

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকা থেকে দলনেতাসহ আট জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
গত ২৭ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের
নিকট হতে ২ টি চাকু, ৪ টি ক্ষুর ও ৭ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ নিলয় ইসলাম (২০), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-
অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ২। মোঃ ইমতিয়াজ মিনহাজ আকাশ (১৯), পিতা-
মোঃ গোলাম রাব্বানী মাসুম, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
বাপ্পি (১৯), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৪। পিয়াল খন্দকার (১৯), পিতা-মোঃ বশির খন্দকার, সাং- গাজীপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৫। মোঃ আব্দুল কাদির (১৯), পিতা-মোঃ সোয়াব আলী, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-
উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে গ্রেফতার এবং আইনের সাথে
সংঘাতে জড়িত শিশু ৬। শাহাদাত হোসেন মাহি (১৭), পিতা-মোঃ নাদের হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর,
থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৭। রাকিবুল হাসান (১৬), পিতা- মোঃ সোহেল রানা,
সাং- উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং ৮। মোঃ মুনতাছির মাহমুদ@
সামির (১৭), পিতা-মোঃ মীর হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের
ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং
এর সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়
ভীতির মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির
মাধ্যমে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে
আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের
বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় সবজিক্ষেতে গাঁজা চাষের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ এক চাষীকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) কুমিল্লা কার্যালয়ের সরবরাহকৃত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসন, বুড়িচং থানা পুলিশ ও কুমিল্লা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি যৌথ টিম অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের বড়াইল পশ্চিম পাড়ায় মো. দুলাল মিয়া (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে তার সবজিক্ষেত থেকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। অভিযানে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হলেও ধারণা করা হচ্ছে, অভিযানের আগেই তিনি অতিরিক্ত গাছ সরিয়ে ফেলেছেন। পরে তার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এক বক্স শুকনো গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, দুলাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সবজিক্ষেতের আড়ালে গোপনে গাঁজা চাষ করে আসছিলেন। আটক ব্যক্তি মৃত মো. কালা মিয়ার ছেলে। তার বাড়ি বুড়িচং উপজেলার বড়াইল পশ্চিম পাড়া।
এ ঘটনায় রাতেই কুমিল্লা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক বলেন, “আসামিকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় এবার কাঁচাবাজার পরিদর্শন করলেন কৃষি, মৎস্য এবং খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে নগরীর রাজগঞ্জ কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে বাজারের দর-দামের খোঁজ নেন তিনি। এ সময় তিনি নিজেও কাঁচা শাক-সবজি ক্রয় করেন।
জানা গেছে, মন্ত্রী ইয়াছিন ছুটির দিনে কুমিল্লা নগরীর নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দর-দামের খোঁজ নিতে নিজেই বাজারে চলে আসেন।
এর আগে এদিন সকালে তিনি রাজগঞ্জ মাছ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের খোঁজ নেন এবং নিজের বাসার জন্য দেশীয় মাছ কেনেন।
দুপুরে পরিদর্শনকালে তিনি তরকারির বাজার দরের খোঁজ নেন। এ সময় অতিরিক্ত মূল্য না নেওয়া ও সাধারণ ভোক্তারা যেন কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য বিক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ জানান মন্ত্রী। এ সময় তিনি ক্রেতা-বিক্রেতাদেরকে দেশীয় এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি ক্রয়-বিক্রয়ের পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টামণ্ডলীর চার সদস্য।
আর এই শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। আমরা গতকাল নতুন চারজন উপদেষ্টা শপথ গ্রহণ করেছি। আমরা আগামীকাল কাজে যোগদান করবো। আমাদের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার।
শুধু এটা না আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমরা এখানে আজকে এসেছিলাম আমাদের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ৫২ থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে। আর সেজন্যই আমাদের সামনে এখন বাংলাদেশকে পুনঃনির্মাণের বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে দেশটাকে গতিশীল করা এবং জনগণের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


আমরা সর্বদা সমাজ সেবায় নিয়োজির এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা চকবাজার ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।
দেশের যে কোন দুর্যোগ ও বিপদে মানুষের পাশে থেকে সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে এ কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
গতকাল নগরীর চকবাজার চকমার্কেটে
এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ
নজরুল ইসলাম, আতাউর রহমান ছুটি, আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব,মোহন মজুমদার, তোফায়েল
আহম্মেদসহ অন্যরা।
আলোচনা সভা শেষে মাসুদ আল হক জছিকে সভাপতি ও মোঃ রুবেল
আহমেদকে সাধারন সম্পাদক করে চকবাজার ক্লাব এর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কমিটির সহ-সভাপতি হয়েছেন সাইফ হোসাইন আল বান্না, সহ- সাধারণ সম্পাদক-মোঃ সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক-মোঃ শাকিল আহমেদ, অর্থ সম্পাদক- মোঃ কামরুল হাসান, প্রচার সম্পাদক- মাহাবুব আলম ইতিফ, দপ্তর সম্পাদক- মোঃ সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক- মোঃ মারুফ সরকার, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মাজহারুল আলম ইমন মজুমদার, অপ্যায়ন ও আমোদ প্রমোদ সম্পাদক- ফয়েজ আহমেদ অপু, সদস্য- ইমাম হোসেন অনিক, মোঃ জাবেদ হোসেন, রবিউল আলম পাভেল, জীবন সরকার, শ্রী রনি সাহা, শ্রী জনি সাহা, সীমান্ত সাহা, রনি সাহা, মোঃ রাজু আহম্মেদ, তন্ময় সাহা।
কমিটিতে উপদেষ্ঠা করা হয়েছে
বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম, আতাউর রহমান ছুটি, আমিরুল পাশা
সিদ্দিকী রাকিব,মোহন মজুমদার ও তোফায়েল আহম্মেদকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সদর দক্ষিণে মা ও মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ছেলে ও ছেলের বউয়ের ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা দায়রা জজ আদালতে এই আবেদন করা হয়।
সন্ধ্যায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন ইপিজেড ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ খাজু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে (৩১ আগস্ট) রবিবার রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিহতের বড় মেয়ে হাছিনা আক্তার শিউলি বাদী হয়ে দুই জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
নিহতরা হলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর গ্রামের মৃত আবু তাহের স্ত্রী লুৎফা বেগম (৭০) ও তার মেয়ে আয়েশা আক্তার শিল্পী (৩৮)। গ্রেপ্তাররা হলেন নিহত লুৎফা বেগমের ছেলে শাহিন আলম ও তার স্ত্রী লাকি আক্তার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত লুৎফা বেগম ও তার মেয়ে আয়েশা অভিযুক্ত শাহিনের সঙ্গে একই ঘরে থাকতেন। মা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে মতবিরোধ চলছিল।
এ নিয়ে ছেলে শাহিন তার মা ও বোনকে প্রকাশ্যে একাধিকবার মারধরও করেছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের জানালেও শাহিনের স্ত্রী লাকীর ভয়ে কেউ নিরসনে এগিয়ে আসেনি।
এসআই মোহাম্মদ খাজু মিয়া জানান, খবর পেয়ে রবিবার সন্ধ্যায় নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় মেয়ে বাদী হয়ে রাতেই একটি হত্যা মামলা করেন।
তিনি আরো বলেন, সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা দায়রা জজ আদালতের মাধ্যমে আসামি শাহিন ও তার স্ত্রী লাকিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তীতে এর শুনানি হবে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় ট্রাকচালককে হত্যার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলাম ডালিমকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা।
রোববার রাতে ঢাকার বনানী থানাধীন কাকলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডালিমের বাড়ি দাউদকান্দি উপজেলার পূর্ব হাউষদি গ্রামের পাঁচগাছিয়া এলাকায়।
আজ সোমবার সকালে নগরীর শাকতলা র্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
র্যাব জানায়, গত ৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পূর্ব হাউষদি গ্রামে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় ট্রাকচালক আলামিন মিয়া (৩৫) হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত দ্বীন ইসলাম ডালিম চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। নিহত আলামিন মাদক বিক্রির প্রতিবাদ ও বাধা দেওয়ায় আসামির সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জেরেই ডালিম ও তার সহযোগীরা আলামিনকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর সকালে পূর্ব হাউষদি গ্রামের আল মদিনা মসজিদের সামনে আলামিনের উপর ডালিম ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে আলামিনকে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে দাউদকান্দি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।পরে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। জানা যায়, মামলার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলাম ডালিম ঢাকার বনানী থানাধীন কাকলীতে অবস্থান করছে।
রোববার রাতে র্যাবের একটি দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় কাকলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তাকে দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহাসড়কের
পাশে হোটেলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আবদুল কুদ্দুস প্রকাশ তেল
কুদ্দুসকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
এ সময় মো. ইয়াছিন, কামাল
উদ্দিন ও মীর হোসেন নামে তিন সহযোগীকেও আটক করা হয়। আজ রোববার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন
থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গুলজার আলম।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত রাতে সেনাবাহিনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছুফুয়া এলাকার ইসলামিয়া
ট্রাক হোটেলে অভিযান চালায়। অভিযানকালে ৪৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, সাড়ে ৪ কেজি গাঁজা
ও নগদ ৮৮ হাজার ৫৪০ টাকাসহ ঘোলপাশা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস
প্রকাশ তেল কুদ্দুস, তার সহযোগী মো. ইয়াছিন, কামাল উদ্দিন ও মীর হোসেনকে আটক করা হয়।
কুদ্দুস আমানগন্ডা গ্রামের মৃত এরশাদ উল্যাহর ছেলে।
চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক(তদন্ত) গুলজার আলম বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় সৎ মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শাহিন মুন্সি নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নের সব্দলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃতা হালিমা খাতুন (৩৪) সব্দলপুর গ্রামের এমদাদুল হক মুন্সির (৭৫) দ্বিতীয় স্ত্রী। গতকাল বুধবার গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার ( ৩০ অক্টবর ) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত শাহিন মুন্সি মৃতার সৎ ছেলে এবং এমদাদুল হক মুন্সির চতুর্থ ছেলে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এমদাদুল হক মুন্সির প্রথম স্ত্রী মারা যান প্রায় ৩ বছর আগে। তার চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। যারা সবাই বিবাহিত এবং ৪ ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী। ছোট ছেলে শাহিন মুন্সি প্রায় আট মাস আগে দেশে ফেরেন। দুই মাস আগে এমদাদুল হক মুন্সি দাউদকান্দি উপজেলার জয়নগর গ্রামের হালিমা খাতুনকে বিয়ে করেন।
এমদাদুল হক মুন্সি জানান, ‘গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে আমি শৌচাগারে যাই। তখন আমার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন, পাশের কক্ষে ছোট ছেলে শাহিন ছিল। ঘরে ফিরে দেখি স্ত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় কাতরাচ্ছেন। চিৎকার দিলে পুত্রবধূসহ আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে অ্যাম্বুল্যান্সে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
তৃতীয় পুত্রবধূ শিরিনা আক্তার জানান, ‘আমরা অন্য ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। শ্বশুরের চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি শাহিন ঘর থেকে বের হয়ে যাচ্ছে, শ্বশুর কান্নাকাটি করছেন। সৎ শাশুড়ি তখন রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে ছিলেন।’ বাতাঘাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ বলেন, ‘এমদাদুল হক মুন্সি আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। দ্বিতীয় বিয়েতে পরিবারের কারোর আপত্তি ছিল না। কী কারণে শাহিন সৎ মাকে হত্যা করেছে, তা কেউ বলতে পারছে না। ঘটনার পর সে পালিয়ে যায়।’
চান্দিনা থানার (ওসি) “জাবেদ উল ইসলাম” জানায়, মৃতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্বামী এমদাদুল হক মুন্সি বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শাহিন মুন্সির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অটোরিকশার ভাড়াকে কেন্দ্র করে বুকে রড ঢুকিয়ে ফরহাদ হোসেন (২০) নামের এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। (১ সেপ্টেম্বর) সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার লক্ষণপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
একইদিন রাত ১০টার দিকে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ফরহাদ হোসেন উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের বানঘর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। অপরদিকে অভিযুক্ত মাহফুজ আলম (২০) সাইকচাইল গ্রামের রবিউল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফরহাদ ও মাহফুজ দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। সোমবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে অটোরিকশায় করে তারা লক্ষণপুর বাজারে পৌঁছান। এ সময় ভাড়া দেওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে ফরহাদের বুকে রড ঢুকিয়ে দেয়। এতে ফরহাদ গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত মাহফুজকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করা হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন গোলাবাড়ি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হৃদয় (১৫) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি ভ্যান গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু
মোঃ হৃদয় (১৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার টিক্কারচর গ্রামের মৃত জাকির হোসেন
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটককৃত আইনের সহিত সংঘাতে
জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন