

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ১২ কেজি গাঁজাসহ তিন নারী মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার শ্রীরাপুর এলাকা থেকে কচুয়া থানার এসআই মামুন সরকার,দেলোয়ার হোসেন ও এমসআই মোরশেদ আলম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তল্লাসি চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের আটক করে।
আটককৃতরা হলো, কুমিল্লার শাসনগাছা এলাকার ফয়সাল মিয়ার স্ত্রী হেলেনা বেগম (৩৫),কোতয়ালী উপজেলার আড়াইওড়া গ্রামের জামাল হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগম ও একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী রুপা আক্তার।
আটককৃত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় মামলা দায়েরের পর চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।
কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীরা কুমিল্লার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহন করে অধিকমূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাসি চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
নতুন বছরের শুরুতে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি
শিক্ষার্থীরা। বই পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে। কোমলমতি
শিক্ষার্থীদের হাতে বই দেখে উচ্ছাসিত ও আনন্দমুখর সময় কাটান মাদ্রাসার শিক্ষক ও
অভিভাবক। মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত জামি’আ
দারুত তাওহীদ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়।
তাওহীদ একাডেমী এন্ড ইসলামিক সেন্টারের আয়োজনে এসব বই বিতরণ করা হয়েছে।
এসময় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
আকরামুজ্জামান,সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী, রিয়াজ হোসেন, তাওহীদ একাডেমী এন্ড
ইসলামিক সেন্টারের সেক্রেটারী হাজী মো. দুলাল মিয়া,সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান,রাসেল
হোসেন,শাহ জালাল মিয়া,মাদ্রাসার শিক্ষক,অভিভাবক ও শিক্ষার্থী সহ আরো অনেকে উপস্থিত
ছিলেন। এদিকে নতুন বই পেয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা খুশি।
মন্তব্য করুন


মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রাম জেলা চিলমারী ও গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর শহরের মোড় এলাকায় চিলমারী-হরিপুর তিস্তা সেতুতে ঘুরতে যাওয়া মা-মেয়ের ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে মাইকিং করে দুই গ্রামের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২০-২৫ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে কয়েক দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে একজনকে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চিলমারী থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে দুপক্ষের শতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেন। পরে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টিম দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এলাকাবাসী সূত্র জানা যায়, গত শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চিলমারী রমনা ইউনিয়নের দক্ষিণ খরখরিয়া গ্রামের পশির উদ্দিনের মেয়ে ও স্ত্রী দ্বিতীয় তিস্তা সেতুতে ঘুরতে গেলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের শহরের মোড় এলাকার বিজয়, পাভেল, সুমন নামে যুবক গোপনে ছবি তোলেন এবং উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। পরে মা-মেয়ে ওই ঘটনার প্রতিবাদ করার সময় ওই যুবকেরা তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের ডাঙ্গারচর এলাকার হামেদ আলীর ছেলে সাজু ও রোস্তাম আলীর ছেলে মোতালেব মিয়ার চোখে পরলে তারা বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। এতে শহরটির মোড় এলাকার বিজয়, পাভেল, সুমনসহ কয়েকজন মিলে চিলমারী উপজেলার এই দুই যুবকের ওপর চরাও হন এবং তাদের মারধর করেন। পরবর্তীতে তারা মারধরের বিষয়টি এলাকায় জানালে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে রমনা ইউনিয়নের দক্ষিণ খড়খড়িয়া এলাকার লাল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৫) তার ভুট্টা ক্ষেত দেখতে গেলে শহরের মোড় এলাকার ফখরুলের ছেলে মিস্টারসহ কয়েকজন ব্যক্তি মিলে তাকে বেধরক মারধর করেন। পরে আলমগীর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় ব্যক্তিরা পরিবারকে ফোনে মারধরের কথা জানান। পরে খবর পেয়ে আলমগীরের শরীরে বিভিন্ন জখম, পাঁচটি দাঁত ভাঙ্গা ও পায়ের নিচে টেঁটার আঘাত অবস্থায় তার পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে। তাকে প্রথমে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রমেক হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
পরে ওই ঘটনায় দুই গ্রামের মানুষ মাইকিং করে তাদের লোকজনকে ডেকে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় গ্রামের ২০-২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম থেকে সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর একটি টিম গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চিলমারী উপজেলার লাল মিয়ার ছেলে আলমগীরকে রমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিকাশ প্রতারক চক্রের দুই সদস্য পুলিশের কাছে ধরা পড়ে ভুক্তভোগীর টাকা ফেরত দিয়েছেন। তারা হলেন- উপজেলার সহস্রাইল বাজারের অনলাইন ব্যাংকিং এজেন্ট ও সহস্রাইল গ্রামের রংধনু টেলিকমের কিবরিয়া মোল্যা ও একই ইউনিয়নের বাড়ইকান্দী গ্রামের পঙ্কজ বাড়ই।
তাদের আটকের পর সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।
খুলনার খান জাহান আলী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ জানান, খুলনার শিরোমনি হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মফিজুল ইসলাম মিস্ত্রিকে গত ১ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাত পরিচয়ধারী এক ব্যক্তির মোবাইল ফোনে কল দিয়ে নিজেকে তার ছাত্রের অভিভাবক দাবি করে। ওই ব্যক্তি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার মোবাইল ব্যাংকিং রকেট অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা প্রাপ্তির একটি ভুয়া ম্যাসেজ দেন।
তিনি বুঝতে না পেরে সরল বিশ্বাসে উক্ত নম্বরে ৪৫ হাজার টাকা ফেরত পাঠায়। পরে রকেট অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করলে তিনি প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে খুলনার খান জাহান আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী হাফেজ মফিজুল ইসলাম।
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে গিয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের সহযোগিতায় গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল বাজারে বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী কিবরিয়া ও পঙ্কজ বাড়ই এর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়।
পরে শেখর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল মোল্যার মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগীর ৪৫ হাজার টাকা ফেরত দেন তারা।
শেখর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল মোল্যা বলেন, কিবরিয়া ও পঙ্কজ বাড়ই এর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে ভুক্তভোগীর টাকা লেনদেনের সত্যতা পাওয়া যায়। অভিযোগকারীর টাকা ফেরত দেওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত সহস্রাইল বাজারের রংধনু টেলিকমের মালিক কিবরিয়া মোল্যা বলেন, ১০/১২ দিন আগে আমার দোকান থেকে যে ব্যক্তি প্রতারণার টাকা উত্তোলন করেছে আমি তাকে চিনি না। প্রতারক চক্রের সঙ্গে আমি জড়িত নই।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী শপিং মল ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজায় অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে মেগা র্যাফেল ড্র-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। মার্কেটের পঞ্চম তলায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। হাফেজ ইয়াকুব আলীর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে মোট ১০১ জন ভাগ্যবান বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়, যার মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কার হিসেবে ছিল পাঁচটি মোটরসাইকেল।
ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মঞ্জুরুল আলম ভূইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট আবদুল মমিন ফেরদৌস, উপদেষ্টা আলহাজ্ব শাহ মোঃ আলমগীর খান এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মোঃ নুরে আলম ভূইয়া। সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক মোঃ এমদাদুল হক সোহাগের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মালিক সমিতির উপদেষ্টা মোঃ মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে ইস্টার্ন ইয়াকুব প্লাজা দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, সহসভাপতি মোঃ গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশীদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসান মোর্শেদ, অর্থ সম্পাদক মিয়া বাতেন এবং প্রচার সম্পাদক মোঃ মোতাহের হোসেন। এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুর রব ভূইয়া লিটন, জাকির হোসেন-১, মাহবুবুর রহমান মামুন, সোহাগ শেখ ও জাকির হোসেন-২ সহ মার্কেটের ব্যবসায়ী ও বিপুল সংখ্যক ক্রেতা-সাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহ'র প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহ'র কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের রশিদ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা, সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত অবৈধ ভুয়া রসিদ বহি জব্দ করা হয়।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ২৩ বীর সেনাবাহিনী ক্যাপ্টেন রাকিন।
সেনাবাহিনী জানায়, কুমিল্লা নগরীর চকবাজার থেকে তেলিকোনা ও জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড থেকে টমছমব্রীজ সড়কের উপর অবস্থান করে বাস, মিনিবাস, মিনি ট্রাক, ইজিবাইক, মিশুকসহ যাত্রীবাহী বিভিন্ন যানবাহন চালকদের হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে গতিরোধ করে অবৈধ রশিদের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জাঙ্গালিয়া বাসট্যান্ড সড়কে চাঁদা নেয়ার সময় একজন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী টহল দল।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো কুমিল্লা সদর দৌলতপুর গ্রামের মান্নান এর ছেলে মোঃ জুলহাস (২৪)।
এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ২/৩ জন চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। সেনাবাহিনী গ্রেফতারকৃত আসামীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ৩টি,সীল প্যাড ২টি, গোলাপি ও হলুদ রঙের চাঁদা আদায়ের ভুয়া ৩৫ টি রসিদ বই জব্দ করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পরস্পর যোগসাজশে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সিটি কর্পোরেশনের নাম ব্যবহার করে অবৈধ চাঁদা উত্তোলন করে আসছে।
পরে গ্রেফতারকৃত আসামীকে সদর দক্ষিণ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ছাব্বির হত্যা মামলার ৪৯ তম এজহারভূক্ত আসামী এলাহাবাদ ইউনিয়ন
এর সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী
লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সরকার (৬০) গ্রেফতার থানা পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টায় দেবীদ্বার থানা পুলিশ গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরস্ত তার নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার হয়। মে উপজেলার
মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালেক সরকারের পুত্র।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা শামসুদ্দিন মোহাম্মদ
ইলিয়াছ জানান, গোপন
সংবাদের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম
সরকারকে তার নিজ গ্রাম মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে ছাব্বির হত্যা
মামলার ৪৯ নং এজহার নামীয় আসামী।
গত বছরের ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের পর উল্লসিত জনতা দেবীদ্বার থানা
ঘেরাউকালে সাব্বির মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ মাস ৮ দিন
চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পরদিন ১৪ আগস্ট সকাল ৯ টায় সাব্বির মারা যায়। নিহত আমিনুল
ইসলাম ছাব্বির (১৭) দেবীদ্বার পৌর এলাকার মৃত আলমগীর হোসেনের পুত্র। সে
পার্শ্ববর্তী মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির
শিক্ষার্থী ছিল। লেখা পড়ার পাশাপাশি ছাব্বির ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাটি ঘটেছে লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।
বুধবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামি জানু মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়।
লাকসাম থানার ওসি সাহাবুদ্দিন খান জানান, গত ২৮ এপ্রিল বেলা আড়াইটায় ওই গ্রামের মৃত বন্দে আলী মিয়ার ছেলে জানু মিয়া (৭০) তার নাতনির খেলার সাথী ওই শিশু কন্যাকে একা পেয়ে ঘরে নিয়ে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক মামলায় তিতাস গ্যাসের পিয়ন (অফিস সহায়ক) জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রায় এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসুন্নাহার ৩টি মামলায় জহিরুলের ৩ স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকার অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে এই সাজা দেওয়া হয়। তবে ৩ স্ত্রীর সাজা হলেও স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সকল মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় তাকে।
অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। স্ত্রীদের সঙ্গে প্রতিটি মামলাতেই দ্বিতীয় আসামি হিসেবে নাম ছিল জহিরুলের। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ও তার ৩ স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক।
দুদক কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দায়েরকৃত পৃথক ৩টি মামলায় সেলিনা আক্তার, আকলিমা আক্তার ও আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ তদন্তপূর্বক মামলার বাদী ছিলেন, দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান।
দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, স্থাবর, অস্থাবর অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের দায়ে তিতাস গ্যাসের ঢাকা অফিসের অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ১২ লাখ ১২ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ লাখ ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তৃতীয় স্ত্রী আছমা আক্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মন্তব্য করুন