

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লি: ৪৭তম বার্ষিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিআরডিবি কার্যালয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির আয়োজনে এ সাধারন সভা হয়।
কচুয়া উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জাবের মিয়ার সভাপতিত্বে ও মুক্তিযোদ্ধা সনতোষ চন্দ্র সেনের পরিচালনায় ভার্চুয়ালি ভাবে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির,এসিল্যান্ড ইবনে আল জায়েদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মবিন,উপজেলা সমবায় অফিসার দেলোয়ার হোসেন ও উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আবু সামীম,উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির সাবেক চেয়ারম্যান ছিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ময়নামতির উদ্যোগে অসহায় দুঃস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার রাতে কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশনের অসহায় দুঃস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ময়নামতির সভাপতি রো. মো. নাজমূল হুদা, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ময়নামতির সেক্রেটারি রো. হাসান মাহমুদ তারেক সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপারের কামড় খেয়ে
আতঙ্কিত না হয়ে সাপটিকে তেড়ে ধরে পিটিয়ে মারেন এবং একে হাতে ঝুলিয়ে নিয়েই হাসপাতালে
দৌড়ে পৌঁছান এক কৃষক।
রাজশাহীতে বিষধর সাপ রাসেলস ভাইপার
দংশন করে হেফজুল আলী (৪৫) নামের এক কৃষককে। আর
শুক্রবার (৩১ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজশাহী
মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এভাবেই সাপসহ উপস্থিত হন ওই কৃষক।
কৃষক হেফজুল আলী রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার
পিরোজপুর গ্রামের জসিম প্রামাণিকের ছেলে।
জানা যায়, আজ (৩১ মে) সকাল ৮টার দিকে
পিরোজপুর গ্রামের একটি কৃষি জমিতে ধান কাটার কাজ করছিলেন হেফজুলসহ কয়েকজন কৃষক। ধান
কাটার এক পর্যায়ে হঠাৎ করে একটি রাসেল ভাইপার সাপ হেফজুলের গালে ছোবল দেয়। এতে হেফজুল
ভয় না পেয়ে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। এ সময় হেফজুল ওই সাপসহ দ্রুত চারঘাট উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান।
পরে সেখান থেকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল
কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বেলা ১১টার দিকে তিনি মৃত রাসেল ভাইপারসহ রামেক
হাসপাতালে যান। তখনও তিনি সাপটির লেজ ধরে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন হাতে। এ সময় তিনি নিজেই
কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে ভর্তি হন হাসপাতালটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে। আর তার এই দুঃসাহসিক
কাণ্ড দেখে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অনেকেই এসময় হেফজুলের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে
ছিলেন।
হাতে করে সাপ ঝুলিয়ে হাসপাতালে আসার
কারণ জানতে চাইলে আহত কৃষক হেফজুল বলেন, দংশনের পর সাপটিকে মেরে সাপসহ উপজেলা স্বাস্থ্য
কেন্দ্রে যাই। কিন্তু সেখান থেকে চিকিৎসকরা আমাকে রাজশাহী মেডিকেলে যাওয়ার পরামর্শ
দেন। পরে রামেক হাসপাতালে এসে ভর্তি হই। ধারণা ছিল, চিকিৎসকরা সাপ দেখলে দ্রুত সঠিক
ওষুধ (অ্যান্টিভেনম) দিতে পারবেন।
দ্রুত সঠিক চিকিৎসা হবে এমন আশায় সাপটিকে
সঙ্গে নিয়ে আসেন বলে জানান কৃষক হেফজুল।
চিকিৎসকরা জানান, হেফজুলের অবস্থা বর্তমানে
ভালো। অনেকেই সাপে দংশনের পর কবিরাজ কিংবা ওঁঝার কাছে যান, তিনি সেটা না করে হাসপাতালে
চলে এসেছেন। এটি তার সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
চৌদ্দগ্রামে প্রবাসী ছেলের নতুন বিল্ডিংয়ে ঠাঁই হয়নি ৯৬ বছর বয়সি
বৃদ্ধা মায়ের। ছেলে প্রবাসে থাকার সুযোগে বৃদ্ধা মাকে বাাড়ি থেকে বেড় করে দিয়েছে পুত্রবধু। বর্তমানে বৃদ্ধার ঠাঁই হয়েছে রাস্তায়।এবং নিজ মেয়ের জরাজীর্ণ ঘরে।
উপজেলার
আলকরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ছামেনা খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম ১৯৩১ সালের ২২ নভেম্বর। তার
স্বামী আবদুল হক ২০০৮ সালে
মারা যান। তিন মেয়ে ও এক ছেলের
মধ্যে একমাত্র ছেলে ফয়েজ আহমেদ ২০০৬ সাল থেকে সৌদি আরবে কর্মরত।
স্থানীয়
সূত্র জানায়, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই ছামেনা
খাতুনের দুর্দশা শুরু হয়। ২০১১ সালে ছেলে ফয়েজ আহমেদ তাকে নিজের বাড়ি থেকে পাশের বাড়িতে থাকা মেয়ে রোকেয়া বেগমের কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে মেয়ের বাড়িতেই বসবাস করছেন তিনি। রোকেয়া বেগম নিজেও স্বামীহারা। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে
নিয়ে অভাবের সংসার চালালেও মায়ের দেখভাল করে আসছেন।
চলতি
বছরের জানুয়ারিতে দেশে ফিরে ফয়েজ আহমেদ নতুন একটি বিল্ডিং ঘর নির্মাণ করেন।
গ্রামবাসীর অনুরোধে তিনি মাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু গত ৪ মে
সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার পরপরই পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ রয়েছে, ফয়েজ আহমেদের স্ত্রী রুমা বেগম গভীর রাতে ছামেনা খাতুনের মালামালসহ তাকে আবার মেয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
ছামেনা
খাতুনের মেয়ে রোকেয়া বেগম বলেন, আমার ভাই ও ভাবি দীর্ঘদিন
ধরে মায়ের প্রতি অবহেলা করে আসছেন। আমার অভাবের সংসার হলেও আমরা মায়ের ভরণপোষণ চালিয়ে যাচ্ছি। ভাই দেশে এসে মাকে নতুন ঘরে তুলেছিলেন। কিন্তু তিনি বিদেশে যাওয়ার পরদিনই ভাবি মাকে ঘর থেকে বের
করে দেন।
ছামেনা
খাতুন বলেন, আমাকে অনেক বছর আগে ছেলে ঘর থেকে বের
করে দিয়েছে। তারা আমার কোনো খোঁজখবর রাখে না। আমার মেয়েরাই আমাকে দেখাশোনা করে।লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, গ্রামবাসীর অনুরোধে ফয়েজ আহমেদ তার মাকে নতুন ঘরে তুলেছিলেন। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পরদিনই তার স্ত্রী বৃদ্ধাকে ঘর থেকে বের
করে দেন। বর্তমানে যে মেয়ের বাড়িতে
তিনি থাকছেন, সেই পরিবারও খুবই অসচ্ছল।
অভিযোগের
বিষয়ে জানতে চাইলে রুমা বেগম সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর মুঠোফোনের সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।আলকরা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল বশর বলেন, বিষয়টি আমি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজখবর নিয়ে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।
চৌদ্দগ্রাম
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ছামেনা খাতুনের ভরণপোষণের বিষয়েও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫৩ কেজি গাঁজা, ৩৯৬ বোতল ফেনসিডিল এবং ১ বোতল মদসহ মো: ইসমাইল মিয়া (২৩) নামে এক মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বর্ডার গার্ড বিজিবি কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
আজ
সোমবার (৫ মে) দুপুরে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথপুর বিওপির ডিমাতলী এলাকা থেকে
আটক করেছে। আটককৃত ইসমাল চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া এলাকার ডিমাতলী গ্রামের মৃত আব্দুর
রবের ছেলে।
এক
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি)
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়-কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত
এলাকা প্রহরার মাধ্যমে দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব অত্যন্ত দৃঢ়তা ও
সফলতার সাথে পালনের পাশাপাশি পেশাদারিত্বের সাথে যেকোনো ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন
এবং চোরাচালানি ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুরে
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন জগন্নাথদিঘী বিওপির বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিজিবি টহল দল কর্তৃক সীমান্ত শূন্য লাইন হতে আনুমানিক
৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ডিমাতলী নামক স্থান হতে মো. ইসমাইল মিয়া (২৩)কে আটক করে।
এ সময় তার কাছ থেকে ৫৩ কেজি গাঁজা, ৩৯৬ বোতল ফেন্সিডিল এবং ০১ বোতল মদসহ আটক করা হয়।
আটককৃত মাদকদ্রব্যের সর্বমোট মূল্য-৩ লাখ ৪৫ হাজার৪’শ
টাকা। আটককৃত আসামিকে মাদকদ্রব্যসহ চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪৭ ক্যান বিয়ারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ অক্টোবর বিকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দোলবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সাইফুল নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪৭ ক্যান বিয়ার এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক (মিশুক) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ছুপুয়া মিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত সেলিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক (মিশুক) ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিয়ার সংগ্রহ পূর্বক কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।
কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ
রানা,
কচুয়া
(চাঁদপুর)
প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের
কচুয়ার হারিচাইল গ্রামে মাকসুদা হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে
শনিবার হারিচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এলাকার গরীব
অসহায় মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ফ্রি
মেডিকেল ক্যাম্প, ঘর নির্মানে আর্থিক
সহায়তা, সেলাই মেশিন বিতরণ, বৃত্তি প্রদান, রক্তদান কর্মসূচি রক্তের গ্রুপ নির্নয়সহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা
হয়।
ফাউন্ডেশনের
সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে ও হারিচাইল আদর্শ
শিক্ষা কল্যান সংস্থার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও যুবক
কমিশনের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম।
টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গোফরানুল হক। বক্তব্য রাখেন,
কুমিল্লা অন্ধ কল্যান সমিতির
সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী প্রধান
ডা. একেএম আব্দুস সেলিম, ইউপি চেয়ারম্যান কবির
হোসেন, পেইজ সংস্থার কুমিল্লা
অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী প্রফেসর মো. ইউসুফ, বুরগী
উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুব আলম, হারিচাইল আদর্শ
শিক্ষা কল্যান সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও ফ্রি মেডিকেল
ক্যাম্পের সদস্য সচিব আবু আব্দুল্লাহ
প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার লাকসামে টিউবওয়েল স্থাপন শেষে পানির পরিবর্তে গ্যাস বের হচ্ছে ।
এ ঘটনা ঘটেছে লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউপির ঘাটার নোয়াগাও গ্রামের পূর্বপাড়া আবুল কালামের বাড়িতে ।
রোববার রাত থেকে টিউবওয়েল হতে বের হওয়া গ্যাসের আগুন দেখতে উৎসুক লোকজন প্রতিনিয়ত ভিড় করছে আবুল কালামের বাড়িতে।
বাড়ির মালিক আবুল কালাম জানান, তার ভাগিনাকে থাকার জন্য যে জায়গা দিয়েছেন সেখানে সে ঘর উঠাচ্ছে এবং রোববার টিউবওয়েল বসানোর কাজ শুরু করে। কাজ শেষ হওয়ার পর দুপুরের দিকে দেখা গেছে টিউবওয়েলের মুখ দিয়ে অনর্গল পানি বের হচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে বের হয়ে পানিতে গ্যাসের গন্ধ অনুভূত হলে তাতে দেয়াশলাই ধরলে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। বিষয়টি টিউবওয়েল মিস্ত্রিদের জানালে তারা বলেছেন ৫-৭ দিন যাওয়ার পর বুঝা যাবে গ্যাসের অবস্থা।
আবুল কালাম আরো জানান, রাত হয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি প্রশাসনের কাউকে জানাতে পারিনি। তবে সন্ধ্যার পর থেকে টিউবওয়েলে গ্যাসের আগুন দেখার জন্য বাড়িতে লোকজন ভিড় জমাতে থাকে ।
লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সিদ্দিকী জানান, এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার বুড়বুড়িয়া এলাকা থেকে একজন গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করে শহরে নিয়ে আসা হয়।
মঙ্গলবার ৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বৈষম্য বিরতি ছাত্র আন্দোলন রেসকিউ টিমের অভিযানে গর্ভবতী মহিলাকে উদ্ধার করে এনে পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
শুধু
হাসপাতাল পর্যন্ত আনাই নয় বরং হাসপাতালে নিয়ে আসার পর প্রয়োজনীয় সকল চিকিৎসার ব্যবস্থা
করে দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লার মেডিকেল টিমের সদস্যরা।
এসময় কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মেডিকেল টিম ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উদ্ধারকারী টিমের সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্ণেল হাসনাত এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ অন্যান্যরা।
সর্বশেষ সূত্রমতে জানা যায়, উদ্ধার করে আনা গর্ভবতী মহিলা দরিদ্র এবং অভিভাবকহীন। তাই তার চিকিৎসার সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে উক্ত মেডিকেল টিমের কয়েকজন সদস্য।
এবং
উক্ত মহিলার হাসপাতালে অবস্থানকালে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধান এবং সকল
সুযোগ-সুবিধা প্রদানে সবকিছু তদারকির জন্য একটি টিম সার্বক্ষণিক তৎপর আছে ।
মন্তব্য করুন