

কুমিল্লায় বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে দুইদিনে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার (২১ আগস্ট) মারা যান তিনজন, সোমবার (১৯ আগস্ট) মারা গেছেন একজন।
এদের মধ্যে দুইজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ও একজনের মাথায় গাছ পড়ে এবং একজন পানিতে তলিয়ে মারা যান।
জেলার নাঙ্গলকোটে বন্যার পানিতে তলিয়ে কেরামত আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি মারা যান। বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তিনি পৌরসভার দাউদপুর এলাকার বাসিন্দা।
বুধবার মধ্যরাতে মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় একটি ব্রিজের নিচে তলিয়ে যান কেরামত আলী। প্রবল স্রোতে অদৃশ্য হয়ে গেলে স্থানীয়রা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিছু সময় পর ঘটনাস্থলের অদূরে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দেব দাস দেব বলেন, কেরামত আলীকে রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ নিয়ে যান। তিনি মাছ ধরতে গিয়ে পিছলে পড়ে স্রোতের কারণে আর উঠতে পারেননি বলে জানতে পেরেছি।
বুধবার বিকেলে বৃষ্টির মধ্যে বৈদ্যুতিক পিলারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাফি (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সে নগরীর ছোটরা এলাকার বাসিন্দা।
কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক যোবায়ের হোসেন তার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চৌদ্দগ্রামে বন্যার পানিতে মাছ ধরার সময় মাথায় গাছ পড়ে শাহাদাত হোসেন (৩৪) নামের এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ আগস্ট) সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সোনাকাটিয়া (আদর্শ গ্রাম) পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার সোনাকাটিয়া গ্রামের কানু মিয়ার ছেলে।
এর আগে সোহরাব হোসেন সোহাগ নামে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে কুমিল্লা নগরীর সালাউদ্দিন মোড়ে ওই আইনজীবী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রেখে বের হলে বৃষ্টির পানিতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে যান তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে জেলার
চম্পকনগর এলাকায় বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে জাল টাকার একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য
জলালকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি হলেন- কুমিল্লা আদর্শ সদর চম্পকনগর
এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মোঃ আজহার উদ্দিন (জলাল)।
অভিযান চলাকালীন তার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জাল
টাকা, একটি বাটন ফোন এবং একটি শটগানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিকে
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে
হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ অভিযানকে এলাকাবাসী স্বাগত জানিয়েছে এবং আর্মি ক্যাম্পের এমন তৎপরতায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই তীরে গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ছয় (৬) মাসের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ রবিবার (৩ আগষ্ট) দুপুরে বিচারপতি মজিবুর রহমান ও বিচারপতি বশির উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত আদেশে বলেছেন, গোমতী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় যেকোনো ধরনের দখলদারিত্ব কঠোরভাবে দমন করতে হবে। আদালত আরও বলেন, এই নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং জনস্বার্থের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।
এই রিটের আবেদনকারী ছিলেন নদী রক্ষা ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মী আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া। রিটকারীর পক্ষে শুনানী করেন, সিনিয়র আইনজীবী
মনজিল মোর্শেদ।
তিনি বলেন, “গোমতী নদী এখন দখলদারদের দখলে চলে গেছে। নদী চিহ্নিত করে সীমানা নির্ধারণ সত্ত্বেও সেখানে গড়ে ওঠেছে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও বাড়িঘর।”
তিনি আরও বলেন, “আদালতের এই রায় শুধু গোমতী নয়, দেশের সব নদী রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা আশা করছি প্রশাসন এখন আর দখলদারদের সঙ্গে আপস না করে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করবে।”
আদালতের নির্দেশে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, অন্যান্য সরকারি দপ্তরগুলোকে এই ছয় মাসের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্ত
রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর সফল অভিযানে ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করা হয়েছে।
১৪ মার্চ রাত ১টায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
আওতাধীন বিবির বাজার বিওপির কটকবাজার পোষ্টের একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক
ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পালপাড়া নামক স্থানে সীমান্ত শূন্য
লাইন থেকে আনুমানিক ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬,৭৭০ কেজি
অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত চাউলের বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ারবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ ইউটার্নের পরিবর্তে নিরাপদ ও প্রশস্ত একটি নতুন ইউটার্ন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ের সামনে থাকা ইউটার্নটি থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ মিটার দূরে নতুন ইউটার্ন তৈরি করা হবে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা সড়ক নিরাপত্তা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান, কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ২৩ বীরের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা, বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আলম, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, চান্দিনা ও দাউদকান্দি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা।
জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার বলেন, “নতুন ইউটার্নগুলো আরও প্রশস্ত করে নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি নতুন ইউটার্ন এলাকায় একটি করে লেন বৃদ্ধি করা হবে, যাতে যানবাহন নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
সভায় আরও জানানো হয়, মহাসড়কের পাশে থাকা হোটেল-রেস্টুরেন্ট বা ফুয়েল স্টেশনের সামনে থেকে বাস কাউন্টার সরাতে হবে।পদুয়ারবাজারের দক্ষিণ পাশে ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে সব ধরনের বাস কাউন্টার ও স্টপেজ অপসারণ করা হবে।
আলেখার চর এলাকায় শহরমুখী লেনে প্রবেশ করা বাসগুলোর জন্য যুদ্ধজয় ভাস্কর্যের দক্ষিণ পাশে আরেকটি নিরাপদ ইউটার্ন নির্মাণ করা হবে।এছাড়া সভায় জানানো হয়, পদুয়ারবাজারে চলমান ইউলুপ প্রকল্পের ২৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মোট ৫৭টি আপত্তির মধ্যে একটি শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বাকি সব আপত্তির শুনানি শেষ করে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ারবাজারে ইউটার্নে প্রাইভেটকারের ওপর কাভার্ডভ্যান উল্টে গিয়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হন। ঘটনার পরপরই ইউটার্নটি বন্ধ করে দয়াপুর ইউটার্ন দিয়ে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নতুন ইউটার্ন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থাই বহাল থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদন:
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে খেলায় অংশ নেন প্রাক্তন ফুটবলার, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় প্রীতি ম্যাচের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সাইফুল ইসলাম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ আফাজ উদ্দিন, এডহক কমিটির সদস্য আহসান উল্লাহ স্বপন, আরিফ খান, খালেদ সাইফুল্লাহ, মাহির তাজওয়ার ওহি।
প্রীতি ফুটবল ম্যাচে লাল দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, সবুজ দলের অধিনায়ক ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম।
কাকভেজা বৃষ্টিতে খেলায় মেতে উঠেন বিভিন্ন পেশার এ মানুষেরা।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর দুই হাজার তেইশ-চব্বিশ সেশনের নবীন বরণ ও দুই হাজার বিশ-একুশ সেশনের শিক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং জমকালো কসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কনসার্টে অতিথি শিল্পী ছিলেন দেশের অন্যতম ব্যান্ডদল হাইওয়ে। শিক্ষার্থীরা আনন্দ উল্লাস ও নেঁচে গেয়ে, দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখে।
এর আগে সকালে সিসিএন শিক্ষা পরিবারের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সচিব ড. সানোয়ার জাহান ভূইয়া।
সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো: তারিকুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক (উপ-সচিব) কাজী ফারুক আহমদ, কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো: লুৎফর রহমান। মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর অধ্যক্ষ প্রকৌশলি মো: আমিনুল ইসলাম চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি;
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুমিল্লা জেলায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। পূজা উৎসবকে ঘিরে উদ্ভূত যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন শ্রী শ্রী রাজরাজেশ্বরী কালী বাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে।
মেজর সাদমান বলেন, “পূজা মণ্ডপে র্যাবের নিয়মিত টহল, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ এবং জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল টহল পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শহরসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ টহলের ব্যবস্থা থাকবে।”
মেজর সাদমান আরও জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় র্যাব সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ। পূজার সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে স্বাভাবিক থাকে সেজন্য র্যাবের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
এবারের দুর্গাপূজায় কুমিল্লা জেলার ৮১২টিরও বেশি পূজা মণ্ডপ বসছে। প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাবের সদস্যরা নিয়মিত টহল ও পর্যবেক্ষণে থাকবেন। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে থাকবে কন্ট্রোল রুম, মেটাল ডিটেক্টর এবং হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার।
সাংবাদিকদের মাধ্যমে মেজর সাদমান কুমিল্লার সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানান, পূজার সময়ে সন্দেহজনক কিছু দেখলে বা কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে সাথে সাথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে। “নিরাপত্তা শুধু বাহিনীর একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেন তিনি জানান ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ রিজিয়ন মহাসড়কের শৃঙ্খলা আনয়ন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
সোমবার ১২ই আগস্ট হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের এডিশনাল ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর নের্তৃত্বে কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানা ঢাকা-চট্রগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক এবং ঢাকা-সিলেট (কুমিল্লা রিজিয়নের অংশ) জাতীয় মহাসড়ক ও অন্যান্য আঞ্চলিক মহাসড়কে অবস্থান করে।
মহাসড়কের শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এ দায়িত্ব পালন চলমান থাকবে ।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, কুমিল্লা :
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বরুড়া মাটি ও মানুষের নেতা জাকারিয়া তাহের সুমন এর নিজ জেলা কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা আগমন উপলক্ষে মন্ত্রীকে নিজ বাড়ি সোনাইমুড়ীতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ জুয়েলারি এসোসিয়েশন (বাজুস) বরুড়া উপজেলা শাখার সভাপতি ও মেসার্স আল-মদিনা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে কুমিল্লা জেলা বরুড়া উপজেলা আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে মন্ত্রীর নিজ বাসভবনে ফুলেল শুভেচছা বিনিময় করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রীর ছোট ভাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বরুড়া উপজেলা শাখার সংগ্রামী সভাপতি কাউসার আহমেদ সেলিম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী ও কুমিল্লা সরকারি কলেজের অধ্যয়নরত ছাত্র এবং আল-মদিনা জুয়েলার্সের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজী রবিউল বুখারী রাইহান।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা–০৬ (সদর, সদর দক্ষিণ, সিটি কর্পোরেশন ও সেনানিবাস) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে টানা নয়দিন ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীতে বিশাল মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন বলে আয়োজকরা দাবি করেন।
সন্ধ্যায় টাউন হল মাঠ থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এরপর মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে এসে সমাবেশ করে। পুরো সমাবেশ ও মিছিলজুড়ে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন— “কুমিল্লা–৬ জনতার দাবি, ইয়াছিন ভাইয়ের মনোনয়ন এবার চাই”, “ত্যাগীর মর্যাদা দিতে হবে, ইয়াছিন ভাইকে মনোনয়ন দিতে হবে”,
"১৭ বছর যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "জেল জুলুম জামিনে যাকে পাই নেতা মোদের ইয়াছিন ভাই", "এই কুমিল্লার মাটি ইয়াছিন ভাইয়ের ঘাটি","এক দুই তিন চার মনির চৌধুরী, কুমিল্লা ছাড়", "উড়ে এসে নমিনেশন, মানি না মানবো না"।
মিছিলের একাধিক অংশে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা হাতে মশাল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দলের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে ইয়াছিনকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
সমর্থকরা জানান, গত ৩ নভেম্বর রাতে মহাসড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। পরদিন ৪ নভেম্বর নগরীর কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় মশাল মিছিল বের করা হয়। ৫ নভেম্বর নারী সমর্থকদের উদ্যোগে নারীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
৬ নভেম্বর নফল রোজা রেখে সমর্থকেরা সন্ধ্যায় গণ–ইফতারের আয়োজন করেন। ৭ নভেম্বর জুমার নামাজের পর নগরীর বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ৮ নভেম্বর কান্দিরপাড় পূর্বালী চত্বরে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে মনোনয়ন দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়।
৯ নভেম্বর কারা–নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীদের পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে হাজী ইয়াছিনের পক্ষে মানবিক ও রাজনৈতিক যুক্তি তুলে ধরা হয়। আর ১০ নভেম্বর স্থানীয় তরুণদের উদ্যোগে ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তারা ইয়াছিনকে “সৎ, ত্যাগী ও এলাকার উন্নয়ন–বান্ধব নেতা” হিসেবে তুলে ধরে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
টানা কর্মসূচির নবম দিনে অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবারের মশাল মিছিল। নেতাকর্মীদের দাবি, কুমিল্লা–৬ আসনে ত্যাগী, গ্রহণযোগ্য এবং শ্রমীচেতন রাজনীতিক হিসেবে হাজী ইয়াছিনই হচ্ছেন এলাকার মানুষের পছন্দের প্রার্থী।
নেতাকর্মীরা আরও জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন