

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন মূখ্য সমন্বয়ক, কুমিল্লা অঞ্চলের অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ ও কেন্দ্রীয় সদস্য হাফসা জাহান কুমিল্লার এক সনাতন ধর্মাবলম্বীর মেয়ের বিয়েতে আর্শীবাদ করেন।
শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার শুভপুর নামক স্থানে লতা সরকার নামে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত হয়ে তাকে আর্শীবাদ করেন এবং তার পরিবার ও বরের পরিবারের সাথে তারা সৌজন্য সাক্ষাত করেন।
এ সময় নাভিদ নওরোজ শাহ বলেন, এই দেশটা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের না।এ দেশে আমরা যারা বাস করি তাদের সবার এ দেশ,আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করি। কেউ যেন মনে না করে সনাতন ধর্মাবলম্বীর পাশে এনসিপি নেই, আমরা আপনাদের পাশে আছি থাকবো। সবাই কে নিয়ে সুন্দর একটা বাংলাদেশ গড়বো।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, এনসিপি কুমিল্লা জেলার যুগ্ম সমন্বয়কারী সৈয়দ আহসান টিটু,কুমিল্লা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী মাসুমুল বারী কাওছার,ইব্রাহিম খালেদ হাসান, ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ, নোমান, সামাদ হোসেন সহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও আতশবাজিসহ একটি মিনি পিকআপ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার যশপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিয়মিত চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার রাত ও রোববার সকালে দুটি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এক পর্যায়ে যশপুর বিওপির একটি টহল দল সীমান্তের প্রায় ২৫০ গজ ভেতরে মুড়াপাড়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মিনি পিকআপ জব্দ করে। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া একই সীমান্ত এলাকার পাহাড়পুর নামক স্থানে সীমান্তের প্রায় ১০০ গজ ভেতরে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে বড় ধরনের ভারতীয় আতশবাজির চালান জব্দ করা হয়।
বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত মিনি পিকআপসহ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও আতশবাজির আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮১ হাজার টাকা।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) জানায়, জব্দকৃত মালামাল প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম রোধে বিজিবির অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
১৯৭১ সালের ১৮ অক্টোবর কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় দেউশ মন্দভাগ বাজারে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে।
১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর সালদা নদীতে প্রথম আক্রমণের পর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘সি’ কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওহাবের ৭ নং প্লাটুনকে দেউশ-মন্দভাগ এলাকায় প্রতিরক্ষা অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। এলাকাটি দক্ষিণ-পশ্চিমে চান্দলা খাল ও দক্ষিণ-পূর্বে সালদা নদী ঘিরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সুবেদার ওহাবের নেতৃত্বে প্রায় ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা, ২টি এমজি, ৭-৮টি এলএমজি এবং ৬০ মি.মি. মর্টারসহ দৃঢ় প্রতিরক্ষা অবস্থান গ্রহণ করেন।
শত্রুপক্ষ ৩৩ বালুচ রেজিমেন্টের একটি কোম্পানি ১৭ অক্টোবর রাতে সালদা নদী পথে অগ্রসর হয়। ১৮ অক্টোবর ভোরে চান্দলা খালে মাছ ধরায় নিয়োজিত আবু মিঞা প্রথমে শত্রুর নৌবহরের শব্দ শুনে মুক্তিযোদ্ধাদের সতর্ক করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শত্রুর প্রথম নৌকাটি প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করলে নায়েক আতাউর রহমান গুলি চালিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। মুহূর্তেই মুক্তিবাহিনীর সব পোস্ট সক্রিয় হয় এবং সুবেদার ওহাব নিজে এমজি পজিশনে থেকে ফায়ার নিয়ন্ত্রণ করেন। ভয়াবহ গুলিবর্ষণে পাকিস্তানি সেনাদের ৭-৮টি নৌকা ধ্বংস হয়, বহু সেনা নিহত ও আহত হয়। ভোরের আলো ফোটার পর সুবেদার ওহাব ও তাঁর সহযোদ্ধারা লে. সীমাসহ প্রায় ১৫-২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করেন। নিহত এক হাবিলদারের পকেট থেকে উদ্ধারকৃত চিঠিতে লেখা ছিল- “এখানে মুক্তিবাহিনী নামক বাহিনী আচমকা এসে আক্রমণ করে পালিয়ে যায়, এদের দেখা যায় না।”
এই চিঠি মুক্তিবাহিনীর গেরিলা কৌশলের সার্থকতা প্রকাশ করে।
আহতদের মধ্যে হাবিলদার আকরাম নামের এক সৈনিক জানায়, তাদের নৌকায় মেজর আফ্রিদি ছিলেন যিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিখোঁজ হন। সুবেদার ওহাব আহত আকরামকে হত্যা না করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্পে পাঠান—যা মুক্তিবাহিনীর মানবিক আচরণের উদাহরণ।
অতঃপর সকাল ৯টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী পশ্চিম ও দক্ষিণ দিক থেকে প্রতিআক্রমণ শুরু করে। সুবেদার ওহাবের এমজি ও এলএমজি পোস্ট থেকে গুলি ও মর্টার বর্ষণে শত্রু ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে পিছু হটে যায়। এরপর শুরু হয় আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আর্টিলারি গোলাবর্ষণ, যা অধিকাংশই খাল ও বিলের পানিতে গিয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের কেউ হতাহত না হলেও তাদের দৃঢ় অবস্থান শত্রুকে হতাশ করে।
দুপুরে শত্রু ৪টি হেলিকপ্টার নিয়ে আকাশ থেকে গুলি বর্ষণ করে। এই হামলায় কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হলেও মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত থাকে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও সুবেদার ওহাব পরে হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করে যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠান।
এই অভিযানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৫০-৫২ জন নিহত ও ৫০-৫৫ জন আহত হয়, যার মধ্যে ২ জন অফিসারও ছিলেন। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একক অভিযানে শত্রুপক্ষের সর্বাধিক হতাহতের অন্যতম নজির। পাকিস্তানি সেনারা পরবর্তীতে সুবেদার ওহাবকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরিয়ে দিলে ৫০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে।
দেউশ-মন্দভাগ অভিযান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়—যেখানে সুবেদার ওহাবের নেতৃত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের কৌশল, সাহস ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করেছিল যে আধুনিক অস্ত্র নয়, স্বাধীনতার অদম্য আকাঙ্ক্ষাই বিজয়ের মূল শক্তি।
মন্তব্য করুন


গত ২৬ জুন কুমিল্লা মুরাদনগরের পঞ্চকিট্রি
ইউনিয়নের বাহারচর গ্রামে এক হিন্দু নারীর সাথে অশোভনীয়
ঘটনা ঘটে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা
যায় যে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে একই
গ্রামের এবং পূর্বপরিচিত মোঃ ফজর আলী (৩২) এর সাথে উক্ত নারী ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে
পড়েন। একই সাথে ফজর আলীর ছোট ভাই শাহপরান এর সাথেও তার (ভুক্তভোগী) সখ্যতা গড়ে উঠে।
ঘটনার দিন রাতে বড় ভাই ফজর আলী উক্ত
নারীর ঘরে অবস্থানকালে ছোট ভাই শাহপরান ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘরে ঢুকে তাদেরকে
মারধর করে এবং ভিডিও ধারণ করে।
উক্ত মারধরের ফলে ফজর আলী আহত হয়ে
প্রথমত কুমিল্লা এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে
গত ২৭ জুন উক্ত নারী মুরাদনগর থানায় ধর্ষণের
অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে তিনি (ভুক্তভোগী)
ডাক্তারী পরীক্ষা করাতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী যথেষ্ট তৎপর রয়েছে
এবং মোঃ ফজর আলীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
এছাড়া ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশোভন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে
ইতোমধ্যে সর্বমোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, বিষয়টি
ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত এবং পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে।
এখানে
বল প্রয়োগ, দরজা ভাঙ্গা বা ধর্ষণের সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত
হয়নি। তথাপি প্রকৃত ঘটনাটি তদন্তের পূর্বেই অশোভন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ছড়িয়ে দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে
অনাকাঙ্খিত। তবে আইন প্রযোগকারী সংস্থা কর্তৃক দুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন
পূর্বক দোষীদের অচিরেই শাস্তির আওতায় আনা
হবে বলে আশা করা যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৯ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (১২
ডিসেম্বর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন তৈলকুপি দক্ষিণ বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান
পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী মোঃ রাহাদ নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ রাহাদ (১৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মনিপুর গ্রামের মোঃ জাহাঙ্গীর আলম
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার
বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার চান্দিনায় একটি ফুড প্রডাক্ট
কোম্পানিকে অবৈধভাবে ড্রামের সয়াবিন তেল বোতলজাত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও ভেজাল
পণ্য উৎপাদনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
কুমিল্লা।
আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) উপজেলার হারঙ
ইউনিয়নের উদিলার পাড় এলাকায় “রহমান কনজিউমার ফুড প্রডাক্ট লিমিটেড”-এর কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ড্রামের
সয়াবিন তেল কোনো প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়াই বোতলে ভরে সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি
করছে। এছাড়া, “রূপচাঁদা”
ব্র্যান্ডের নকল মোড়ক ব্যবহার করে ভোক্তাদের প্রতারণা করা হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটি “কেওড়া
জল” নামে একটি পণ্য তৈরি করছে, যাতে সুগন্ধি
ও সাধারণ পানি মিশিয়ে লেবেলবিহীনভাবে বাজারজাত করা হয়। পাশাপাশি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে
খাদ্যপণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীনে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যবিধি ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।
উক্ত অভিযান সহযোগিতা করেন বিএসটিআই’র ফিল্ড অফিসার ইকবাল আহমেদ, জেলা স্যানিটারি
ইন্সপেক্টর মো. শওকত আলী, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি
টিম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার মতো কুমিল্লা
জেলাতেও চলছে শিক্ষার্থীদের বাজার মনিটরিং।
শনিবার ১১ই আগস্ট কুমিল্লা জেলা ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের নিয়ে করেছে বাজার মনিটরিং।
এদিন সকালে কুমিল্লার নিউমার্কেট এলাকায়
শিক্ষার্থীদের কে নিয়ে বিভিন্ন বাজার মনিটরিং করেন কুমিল্লা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য যেকোনো ধরনের কাজকে আমি ঈমানের অংশ মনে করি। আমি কাজ পাগল মানুষ, জনগণের কল্যাণ আমি আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।
শুক্রবার বিকেলে আমড়াতলী ইউনিয়নের মাঝিগাছায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে, দেশ এখন নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইশারায় লন্ডনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের ঐতিহাসিক বৈঠকই দেশকে নির্বাচনের দিকে নিয়ে গেছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই অবস্থায় আমাদের দোয়া করা ছাড়া কোন উপায় নেই। আসুন আমরা সবাই বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দুহাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করি।
তিনি আরো বলেন, গত ৩০ বছর আগে গোমতীর উত্তরের জনপদের চলাচলের জন্য আমি চাঁনপুর বেইলি ব্রিজ নির্মাণ করে। সিঙ্গেল লেনের এই ব্রিজে এখন প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে। আমি জানার পর পুনরায় আরেকটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য আবেদন করি। আবেদনের প্রেক্ষিতে চাঁনপুর ব্রিজের পাশে অপর আরেকটি ব্রিজ নির্মাণের বরাদ্দ পাশ হয়।
গোমতীর উত্তরের আমড়াতলী ও পাঁচথুবী নিয়ে আমার আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় শাখা, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পৃথক ক্যাম্পাস গোমতীর উত্তরে স্থাপন করার পরিকল্পনা আমার অনেক পুরনো। আল্লাহ আমাকে কবুল করেছে, দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দিয়ে আমার এই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের পথ সুগম করে দিয়েছে। আপনারা শুধু একটি ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করুন, উত্তরার জনগণকে কিভাবে সাজাতে হবে বাকিটা আমি দেখব।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, কুমিল্লাকে আমি মেট্রোপলিটন নগরীতে রূপান্তর করব। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সীমানা উত্তরে বুড়িচং পর্যন্ত, পূর্বে গোলাবাড়ি পর্যন্ত এবং পশ্চিমে ক্যান্টনমেন্ট নাজিরা বাজার পর্যন্ত বৃদ্ধি করব। আমার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এখন প্রয়োজন আপনাদের দোয়া ও ভোট।
আমড়াতলী ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কৃষক দলের সভাপতি মোস্তফা জামান, মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বপন, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, জেলা কৃষক দলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক সেলিম রুবেল, মহানগর বিএনপি নেতা আবু হানিফ, সোহেল মজুমদার, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাদিমুল ইসলাম শিশির, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ দক্ষিন জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ খোকা, সদর দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সমন্বয়ক নুর মোহাম্মদ মজুমদারসহ দক্ষিণ জেলার নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের চক্রকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ।
গতকাল (২৮
মার্চ) বিকেলে সুমন (৩৪) নামক ব্যক্তি কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হয়ে
জানান, তার
ভাই আলাউদ্দিন রং মিস্ত্রির কাজ করে। কাতার যাওয়ার জন্য (২৮
মার্চ) সকাল ১১ টায় তার নিজ বাসা থেকে রেইসকোর্সে
এলাকায় প্রবাসী জনশক্তি অফিসে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার জন্য বাহির হলে
কে বা কারা তাকে অপহরণ পূর্বক আটকে রেখে আটক ব্যক্তির নম্বর থেকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন
প্রকার হুমকি ধমকী দিয়ে ১,০০,০০০ (এক
লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে এবং চাঁদা না দিলে ভিকটিমের নামে
মিথ্যা মামলা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরাইয়া দিবে বলে হুমকী দিচ্ছে।
সংবাদ
পেয়ে সম্মানিত পুলিশ সুপার,
কুমিল্লার নির্দেশনায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ উক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধারে কাজ
শুরু করে।
কোতয়ালী
মডেল থানার এস.আই জীবন রায় চৌধুরী তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আটক রাখার স্থান
সনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা
করে ভিকটিম আলাউদ্দিনকে রাতে উত্তর রেইসকোর্স,
ধানমন্ডি রোড(বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মজুমদার এর মাজেদা কুটির নামীয়
৬ষ্ঠ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলায় ২ নং আসামীর ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িত
চক্রের দুই নারী এবং একজন পুরুষ সদস্যকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো-
১।
পারভীন আক্তার @ হুমায়রা(২৮), পিতা-মৃত
শানু মিয়া, মাতা-মৃত
হাসেনা বেগম, সাং-চারিপাড়া(উত্তর পাড়া, হারুন মেম্বারের বাড়ী), থানা-ব্রাহ্মনপাড়া,
জেলা-কুমিল্লা, এ/পিসাং-নানুয়া
দিঘীর দক্ষিন পাড়(মনির হোসেন এর ৬ তলা ভবনের ৩য় তলার ভাড়াটিয়া), থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
২।
শাহেনা বেগম(৩৮), স্বামী-কবির
আহমদ, সাং-ধান্যদৌল(কাজী
বাড়ী), ৫নং
ওয়ার্ড, থানা-ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা-কুমিল্লা, এ/পি সাং-উত্তর
রেইসকোর্স, ধানমন্ডি
রোড(বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মজুমদার এর মাজেদা কুটির নামীয় ৬ষ্ঠ তলা
বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলার ভাড়াটিয়া),
থানা-কোতয়ালী মডেল,
জেলা-কুমিল্লা।
৩।
মোঃ মশিউর রহমান টিপু(৪৫),
পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ,
মাতা-ফাতেমা বেগম,
সাং-কাপ্তান বাজার(বেপারী পুকুর পাড়,
বড় বাড়ী), থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
পুলিশ
জানান, উক্ত চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে
প্রলোভনের মাধ্যমে নিজেদের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে চাদা আদায় করে
আসছিলো।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লা এর কোতয়ালী মডেল থানায় প্রতারণামূলক চাদাবাজির মামলা দায়ের
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া কমিটির উদ্যোগে ১৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে কমিটির প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক প্রকৌশলী রনি মিনহাজ ও মো. ফরহাদ হোসেন, সদস্য সচিব জনাব আলম রওশন, মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আল আমীন, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ও নুরুল আমিন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম সচিব মুশফিক আহমেদ, মুশফিকুর রহমান স্বপন, দাউদ ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সংগঠক মো. ফয়সাল গাজী, আজহার উদ্দিন সৈকত, শহিদুল ইসলাম, রায়হান হোসাইন, নির্বাহী সদস্য সাইফুল ইসলাম মাসুম, ইয়াকুব আলী, আতিকুর রহমানসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল সদস্যবৃন্দ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ডায়াস্পোরা কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর চৌধুরী আকাশ এবং আইটি বিষয়ক সদস্য মুশফিকুর রহমান রিয়াজ।
আলোচনা সভায় সদস্যদের দায়িত্ব বন্টন করে দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, প্রবাসীদের মধ্যে সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, নতুন সদস্য সংগ্রহ বৃদ্ধি, সাংগঠনিক প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ও ESKL এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভা শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন “এনসিপি মালয়েশিয়া কমিটি প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করে যাবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নাগরিক অধিকারের প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
মন্তব্য করুন