

চট্টগ্রাম নগরের কদমতলীর টিডি রোডের বহুতল ভবন চেয়ারম্যান বাড়ির ভেতরে কম্বলের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরের দিকে কোতোয়ালি থানার কদমতলীর পোড়া মসজিদ এলাকায় ভবনটির পঞ্চম তলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে সহায়তা দিচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনটির ভেতর থেকে ধোঁয়া ও দাউদাউ আগুন বের হচ্ছে। আশপাশের এলাকাজুড়ে মানুষের ভিড় সৃষ্টি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ভবনের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তীব্র তাপ ও ধোঁয়ার কারণে বেশ কয়েকবার পিছিয়ে আসতে হয়েছে।
আগুনের তীব্রতায় ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন ডলারের মান বৃদ্ধির পাশাপাশি সুদের হার কমানো-বাড়ানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে টানা তৃতীয় দফার মতো কমেছে স্বর্ণের দাম।
আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিশ্ব আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৫ দশমিক ৫৮ ডলার। আর ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য ফিউচার স্বর্ণের দাম ০.৯ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৪২ দশমিক ৫০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
রিলায়েন্স সিকিউরিটিজের সিনিয়র রিসার্চ বিশ্লেষক জিগার ত্রিবেদী বলেন, ডলারের মান এখন ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। ডলারসূচক যদি ১০০-এর ওপরে থাকে, তাহলে স্বর্ণের দাম আরও নিচে নামতে পারে, কারণ ডলারের দাম বাড়লে অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে যায়।
সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য বলছে, আগামী মাসে ফেড সুদের হার কমাতে পারে—এমন সম্ভাবনা আগের ৭৪ শতাংশ থেকে কমে সোমবার দাঁড়িয়েছে ৬৯ শতাংশে।
ফেডের নীতি নিয়ে কর্মকর্তাদের মন্তব্যেও বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস সাময়িকভাবে সুদ কমানোর সম্ভাবনা বাড়ালেও, ডালাস ফেডের লরি লোগান বলেছেন বর্তমান হার কিছুদিন স্থির রাখা উচিত। শিকাগো ও ক্লিভল্যান্ড ফেডের প্রধানরা সতর্ক করেছেন, এখনই সুদ কমালে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়তে পারে। নিম্ন সুদের পরিবেশ স্বর্ণের জন্য লাভজনক হলেও, হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় স্বর্ণের দামে চাপ পড়ছে।
জিগার ত্রিবেদীর মতে, আগামী তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও সামান্য পতন হতে পারে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে ১৫ জনকে বাংলাদেশে ঢুকতে না দিয়ে ঠেলে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (BSF)। নওগাঁ ব্যাটালিয়ন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুদ জানিয়েছেন, শনিবার রাতের এই ঘটনার পর তাদের রোববার ভোরে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে রয়েছেন দুই শিশু, নয়জন নারী ও চারজন পুরুষ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা যশোর, নড়াইল, খুলনা ও মানিকগঞ্জ জেলার বাসিন্দা।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “ভোরে সীমান্তে টহলের সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের দেখতে পায়। তাদের আটক করে ক্যাম্পে আনা হয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে সকলেই বাংলাদেশি নাগরিক।” পরে তাদের গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গোমস্তাপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক বলেন, “পুশইনের শিকার বাংলাদেশি নাগরিকরা থানার হেফাজতে রয়েছেন। ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন


অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে আজ থেকে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু।
শিক্ষকদের সাত দিনের এ প্রশিক্ষণ চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ।
এ প্রশিক্ষণ পরিচালনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে ডিসেমিনেশন অব নিউ কারিকুলাম স্কিম। এতে প্রশিক্ষণ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
প্রথম ধাপে ৪৭৭টি উপজেলায় ৫০৮টি ব্যাচে শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে। আর এ প্রথম পর্যায়ে প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন ইআইআইএন-ধারী (এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ।
নির্ধারিত দিনে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে এ শিক্ষক প্রশিক্ষণ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত নারীর নাম সাদিয়া আক্তার মিমি (২৭)।
পুলিশের
ভাষ্য, গত শুক্রবার দুপুর থেকে গতকাল শনিবার রাত নয়টার মধ্যে যেকোনো সময় এই হত্যাকাণ্ড
ঘটতে পারে। শনিবার ( ১৮ জানুয়ারি ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুলশানের কালাচাঁদপুর
পশ্চিম পাড়া পাকা মসজিদের পাশের একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গুলশান
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ আহমেদ বলেন, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে
খবর পেয়ে ওই বাসায় গিয়ে নারীর মরদেহ পাওয়া যায়। তাঁর গলা কাটা ছিল এবং শরীরের বিভিন্ন
স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ রোববার বিকেলে
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ
কর্মকর্তা।
পুলিশ
জানায়, ওই বাসায় দুই নারী ভাড়া থাকতেন। সাদিয়া একটি পারলারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ঘটনার সময় অপর ভাড়াটে নুসরাত বাসায় ছিলেন না। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের
বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
পরিবারের
বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সাদিয়ার বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায়। তিনি শহিদ আলী
ও জাহানারা বেগমের মেয়ে।
মন্তব্য করুন


চব্বিশের
জুলাইয়ে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের আগের ১৫ বছরে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের
অন্যান্য সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হামলা ও তৎকালীন সরকারের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনী
কর্তৃক নিহতদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় শহীদ বুয়েট শিক্ষার্থী
আবরার ফাহাদের বাবা মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ ও মামা মোহাম্মদ মোফাজ্জল
হোসেন।
প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগ ও এর সংগঠনের
দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহতের তালিকা করে প্রত্যেকটি ঘটনা তদন্তের অনুরোধ জানান
শহীদ আবরার ফাহাদের পরিবার।
এসময়
আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচারকাজ ত্বরান্বিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিতে
প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ জানান মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ।
মোহাম্মদ
বরকত উল্লাহ বলেন, দেশের জন্য কথা বলার কারণে তাঁকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে
হত্যা করে। সে দেশের স্বার্থে কথা বলেছিল, অসম পানি বণ্টনের বিরুদ্ধে বলেছিল,বলেন তিনি।
আবরার
ফাহাদের বাবা আরও বলেন, তাঁর মা এখনো ছেলের জন্য আর্তনাদ করেন। আর কোনো মায়ের যেন সন্তান
হারানোর কষ্ট পেতে না হয়, আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।
তিনি
আরও জানান, কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর ওপরে একটি সেতু তৈরির জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে
দাবি জানিয়ে আসছেন। সেতু না থাকায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে উল্লেখ করে
সেখানে একটি সেতু তৈরির জন্য উদ্যোগ নিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেন মোহাম্মদ বরকত
উল্লাহ।
সকল
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ জানান
আবরার ফাহাদের ছোটভাই আবরার ফাইয়াজ।
বুয়েটের
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো শিক্ষার্থী
বান্ধব নয়। পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাব, সরঞ্জাম ও অন্যান্য ব্যবস্থার সংকট রয়েছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চাই এ সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে
শিক্ষার্থী বান্ধব করতে পদক্ষেপ নেবে।
পাশাপাশি,
বুয়েটে র্যাগিং বন্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতেও অনুরোধ জানান তিনি।
আবরার
ফাইয়াজ বলেন, বুয়েটে নিপীড়নের ঘটনা এটাই প্রথম না। আগেও ঘটেছে। আগে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে
সেগুলোর তদন্ত ও বিচার করা প্রয়োজন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে মারার ঘটনাটি পুরো
জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হবেই। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
আগে আওয়ামী লীগ ও এর সংগঠনের দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহতের তালিকা করে প্রত্যেকটি
ঘটনা তদন্ত করা হবে। এর পাশাপাশি তৎকালীন সরকারের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার
করে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেগুলো নিয়েও তদন্তকাজ চলছে। সরকার ইতোমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে।
(সূত্র-
বাসস)
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের
অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম বলেছেন, আমাদের
অনিরাপদ করলে বাংলাদেশে ভারত
ও ভিনদেশের স্বার্থ রক্ষাকারীদের নিরাপদে থাকতে দেওয়া হবে না।
আজ সোমবার
(১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বদলীয়
প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি এই কথা
বলেন।
মাহফুজ
আলম বলেন, আমাদের হাতে যখন মুজিববাদী,
১৪ দলীয় সন্ত্রাসীদের প্রত্যেকের
বাড়ি চুরমার করে দেওয়ার ক্ষমতা
ছিল, তখন আমরা নিজেদের
সংবরণ করার কারণে আজ
তারা এটি করার সাহস
করেছে। ক্ষমা করে যদি ভুল
করে থাকি, তাহলে আমরা প্রতিজ্ঞা নেব,
আর ক্ষমা করবো না।
তিনি
বলেন, দেশের ভেতরের রাজনৈতিক লড়াই কেউ কেউ
দেশের বাইরে নিয়ে গেছে, তাদের
হুঁশিয়ার করতে চাই, মুক্তির
লড়াইও কিন্তু দেশের বাইরে যাবে।
মাহফুজ বলেন, আমাদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। একটা লাশ পড়লে আমরা কিন্তু লাশ নেব। কোনো সুশীলতা করে লাভ নেই। অনেক ধৈর্য হয়েছে। অনেক রিকনসিলিয়েশন, অনেক কথা বলেছি। আমরা বলেছি, আইসিটি ট্রাইব্যুনালে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিচার করুন। কিন্তু একদিকে বিচার চলছে, অন্যদিকে আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে ভারত পালিয়ে আশ্রয় নেবেন, ভারত থেকে সন্ত্রাস করবেন, ভাইয়ের ওপর গুলি চালাবেন, আমরা এটা বরদাশত করব না।
বাংলাদেশে ভারতের এবং ভিনদেশিদের স্বার্থ যারা রক্ষা করবে, তাদের নিরাপদে থাকতে দেওয়া হবে না। আমরা যদি নিরাপদ না থাকি, এই দেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম শিক্ষার্থীরা নগরের আকবর শাহ থানা এলাকায় লাগেজভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছেন ।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সড়কে যানবাহন সামলানোর দায়িত্বপালনকালে তারা এই গাঁজা উদ্ধার করেন। পরে নৌ-বাহিনীর সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সন্ধ্যায় আকবর শাহ থানার সিটি গেট এলাকায় নৌ-বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের খবর দেয় লাগেজভর্তি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে তারা আটক করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে লাগেজ নিয়ে ঘোরাফেরা করছিল।
থানার নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তারাসহ আটক ব্যক্তি এবং মালামাল আকবর শাহ থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওজন করে দেখা গেছে জব্দ করা লাগেজে ১০ কেজি গাজা ছিল।
মন্তব্য করুন


আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই রয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, একটি চক্র আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা কৌশলে বাধা সৃষ্টি করতে চাইছে। এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে তিনি দেশবাসীর প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত এক বৃহৎ নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় উত্তরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেচ প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকার কৃষকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
তার বক্তব্যে তিনি স্মরণ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বাস্তবায়িত বড় সেচ প্রকল্পগুলোর কথা, যা একসময় উত্তরবঙ্গের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, পদ্মা নদীকেন্দ্রিক যে সেচ প্রকল্পের জন্য আলাদা করে প্রায় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, তা গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে অচল করে রাখা হয়েছে। বিএনপির লক্ষ্য হবে এই ঐতিহ্যবাহী প্রকল্পকে আবার পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা।
উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের উদ্দেশে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, সেচ সুবিধা শুধু রাজশাহীতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাজশাহী থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কৃষকেরা এর আওতায় আসবেন। উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষকের মুখে হাসি ফুটলে দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের আমচাষিদের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই এলাকায় ফল সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর চাষিরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েন। বিএনপি সরকার গঠন করলে আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ ও আধুনিক গুদাম নির্মাণ করা হবে, যাতে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয় এবং নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কমে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন, যা উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নে প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নারীরা সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তা পাবে এবং আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে।
দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের অংশগ্রহণ (সরাসরি বা ভার্চুয়াল উপস্থিতি) দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। তিনি উপস্থিত কর্মীদের নির্দেশ দেন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের এই বার্তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে। তার ভাষায়, ধানের শীষ কেবল একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের কৃষকের ভবিষ্যৎ বদলের প্রতীক।
এই সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়, যার ফলে পুরো মহানগরীতে দীর্ঘ সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা–৪
আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)
দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছেন। ১৭ জানুয়ারি আপিলে তাঁর
মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি।
হাইকোর্টের
সংশ্লিষ্ট শাখায় সোমবার ( ১৯ জানুয়ারি ) রিটটি
দায়ের করা হয়। আগামীকাল এর ওপর শুনানি হতে পারে।
মঞ্জুরুল
আহসান মুন্সীর অন্যতম আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ প্রথম আলোকে বলেন, ইসির ১৭ জানুয়ারির
সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিট আবেদনে।
এর
আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ
ঘোষণা করেছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন
এই আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি আপিলে অভিযোগ
করেছিলেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
আগারগাঁওয়ে
নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে ১৭ জানুয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করে
ইসি। এতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ হয়।
রিট
আবেদনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার
দেওয়া সিদ্ধান্ত বহাল চাওয়া হয়েছে বলে আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট অপর এক আইনজীবী জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


একটি শিশুর শৈশবের চিত্রাঙ্কন হচ্ছে অভিভাবক বা শিক্ষক।
আমরা যেভাবে চাইব সেভাবে তারা গড়ে উঠবে। আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে রূপদান করবে। তাই বলে ভূল রূপদান যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আমরা আমাদের ভালোবাসা তাদের দিতে পারি কিন্তু চিন্তাভাবনা নয়, কারণ তাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। আসলে কোমল শিশুরা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু চাপিয়ে দিলে তাদের স্বপ্নগুলো ভেঙে যায়। নিজে থেকে কিছু করার বা চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। হারিয়ে ফেলে তার সৃজনীশক্তি।
তাদের মানসিক বিকাশ হওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। চিত্রাঙ্কন হতে পারে তার অন্যতম মাধ্যম।
শিশুরা
তার আশপাশের সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, পরিবেশ তার ছবির ভাষায় তুলে ধরবে ।
মন্তব্য করুন