপনীয়তার সাথে অবস্থান নেয়।
কিছু সময় পর বিজিবি টহল দল বেনাপোল হতে দৌলতপুর অভিমুখে ০১টি মোটর সাইকেল আসতে দেখে এবং টহল দলের নিকটবর্তী আসলে মোটর সাইকেল থামার সংকেত দিলে না থেমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি টহল দল তাদেরকে ধাওয়া করে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তাদের তল্লাশী করে ০১ কেজি ৩৯৯ গ্রাম ওজনের ১২ পিচ স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।
আটককৃত স্বর্ন ১,২৫,৯৮,০০০/- টাকা এবং মোটর সাইকেল ১,৫০,০০০/- টাকা। উক্ত স্বর্ণের বারগুলো ট্রেজারী অফিসে এবং আসামী ও মোটর সাইকেল বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে মাসব্যাপি উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ নাসরীন আক্তার। জাতীয় সড়ক দিবস উপলক্ষে আজ বুধবার (২২অক্টোবর) দুপুরে নিরাপদ সড়ক চাই দাউদকান্দি উপজেলা শাখার উদ্যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গৌরীপুর বাসষ্ট্যান্ডে সমাবেশে একথা বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের জনসচেতনতার অভাবে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটছে। সরকারী অর্থে নির্মিত ফুটওভার ব্রীজে কেউ উঠতে চায়না, রাস্তা পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনা বাড়ছে। আমরা নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে হবে, বুজতে হবে। আমরা ঘর থেকে বের হলেই অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয়, আবার ঘরে ফিরতে পারবে কি না? সড়কে দুর্ঘটনার কযেকটি কারনের মধ্যে ফিটনেসবিহীন যান, ফুটপাত দখল, মহাসড়কে নিষিদ্ধ তিনচাকার যান অবাধে চলা, অদক্ষ ও লাইসেন্স বিহীন চালক। সড়ককে নিরাপদ রাখতে নভেম্বরে মাসব্যাপি অভিযান পরিচালনা করা হবে।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি “লিটন সরকার” বাদলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক“ আলমগীর হোসেনের ” অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি” এই প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম, দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদ খান চৌধুরী, দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুনায়েত চৌধুরী, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মো. সালাউদ্দিন, গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আয়েশা আক্তার।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬১০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আড়ালে ধ্বংস করা হয়েছে শতবর্ষী ২টি পুকুর ও ২২ একর প্রাকৃতিক জলাশয়। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও পলাতক, হত্যা মামলার আসামী আবু জাহের রাতের আঁধারে গোমতী নদীর মাটি কেটে এই জলাধার ও পুকুর ভরাট করেন—যা পরিবেশ আইন ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।
আইনের অপমান
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, খাল, নদী কিংবা প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাট করা সম্পূর্ণ বেআইনি। কিন্তু কারাগারের অভ্যন্তরের পুকুরসহ ২২ একর জলাশয় বুলডোজারের নিচে চাপা পড়েছে নিরব প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে।
ঐতিহাসিক জলাধার, আজ শুধু স্মৃতি
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬৭ একর জমির মধ্যে দুটি পুকুর ও একটি ২২ একরের বিশাল জলাশয় রয়েছে। একসময় এ জলাশয়ে হাজারো অতিথি পাখির সমাগম হতো। পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিল। এসব পুকুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দও গোসল করেছিলেন—স্মৃতি হিসেবে সেই ছবিও সংরক্ষিত আছে।
কিন্তু এখন সেই পুকুরগুলোর দুটি সম্পূর্ণভাবে ভরাট, অপরটি আংশিকভাবে ভরাটের প্রক্রিয়ায়। আর বিশাল জলাশয়টি রাতারাতি মাটি ফেলে সমতল করা হয়েছে।সেখানে গড়ে উঠেছে দশতলা চারটি ভবন।
ক্ষমতার ছত্রছায়ায় কাজ
সূত্র মতে, কারাগারের এই উন্নয়ন কাজটি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রভাব খাটিয়ে সাবেক এমপি আবু জাহের ও তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জলাধার ভরাটের ঠিকাদার ছিলেন আবু জাহের নিজেই। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থাৎ কোটি কোটি টাকার কাজ তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে দখলে রেখেছেন।অধিকাংশ কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর নির্লিপ্ত?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মুসাব্বির হোসেন মোহাম্মদ রাজিব জানান, “আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত গিয়েছে। কাজ বন্ধের সিদ্ধান্ত আছে, তবে তারা আমাদের অনুমতি না নিয়েই জলাশয় ভরাট করেছে।”
গণপূর্ত বিভাগ দায় এড়ালো
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি তাদের তত্ত্বাবধানে হলেও জলাধার ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন,খতিয়ান নাল জমি উল্লেখ আছে। “পুকুর ভরাটের জায়গার কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে, তবে কারা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”
কর্তৃপক্ষের নীরবতা
সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে রিজার্ভ গার্ডের প্রধান কারারক্ষী জানান, তিনি ব্যস্ত। পরে তাঁর সরকারি নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একইভাবে জেলার আব্দুল্লাহ আল-আমিনের নম্বরেও যোগাযোগ করা হলে সাড়া মেলেনি।
এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষার দাবিতে পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল সরব হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন


খুলনার খানজাহান আলী থানার আটরাগিলাতলা এলাকার একটি কালভার্টের নিচ থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। জানা গেছে, নিহত যুবকের বাম হাতের একটি অংশ ভাঙা এবং সেখানে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। মুখের বাম দিকে ও মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া থুতনিতে লম্বা আঘাতের দাগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত যুবকের বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ বছর। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সাব-ইন্সপেক্টর প্রান্ত গাতিদারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এবং পিআইবির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছেন। যুবকটিকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের।
খানজাহান আলী থানার (ওসি ) মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, দুপুর ১টার দিকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলের কালভার্টের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরের বাউন্ডারি ভেঙে একটি বাস ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র একজন
ইঞ্জিনিয়ার নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সামনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাইন্ডারিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মাইদুল ইসলাম
সিদ্দিকী। তিনি সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র সাব-অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস জানান, আজ সকাল ১০টার দিকে রাইদা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তৃতীয় টার্মিনালের নিরাপত্তা বাউন্ডারি ভেঙে ঢুকে যায়। এসময় রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন সিভিল এভিশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মাইদুল ইসলাম। তার মোটরসাইকেলটি রাইদা পরিবহনের বাসটির নিচে চলে যায়। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই সুমন চন্দ্র দাস আরও
বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল শেষে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো
হবে ময়নাতদন্তের জন্য।
দুর্ঘটনায় জড়িত বাসচালক,
হেলপার পলাতক। তবে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া
চলমান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় বিএসটিআই, কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসন, সদর দক্ষিণ, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পরিচালিত অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে 'মুড়ি' পণ্যের গুণগত মান সনদ গ্রহণ ব্যতীত প্রস্তুত, বিক্রয়-বিতরণ করায় "বিএসটিআই আইন-২০১৮" অনুযায়ী কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর বেলতলীর কৃষ্ণপুরে মেসার্স খোরশেদ চিড়া ও মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার টাকা) এবং কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এর গোপিনাথপুরের মেসার্স মমতা মুড়ি মিল প্রতিষ্ঠানটিকে "বিএসটিআই আইন-২০১৮" এবং "ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন-২০১৮" অনুযায়ী ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার টাকা) অর্থদণ্ড করা হয়।
উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈয়দ রেফাঈ আবিফ এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই, কুমিল্লা অফিসের কর্মকর্তা জনাব ইকবাল আহম্মদ, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌ: আরিফ উদ্দিন প্রিয়, পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে
নিহত হয়েছেন ৫ জন। আহত হয়েছেন ২৩ জন যাত্রী ।
মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা
মহাসড়কের কোতোয়ালি থানার মল্লিকপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী
যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার
অভিযান চালানোর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর করিমপুর
হাইওয়ে থানার (মাদারীপুর রিজিওন) অফিসার ইনচার্জ মো. সালাহ্ উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক
হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। রেকারের
সাহায্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাস সরিয়ে নিহতদের বাস থেকে বাহির করা হয়। এতে ফায়ার সার্ভিসের
কর্মীরা উদ্ধার কাজে সহায়তা করেন।
মো. সালাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে
আহত ও নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। রাস্তায় গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক আছে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, মঙ্গলবার ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর থানাধীন
মল্লিকপুর নামক স্থানে ঢাকা থেকে ঝিনাইদহ অভিমুখী গ্রিন পরিবহন এবং ঝিনাইদহ থেকে বরিশাল
অভিমুখী খাগড়াছড়ি পরিবহনের মুখামুখি সংঘর্ষ হয়।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম:
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আসা ভারতীয় প্রসাধনী ও হরিণের কস্তুরী সহ যুবককে আটক করেছে বিজিবি।
জামালপুরে ব্যাটেলিয়ান ৩৫ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল হাসানুর রহমান, পিএসসি এর সার্বিক দীক নির্দেশনায় ৫ই মে সোমবার সকাল ৯ ঘটিকার দিকে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে জামালপুর ব্যাটালিয়নের ৩৫ বিজিবি অধীনস্থ বাঘারচর টহল দল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ১০৭৪ /৯ হতে আনুমানিক ২০ গজ বাংলাদেশে অভ্যন্তরে দক্ষিণ মাখনেরচর নামক স্থান হইতে ভারতীয় হরিণের কস্তুরী, ৬ পিস (২৫৪ গ্রাম) ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী-৮ পিস, বিভিন্ন প্রকার ওষুধ -২৮ পিস, মোবাইল -০১ টি, মোবাইলের চার্জার -০১টি, সিম কার্ড -০১টি,পাওয়ার ব্যাংক-০১টি এবং হেট ফোন ০১ টি সহ মোঃ আঃ মতিন ৩৫, পিতাঃ মোঃ আবুল কাশেম, গ্রামঃ রমনা নতুন বেপারীপাড়া, পোস্ট রমনা, থানাঃ চিলমারী জেলাঃ কুড়িগ্রামকে আটক করতে সক্ষম হয়।
সিজার মূল্য ১,৬৫,৫৮,১০০(এক কোটি পয়ষট্রি লক্ষ আটান্ন হাজার একশত টাকা।
ধৃত আসামীসহ জব্দকৃত চোরাচালানী মালামাল দেওয়ানগঞ্জ থানায় সোপর্দ করেন।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিজিবি মহাপরিচালক কর্তৃক ঘোষিত চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেস নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সীমান্তে মাদক ও সকল ধরেনর চোরাচালান পাচাররোধ কল্পে এবং সীমান্ত সুরক্ষার দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে জামালপুর ব্যাটালিয়ন (৩৫ বিজিবি)।
আটক ভারতীয় এসব প্রসাধনী সামগ্রী ও পণ্যের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গতকাল খাগড়াছড়ি
ও আজ রাঙামাটিতে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার।
শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি ও পরবর্তীতে তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলমান হামলা, আক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনায় সরকার গভীরভাবে দুঃখিত এবং ব্যথিত।
প্রধান উপদেষ্টার মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো বার্তায় আরো বরা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখাতে এবং পার্বত্য তিন জেলায় বসবাসকারী সকল জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর।
বার্তায় আরো বলা হয়, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এবং ধ্বংসাত্মক কাজে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সকলকে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়া এবং যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করা দণ্ডনীয় ও গর্হিত অপরাধ। সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত আর দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি খুব শিগগিরই গঠন করা হবে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মিডিয়া উইং এ আরো বলা হয়, আগামীকাল শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি পরিদর্শন করবেন। এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী।
এর আগে খাগড়াছড়িতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন, ধনঞ্জয় চাকমা (৫০), রুবেল ত্রিপুরা (২৫) ও জুনান চাকমা (২০)।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
খাগড়াছড়ির সহিংসতা ও মৃত্যুর
ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে আরেক পার্বত্য শহর রাঙ্গামাটিতেও। এতে একজনের মৃত্যু
হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রাজশাহীগামী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের
‘শ্লীলতাহানি’র ঘটনার আন্তঃজেলার তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার
সাভার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত হওয়া তিনটি মোবাইল
ফোন, একটি ছুরি ও ২৯ হাজার ৩৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর সদর উপজেলার লাউতারা গ্রামের মো. বদর উদ্দিন শেখের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে মুহিত (৩০), শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. ইসমাইল মোল্লার ছেলে মো. সবুজ (৩০) এবং ঢাকার সাভার উপজেলার টানগেন্ডা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. শরীফুজ্জামান (২৮)।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো.
মিজানুর রহমান তার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংএর মাধ্যমে তিনি জানান, এ ঘটনায় দায়িত্ব
অবহেলার কারণে মির্জাপুর থানার এএসআই আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে বাসে ডাকাতির ঘটনায় বাসের যাত্রী ওমর আলী বাদী হয়ে শুক্রবার ভোর রাতে মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিক রোড রয়েলস্
পরিবহনের ঢাকা কোচটি (ময়মনসিংহ-ব-১১-০০৬১) ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে
রাজশাহীর নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এসময় বাসটিতে ৩০ থেকে
৩৫ জন যাত্রী ছিল। পরে রাত ১২টার দিকে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছার সেখানে
থেকে আরও ১০ থেকে ১২জন যাত্রী নিয়ে বাসটি পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পরে
বাসটি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা বাইপাসে পৌঁছালে চা-বিরতির জন্য
থামে। সেখান ১০ থেকে ১৫ মিনিট চা বিরতির সময় চন্দ্রা বাইপাস থেকে আরও তিন থেকে চার
জন নতুন যাত্রী নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা করে বাসটি। বাসটি ওইদিন রাত দেড়টার
দিকে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন হাইটেক সিটি পার্ক সংলগ্ন খাড়াজোড়া
ফ্লাইওভার ব্রিজ অতিক্রম করার ৫ থেকে ৬ মিনিট পর হঠাৎ যাত্রীবেশে থাকা বাসে ৮ থেকে
৯ জন ডাকাত এক সঙ্গে দাঁড়িয়ে যায় এবং ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার
ভয় দেখিয়ে সবাইকে চুপ থাকতে বলে। এসময় তাদের মধ্যে তিনজন অজ্ঞাতনামা ডাকাত
গাড়িচালকের গলায় ধারালো চাকু ধরে টানা হেঁচড়া করে কিলঘুষি মেরে তাকে উঠিয়ে নিয়ে
পেছনে উল্টা করে রাখে। ডাকাতদের মধ্যে থেকে একজন চালকের আসনে বসে বাসটি নিয়ন্ত্রণ
নেয় এবং বাসটি চালিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হয়। পরে মির্জাপুর উপজেলার সোহাগপাড়া
সাকিনস্থ ফুটওভার ব্রিজের প্রায় ১০০ গজ পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের
ওপর পৌঁছালে ডাকাতদলের ৬ থেকে ৭ জন সদস্য গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের ধারালো
চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এসময় যাত্রীদের বলে, ‘তোদের সঙ্গের টাকা
পয়সাসহ যার যা কিছু আছে সব দিয়ে দে’। এসময় যাত্রীদের কাছে থাকা টাকা, মোবাইল ফোন,
স্বর্ণালংকার ও রূপাসহ সব মালামাল ছিনিয়ে নেয়। পরে ডাকাতদলের সদস্যরা মির্জাপুরের
নাটিয়াপাড়া নাছির গ্লাসের সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা করে। তারা দুই
থেকে আড়াই ঘণ্টা গাজীপুরের কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ীসহ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়
এবং এই সময়ের মধ্যে যাত্রীদের ধারালো চাকু ও চাপাতি দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
একপর্যায়ে দুই নারীর ‘শ্লীলতাহানি’ করা হয়।
এজহারে আরও বলা হয়েছে- সব যাত্রীদের টাকাসহ অন্যান্য মালামাল লুট
করে রাত ৪টার দিকে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন বাড়ইপাড়া এলাকার নন্দন পার্কের
সামনে গাড়িটি টাঙ্গাইল অভিমুখে থামিয়ে চালককে ভয় দেখিয়ে বলে, ‘১০ কিলোমিটারের
মধ্যে গাড়িটি কোথাও থামালে তোকে জানে মেরে ফেলবো, আমরা তোদের গাড়ির পেছনে পেছনে
আছি’ এই বলে ডাকাতদলের সদস্যরা মালামাল ও টাকা পয়সাসহ গাড়ি থেকে নেমে চলে যায়।
পরে চালক গাড়ি নিয়ে চন্দ্রা মোড়ে গেলে গাড়িতে থাকা যাত্রীরা জাতীয়
জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে জানালে কিছুক্ষণের মধ্যে টহল পুলিশ
সেখানে উপস্থিত হয়। তখন গাড়িতে থাকা যাত্রীরা ডাকাতির বিষয়ে বিস্তারিত জানালে
কালিয়াকৈর থানাধীন চন্দ্রা এলাকার টহলরত পুলিশ মির্জাপুর থানায় যাওয়ার পরামর্শ
দিলে চালক গাড়ি নিয়ে মির্জাপুর বাসস্ট্যান্ডে যায়। তখন কয়েকজন যাত্রী ও গাড়ির
সুপারভাইজার মির্জাপুর থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করলে
মামলা না নেওয়ায় তারা পুনরায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে নাটোর জেলার
বড়াইগ্রাম থানা মোড়ে গেলে গাড়ি থেকে তিন থেকে চার যাত্রী নেমে স্থানীয় লোকজনের
সহায়তায় গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছে সন্দেহে
গাড়িটি আটক করে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, ডাকাতির ঘটনায় মামলা হওয়ার
১৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাতদলের তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার
করেছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালতে হাজির করে
পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া দায়িত্ব অবহেলায় মির্জাপুর থানার ডিউটি
অফিসার উপ পরিদর্শক (এএসআই) আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে স্ত্রীর ডিভোর্স লেটার পেয়ে গলায় ফাঁস
দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আজিজুল হক রবিন নামে এক যুবক।
উজিরপুর ইউনিয়নের জগমোহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
আজ রোববার (১৫ জুন) পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে
থানায় নিয়ে আসে। তিনি একই গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজিজুল হক রবিন আট বছর আগে পার্শ্ববর্তী সদর দক্ষিণ উপজেলার গোয়ালগাঁও গ্রামের নাছিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে জান্নাত আরা নামের ছয় বছর বয়সী এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে ‘পরকীয়া’ সন্দেহে উভয়ের ঝগড়া লেগে থাকত। ঝগড়ার জেরে ছয় মাস আগে নাছিমা আক্তার একমাত্র সন্তানকে রেখে বাবার বাড়িতে চলে যান। দুই মাস আগে নাছিমা আক্তার স্বামী আজিজুল হক রবিনের ঠিকানায় ডিভোর্স লেটার পাঠান। পরিবারের লোকজন আজিজুল হক রবিনকে বিষয়টি অবগত করেননি। আজিজুল হক রবিন ঈদের ছুটি শেষে গার্মেন্টসে চাকরিতে যোগদানের জন্য ‘পরিচয়পত্র’ খুঁজতে গিয়ে ডিভোর্স লেটার দেখতে পান। এরপর থেকে তার মন খারাপ হয়ে যায়। শনিবার বিকেল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর রোববার সকালে বাড়ির পাশের একটি গাছে তার লাশ ঝুলতে দেখা যায়।
আজিজুল হক রবিনের ভাই আশরাফুল ইসলাম শাওন বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে ভাই রবিনের সঙ্গে ভাবি নাছিমা আক্তারের ঝগড়া
চলছিল। এরই জেরে ছয় মাস আগে ভাবি বাবার বাড়িতে চলে যান। দুই মাস আগে ডিভোর্স লেটার
পাঠান তিনি। বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে গোপন রাখলেও দুইদিন আগে ভাই ডিভোর্স
লেটারটি দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান,
আজিজুল হক রবিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
মন্তব্য করুন