

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধরের পাশাপাশি চাইনিজ কুড়াল দিয়ে পায়ে আঘাত করলে কুড়ালটি তার পায়ে বিদ্ধ হয়ে আটকে যায়। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জগন্নাথপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত জাহাঙ্গীর হোসেন জগন্নাথপুর এলাকার বাবা শাহ বাড়ির মৃত সাজু সরদারের ছেলে।
জানা যায়, এলাকায় মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার ছিলেন জাহাঙ্গীর। ঘটনার দিন তিনি কথিত কিশোর গ্যাং সদস্য বাদলকে মাদক ব্যবসা না করার জন্য নিষেধ করেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাদল, স্বাধীন, সৌরভসহ ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল জাহাঙ্গীরের ওপর হামলা চালায়।।পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার পায়ে বিদ্ধ থাকা কুড়াল অপসারণের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল জানান, হামলাকারীরা প্রথমে তাকে মারধর করে। পরে ধারালো চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তার পায়ে আঘাত করলে কুড়ালটি পায়ের ভেতরে বিদ্ধ হয়ে আটকে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছি। আজও মাদক ব্যবসা না করার জন্য নিষেধ করেছিলাম। এর জের ধরে তারা দলবদ্ধভাবে আমার ওপর হামলা চালায় এবং কুড়াল দিয়ে আঘাত করে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের সব জেলা ও মহানগরে দলটির নতুন আমিরের নাম ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকে নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঢাকায় মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনিই নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা করেছেন।
এ সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি লাভ করেছে। হাজার হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এখনো চিকিৎসা চলা অবস্থায় অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তিনি হতাহতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা ও মহানগরে আমির হলেন যারা :
পঞ্চগড়ে মো. ইকবাল হোসাইন, ঠাকুরগাঁওয়ে বেলাল উদ্দিন প্রধান, দিনাজপুরে আনিছুর রহমান, নীলফামারীতে আব্দুস সাত্তার, লালমনিরহাটে আবু তাহের, রংপুর মহানগরে মাওলানা এ টি এম আযম খান, রংপুর জেলায় মো. গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রামে মাওলানা মো. আবদুল মতিন ফারুকী, গাইবান্ধায় মো. আব্দুল করিম সরকার, জয়পুরহাটে ডা. ফজলুর রহমান সাইদ।
বগুড়া শহরে মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া জেলায় মাওলানা আবদুল হক সরকার, সিরাজগঞ্জে মাওলানা মো. শাহিনুর আলম, পাবনায় মো. আবু তালেব মন্ডল, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাওলানা মো. আবুজর গিফারী, নওগাঁয় মো. আব্দুর রাকিব, রাজশাহী মহানগরে মো. কেরামত আলী, রাজশাহী জেলায় আবদুল খালেক, নাটোরে মীর নুরুল ইসলাম, মেহেরপুরে মো. তাজউদ্দীন খান, কুষ্টিয়ায় মো. আবুল হাশেম, চুয়াডাঙ্গায় মো. রুহুল আমিন।
ঝিনাইদহে আলী আজম মো. আবু বকর, যশোরে মো. গোলাম রছুল, মাগুরায় এম বি বাকের, নড়াইলে মো. আতাউর রহমান, বাগেরহাটে মাওলানা রেজাউল করিম, খুলনা মহানগরে মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, খুলনা জেলায় মাওলানা মুহা. এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরায় শহীদুল ইসলাম।
বরগুনায় মাওলানা মো. মহিববুল্লাহ, পটুয়াখালীতে নাজমুল আহসান, ভোলায় মুহা. জাকির হোসেন, বরিশাল মহানগরে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল জেলায় মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ঝালকাঠিতে হাফিজুর রহমান, পিরোজপুরে তাফাজ্জল হোসাইন।
জামালপুরে মাওলানা আব্দুস সাত্তার, শেরপুরে মাওলানা হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ মহানগরে মাওলানা কামরুল আহসান, ময়মনসিংহ জেলায় আবদুল করিম, নেত্রকোনায় ছাদেক আহমাদ।
কিশোরগঞ্জে মো. রমজান আলী, ঢাকা মহানগর উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণে নূরুল ইসলাম বুলবুল, টাঙ্গাইলে আহসান হাবিব, মানিকগঞ্জে মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম, ঢাকা জেলায় মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, গাজীপুর মহানগরে মুহা. জামাল উদদীন, গাজীপুর জেলায় মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুন্সিগঞ্জে মাওলানা আ জ ম রুহুল কুদ্দুস, নারায়ণগঞ্জ মহানগরে মুহাম্মদ আবদুল জব্বার, নারায়ণগঞ্জ জেলায় মো. মমিনুল হক সরকার, নরসিংদীতে মাওলানা মো. মোছলেহুদ্দিন, রাজবাড়ীতে মো. নূরুল ইসলাম, ফরিদপুরে মাওলানা মুহাম্মদ বদরুদ্দীন, গোপালগঞ্জে রেজাউল করিম, মাদারীপুরে মাওলানা মোখলিসুর রহমান, শরীয়তপুরে মাওলানা আবদুর রব হাশেমী।
সুনামগঞ্জে মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, সিলেট মহানগরে মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলায় মাওলানা হাবীবুর রহমান, মৌলভীবাজারে মো. শাহেদ আলী, হবিগঞ্জে মাওলানা মোখলিসুর রহমান।
চট্টগ্রাম মহানগরে শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তরে আলাউদ্দিন শিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণে আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজারে মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়িতে সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন, রাঙামাটিতে মোহাম্মদ আবদুল আলীম এবং বান্দরবানে এস এম আবদুছ
ছালাম আজাদ।
কুমিল্লা মহানগরে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কুমিল্লা উত্তরে মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা দক্ষিণে মো. শাহজাহান, চাঁদপুরে মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজী, ফেনীতে মুফতি আবদুল হান্নান, নোয়াখালীতে মো. ইছহাক খন্দকার, লক্ষ্মীপুরে রুহুল আমিন ভূঁইয়া।
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি
করা হয়েছে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত
১টার পরে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিয়ে ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক
ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে উদ্ধৃত করে বিএনপির মিডিয়া
সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ
অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপার্সনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।
মন্তব্য করুন


টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠের দখলকে কেন্দ্র
করে যোবায়ের ও সাদপন্থিদের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক।
তাবলিগ জামাতের যোবায়েরপন্থিদের মিডিয়া
সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান ও মাওলানা সাদপন্থিদের মিডিয়া সমন্বয়ক আবু সায়েম বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত
৩টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। নিহতরা হলেন আমিনুল
ইসলাম বাচ্চু (৫৫), বেল্লাল হোসেন (৬০) ও তাইজুল ইসলাম(৭০)।
আহতরা হলেন- আ. রউফ (৫৫), মজিবুর রহমান
(৫৮), আ. হান্নান (৬০), জহুরুল ইসলাম (৩৮), আরিফ (৩৪), ফয়সাল (২৮), তরিকুল (৪২), সাহেদ
(৪৪), উকিল মিয়া (৫৮), পান্ত (৫৫) টঙ্গী, খোরশেদ আলম (৫০) বেলাল (৩৪), আনোয়ার (৫০),
আবু বক্কর (৫৯), আরিফুল ইসলাম (৫০), আনোয়ার (২৬), আনোয়ার (৭৬), ফোরকান আহমেদ (৩৫),
আ. রউফ (৫৫) মজিবুর রহমান (৫৮), আ. হান্নান (৬০), জহুরুল ইসলাম (৩৮), আরিফ (৩৪), ফয়সাল (২৮), তরিকুল (৪২), সাহেদ (৪৪)।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক , কুমিল্লা
তরুণদের সামাজিক, মানবিক ও জাতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করা সংগঠন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার ৩২ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সুসংগঠিত করতে একটি উপদেষ্টা মণ্ডলীও গঠন করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আমিনুর ইসলাম ইমন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আল মিরাজ , তাদের স্বাক্ষরিত তে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলীতে রয়েছেন কুমিল্লা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন।
ঘোষিত কমিটিতে আব্দুল্লাহ আল বাকীকে আহ্বায়ক, মো. আব্দুস সালামকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মো. শিপন আলীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংগঠনের নেতারা জানান, তরুণদের সামাজিক, মানবিক ও জাতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ কাজ করে যাচ্ছে। নবগঠিত কমিটি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, স্বেচ্ছাসেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণ এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তারা আরও বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং সমাজ উন্নয়নে তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার প্রতিটি ইউনিটকে সক্রিয় করে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
মন্তব্য করুন


ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের লড়াই এখনো চলমান রয়েছে। আমরা
অবশ্যই আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করব এবং মাতৃভূমিকে নতুন করে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু
করে দাঁড় করাব।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় যুব
পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জাতীয় যুব দিবস- ২০২৪ উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া
মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।
উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের তরুণ, যুবক ও ছাত্ররা
জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পৃথিবীকে একটি নতুন পথ দেখিয়েছেন। পুরো পৃথিবী এখন দেখতে
চায়, এই তারুণ্য, এই যুবশক্তি বাংলাদেশকে এরপর কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী। আমরা
বলি, তারুণ্য হবে দেশের চালিকাশক্তি। আমরা বলেছিলাম বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন
আমরা দেখছি। সেই স্বপ্ন আজ বাংলাদেশের সবাই দেখছে। এবং তরুণদের এ স্বপ্ন বাংলাদেশে
পূরণ হবে, সেটিই সবার প্রত্যাশা। যুব অধিদপ্তর এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনেক
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। আমরা আশা করব, নতুন বাংলাদেশে সেই ভূমিকা তারা পালন করবে।তরুণরা
বাংলাদেশকে নতুন করে পথ দেখিয়েছেন। ফলে বাংলাদেশের সব ক্ষেত্রে তরুণরা নেতৃত্বে আসবেন,
সেটিই সবার প্রত্যাশা। রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি সব কিছুতেই তরুণরা নেতৃত্বে আসার জন্য
প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যে প্রজন্ম রক্ত দিয়েছে, স্বপ্ন দেখিয়েছে, সেই প্রজন্ম স্বপ্নও
পূরণ করতে পারে, তা প্রমাণ করতে হবে। আমাদের এ সামষ্টিক অগ্রযাত্রায় সবার সহযোগিতা
পাব, সবাই তরুণদের জায়গাটি করে দেবেন, আমাদের এমন প্রত্যাশা থাকবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর সভাপতিত্বে
ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান স্বাগত বক্তব্য
দেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম
ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সফল যুব উদ্যোক্তাদের
হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট
বন্যায় বিপর্যস্ত দেশের ৯ জেলা। এমন অবস্থায় পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য
হটলাইন নম্বর চালু করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) ফায়ার সার্ভিস
সদর দপ্তরের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়েছে, সারা দেশের বন্যাকবলিত
এলাকার উদ্ধারকাজ বিষয়ে যেকোনো সেবার জন্য ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ১০২ এবং কেন্দ্রীয়
নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নিয়মিত ফোন নম্বর ০২২২৩৩৫৫৫৫৫ চালু থাকবে। পাশাপাশি মনিটরিং সেলে
সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ০১৭১৩-০৩৮১৮১ মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা যাবে। এর পাশাপাশি
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করেও ফায়ার সার্ভিসের এ সংক্রান্ত সেবা নেওয়া যাবে।
মনিটরিং সেলের পাশাপাশি বন্যাকবলিত
এলাকার ফায়ার স্টেশনগুলো এবং বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টা দুর্যোগে উদ্ধারবিষয়ক
সেবা নেওয়া যাবে।
গতকাল বুধবার বিকেল ৫টা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে
অধিদপ্তরে স্থাপিত এই মনিটরিং সেলের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামীতে আইনকানুন এবং সংস্কারের মাধ্যমে
নির্বাচনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কেউ জিতলে পরাজিত
বা অন্যরা আর সন্দেহ করবে না। ভাববে না যে, কলকাঠি নেড়ে কাউকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (ফেব্রুয়ারি ১৫) রাজধানীর
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তিনি এসব কথা
বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ
মানে নতুন নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠন হবে তার ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন
তুলবে না। সেটার ব্যাপারে আইনকানুন সবার জানা থাকবে, এটা নড়চড় করার উপায় কারো থাকবে
না। আইনকানুন বানানোর পরে সেটা নড়চড় করার সুযোগ থাকবে না সেজন্যই এত বড় কমিশন করতে
হয়েছে। এই যে আইনকানুন, নীতিমালা বানিয়ে দেব। একবার বানিয়ে দিলে তারপর থেকে চলতে থাকবে।
একটা ট্র্যান্সপারেন্ট খেলা হবে। খেলায় জিতলে কেউ সন্দেহ করবে না যে কেউ জিতিয়ে দিয়েছে।
এতো ট্রান্সপারেন্ট যে, কেউ সন্দেহ করবে না।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, এখন
যে খেলা চলছে, ঠিকমতো জিতলেও সন্দেহ করে। বলে কিছু একটা কলকাঠি নেড়ে করেছে। এই কলকাঠি
নাড়ার বিষয়টি আমাদের মনের ভেতর গেঁথে গেছে। কলকাঠি ছাড়া যে দেশ একটা নিয়মে চলতে পারে
সেটা আমরা ভুলে গেছি।
সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি
বলেন, এটা সবার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন আমরা এমন মজবুতভাবে বানাব যা সবাই মেনে চলবে। এই
মেনে চলার মাধ্যমে আমরা একটা সুন্দর সমাজ, সুন্দর রাষ্ট্র উপহার দিতে পারব। সেই উদ্দেশ্যেই
আজকের সভা।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রচণ্ড
সুযোগ এখন। সুযোগ এজন্যই যে, আমাদের মধ্যে ঐকমত্য সৃষ্টি হলে আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে
পারি এমন পর্যায়ে আছি আমরা। একবার কাজে লাগালে সেটা বংশ, প্রজন্ম ও পরম্পরায় সেটা চলতে
থাকবে। একটা সুন্দর দেশ আমরা পাব। এই ভাবনা থেকেই আমরা এগুলো গ্রহণ করব।
অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন অধ্যায় শুরু
হয়েছে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে প্রথম ইনিংস
বা প্রথম অধ্যায় শেষ হয়েছে। আজ রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমে দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হলো।
আলোচনাটা কত সুন্দর হবে, কত মসৃণ হবে সেটা আপনাদের ওপর নির্ভর করবে। আমাদের পক্ষ থেকে
আমরা সুপারিশগুলো উপস্থাপন করবো। কমিশনের সদস্যরা এখানে রয়েছেন এগুলো ব্যাখ্যা করার
জন্য, চাপিয়ে দেওয়ার জন্য না। চাপানোর ক্ষমতা আমাদের নাই। আমরা শুধু আপনাদের বোঝানোর
জন্য।
সংস্কার বাস্তবায়ন সবার দায়িত্ব উল্লেখ
করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনাদের সহযোগিতা চাই এটা বলব। কারণ, এটা
আপনাদের কাজ। এটা আমার কাজ না, একার কাজ না। যেহেতু আপনারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন
আপনাদের বলতে হবে সমাজের কল্যাণে কোন কোন জিনিস করতে হবে, কীভাবে করতে হবে। যেটা এক্ষুণি
করা যাবে বলবেন। যেটা এক্ষুণি করা দরকার, সামান্য রদবদল থাকলে সেটা করে দেন। আমরা শুধু
সাচিবিক কাজগুলো আপনাদের করে দিলাম। আমরা একটা লন্ডভন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব
নিয়েছি। চেষ্টা করেছি এটাকে কোনোরকমে সফল করতে। এই ৬ মাসের যে অভিজ্ঞতা সেটা আমাদের
সবাইকে প্রচণ্ড সাহস দেবে। এই ৬ মাসের অভিজ্ঞতা হলো, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ,
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ সবাই সমর্থন দিয়েছে এই অন্তর্বর্তী সরকারকে।
কাজেই আমরা প্রথম পর্বের পর দ্বিতীয় পর্বে এলাম। ২য় পর্বে যেন আমরা আনন্দের সঙ্গে,
খুশি মনে সম্পন্ন করতে পারি।
মন্তব্য করুন


৪৬তম
বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত
অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৮ জানুয়ারি) পিএসসি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পরীক্ষা
নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩
এর প্রিলিমিনারি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক আগামী ৯ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০টা
থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও
ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট
গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে
এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
৪৬তম
বিসিএসে মোট পদ ৩ হাজার ১৪০টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে।
এর পরপরই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে।
২৩
সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে ৪৬তম বিসিএসের আবেদন শুরু হয়। এ বিসিএসে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন
জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৭ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলির অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এদিকে বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা সময় সংবাদকে জানান, চল্লিশের বেশি পঞ্চাশের কম সংখ্যক ইউএনওকে আজ বদলি করা হতে পারে।যারা এক বছরের বেশি ইউএনও হিসেবে কর্মস্থলে ছিলেন তাদেরই বদল করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সব ইউএনওকে বদলির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।সে নির্দেশনার আলোকেই ৪৭ ইউএনওর বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশ করে। এরপর নির্বাচন কমিশন বদলির অনুমোদন দেয়।
জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পেয়েছেন কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,এ ব্যাপারে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাইনি। নির্বাচন কমিশন আমাদের যা করতে বলবেন, আমরা তা-ই করব বলে জানিয়েছেন তিনি। ২০০ জনের মতো ইউএনও বদলি হতে পারেন। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বদলির বিষয়ে প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।
গত ৩০ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠায়। এতে বলা হয়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পর্যায়ক্রমে বদলি করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে যে সব ইউএনওর বর্তমান কর্মস্থল এক বছরের বেশি চাকরিস্থল সম্পন্ন হয়েছে তাদের অন্য জেলায় বদলির প্রস্তাব আগামী মঙ্গলবারের (৫ নভেম্বরের) মধ্যে নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে।
গত ১৫ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর থেকে বাছাই শুরু হয়েছে, বাছাই চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর। এবং আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন