

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে ধানের চারা, টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি থেকে এসব বিতরণ করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় বুড়িচং উপজেলার ভরাসার বাজার সংলগ্ন দরগা বাড়ির সামনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ জন কৃষকের মাঝে বি আর ২২ ও কাটারিভোগ জাতের ধানের চারা বিতরণ করা হয়। একজনকে ৩০ শতাংশ পরিমাণ জমিতে ধান চাষ করার মতো ধানের চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া তাদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
পরে ইছাপুর ও বুড়িচং উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘর নির্মাণের জন্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি পরিবারের মাঝে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
উপজেলা এলাকায় খুঁজে খুঁজে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ধানের চারা ও ঘর নির্মাণের জন্য টিন বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজারবাইজানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ
এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি কর্মসূচির বিনিময় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কানেক্টিভিটি বাড়াতে
সম্মত হয়েছেন।
আজারবাইজানের
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলনুর মাম্মাদভ আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি এই বিষয়ে সম্মত হন।
প্রধান
উপদেষ্টা ঢাকায় আজারবাইজানের দূতাবাস খোলা এবং ঢাকা ও বাকুর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আজারবাইজান একটি দূরবর্তী
দেশ।
তিনি
বলেন, দেশটিতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ‘একটি সরাসরি ফ্লাইট থাকলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
জ্বালানি খাতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে এবং আজারবাইজানি শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশের
টেক্সটাইল খাত থেকে শিখতে আগ্রহী হবে।’
ড.
ইউনূস আরও বলেন, ঢাকায় দূতাবাস খোলা হলে ভিসা প্রাপ্তির জটিলতাও দূর হবে।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আপনাদের উপস্থিতি বাড়ানো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে
আমাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।
সাক্ষাৎকালে
বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি,
শিক্ষা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনার
সময় প্রধান উপদেষ্টা গত নভেম্বর মাসে বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ সম্মেলনের ফাঁকে আজারবাইজানের
প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি কপ-২৯ সম্মেলন
সফলভাবে আয়োজন করার জন্য আজারবাইজান সরকারকে অভিনন্দন জানান। তিনি অনুরোধ করেন বাকুতে
অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ যেন একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল
বাংলাদেশে পাঠান।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. ইউনূস আজারবাইজানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান
এবং বাংলাদেশের বিপুল মানবসম্পদ কাজে লাগানোর সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি
বলেন, আমরা আপনাদের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে সম্ভাবনাগুলো অন্বেষণ করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি, যার অর্ধেকই তরুণ। তাই আপনি যদি এখানে কোনো শিল্প স্থাপন
করেন, শ্রমিকের কোনো ঘাটতি হবে না।
আজারবাইজানের
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়,
কারণ দুই বছর পর ঢাকা-বাকু কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩৫ বছর পূর্তি হবে।
উপমন্ত্রী
মাম্মাদভ বলেন, আমরা আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর করতে এখানে এসেছি।
তিনি
প্রধান উপদেষ্টাকে আজারবাইজানের আসান এবং ডোস্ট মডেলের সারাংশ তুলে ধরেন, যা দুর্নীতি
হ্রাস এবং জনসেবায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করে।
প্রধান
উপদেষ্টা ড. ইউনূস আসান এবং ডোস্ট সেবার ধারণার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশে এ প্ল্যাটফর্মগুলো
প্রয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আজারবাইজানের
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিতব্য ইকোনমিক কো-অপারেশন
অর্গানাইজেশনের ১৭তম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের পক্ষ
থেকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৪০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
৭ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন তৈলকুপি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে
পিকআপ ভ্যানের বডির ভিতরে গোপন প্রকোষ্ঠ বানিয়ে মাদকদ্রব্য গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী
১। মোহসীন এবং ২। হৃদয় জীবন নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের
কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোহসীন (৫৮) মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ি থানার ধীরপুর গ্রামের আবুল কাশেম এর
ছেলে এবং ২। হৃদয় জীবন (১৯) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার মিরপুর গ্রামের জাকির হোসেন
এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা
সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল
অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের
অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৬ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ রনি ভূইয়া
কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ০৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ রনি ভূইয়া (৩৯)
নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার বুরুন্দী গ্রামের মোঃ বাদল ভূইয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


সোমবার
(৫ মে) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় (AOR 23 BIR) যৌথ অভিযানে
দুটি পৃথক অভিযান চালিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব নারকোটিক্স কন্ট্রোল (ডিএনসি), কুমিল্লা
ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহযোগিতায় বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে
আটক করা হয়েছে।
প্রথম
অভিযানটি চালানো হয় মদিনগর এলাকায়। অভিযানে আটক করা হয় ইব্রাহিম খলিল (৩৫) নামক
এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে। তার কাছ থেকে ৩৮৪ পিস ইয়াবা, ২ পিস স্ক্রাপ এবং ১,৮১৯
টাকা উদ্ধার করা হয়।
দ্বিতীয়
অভিযানটি পরিচালিত হয় আমতলী বিশ্বরোড সংলগ্ন রহমান ফিলিং স্টেশনের সামনে। অভিযানে
স্টার লাইন পরিবহনের এক যাত্রী, আব্দুল মাজেদ (৪৫)-কে তল্লাশি করে তার দেহ থেকে ১,৯০০
পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত
মাদকদ্রব্যসহ আটক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কুমিল্লায় হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবির অভিযানে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী
দুই ভারতীয় নাগরিককে মাদকসহ আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২ নভেম্বর) কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির শাহাপুর
পোস্ট এর বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে শাহাপুর সীমান্ত পিলার ২০৮৪/৭-এস থেকে
২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৪টি বিয়ার ক্যানসহ অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ২ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন: ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুরা
থানার শুভাপুর গ্রামের মৃত দেলোয়ারের ছেলে
মো. রনি (২১) এবং একই এলাকার মৃত আইয়ূব আলীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (১৮)। আটককৃতদের কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে
হস্তান্তর করা হয়েছে।
রবিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অভিযান চালিয়ে ১৪৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে। সোমবার (১৮ মে) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, আমাগন্ডা বিওপির একটি টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালায়। এসময় সীমান্ত থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সপুয়া বাজার এলাকায় মোঃ ফাহাদ মিয়ার ফার্নিচার দোকানের পেছনের বাথরুম থেকে ১৪৮ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
উদ্ধারকৃত গাঁজা চৌদ্দগ্রাম থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ রাখার অভিযোগে পলাতক আসামি মোঃ ফাহাদ মিয়া (২৮), পিতা- মোঃ কামাল মিয়া, গ্রাম- নোয়াপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লার বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত শেষে খুনিদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নাঙ্গলকোট। আজ ২১ মে বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নিহত জান্নাতুন নাঈম ফারিহা কান্দাল আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ছিলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হানিফ খোন্দকার, সহকারী প্রধান শিক্ষক রায়হান, শিক্ষক ইব্রাহীম মজুমদার, শাহীন আক্তার, নেছার উদ্দিন, রুবেল হোসেন এবং এলাকার মেম্বার জহিরুল কাইয়ুমসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ফারিহাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। এমনকি পরিবারের অনুপস্থিতিতেই সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে এবং দায়ের করা এজাহারও পরিবর্তন করে গ্রহণ করা হয়েছে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সমাবেশে বক্তারা এই কথিত আত্মহত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে খুনিদের ফাঁসি এবং যাদের জামিন দেওয়া হয়েছে তাদের জামিন দ্রুত বাতিল করে কারাগারে প্রেরণের জোর দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। হৃদয়ের বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায়। মামলার দাবি অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও তাঁর পরিবারের লোকজন ফারিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ দেখা দিত এবং এ নিয়ে ফারিয়াকে একাধিকবার শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহতের ২৬ ঘণ্টা পর বাংলাদেশি যুবক কামাল হোসেনের (৩৩) মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভারতের এনসি নগর কোম্পানি কমান্ডার সুনীল কুমার বিজিবি-পুলিশের কাছে এ মরদেহ হস্তান্তর করে।
নিহত যুবক কামাল হোসেন (৩৩) সোমবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পাহাড়পুর সীমান্তে গেলে ভারতীয় বিএসএফ তাকে গুলি করে। কামাল ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করে।
নিহত কামাল হোসেন সদর দক্ষিণ উপজেলার জোলাই কুড়িয়াপাড়া গ্রামের ইদু মিয়ার ছেলে।
নিহত কামাল হোসেনের বড় ভাই হিরন মিয়া মরদেহ দেখে জানান, ‘আমার ভাই ঘুমে ছিল। লাদেন কামাল বাড়ির ভিতর আইসা ২ বার ডাকি নিয়ে গেছে। ৮ টার দিকে শুনছি, আমার ভাইরে বিএসএফ গুলি করে মারছে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা পরে বিএসএফ ভারতীয় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কামালের মরদেহ নিয়ে যায়। যশপুর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডারের সঙ্গে মরদেহ আনার বিষয়ে যোগাযোগ করলে তারা এখন আমাদের নিকট মরদেহ বুঝিয়ে দেয়।
নিহতের ফুফাতো বোন খোরশেদা জানান, আমার ভাইকে যারা সীমান্তে নিছে তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হোক।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই দিলীপ কুমার মজুমদার বলেন, মরদেহ আমরা গ্রহণ করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছি। তারা বলছিল দ্রুত সময়ে মরদেহ দাফন করে ফেলবে।
কুমিল্লার ১০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত সিইউ মেজর আরাফাত বলেন, পুলিশ মরদেহ গ্রহণ করে। বিএসএফ এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে। পরবর্তীকালে এমন ঘটনা ঘটবে না। যদি করে আমরা বিজিবিও সমুচিত জাবাব দিতে প্রস্তুত। গুলিতেই সে নিহত হন। তারা হত্যা না করে আমাদের নিকট তাকে ধরিয়ে দিতে পারতো। এ হত্যাটি কোনভাবেই কাম্য নয়।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(১০ আগস্ট) বিকেলে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ
জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শন করেন।
এ
সময় কুমিল্লা সেনানিবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম ।
থানা পরিদর্শন শেষে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেনের সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ্য যে, সরকার পতনের পর সারাদেশে হামলা-সহিংসতায় থানাগুলোতে
লুটপাট-ভাংচুর হয়। এর ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর
পাহারা ও সহযোগিতায় থানায় আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার স্থানীয় জনসাধারণকে নিয়ে নিয়মিতভাবে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিবিরবাজার বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিবিরবাজার মাঠ নামক স্থানে একটি জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এ এম জাহিদ পারভেজ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস, পিএসসি।
এ সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের বক্তব্যে মাদকমুক্ত এবং অপরাধমুক্ত একটি সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পরবর্তীতে বিজিবি অধিনায়ক সীমান্তে চোরাচালান দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনসাধারণকে বিজিবির পাশে থাকার আহ্বান জানান।
এছাড়াও, বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক - এই মর্মে সবাইকে আশ্বস্থ করেন। পরিশেষে এলাকাবাসির উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং মঙ্গল কামনা করে।
মন্তব্য করুন