

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় অবৈধ ভারতীয় চিংড়ির রেনুসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার
রাত ৩টার দিকে উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়ন চাঁনপুর এলাকায় রেনুসহ ট্রাকটি জব্দ করে বিজিবি।
এ ঘটনায় বিজিবি কাউকে আটক করতে পারেনি।
বিজিবি
সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান
প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে সীমান্তের
শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৪ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আদর্শ সদর উপজেলা পাঁচথুবী
ইউনিয়ন চাঁনপুর নামক স্থানে মালিক বিহীন ১টি ট্রাকসহ ৫১ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা
হয়।
বিজিবি
জানায়, জব্দ মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে। সীমান্তে ভারতীয় অবৈধ মালামাল
জব্দে বিজিবি তৎপর রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৪৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন দয়াপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ সোহাগ (২৬)
এবং ২। মোঃ হাসান (২৬) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ২৪৪ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ সোহাগ (২৬)
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার শ্রীপুর গ্রামের মোঃ মোসলেম মিয়া এর ছেলে এবং ২। মোঃ
হাসান (২৬) ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া থানার পূর্ব চন্দ্রপুর গ্রামের মোঃ ইয়াছিন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কাভার্ড ভ্যান যোগে দেশের
বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় নগরীর টিক্কারচর গোমতীর পাড় সংলগ্ন ক্রীড়া পল্লীতে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি (সিডিবিএ) টি-১০ প্রিমিয়ার ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৪-২৫ইং খেলার শুভ উদ্বোধন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু।
ওই খেলায় ১২টি দল অংশগ্রহণ করবেন। এ দলগুলো হলো: লিগ্যাল ফাইটারস্, লিগ্যাল লেগাম গেইন্ট (এলএলজি), ময়নামতি-১৬, ডায়নামিক ল' ইয়ার্স্, টিম-২৪, লিগ্যাল ওয়ারিয়র্স, এমিকাস র্যাংগার্স, সিবিএ এডভোকেটস্, জেড-ফোর্স, রাবেল রিডার্স, রয়েল ল' ইয়ার্স ও সিবিএ সেলেঞ্জারস্।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, প্রধান প্রকৌশলী আবু সায়েম, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. চন্দনা দেবনাথসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানায়, আজ ২৮ জুন একদিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নগরীর ১১৪টি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ১৯১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৭ হাজার ৮২৫ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪৭ হাজার ৩৬৬ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নে প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে দুইজন করে স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে দুইজন করে সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার প্রজেক্ট, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, রোটারি ক্লাব, এপেক্স ক্লাব অব কুমিল্লা সিটি এবং বিডি ক্লিন, কুমিল্লার সদস্যরা এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অভিভাবকদের উচিত নির্ধারিত কেন্দ্রে এসে তাদের শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো এবং এই জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে সহযোগিতা করা।”
এদিকে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, জেলার ৫ হাজার ৩৯টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১০ লাখ ৮ হাজার ৯৭ জন শিশুকে বয়সভেদে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ হাজার ৭৮ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে বুকিং সহকারিদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, মাত্র ৫ টাকার পুরোনো টিকিটের ওপর নতুন করে সিল মেরে ৫০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে একাধিক যাত্রী এমন অনিয়মের মুখোমুখি হন। যাত্রীরা জানান, কাউন্টারে থাকা বুকিং সহকারি তাদের কাছে ৫০ টাকা ভাড়া নিলেও হাতে ধরিয়ে দেন পুরোনো একটি টিকিট, যার মূল মূল্য মাত্র ৫ টাকা।
টিকিটে দেখা যায়, “কুমিল্লা হতে শশীদল” রুটের ২১ কিলোমিটার দূরত্বের ভাড়া ৫ টাকা উল্লেখ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব টিকিট সাধারণত মেইল ট্রেন বা দ্বিতীয়/তৃতীয় শ্রেণির পুরোনো টিকিট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে সেগুলোর ওপর নতুন সিল মেরে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, রেলওয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
কয়েদি থেকে কারামুক্ত এক কর্মজীবী নারীতে পরিণত হয়েছেন মোসা: পারভীন আক্তার। হত্যা
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ
করেছিলেন কয়েদি নম্বর ৩৮০২/এ, পারভীন আক্তার। পরে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে তার সাজা
কমে গিয়ে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রমে
অর্জিত ৫৭ হাজার টাকা সঞ্চয় নিয়ে আজ তিনি মুক্ত হলেন।
কারা
বিভাগ "রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ" এই শ্লোগানে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নে
নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায়, কারাগারে অবস্থানকালে পারভীন আক্তার নেন
নকশীকাঁথা সেলাই ও সুঁই-সুতার কাজের প্রশিক্ষণ। তার হাতে তৈরি কারাপণ্য বিক্রি হয় বাণিজ্য
মেলা ও কারাগারের শো-রুমে। বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫০ শতাংশই পারিশ্রমিক হিসেবে বন্দিদের
হাতে তুলে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সেই
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয় থেকেই পারভীন আক্তার নিজের প্রিজনার ক্যাশ একাউন্টে জমা করেন ৫৭
হাজার টাকা। যা তিনি আজ মুক্তির দিন নিজের হাতে পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয়ের এই ফল
পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভীন জানান, "কারা কর্তৃপক্ষ শুধু শাস্তিই দেয়নি, জীবনের নতুন
আলো দেখিয়েছে। আমি চিরকৃতজ্ঞ।"
বাংলাদেশ
জেলের এই মানবিক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।
পারভীন আক্তারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সংশোধনের সুযোগ থাকলে, প্রত্যেক মানুষই
পরিবর্তনের পথে ফিরতে পারেন।
মন্তব্য করুন


ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুরসহ ২০-২২টি জেলায় যাচ্ছে।
সূত্রমতে, কুমিল্লা বিসিকের পাঁচটি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল,মেট্রো কনফেকশনারি, খন্দকার ফুড ও মক্কা কনজুমার এন্ড ফুড প্রোডাক্টস। বিসিক ছাড়া কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় সেমাই উৎপাদন হয়ে থাকে। কারখানা গুলোতে বাংলা ও লাচ্ছা নামে দুই ধরনের সেমাই তৈরি করা হয়।
কুমিল্লা বিসিকের কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলে গিয়ে দেখা গেছে, মেশিনে গর গর শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই ছাদে শুকানো হচ্ছে। শুকানোর পর সেটা উনুনে ভাজা হয়। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। কেউ কার্টনে সেমাই ভরছেন।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের সেমাই কারখানার সুপারভাইজার মো. মহসীন, শ্রমিক ফজলে রাব্বী ও হালিমা আক্তার বলেছেন, ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি। এখন বাজারে সেমাইয়ের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে।
নগরীর কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও ভালো।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক সৈয়দ গোলাম কাদের তানিন বলেছেন, আমরা ৩ দশক ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদের সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বিক্রি হয়। বাংলা সেমাই আল-নূর, কুলসুম নামে এবং লাচ্ছা সেমাই তানিন নামে বাজারজাত করি। চরাঞ্চলে বাংলা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি।
বিসিক কুমিল্লার ডিজিএম মো. মুনতাসির মামুন বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনে সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এখানের সেমাই মান সম্মত। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করি।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম নামে ২ নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।
ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম উভয়ে চাচাতো বোন মঙ্গলবার দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে দু’জনে কুমিল্লায় যায় রাত সাড়ে নয়টায় কুমিল্লা থেকে ফিরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়াবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিল এ সময় চট্টগ্রামমুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে এতে ঘটনাস্থলে ছকিনা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেনু বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এদিকে প্রবাসী ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে ফেরার পথে উজিরপুর ইউনিয়নের বেলঘর রাস্তার মাথায় সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুর রশিদ মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় ওই যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কম খরচে বিশ্বের যেকোন দেশে best study destination খুঁজছেন ? কিন্তু সঠিক গাইডলাইন পাচ্ছেন না ...
তাহলে চলে আসুন আমাদের স্পট এডমিশন ইভেন্টে।
ইভেন্ট চলবে আগামী ১৯ এবং ২০ মে Epsilon International Cumilla শাখায়
ইভেন্টে থাকছে
👉সরাসরি এক্সপার্টদের মাধ্যমে ফ্রি কাউন্সিলিং
👉স্কলারশিপ এবং Stipend সংক্রান্ত তথ্য
👉নির্ভরযোগ্য Bank সাপোর্ট ও ডকুমেন্টেশন সহায়তা
👉ইউনিভার্সিটি নির্বাচন ও ভর্তি আবেদন থেকে শুরু করে ভিসা প্রসেসিং পর্যন্ত পূর্ণ সহায়তা
তাহলে আর দেরি না করে সঠিক গাইড লাইনের মাধ্যমে আপনার বিদেশী উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করুন।
যোগাযোগ: 01329655983, 01329 656000
এপসিলন ইন্টারন্যাশনাল, মালেক মঞ্জিল, মধ্যম আশ্রাফপুর, লাকসাম রোড, সড়ক ভবনের বিপরীতে, কুমিল্লা।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরলেন লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট টিম ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স’-এর কর্ণধার ও প্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর নিজ বাসভবনে পৌঁছালে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রবেশমুখ থেকেই মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন তার বন্ধুমহল, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় ভাই-ব্রাদার্সরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মানুষকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এলাকাবাসীও।
নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা মোসা. জুহরা বেগম। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এতদিন আমার কাছে ছিল না, আমার বুক খালি ছিলো। আজ আমার ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।” মায়ের এমন আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে নাড়া দেয়।
ছেলের দেশে ফেরা নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেন তার বাবা মো. হাসানও। কুমিল্লা সিডি হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকরি করেছি মানুষের সেবা দিয়ে। জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিলো ছেলেকে এত বছর দূরে রাখা। আজ ওকে নিজের চোখের সামনে দেখে মনে হচ্ছে জীবনের বড় একটা শূন্যতা পূরণ হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়ে ছিলো আমার প্রিয় জন্মভূমি কুমিল্লায়। এতদিন পর দেশে এসে সবাই যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেছে, এতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই ভালোবাসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
কুমিল্লার ক্রিকেটাঙ্গন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও জানান তিনি। সিহান বলেন, “আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা আছে। আমি চাই কুমিল্লা থেকে আরও ভালো মানের ক্রিকেটার তৈরি হোক এবং দেশের ক্রিকেটে কুমিল্লা আরও শক্ত অবস্থানে যাক।”
কুমিল্লা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া উত্তর গাংচরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি মোসা. জুহরা বেগম ও মো. হাসান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর বর্তমানে তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। লন্ডনে বসবাস করলেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কুমিল্লার প্রতি টান তাকে সবসময়ই নাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
প্রবাসে থেকেও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সিহান। তিনি ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট ক্লাব’-এর মালিক এবং সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গন ও পরিচিত মহলে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করছেন, তার এই প্রত্যাবর্তন কুমিল্লার ক্রিকেট উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দালাল চক্রের সাত সদস্যকে
আটক করেছে সেনাবাহিনী। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
সোমবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে দেবিদ্বার
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান
আদালতের মাধ্যমে তাদের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, ছোট
আলমপুরের এরশাদ মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন, একই গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ মিয়ার মেয়ে নাছিমা
আক্তার, বারুর গ্রামের মৃত ঈসমাইল মিয়ার ছেলে আব্দুল জলিল মিয়া, বারেরা গ্রামের সুলতান
আলীর ছেলে মো. জাকির হোসেন, ওয়াহেদপুর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার মেয়ে শাহেনা আক্তার,
একই গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. বুলবুল এবং রসুলপুর গ্রামের জিয়াখানের মেয়ে
ফাতেমা আক্তার।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে,
আটক দালাল চক্রের সাত সদস্য রোগীদের ভুল বুঝিয়ে হাসপাতাল থেকে বাইরের বিভিন্ন বেসরকারি
হাসপাতালে নিয়ে যেতেন অপরদিকে হাসপাতালে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ থাকার পরও
তারা বেসরকারি হাসপাতালে উচ্চ মূল্যে পরীক্ষা নিরিক্ষা করাতে বাধ্য করতেন। রোগীরা চিকিৎসা
করাতে রাজী না হলে হয়রানি করতেন চক্রের সদস্যরা।
দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বলেন, দালালেরা সরকারি হাসপাতাল
থেকে তাঁদের কমিশন ভিত্তিক বিভিন্ন ক্লিনিক ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নিচ্ছেন
এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযান চালিয়ে চক্রের সাত সদস্যকে আটক করে।
পরে আটক সাতজনকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার
কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান বলেন, দালাল চক্রের শতাধিক সদস্য হাসপাতালের স্বাভাবিক
স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাহত করছে। তারা দূর থেকে আসা সাধারণ রোগীদের কম টাকায় ভালো চিকিৎসা
দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ফাঁদে ফেলে সরকারি হাসপাতাল থেকে বাহিরের বিভিন্ন ক্লিনিকে
নিয়ে যায়। এতে সাধারণ রোগীরা ভালো চিকিৎসা পাওয়ার বদলে প্রতারিত হচ্ছেন। ওই দালাল চক্রের
সাত সদস্যকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন