

জয়পুরহাটের
হালির মোড় এলাকায় কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইনে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে রিমন (২০)
নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস
ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়।
নিহত
রিমন আক্কেলপুর উপজেলার হালিরমোড় এলাকার বাবু হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি পোল্ট্রি
খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয়রা
জানান, কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইনের ওপর দিয়ে হাঁটার সময় ট্রেনের শব্দ শুনতে না পেয়ে
তিনি ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানায়। পরে খবর
পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রেলওয়ে
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইনে হাঁটার সময়
ট্রেনের শব্দ না শুনতে পাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত
ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নির্ভেজাল, বিশ্বাসযোগ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি
বলেন, নির্বাচনের দিন সারাদেশে কোন ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি এবং কোন প্রাণহানি হয়নি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আজ মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে
বিদায়ী সংবর্ধনা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন । তিনি বলেন,
নির্বাচনে কোন অবৈধ হাতিয়ার ব্যবহার হয়নি।
তিনি
আরো বলেন, গণমাধ্যম যেকোনো রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো, এক ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিচার
বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইনসভা এই তিনটি স্তরের পাশাপাশি গণমাধ্যমও সমাজে জবাবদিহিতা
এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করে। আমি আশা করি ভবিষ্যতেও গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ও এটা বজায়
থাকবে।
সাংবাদিকদের
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার সবচেয়ে বড় সন্তুষ্টি হচ্ছে, আমি ভঙ্গুর অবস্থায়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। এখন একটা স্থিতিশীল অবস্থায় রেখে যাচ্ছি।
আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে যতটুকু এগিয়ে নিয়ে গেছি, নতুন যিনি বা যারা দায়িত্বে আসবেন তারা হয়তো আরো ভালো কাজ করবেন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর সদর উপজেলায় গভীর রাতে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের বারাইপুর গ্রামের লেদু মিয়ারগো বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সাদ্দাম হোসেন (২৭) স্থানীয় খলিফারহাট বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী ও মৃত শাহ আলম মেম্বারের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সাদ্দাম রাত সাড়ে ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে বারাইপুর এলাকায় স্পিড ব্রেকারের কারণে তিনি গতি কমালে দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে এবং পালানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে গুলি করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তার জানা নেই; অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


প্রতি সপ্তাহে ২০০ জন শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক সারজিস আলম।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে আর্থিক
সহযোগিতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা শুরু হবে শনিবার। এদিন চারটি সেগমেন্টে চেক হস্তান্তরের
কাজ চলবে। ৮ বিভাগেই শহীদ পরিবারকে সহযোগিতার কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে ঢাকা বিভাগ নিয়ে
কাজ চলছে। ভুয়া নম্বর থেকে কল দেয়া হচ্ছে, যা আমাদের নয়। ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ
পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক টাকার হিসাব যেন দিতে পারি, সেভাবে কাজ চলছে। আহতদের
তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার। নিহত ১৬শ’র বেশি। তথ্য বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের
কাজও করা হবে।
নভেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হলে ডিসেম্বরে সবার কাছে সহযোগিতা
পৌঁছে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ এবং আহতদের
পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা।
সরকার পদত্যাগের পর সারাদেশে বিভিন্ন থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ
জনতা। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। গত ৪ সেপ্টেম্বর
থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। আর এ অভিযানে এখন পর্যন্ত
বিভিন্ন ধরণের ১১১ টি অস্ত্র উদ্ধার ও ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের
মধ্যে একে-৪৭ একটি, রিভলবার ৭টি, পিস্তল ৩০টি, রাইফেল ৯টি, শটগান ১৫টি, পাইপগান ৩টি,
শুটারগান ১৬টি, এলজি ১৫টি, বন্দুক ৫টি, গ্যাসগান একটি, চাইনিজ রাইফেল একটি, এয়ারগান
একটি, এসবিবিএল ৩টি, এসএমজি ৩টি ও একটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার রয়েছে।
উল্লেখ্য, যৌথ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী,
কোস্টগার্ড এবং র্যাব রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা বর্তমানে গ্ল্যামার জগত থেকে অনেকটাই গুটিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিক ‘চাকদহ এক্সপ্রেস’-এ রূপালি পর্দায় ফেরার কথা থাকলেও প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় ভাসছে। তবে ক্যারিয়ারের এই স্থবিরতা নিয়ে তিনি মোটেও বিচলিত নন; বরং দুই সন্তানের লালন-পালন ও ঘরের শান্তিতে জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পেয়েছেন।
বিরাট কোহলি ও আনুশকার ছোট ছেলে অকায়কে আগামী ফেব্রুয়ারিতে দুই বছর পূর্ণ করবে। সন্তানদের পাপারাজ্জির ক্যামেরা থেকে দূরে রাখতে গত দেড় বছর ধরে দম্পতি লন্ডনে বসবাস করছেন। নিভৃত প্রবাসে মা হিসেবে দায়িত্ব পালনই এখন তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার।
সম্প্রতি মেয়ে ভামিকার পঞ্চম জন্মদিনে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “মাতৃত্বের সুখ আমার জীবনকে আমূল বদলে দিয়েছে। আমি এখন এমন কোনো ভূমিকা বা অবতারে আর ফিরে যেতে চাই না, যে রূপটিকে আমার সন্তান চেনে না।” এই মন্তব্য থেকে ভক্তরা ধারণা করছেন, আনুশকা খুব শিগগির অভিনয়ে ফিরছেন না।
লন্ডনে ঘরের বাইরে আধ্যাত্মিক চর্চায়ও মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। ‘জিরো’ খ্যাত এই অভিনেত্রী আপাতত রুপালি পর্দার জৌলুস ছেড়ে সাধারণ জীবন ও ‘মা’ পরিচয়েই স্বস্তি খুঁজছেন।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক
ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, সম্প্রীতির বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন
যাবৎ শান্তি ও সৌহার্দ্যের মধ্যে বসবাস করে আসছে।
আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীস্থ
বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সমবেত ভক্ত
ও পূজারীদের উদ্দেশ্য এ কথা বলেন।
গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়
পোদ্দার বলেন, সকল ধর্মের মানুষ তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান উৎসবের সঙ্গে পালন করে
আসছে। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্রের কাছে সকলেই সমান। অনেকে আশঙ্কা করেছিল দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে
পালন করা যাবে কিনা । এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক আছে, কোন অসুবিধা হচ্ছে না। দুর্গাপূজা
সুন্দরভাবে পালন করা হচ্ছে। যদি আমরা সম্প্রীতি ও সংহতি ধরে রাখতে পারি, তাহলে দুষ্কৃতিকারীরা
তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবে না।
অনুষ্ঠানে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি
নিবাস চন্দ্র মাঝি, সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র, উদযাপন পরিষদের স্টিয়ারিং কমিটির
চেয়ারম্যান তপন মজুমদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক
প্রমিতা সরকার উপস্থিত ছিলেন।
পরে উপদেষ্টা দু:স্থদের মধ্যে বস্ত্র
বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অটোরিকশা চালক মাঈন উদ্দিন (১৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি রফিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে বুড়িচং থানাধীন ষোলনল ইউনিয়নের ভান্তি এলাকায় গোমতী বেড়িবাঁধের সুইচগেটের পশ্চিম পাশে মাঈন উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত মাঈন উদ্দিন ১৫ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে সাতরা চম্পকনগর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। রাত ৮টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মোঃ রফিক (৪০) কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মোঃ রফিক (৪০) গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার মাঠের হাট এলাকার মৃত ফখর উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সে জানায়, ১৫ নভেম্বর রাতে অটোরিকশা চালানোর সময় সে ও তার সহযোগীরা মাঈন উদ্দিনের পথরোধ করে দুই হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গেঞ্জি দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তারা অটোরিকশা থেকে পাঁচটি ব্যাটারি নিয়ে পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। মে মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বৃহস্পতিবার (২ মে) বিইআরসি হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো: নূরুল আমিন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে। এপ্রিল মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৪৪২ টাকা।
প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন সংযোগ বন্ধ থাকায় গৃহস্থালি রান্নার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট-বড় শিল্পকারখানায়ও এলপিজি ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বিইআরসি প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা দাম ১৬ টাকা ৮ পয়সা নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায়ী সাড়ে পাঁচ থেকে ৪৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারগুলোর দাম কমেছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষের জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় ঋণ প্রাপ্তি একটি মৌলিক অধিকার। জীবিকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে ঋণ পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনের একটি সাইডলাইন ইভেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।
জলবায়ু সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশে প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে "একটি বৈশ্বিক সংলাপ: ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য অর্থায়ন সুবিধা" শীর্ষক এই ইভেন্টের আয়োজন করে।
অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং এতে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডসের জলবায়ু দূত বোরবোন-পারমার ডাচ প্রিন্স জেইম বার্নার্ডো।
ডাচ প্রিন্স উল্লেখ করেন কীভাবে ঋণ, বীমা, বিনিয়োগ, গবেষণা এবং অর্থায়ন কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এবং জানান সারা বিশ্বের লাখ লাখ কৃষকের এখন এই সহায়তা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইভোন পিন্টো। তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য ঋণ সহজলভ্য হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী ধান উৎপাদন বেড়েছে।
ডাচ উদ্যোক্তা উন্নয়ন ব্যাংক এফএমও-এর পরিচালক জোরিম শ্রাভেন ঋণ প্রাপ্তির অধিকারের বিষয়ে নৈতিক সমর্থন দেওয়ায় অধ্যাপক ইউনূসের প্রশংসা করেন এবং জানান, এটি মানুষের তথ্য জানার অধিকার সম্পর্কিত।
ইন্টার প্রেস সার্ভিসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আইপিএস নোরামের নির্বাহী পরিচালক ফারহানা হক রহমান বলেন, বর্তমানে ৫৫ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক পরিবার বিশ্বব্যাপী দুই বিলিয়ন মানুষের খাদ্যের যোগান দেয়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, যদি একজন কৃষককে ঋণের সুবিধা দেওয়া হয় তবে সে উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারে। প্রত্যেক ব্যবসায় টাকা এবং বিনিয়োগের প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন কৃষক শুধুমাত্র ফসল উৎপাদন করেন না, তিনি তা বাজারে বিক্রি করেন। যদি একজন কৃষককে ঋণের সুযোগ দেওয়া হয়, তবে তিনি অন্য কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কিনে বিক্রি করতে পারবেন এবং এভাবে তার জীবনমানের উন্নতি হবে। কৃষকদের জন্য ঋণ সহজলভ্য করতে দেশ দেশে গ্রামীণ ব্যাংক মডেল অনুসরণ করে ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন করা উচিত। প্রত্যেক দেশে সামাজিক ব্যবসা ব্যাংকিং আইন থাকা উচিত। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অন্তত ১১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক ব্যবসাকে কোর্স হিসেবে পড়ানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন