

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা সীমান্তবর্তী এলাকায় শিশুসহ ১৯ জন বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
আটকদের মধ্যে ৯ জন নারী, ৯ জন পুরুষ ও একজন শিশু।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আটক করে আমানগন্ডা বিওপি ক্যাম্পে নিয়ে আসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ বিষয়ে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা ১০ বিওপি ব্যাটালিয়নের ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা জানান, আজ দুপুরে ১৯ জনকে সীমান্ত পিলার নং ২১০৪ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে তাদের হস্তান্তর করে।
জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দক্ষিণ ভবানীপুর নিউনিদিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার দীপংকর সাহার নেতৃত্বে বিএসএফ-এর একটি দল ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা বিওপি কমান্ডার মো. মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল পতাকা বৈঠকে অংশ নেয়। বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে তারা দেশটির পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তারা ভারতের বিভিন্ন কারাগারে সাজাও খেটেছেন।
নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা আরও জানান, আটকদের তথ্য, নাম ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক দুইটি অভিযানে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১৬ বোতল বিদেশী মদসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ অন্তর নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে বিকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ আরিফ হাসান নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৬ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ অন্তর (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ঝাকুনীপাড়া গ্রামের মনির হোসেন এর ছেলে এবং ২। মোঃ আরিফ হাসান (৩১) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিশুক (অটো) গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও গুলিসহ দুই যুবককে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাস স্টেশন এলাকায় এই অভিযান চালায় পুলিশ।
এ সময় দুজনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
আটক দুজন হলো- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মনাইরকান্দি গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান শাকিল (৩৩); একই জেলার বন্দর উপজেলার লক্ষ্মণখোলা এলাকার গোলজার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ চিশতী (৪২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এশিয়া এয়ারকন নামে একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ওই দুজনকে আটক করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র এনে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিল তারা।
হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ থানার ওসি রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আটককৃতরা ওই অস্ত্র কোথা থেকে এনেছে, কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (কুমিল্লা অঞ্চল) শাহিনুর আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক :
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস উদযাপিত হয়েছে।
এই উপলক্ষে সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে কুমিল্লা নগরীর টাউন হল ময়দানে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,কুমিল্লা জেলার প্রশাসক মুঃ রেজা হাসান, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার নূরে আলম ভূইয়াসহ রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধন শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্যে বক্তরা বলেন,প্রতিবছর ৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা মুক্ত দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা। দীর্ঘ নয় মাসের নির্যাতন, দমন ও যুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধা, মিত্রবাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণ আনন্দের উল্লাসে শহরকে প্রকম্পিত করেছিলেন।পরে টাউন হল মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ আজ শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সারাদিনব্যাপী গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে অংশ নেন।
বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে আদর্শ সদর উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের শ্রীনিবাস পশ্চিম পাড়ায় মোশাররফ হোসেনের বাড়ির প্রাঙ্গণে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ড সভাপতি ডা. জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ। বিশেষ অতিথি উপজেলা আমীর মোঃ মিজানুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ কুমিল্লা মহানগরীর সেক্রেটারী এডভোকেট জিল্লুর রহমান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন সেক্রেটারি মোঃ সেলিম, ১ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান, জামাল ইকবাল, মাহে আলম, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ রাসেল, প্রচার সম্পাদক মোঃ রবিউল, আকবর হোসেন, আবুল কাশেমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বিশেষ অতিথি উপজেলা আমীর মোঃ মিজানুর রহমান বক্তব্যে উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করেন, “বাস স্ট্যান্ড দখল করেছে কারা? টেম্পু স্ট্যান্ড দখল করেছে কারা?” তিনি দাবি করেন, “জামায়াতের কোনো কর্মী কখনো এসব হীন কাজে জড়িত হয়নি”—এতে উপস্থিত জনতা সম্মতি জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বলেন, “বিজয় দাঁড়িপাল্লারই হবে ইনশাআল্লাহ। ছাত্ররা চেয়েছিল পদত্যাগ, আর আল্লাহর ইচ্ছায় তা হয়েছে দেশত্যাগ। অন্যায়কারীরা আর ফিরতে পারবে না; জনগণ তাদের ফিরতে দেবে না। গণহত্যার দায়ে বিচার হবে ইনশাআল্লাহ।”
কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ বলেন আরও বলেন,
চাঁদার জন্য পাথর দিয়ে মানুষ হত্যা করে যারা তাদেরকে ভোট দিবেন না। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ায় ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে অবিচল থেকে পরকালীন মুক্তির আশায় কাজ করতে হবে। মানুষের সেবাই হবে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।”
এর আগে তিনি মহানগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে রাজাপাড়ায় মোঃ আবুল কালামের ছেলে মোঃ রিয়াদ হোসেনের বৌভাতে অংশ নেন।
সন্ধা ৭ টায় বারপাড়া ইউনিয়নের ৬ নংওয়ার্ডে মোঙ্গল মোড়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক পোস্ট অফিস ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল,ইউনিয়ন সেক্রেটারী রাসেল মাহমুদ, ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা ইমাম হোসাইন, সেক্রেটারী নজরুল ইসলাম।
আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ নাজমুল হাসান, মাওলানা মামুন হোসাইন হাবিবী,আব্দুল কাদের সরদার,মোঃ আব্দুল হক,প্রমুখ।
একই দিনে সকাল ১১টায় ২ নং চৌয়ারা ইউনিয়নের ৭ নংওয়ার্ডের হেমজোড়া গ্রামের প্রবাসী মোঃ শাহ আলমের জানাজায় অংশ নেন জামায়াত প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ।
গত ১০ নভেম্বর ভোর ৫টায় দক্ষিণ আফ্রিকার কিং ভ্যালিতে ৫৮ বছর বয়সে মোঃ শাহ আলম ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে ৪১ মিনিট কথা বললেও অসুস্থতার বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানাননি।
দীর্ঘ ৩৪ বছরের প্রবাস জীবনে তিনি কুয়েত, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই ভাইবোনসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান।
পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। জানাজায় অংশ নেন কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মাদ, সদর দক্ষিণ উপজেলা আমীর মোঃ মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর অধ্যাপক রুহুল আমীনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় ৪৭ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি।
আজ সোমবার কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর এলাকা থেকে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ ।
জানা গেছে, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি। এসময় সীমান্তবর্তী চাঁনপুর এলাকায় বিজিবির অভিযান টের পেয়ে সড়কের পাশে সিএনজি ভর্তি শাড়ি রেখে পালিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। পরে একটি সিএনজিকেসহ ৪৫৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানিয়েছে বিজিবি।
১০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, বিজিবির উদ্ধার করা ৪৫৫টি ভারতীয় শাড়ির আনুমানিক মূল্য সাতচল্লিশ লাখ নব্বই হাজার টাকা। আটককৃত পণ্য কাস্টমস এ জমা করার প্রক্রিয়া চলমান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল ও গাঁজা ধ্বংস করেছে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স।
গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া, তেতাভূমি ও ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় টানা কয়েক ঘণ্টা এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান। এতে সেনাবাহিনী, থানা-পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। পুলিশের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা “ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ” এবং সেনাবাহিনীর (১২ বীর) দলের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট মো. এহসান সিরাজী সাদ। প্রশাসন ও যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক মাদক কারবারি ও চোরাকারবারি পালিয়ে যায়। তবে তেতাভূমি এলাকায় ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত কয়েক হাজার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের খালি বোতল ধ্বংস করা হয়। পরে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা কয়েকটি গাঁজার পুরিয়াও ধ্বংস করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকা থেকে আসা বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
সময়মত নিবন্ধন নিব, সঠিকভাবে ভ্যাট দিব’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লায় পালিত হচ্ছে ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ।
আজ বুধবার সকালে নগরীর ঝাউতলার হোটেল এলিট প্যালেসে দিবসটি উপলক্ষে এক বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
মূল্য সংযোজন কর সম্পর্কে জনসচেতনতা জোরদার ও সঠিকভাবে ভ্যাট পরিশোধে করদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এ সেমিনার।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান সরদারের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কর অঞ্চল কুমিল্লার কর কমিশনার মো. আবদুস সোবহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর অঞ্চল নোয়াখালীর কর কমিশনার শাহ্ মুহাম্মদ ইত্তেদা হাসান এবং কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুগ্ম কমিশনার ফাহাদ আল ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুগ্ম কমিশনার নিতীশ বিশ্বাস।
এতে কমিশনারেটের বিভাগীয় কর্মকর্তা, সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, বিভিন্ন সেক্টরের অংশীজন এবং সাংবাদিকরা অংশ নেন।সেমিনারে বক্তারা বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ ও ভ্যাট পরিশোধকে সহজ ও উৎসাহব্যঞ্জক করতে কমিশনারেট নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। কেনাকাটার সময় ভ্যাট চালান গ্রহণে ক্রেতাদের সচেতনতা সৃষ্টি হলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে।
দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে করদাতা, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
বিজয়ের মাসে আয়োজিত এ কর্মসূচি ভ্যাটসংক্রান্ত সচেতনতা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
চালের
বাজারে কৃত্রিম সংকট ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায়
অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
আজ
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার পারুয়া এলাকায়
একাধিক অটো রাইস মিলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত
অভিযানে মিলগেট মূল্য ও উৎপাদনের তারিখ বিহীন চাল বিক্রি, অবৈধভাবে চাল মজুদ এবং
নামিদামি ব্র্যান্ডের ব্যাগে স্থানীয় চাল ভরে বাজারজাত করার অভিযোগে দুইটি মিলকে
মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- জাপান-বাংলা অটো রাইস মিলকে ২০ হাজার টাকা
এবং মেসার্স আব্দুল মান্নান এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো.
কাউছার মিয়া অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
উক্ত
অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন বুড়িচং উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক সুভাষ চন্দ্র দেব
নাথ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক - মজিবুর রহমান পাবেল
কুমিল্লার সুযোগ্য
জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আমিরুল কায়সার সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন
সাংবাদিক এরশাদ রানা। নিজের ব্যক্তিগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তিনি
দেখেছেন প্রশাসনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব, যা কুমিল্লার ২৩৫ বছরের সমৃদ্ধ
ইতিহাসের অংশ।
এরশাদ রানা তার ফেসবুক
পোস্টে উল্লেখ করেছেন, শতাধিক জেলা প্রশাসকের পদচিহ্ন থাকলেও মোঃ আমিরুল কায়সার
ছিলেন ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি— অহংকারহীন, ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে দূরে এবং অত্যন্ত বিনয়ী।
ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ধৈর্যসহকারে সাংবাদিকের কথা শুনেছেন এবং তাৎক্ষণিক
সুপারিশসহ আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরাসরি
আবেদনপত্রটি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছেন, যা তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার
পরিচয় বহন করে।
সাংবাদিক এরশাদ রানা বলেন, "এই প্রথমবারের মতো কুমিল্লার জেলা
প্রশাসকের কার্যালয়ে এতটা বিনয়ী ও মানবিক ডিসি দেখলাম।" তার এই মন্তব্য থেকে
বোঝা যায়, জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে জেলা প্রশাসক কতটা আন্তরিক।
জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ও মানবিক প্রশাসনের এমন উদাহরণ নিঃসন্দেহে
প্রশংসনীয়। তবে তিনি কতদিন কুমিল্লায় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকবেন, তা অজানা।
তবে যতদিন থাকবেন, কুমিল্লাবাসীর জন্য তা সৌভাগ্যের বিষয় হবে।
মন্তব্য করুন