

গত রবিবার মধ্যম মাঝিগাছা ঐতিহাসিক ঈদে মাজিউন্নাবী (দ) ঈদে মিলাদুন্নাবী (দ) মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন আলে রাসূল, আওলাদে গাউছে পাক (রাঃ) মহিউস সুন্নাহ, আলহাজ্ব শেখ শাহজাদা সৈয়দ গোলাম মুহাম্মদ আবদুল কাদের কাওকাব আল্-ক্বাদেরী (মাঃজিঃআঃ), পীরসাহেব ক্বেবলা, শাহপুর দরবার শরীফ, কুমিল্লা।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি মুহাম্মদ উদবাতুল বারী আবু, মুনাজেরে আহলে সুন্নাহ পীরজাদা মূফতি শাহ নুরুজ্জামান আল্-ক্বাদেরী, এনায়েতপুর দরবার শরীফ, কচুয়া। মাহফিলের উদ্বোধক ছিলেন জিকরুল্লাহ ইসলামীক কমিটি কুমিল্লা মহানগর এর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আল কাদেরী। বিশেষ মেহমানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম আল কাদেরী, বিএনপি নেতা শাহরিয়ার আলম অপু, কাজী মুহাম্মদ জামান এবং তোফায়েল আহমেদ। মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসাবে ওয়াজ পেশ করেন মূফতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন আত্-তাহেরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং বিশেষ বক্তা ছিলেন স্যাইয়িদ মাখদুম শাহ আল মাদানী, হাজীগঞ্জ ইমামে রাব্বানী দরবার শরীফ, চাঁদপুর এবং মুফতি মাওলানা কারী মোঃ জালাল উদ্দিন আল কাদেরী ইমাম ও খতিব- মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতি কেন্দ্র, আদর্শ সদর, কুমিল্লা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলা হযরত কাওকাব পীর সাহেব হুজুর খাবারের ইসলামী নীতিমালা ও সুন্নী আকিদা বিষয়ে দলিল ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ তাকরির পেশ করেন।
প্রধান বক্তা গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরি বাউল গানের নামে আল্লাহ ও রাসুলের শানে কটুক্তির তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে ওয়াজের মঞ্চে বসে যারা নবীজি এবং নবীজির বিবিগনের ব্যাপারে বেমানান-অশালীন শব্দচয়ন করেছে তাদেরকেও ধর্ম অবমাননার শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানান। যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল ও ক্ষমতা দখলের জন্য ধর্মের অপব্যাখ্যা করে, যাচ্ছে তাই মন্তব্য করে তাদের থেকে সাবধান থাকার জন্য সুন্নি জনতার প্রতি আহবান জানান।
আগামী ৩ জানুয়ারি'২৫ইং, শনিবার, কুমিল্লা শাহপুর দরবার শরীফে হযরত নূরুদ্দীন মারূফ বন্দীশাহ বাবা (রাঃ) ওরুছ শরীফ অনুষ্ঠিত হবে। শরীয়ত সম্মতভাবে অনুষ্ঠিতব্য ওরশ মাহফিলে স্ব-বান্ধবে যোগদান করুন। পুরো শরীফের দিন দরবার শরীফে মহিলা আসার সম্পুর্ন নিষেধ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে খিচুড়ি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আল-আমিনকে হত্যার দায়ে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছা: ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন: কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর (সামারচর) গ্রামের মোঃ মোসলেম সরদারের ছেলে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮)।
মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী মাগরিবের নামাজের শেষে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ভিকটিম আল-আমিন (৯) মাহফিলের কথা বলে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর পিতাসহ আত্মীয় স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন কোতয়ালী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পরেরদিন শালধরের জৈনক দেলোয়ার হোসেন এর বাগানের পাশে পুকুরে ছোট শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে শোর চিৎকার করে মোঃ আল আমিন এর পিতা। আল-আমিন এর মরদেহ পুকুর থেকে উপরে তুলে দেখেন আল-আমিনের ঘাড়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ব্যাপারে ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী ভিকটিম মোঃ আল আমিন এর পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন শালধর গ্রামের মৃত মালু মিয়ার ছেলে মোঃ ফয়েজ আহমেদ ও অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সারওয়ার আলম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮) ও মোঃ শাহ জাহানকে আটক করে।
পরবর্তীতে মামলাটি বিচারে আসলে রাষ্ট্রপক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আশা করছি উচ্চ আদালত উক্ত রায় বহাল রাখবেন।
মন্তব্য করুন


গতকাল ১৯ অক্টোবর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের কান্দিরপাড় উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ০৫ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ঘটনার দিন সকাল ১১ টায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের কান্দিরপাড় উচ্চ মাধ্যমিক শাখার শিক্ষার্থী জিসান ও ফাহাদের সাথে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী তানভিন সিফাতের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সিফাত ফাহাদকে মারপিটের হুমকি দেয় ও তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় সিফাত তার বহিরাগত বন্ধুদের ফোন দিলে তারা এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সিফাত ও তার সহযোগী কিশোর গ্যাং সদস্যরা ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা করে। এতে ০৫ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উল্লেখিত ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হলে দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের লক্ষে র্যাব কার্যক্রম শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে কিশোর গ্যাং সদস্য ১। তৌহিদুল ইসলাম মাহিম (১৮), পিতা-মোঃ মামুন, মাতা-তানিয়া বেগম, সাং-আনন্দপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা, ২। মোঃ ফাহিম (১৭), পিতা-মোঃ আবু তাহের, মাতা-জমিলা বেগম, সাং-দেওরা, থানা-বরুড়া, এ/পি সাং-দক্ষিণ চর্থা, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৩। শাফায়েত ইসলাম (২১), পিতা-মোঃ লিটন, মাতা-সালমা আক্তার, সাং-কান্দিরপাড়, ৪। রহমাতুল ফুয়াদ (১৮), পিতা-আঃ রহমান টিটু, মাতা-ইয়াসমিন আক্তার, সাং-ভাটপাড়া চৌমুহনি, ৫। সালমান শিকদার (১৭), পিতা-ফারুক শিকদার, মাতা-সাজিয়া খাতুন, সাং-চানপুর, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৬। রাকিবুল হাসান (২১), পিতা-দৌলত হোসেন, মাতা-নুরজাহান বেগম, সাং-শিকারপুর, থানা-বুড়িচং, জেলা-কুমিল্লা, ৭। রাফাতুল ইসলাম রাতুল (২২), পিতা-একরামুল হক বাবুল, মাতা- ফাতেমা আক্তার মুন্নি, সাং-বিষ্ণুপুর মৌলভিপাড়া, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা, ৮। শাওন রায় (২২), পিতা-অবিনাশ চন্দ্র রায়, মাতা-শিপন রানী রায়, সাং-মাধবপুর, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-এসআর এন্টারপ্রাইজ, সাত্তার খান শপিং কমপ্লেক্সের ২য় তলা, কান্দিরপাড়, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে ১৯/১০/২০২৫ইং তারিখ রাতে র্যাবের অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড় এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানান, কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার টাকার ভারতীয় অবৈধ চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে। শনিবার দুপুরে জেলার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিজিবি ভারতীয় বাজি ও চিংড়ি মাছের রেণুসহ একটি ট্রাক আটক করেছে।
আজ শনিবার দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃ সীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আওতাধীন শিবের বাজার বিওপি’র বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি টহল দল কর্তৃক মালিকবিহীন অবস্থায় ১ লাখ ২০ হাজার ৪’শ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় বাজি এবং ৪২ ড্রাম চিংড়ি মাছের রেণুসহ একটি ট্রাক আটক করা হয়। যার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় গোমতী নদীতে পড়ে নিখোঁজের সাতদিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আজাদ হোসেন (২৭) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার এলাকার অরন্যপুর
গ্রামের আনার হোসেনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দেবিদ্বারের জাফরগঞ্জের নদীর খেয়াঘাট এলাকা
থেকে লাশটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো
হয়েছে বলে জানান দেবিদ্বার থানার ওসি নয়ন মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে আজাদ টিক্কারচরে গোমতী নদীর
সেতুতে টিকটকের জন্য ভিডিও করতে গিয়ে নদীতে পড়ে যান।
এ খবর শোনার সাথে সাথেই তার স্বজনরা ও ডুবুরি দল অনেক খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু
তাকে উদ্ধার করতে পারেনি।
সাতদিন পর বৃহস্পতিবার দেবিদ্বারের জাফরগঞ্জ খেয়াঘাট এলাকায় স্থানীয়রা ওই যুবকের
ভাসমান লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়।
পরে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে এরং তাকে সনাক্ত করা হয় ।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার (২১ জুন)
সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমড়াতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোজাম্মেল
হোসেন অমি (২৭) এবং সাইমন হোসেন (২৩) নামক
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোজাম্মেল হোসেন অমি (২৭) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শিমপুর গ্রামের মৃত
ফতে আলী এর ছেলে এবং ২। সাইমন হোসেন (২৩) একই গ্রামের শহিদ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা মহানগরী কালিয়াজুড়ি পিটিআই সংলগ্ন ‘তানজিমুল উম্মে হাফিজিয়া মাদ্রাসা’— নামের আড়ালে চলছে ভয়ঙ্কর প্রতারণা ও ধর্মীয় ব্যবসা। স্থানীয়ভাবে ‘ইলিয়াস হুজুর’ নামে পরিচিত মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন-এর বিরুদ্ধে উঠেছে ভয়াবহ অভিযোগ।
দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের অনুসন্ধানী টিম রোগী সেজে প্রবেশ করলে শুরু হয় ইলিয়াস হুজুরের কথিত “আধ্যাত্মিক চিকিৎসা”। তিনি রোগীকে ভয় দেখিয়ে বলেন— ‘শয়তান, পুরি, জ্বিন ও যাদু টোনায় আক্রান্ত’। এরপর চিকিৎসার নামে দাবি করেন ৩৩ হাজার ৫ শত টাকা, এবং ‘যাদু কাটার রশিদ’ হিসেবে হাতে তুলে দেন নিজস্ব সিলমোহরযুক্ত কাগজ।
তদন্তে বেরিয়ে আসে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে ৫০, ১০০, ২০০ ও ৫০০ টাকার অবিকল নোট ছাপিয়ে “চাঁদ তোলার” নামে টাকার লেনদেন চলে। যা স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রীয় মুদ্রা আইনে গুরুতর অপরাধ।
প্রশ্নের মুখে ইলিয়াস হুজুর প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে ভুল স্বীকার করেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ধর্মের নামে মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ চিকিৎসার নামে একাধিকবার টাকা দিয়েও প্রতারিত হয়েছেন।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহল বলছে, ধর্মের পোশাকে লুকানো এই ধরনের প্রতারণা সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত। তারা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ধর্মের নামে প্রতারণা ও শিশুদের দিয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ড— এ যেন এক অমানবিক ব্যবসা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে এমন ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ
অভিযানে ৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে ।
শনিবার রাতে (০১ জুন ২০২৪ ইং)
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী
অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ফারুক (৩২) ও মোঃ
ফাহিম (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে
৪৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়,
গ্রেফতারকৃত মোঃ ফারুক (৩২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ঘোষতল গ্রামের মৃত আব্দুর
রহমান এর ছেলে এবং মোঃ ফাহিম (২১) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার খামারগাও গ্রামের
মোঃ চান মিয়া এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃদের হতে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন
ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট
পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা জেলার সীমান্ত এলাকা হতে দেড় কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় শাড়ী জব্দ করেছে বিজিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ।
৩০ নভেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটায় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা ক্যান্টনমেন্ট বাজার এলাকা থেকে অবৈধ ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধসহ আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে।
রোববার ভোর সাড়ে পাঁচটায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট বাজার থেকে বিজিবি টহল দল মালিক বিহীন অবস্থায় কার্ভাট ভ্যানসহ অবৈধ ভারতীয় শাড়ী আটক করে। যার সর্বমোট মূল্য ১ কোটি ৩৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) অধিনায়ক কর্নেল মীর আলী এজাজ বলেন,জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমসে জমা করা হবে। অবৈধ মালামাল বন্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চান্দিনায় দিন দুপুরে এক প্রবাসীকে সিআইডি পরিচয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় লুট করা হয় প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, আইফোন। পরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ফোন করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। এ ঘটনার পর পৃথক অভিযানে চান্দিনা পৌরসভা শ্রমিকদল নেতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।সোমবার (১৪ জুলাই) তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে প্রবাসীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি চক্রের ৫ সদস্য আটক করা হয়। সেদিন রাতেই ৬ জনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. সোহেল সরকার।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- চান্দিনা উপজেলা সদরের মহারং মুন্সিবাড়ি এলাকার মৃত আজিজ মুন্সির ছেলে সোহেল মুন্সি (৩৯)। তিনি চান্দিনা পৌরসভা শ্রমিকদল যুগ্ম আহবায়ক ও ১ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদল সভাপতি।
অন্যরা হলো- মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার মালাপদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ শেখের ছেলে সোহাগ আহমেদ (৩৫), টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার হাড়িয়া গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে মো. রাসেল মিয়া (২৯), নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার বীর চরমধুয়া গ্রামের মো. লিয়াকত আলীর ছেলে মো. হানিফ (২৭) ও কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের মো. ইসমাইলের ছেলে মো. ফয়সাল (২৭)।
সংঘবদ্ধ এই আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে লুট হওয়া প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী প্রবাসী মো. সোহেল সরকার নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার দক্ষিণ বটতলী গ্রামের মো. জব্বার সরকারের ছেলে। গত ১১ জুলাই রাতে মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসে সরাসরি শ্বশুরবাড়ি চান্দিনার ছায়কোট গ্রামে আসেন।
তিনি জানায়, গত রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ৫-৬ জন লোক আমার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে আমাকে খোঁজেন। এসময় তারা নিজেদের সিআইডি পরিচয় দেন। আমি ঘর থেকে বের হয়ে আসতেই তারা আমাকে ঝাপটে ধরে এবং আমার কাছে অবৈধ মাল আছে বলে জানায়। পরে তারা আমার শ্বশুরের ঘর থেকে বিদেশ থেকে আনা প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি আইফোন ও একটি স্মার্ট ফোনসহ আমাকে বাড়ি থেকে তুলে আনে। তারা আমাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার কাঠেরপুল এলাকায় এনে ২ লাখ টাকা দাবি করে এবং আমার স্ত্রীকে ফোন দেয়। আমার স্ত্রী চান্দিনা সেনা ক্যাম্পে গিয়ে বিষয়টি জানালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আমাকে তাদের কবল থেকে উদ্ধার করে এবং সঙ্গে সঙ্গে সোহেল মুন্সিসহ ২ জনকে আটক করে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনীর সদস্যরা দুইজনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। এরপর আমরা অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে আটক করি। সোমবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
(সূত্র: ইত্তেফাক)
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
১০ম
প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫-এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ফাইনালে টস জিতে
শিরোপা নিশ্চিত করে তারা।
বসুন্ধরা
ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের প্রতিপক্ষ ছিল
বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ম অনুযায়ী, টস জয়ী দলকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয় — সে হিসেবে
চ্যাম্পিয়নের মুকুট যায় কুমিল্লার ঘরে।
পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল
বাশার সুমন, হাসিবুল হোসেন শান্ত, মেহরাব হোসেন অপি, দিপু রায় চৌধুরী, গেম ডেভেলপমেন্ট
ম্যানেজার আবু ইমাম কাওসার, গেম ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কামরুল হাসান এবং
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ।
এই
আসরে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল দুর্দান্ত পারফর্ম করে জেলা পর্যায়ে ৪টি, বিভাগীয় রাউন্ডে
৩টি এবং ন্যাশনাল রাউন্ডে আরও ৩টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেমিফাইনালে তারা
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০২ রানে হারায়। ঐ ম্যাচে ব্যাট হাতে আফনান ইন্তেহাদ
১২০ বলে করেন দারুণ ১৪৪ রান। বল হাতে সেরা ছিলেন প্রান্ত দেবনাথ, যিনি ২৫ রান দিয়ে
শিকার করেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আসরের
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও গেছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের আফনান ইন্তেহাদের
হাতে।
চ্যাম্পিয়ন
দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন আইয়ুব হোসেন ইমন এবং ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন মোঃ
নেওয়াজ খান। দলের সার্বিক সাফল্যের পেছনে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলা ক্রিকেট
কোচ হাবীব মোহাম্মদ মোবাল্লেগ জেমসের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য।
উল্লেখ্য,
এর আগেও ২০১৯ সালে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কুমিল্লা হাই স্কুল। সেই
ধারাবাহিকতায় আবারও দেশের সেরা হওয়ার কৃতিত্ব দেখাল কুমিল্লার স্কুল ক্রিকেট।
মন্তব্য করুন