

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকা থেকে দলনেতাসহ আট জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
গত ২৭ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের
নিকট হতে ২ টি চাকু, ৪ টি ক্ষুর ও ৭ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ নিলয় ইসলাম (২০), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-
অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ২। মোঃ ইমতিয়াজ মিনহাজ আকাশ (১৯), পিতা-
মোঃ গোলাম রাব্বানী মাসুম, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
বাপ্পি (১৯), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৪। পিয়াল খন্দকার (১৯), পিতা-মোঃ বশির খন্দকার, সাং- গাজীপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৫। মোঃ আব্দুল কাদির (১৯), পিতা-মোঃ সোয়াব আলী, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-
উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে গ্রেফতার এবং আইনের সাথে
সংঘাতে জড়িত শিশু ৬। শাহাদাত হোসেন মাহি (১৭), পিতা-মোঃ নাদের হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর,
থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৭। রাকিবুল হাসান (১৬), পিতা- মোঃ সোহেল রানা,
সাং- উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং ৮। মোঃ মুনতাছির মাহমুদ@
সামির (১৭), পিতা-মোঃ মীর হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের
ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং
এর সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়
ভীতির মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির
মাধ্যমে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে
আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের
বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ নারী নেতৃবৃন্দের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লার উদীয়মান নারী নেত্রী সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী।
সুইডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেক্টোরাল অ্যাসিস্ট্যান্স (IDEA) এই ফেলোশিপের আয়োজন করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থায়নে এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন (UN Women)-এর সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের তরুণ নারী নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।
ফেলোশিপটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর, শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নেতৃত্ব বিকাশ, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী বলেন, “আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্য গৌরব ও সম্মানের। দেশের তরুণ নারীদের অবস্থান ও সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার এই দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব ইনশাআল্লাহ। এই অভিজ্ঞতা আমাকে ব্যক্তি ও পেশাগত জীবনে সমৃদ্ধ করবে। একইসঙ্গে ভবিষ্যৎ নারী নেতৃত্ব গঠনে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও কাজ করবে।”
সুমাইয়া বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষক এবং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য-প্রযুক্তি সংসদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তরুণ রাজনৈতিক ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সুমাইয়া ইতোমধ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
এই ধরনের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশের তরুণ নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের দক্ষতাকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরছে। সুমাইয়া বিনতে হোসাইনীর মতো নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ নারীরা আগামী দিনের পরিবর্তনের রূপকার হয়ে উঠবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের মানুষের।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সদর ঝাগরজুলি এলাকায় "রোড স্টার হোটেল ও ব্ল ডায়মন্ড সুইটসে" জুন)
অভিযান পরিচালনা করে
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা ।
আজ বুধবার (১৮ জুন) প্রতিষ্ঠান দুটি যাত্রীদের কাছ
থেকে নির্ধারিত মূল্য (MRP) এর চেয়ে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করে। উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০ টাকার চিপস ২৫ টাকায়, ২০ টাকার পানির বোতল ২৫ টাকায় এবং ২০ টাকার প্যাডস
৬০ টাকায় বিক্রি সহ নানা অনিয়মের অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
উক্ত
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী
পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
অভিযানে আরও অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা জেলার
স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং
কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন


বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর টাস্কফোর্স অভিযানে অবৈধভাবে আমদানিকৃত ভারতীয় বাসমতি চাউলসহ একটি ট্রাক আটক করা হয়েছে। আটককৃত পণ্যের মোট মূল্য প্রায় ৪৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৫০ টাকা।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আজ (২৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ১১টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী বাজার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ রেফাঈ আবিদের উপস্থিতিতে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স মালিকবিহীন একটি ট্রাক থেকে ৭,৬৫৯ কেজি অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করে।
বিজিবি সূত্রে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত চাউল ও ট্রাক সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিজিবি তাদের দায়িত্বশীল এলাকায় চোরাচালান রোধে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিদি;
কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও থ্রি-পিস উদ্ধার করেছে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা বিওপির একটি টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানকালে সীমান্তের প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নোয়াপুর নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন প্রকার শাড়ি ও থ্রি-পিস জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
বিজিবি জানায়, উদ্ধার অবৈধ মালামাল বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
গত
এক মাসে কুমিল্লা জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে।
৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা
জেলায়ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি লক্ষ্য করা যায়। হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট, দখলবাজি
অহরহ ঘটতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত কুমিল্লা
জেলায় অপরাধ প্রবণতা প্রকট আঁকার ধারণ করে। এ সময়ে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঝটিকা মিছিল, অগ্নিসংযোগ করে । এসব অপরাধ দমনে বিগত সময়ে পুলিশের
অভিযান পর্যাপ্ত ছিল না বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসে নতুন পুলিশ সুপার
মোঃ আনিসুজ্জামানের যোগদানের পর দৃশ্যপট দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ফলে অপরাধ দমনে গ্রেপ্তার অভিযান বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। যা গত এক মাসের গ্রেফতার অভিযানের
পরিসংখ্যান দেখলেই সহজে অনুমান করা যায়। ফলে বিগত এক মাস ধরে জেলায় আওয়ামী লীগ ও এর
অঙ্গ-সংগঠনের কার্যক্রমও দেখা যায়নি।
কুমিল্লা
জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এর নির্দেশে গত এক মাসে জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে
বিভিন্ন মামলায় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদক
ও অস্ত্র-গুলিও উদ্ধার করে।
শুক্রবার
(৯ জানুয়ারি) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদক মামলায় ১৮৫ জন, ডেভিল হান্ট ফেজ টুতে-৪২৬
জন, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২১ জন, নিয়মিত মামলায় ৭৫০ জন আসামি রয়েছে। এ সময় পুলিশ ৮০১ কেজি গাজা, ৪৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে । এছাড়া মাদক পরিবহন
কাজে ব্যবহৃত ২টি পিকআপ, একটি বাস, দুটি ট্রাক, দুটি সিএনজি এবং ডাকাতির
কাজে ব্যবহৃত ৪টি পিকআপ ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ডাকাতদের কাছ থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণ
ও কৃষকের ৮ টি গরু উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তলসহ ৪ টি পিস্তল, ৪টি এলজি,
১টি পাইপ গানসহ বিপুল পরিমাণ গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশের
সক্রিয়তা জনমনে অনেকটাই প্রশান্তি এনে দিয়েছে। যদিও পুলিশের কাছে মানুষের চাহিদা আরো
অনেক বেশি। তারপরেও গত এক মাসে কিছুটা হলেও পুলিশে আস্থা ফিরেছে জনগণের। বেশ কয়েকজনের
সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
চকবাজার
এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ি কামাল হোসেন জানান, গত এক মাস ধরে শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
অনেকটাই কমে গেছে। পুলিশ সক্রিয় হয়েছে, কিশোর অপরাধিরাও আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশের
কাছে এমন সক্রিয়তাই মানুষ আশা করে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে।
কান্দিরপাড়ের
ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন জানান, বর্তমান পুলিশ সুপারের যোগদানের পর পুলিশের মাঝে এখন
সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরাধ কমছে। আশা করি পুলিশ আরো ভাল কাজ করবে।
ভিক্টোরিয়া
কলেজের বিএসএস শাখার শিক্ষার্থী ইয়াছিন রাফান
জানান, গত ২০/২৫ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। অপরাধ কর্মকান্ড কমতে শুরু করেছে।
অপরাধিরা ভয়ে আছে। পুলিশের কাছে মানুষ এমনটাই আশা করে।
নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক নাগরিক জানান, পুলিশের মাঝে কাজের গতি বেড়েছে, এটা
ভাল দিক। তবে পুলিশকে তাদের নিজের মত কাজ করতে দিতে হবে। পুলিশ অপরাধি আটক করবে আর
সেই অপরাধিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য রাজনীতিবিদরা তদবির করবে, তা হওয়া উচিত নয়। আবার জনগণ
যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও পুলিশকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই একটি সুন্দর সমাজ
গড়ে উঠবে। নতুন পুলিশ সুপার যোগদান করেই ভাল সফলতা দেখাচ্ছেন। তাকে আরো সময় দিতে হবে।
যাতে তিনি কুমিল্লার মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে পারেন।
কুমিল্লার
পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, পুলিশ জনগণের সেবক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ করতে এই অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। চলমান তাপপ্রবাহে শিক্ষার্থীরা যাতে পানি খেতে ভুলে না যায় সেই লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি ঘণ্টায় ‘পানি ঘণ্টা’ চালু ও পানি সরবরাহের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ চিঠি প্রাথমিক ও জেলা শিক্ষা অফিসার এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও সব গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজ পানি ঘণ্টা চালু করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান জানান, প্রচণ্ড তাপদাহে শিক্ষার্থীদের কিছুটা স্বস্তি দিতে আমরা নিজস্ব উদ্যোগে ব্যতিক্রমী এ পানি ঘণ্টা চালু করেছি। যতদিন তাপপ্রবাহ অধিক থাকবে, পানি ঘণ্টা ততদিন চালু থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত জেলা ফেনী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লার
বুড়িচং ও চৌদ্দগ্রামে পানিতে আটকে থাকা প্রায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষকে উদ্ধার করেছে ।
সেই সাথে সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সেনাবাহিনী ।
সেনাবাহিনীর
এই অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার
থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তিন জেলায় এ উদ্ধার অভিযানের এ তথ্য নিশ্চিত
করে সেনাবাহিনী সূত্র আরো জানিয়েছে, কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের
জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম বন্যাদুর্গত এলাকায়
উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সেনাবাহিনী
সূত্র এটাও জানিয়েছে যে, এছাড়া প্রায় ২০ জন রোগিকে হেলিকপ্টারে করে ফেনী থেকে
কুমিল্লা সিএমএইচ হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজন প্রসূতিও
রয়েছে। তিনি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। মা ও ছেলে দুইজনেই সুস্থ্য রয়েছেন বলে
সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালু হলে ফ্যাসিবাদ ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতির অবসান ঘটবে। এতে জনগণের প্রকৃত মতামত ও ভোটাধিকার প্রতিফলিত হবে এবং স্বৈরাচার তৈরির পথ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চায়। আমরা প্রতিযোগিতা চাই, প্রতিহিংসা নয়। কারও অধিকার বা মর্যাদা সে কোন দলের সেটা বিবেচ্য নয়—সব নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করাই জামায়াতের লক্ষ্য।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লা নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে “জুলাই জাতীয় সনদ ও পিআর পদ্ধতির ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের স্বার্থে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন আদায় করতে হবে।
জামায়াত নেতা বলেন, “পিআর পদ্ধতি হলে জনগণের প্রতিনিধিত্ব আরও সুষম হবে। এটি গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করবে।”
তিনি জানান, ৩১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৬টি দল ইতোমধ্যে পিআর পদ্ধতির পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। কেউ উচ্চকক্ষ, কেউ নিম্নকক্ষ—ভিন্ন প্রস্তাব দিলেও সবাই মূলত পিআর ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে।
মাওলানা হালিম জানান, জামায়াতে ইসলামী ৫ দফা দাবি উত্থাপন করেছে, যার একটি হলো ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িতো রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের নিষিদ্ধ করা। তিনি বলেন, “তারা ভোট দিতে পারবে, কিন্তু যারা গুম-খুন ও নির্যাতনের সহযোগী ছিল তাদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া গণতন্ত্রের পরিপন্থী।”
‘কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর’ উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মহানগর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ জামায়াতের আমীর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আমীর অধ্যাপক আবদুল মতিন।বৈঠক পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি মু. মাহবুবুর রহমান।এসময় আরও বক্তব্য রাখেন—অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, অধ্যাপক মু. শফিকুল আলম হেলাল, ব্যবসায়ী হাজী নুর উদ্দিন, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শহিদ উল্লাহ, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি লুৎফুর রহমান, বার্ডের সাবেক মহাপরিচালক ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সফিকুর রহমান পাটোয়ারী।ওলামা প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা জালাল উদ্দীন।ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর সভাপতি হাসান আহমেদ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি হাফেজ মাজারুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি মহিউদ্দিন রনি।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ কুমিল্লা জেলা সভাপতি ডা. জহিরুল হক বাবর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এনডিএফ সেক্রেটারি ডা. গিয়াস উদ্দিন, ব্যবসায়ী কাউন্সিলর মোশারফ হোসাইন, মিজানুর রহমান, হাসান মজুমদারসহ গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা।
বৈঠকে সাংবাদিকরা পিআর পদ্ধতি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করলে জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সেগুলোর গঠনমূলক উত্তর প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।
আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্পে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ জানুয়ারি রাত পৌনে ২ টায় সদর এলাকার পাথুরিয়া পাড়া একটি বাসভবনের নিকট অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক গোপন করে রাখার সন্দেহে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সংলগ্ন জঙ্গলের একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে ১× এলজি, ২× রাউন্ড শর্টগান এ্যামুনেশন, ২× রাউন্ড মেশিনগান এ্যামুনেশন এবং একাধিক বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।উদ্ধারকৃত অস্ত্রসমূহ কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।সেনাবাহিনীর এ অভিযানে স্থানীয় জনসাধারণ সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং এলাকায় সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে
গবাদিপশুর হাট-বাজার পরিদর্শন করেন।
আজ বুধবার (৪ জুন) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালি মডেল থানাধীন চানপুর
গরুর বাজার ও বালুতুপা গরুর বাজার পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির
আহমেদ খাঁন।
এ সময় তিনি গবাদি পশু ক্রেতা-বিক্রেতা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ
জনসাধারনের সাথে হাট-বাজারের আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্তে মতবিনিময় করেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, যে কোন আইনি
সহায়তা প্রদানে জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক আপনাদের পাশে রয়েছে। গবাদি পশু
ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্তে চাঁদাবাজি বা কোন ধরনের অপরাধের সংবাদ পেলে কঠোর আইনি
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সকলকে সতর্ক করেন।
এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মোহাম্মদ সাইফুল মালিক সহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন।
মন্তব্য করুন