

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে কক্সবাজারে চকোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫ নারীর। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় চৌদ্দগ্রামে পৃথক দুইটি জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তাদের জানাজায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।
সকাল ১০টায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার চান্দিশকরা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে তিনজনের ও ফালগুনকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অপর দুইজনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
নিহতরা হলেন, চান্দিশকরা গ্রামের বাসিন্দা উদয় পাটোয়ারীর স্ত্রী ফারজানা মজুমদার লিজা (২৮), মা রুমি বেগম (৬৫), বোন সাদিয়া হক পাটোয়ারী (২৪), শাশুড়ি রিজওয়ানা মজুমদার শিল্পী (৫৫) ও শ্যালিকা ফারহানা মজুমদার টিজা (২৫)।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ৫ নারী নিহতের খবরে চান্দিশকরা ও ফালগুনকরা পুরো গ্রাম শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে।
এর আগে গত ৪ নভেম্বর রাতে ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ভাড়া করা মাইক্রোবাসে রওয়ানা দেন উদয় পাটোয়ারী, স্ত্রী ফারজানা মজুমদার লিজা, ছেলে সামাদ পাটোয়ারী, শ্যালিকা ফারহানা মজুমদার টিজা (২৫) ও শ্যালক শাহেদ মজুমদার লিশান (২২)। রাত আড়াইটার দিকে চৌদ্দগ্রাম থেকে মা রুমি বেগম, বোন সাদিয়া হক পাটোয়ারী এবং শাশুড়ি রিজওয়ানা মজুমদার শিল্পীকে গাড়িতে তোলেন।
বুধবার বেলা ৯টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালীর ঢালা এলাকায় পৌঁছালে বেপরোয়া গতিতে বিপরীত থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন মারা যান। আহত হন উদয় পাটোয়ারী, তার ছেলে, শ্যালক আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। এদের মধ্যে শ্যালক শাহেদ মজুমদার লিশানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মন্তব্য করুন


কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার
জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে
সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important
Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।
২০২১ সালের এআইপি খেতাবে
ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার
আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত
কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।
২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭
জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের
সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ
সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে
এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়।
এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে-
মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন
জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার
পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে
Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি
হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার
সুবিধা পাবেন।
মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল
উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি
স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে
অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে
২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে
মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান
সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন
আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে
দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে
বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ
খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন
মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান
কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয়
দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।
বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের
পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার
টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন
করে দিয়েছেন।
এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী
পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি
প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম
ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি
উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ
তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সব ক্ষেত্রে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক হলে সমাজে পাপ কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমি সংসদে যেতে পারলে সকল স্তরে কোরআন শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য কথা বলবো।”
আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ মিলনায়তনে জাতীয় হাফেজ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মসজিদের খতিব ও মুয়াজ্জিনরা সবচেয়ে অবহেলিত। দেশের সকল মসজিদের খতিব ও মুয়াজ্জিনকে সরকারি বেতনকাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করলে, দেশনায়ক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে ইনশাআল্লাহ এটা বাস্তবায়ন করা হবে।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আলেমরা এদেশের সম্পদ। আলেমদের উপর কোনো আঘাত সহ্য করা হবে না। আলেম যে দলের যে মতেরই হোক তাদের রক্ষা করা ও নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব।
বাংলাদেশ জাতীয় হাফেজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা ইয়াসিন নুরী আল গাজীপুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় হাফেজ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, জেলা তাঁতী দলের সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান পিটার, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন, হাফেজ কল্যাণ সমিতির মহাসচিব ক্বারী হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন বেলালী, অর্থ সম্পাদক হাফেজ ইজহারুল হক সিরাজী, বাংলাদেশ খতিব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতি শামিম মজুমদার, কুমিল্লা বাঁচাও মঞ্চের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
সম্মেলনে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করে ইবনে তাইমিয়া হিফজ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ হাফেজ হিসেবে পুরস্কার পান হাফেজ মাওলানা ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া ও অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন। শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে পুরস্কৃত হন ইবনে তাইমিয়ার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ জয়নাল উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সম্মেলনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ হাফেজদের বৃত্তি প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মুসলিম বাল্যবন্ধুর জানাজার পেছনে বসে কাঁদা আলোচিত সেই সুধীর বাবু মারা গেছেন।
তিনি মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান ।
সুধীর বাবুর ছেলে অর্জুন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
এর আগে ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুধীর বাবুর একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেই সময় ছবিটি সম্পর্কে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের আমির হোসেন নামে একজনের জানাজা চলছিল। সে সময় জানাজার পেছনে একটি গাছের গুঁড়িতে বসে কাঁদছিলেন সুধীর। মৃত আমির হোসেন সওদাগর সুধীর বাবুর বাল্যবন্ধু ছিলেন। বিষয়টি উপস্থিত সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
স্থানীরা জানান, সুধীর বাবু ও আমির হোসেন ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে আড্ডা ও খেলাধুলা করে বড় হয়েছেন। বয়সের একপর্যায়ে দুজন গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসার শত ব্যস্ততার ভিড়েও সুযোগ পেলেই দুই বন্ধু ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেন। অবসর সময় কাটাতেন একসঙ্গে। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বন্ধু আমির হোসেন মারা যাওয়ার ৪ বছর পর বন্ধু সুধীর বাবুও মারা গেলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় এবার কাঁচাবাজার পরিদর্শন করলেন কৃষি, মৎস্য এবং খাদ্যমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে নগরীর রাজগঞ্জ কাঁচাবাজার পরিদর্শন করে বাজারের দর-দামের খোঁজ নেন তিনি। এ সময় তিনি নিজেও কাঁচা শাক-সবজি ক্রয় করেন।
জানা গেছে, মন্ত্রী ইয়াছিন ছুটির দিনে কুমিল্লা নগরীর নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দর-দামের খোঁজ নিতে নিজেই বাজারে চলে আসেন।
এর আগে এদিন সকালে তিনি রাজগঞ্জ মাছ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের খোঁজ নেন এবং নিজের বাসার জন্য দেশীয় মাছ কেনেন।
দুপুরে পরিদর্শনকালে তিনি তরকারির বাজার দরের খোঁজ নেন। এ সময় অতিরিক্ত মূল্য না নেওয়া ও সাধারণ ভোক্তারা যেন কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য বিক্রেতাদের প্রতি অনুরোধ জানান মন্ত্রী। এ সময় তিনি ক্রেতা-বিক্রেতাদেরকে দেশীয় এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি ক্রয়-বিক্রয়ের পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন


সবুজের মাঝে ফুটে আছে গোল গোল ফুল। কোনোটি হলুদ, কোনোটি বেগুনি রঙের। কাছে গেলে ভুল ভাঙে। কারণ এগুলো রঙিন ফুলকপি। কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার শিবপুর গ্রামের মাঠে এই দৃশ্য দেখা যায়। এই জেলার ১৭টি উপজেলায় জনপ্রিয় হচ্ছে রঙিন ফুলকপি চাষ। চাহিদা বেশি ও স্বাদ ভালো হওয়ায় ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষক। আগামীতে তারা আরও বেশি জমিতে চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন।
শিবপুর মাঠে গিয়ে দেখা যায়, পাশের গ্রামের উৎসুক মানুষ রঙিন ফুলকপির জমির পাশে ভিড় করছেন। কেউ ফুলকপি কিনতে এসেছেন। কেউ জানতে এসেছেন কোথায় এর বীজ পাওয়া যায়। অনেকে ফুলকপি ধরে দেখছেন। হাত দিয়ে পরীক্ষা করছেন- রং আসল না কৃত্রিম!
শিবপুর গ্রামের কৃষক খলিলুর রহমান বলেছেন, দেড় যুগ ধরে সবজি চাষ করি। এ্ই প্রথমবার ১৫ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করেছি। প্রথমে মানুষ হাসাহাসি করেছে, ভালো ফলন হবে না বলে মন্তব্য করেছে। ফলন দেখে এখন অনেকে চাষের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। প্রতিটি ফুলকপি বড়গুলো ৭০-৮০ টাকা, ছোটগুলো ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি করছি। বৃষ্টিতে কিছু সমস্যা হয়েছে, না হলে আরও ভালো ফলন পেতাম।
স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেছেন, শিবপুরে প্রথম রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে। এ চাষ দেখে অন্য কৃষকরাও আগ্রহ প্রকাশ করছেন। সাধারণ ফুলকপির চেয়ে এর দাম ভালো পাচ্ছেন কৃষক।
উপজেলা কৃষি অফিসার বানিন রায় বলেছেন, আমরা কয়েকজন কৃষককে রঙিন ফুলকপির বীজ দিয়েছি। তার মধ্যে শিবপুরের মাঠে ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের মধ্যে রঙিন ফুলকপি চাষের আগ্রহ বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের আলেখারচর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও নগদ অর্থসহ মোঃ রাশিদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে ।
এ সময় তার কাছ থেকে ২৯০ পিস ইয়াবা, ৫০ কেজি গাঁজা, ৮০ বোতল ফেনসিডিল, ৫৯ ক্যান বিয়ার, দুটি মদের বোতল, নগদ ১,৭৩,৫৩০ টাকা এবং ২টি
পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এ সময় রফিকুল ইসলাম নামের একজন পালিয়ে যায়।
গতকাল শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাত ১১ টায় সেনাবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেন।
আটককৃত মোঃ রাশিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের ব্লক-এ এর মোঃ শামীমের ছেলে
পলাতক রফিকুল ইসলাম নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার তুসহি গ্রামের সৈয়দ আহমেদের ছেলে।
আটককৃত আসামিকে মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামতসহ আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য কোতয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী সূত্র জানায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক দুইটি অভিযানে ২০ কেজি
গাঁজা ও ৯০৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
৩ জুলাই রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি
বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন নালনগর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মনির হোসেন নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি
সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে ৩ জুলাই রাতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পান্ডানগর এলাকা থেকে আসামী মোঃ আনিছুর রহমান
তুষার নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯০৫ পিস ইয়াবা
ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মনির হোসেন
(৩২) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার তেলিহাটি গ্রামের মৃত নজির ইসলাম এর ছেলে এবং
২। মোঃ আনিছুর রহমান তুষার (২৮) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সুবর্নপুর গ্রামের
মৃত জাকির হোসেন এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পেলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আকাঙ্ক্ষিত প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও
মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশীদ।
মনোনয়ন
না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজেকে সরিয়ে
নেন নির্বাচন থেকে। হতাশ না হয়ে বরং দলের চেয়ারম্যানের দেওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে কুমিল্লা দক্ষিণের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দলের কোন্দল নিরসন
এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা দক্ষিণের ৬টি আসনে। তিনি বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়কের
দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন
উর রশীদ। শুধু তাই নয়, বরং কৃষি, মৎস ও প্রাণিজ সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
তিন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
এ
ছাড়া কুমিল্লা- ৮ বরুড়া আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত
মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে
ধর্ম মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া তাহের সুমন এ নিয়ে
দুই এবং শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ৬ বারের এমপি নির্বাচিত হলে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব
পেলেন এবারই প্রথম। এদিকে, কুমিল্লা জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন
তারা।
কুমিল্লা
জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পেলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আকাঙ্ক্ষিত প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও
মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশীদ।
মনোনয়ন
না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজেকে সরিয়ে
নেন নির্বাচন থেকে। হতাশ না হয়ে বরং দলের চেয়ারম্যানের দেওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে কুমিল্লা দক্ষিণের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দলের কোন্দল নিরসন
এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা দক্ষিণের ৬টি আসনে। তিনি বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়কের
দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন
উর রশীদ। শুধু তাই নয়, বরং কৃষি, মৎস ও প্রাণিজ সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
তিন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
কুমিল্লা-
৮ বরুড়া আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী
এবং কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া তাহের সুমন এ নিয়ে দুই এবং শাহ মোফাজ্জল
হোসেন কায়কোবাদ ৬ বারের এমপি নির্বাচিত হলে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন এবারই প্রথম।
এদিকে, কুমিল্লা জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ (কুমিল্লা সদর, সদর দক্ষিণ, এবং কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন) সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়তে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসানের নিকট হতে মনিরুল হক সাক্কুর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন এডভোকেট গোলাম মোস্তফা,সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি,।
এসময় উপস্থিত ছিলেন , মোস্তফা মাষ্টার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির,ওমর ফারুক মিঠু, সাবেক জিএস, কুমিল্লা অজিত গুহ কলেজ, আজাহার উদ্দিন বাপ্পি, সাবেক সহসভাপতি, জেলা ছাত্র দল,মোঃ কবির হোসেন মজুমদার, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দল, ইকরাম হোসেন ইকু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর যুবদল, আব্দুল হালিম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, মহানগর যুবদল, জুয়েল রানাসহ
মনিরুল হক সাক্কু সমর্থিত নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন