

কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -১১, সিপিসি-২।
সোমবার রাতে র্যাব -১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ জনি (২৬) ও ২। মোঃ ইমন হোসেন রিয়াদ (১৯) নামক
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জনি (২৬) কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের মৃত আব্দুল রহিম এর ছেলে এবং ২। মোঃ ইমন হোসেন
রিয়াদ (১৯) একই গ্রামের বজল আহমেদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব -১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
গ্রেফতারকৃত ১ নং আসামী মোঃ জনি (২৬)
এর বিরুদ্ধে মাদক মামলাসহ মোট ২ টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
ঈদুল আজহার পর প্রথম কর্মদিবসে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। এ সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অনুপস্থিত পেয়ে তিনি বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।প্রথমে সোমবার (১ জুন) সকালে কুমিল্লা জেলা সাব-রেজিস্টার কার্যালয় পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য মনিরুল হক। সেখানে নির্ধারিত সময়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
পরে বেলা ১১টার দিকে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয়ে গিয়ে ভিন্ন চিত্র দেখতে পান এমপি।
তার ব্যক্তিগত সহকারী আনোয়ার হোসেন জানান, পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, কুমিল্লা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, প্রাক্কলনিক কর্মকর্তাসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত দেখতে পান এমপি।
এ সময় এমপি হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে কয়েকজন কর্মচারী তড়িঘড়ি করে স্বাক্ষর করেন। এমনকি একজনকে পাওয়া যায়, যিনি ঈদের আগে চার কর্মদিবসের স্বাক্ষর একসঙ্গে করেছেন। বিষয়টি এমপি তাৎক্ষণিক উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
সরেজমিনে আরও দেখা যায়, বেলা ১১টা পর্যন্ত দপ্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। অফিসের সাধারণ শাখা ছিল অপরিচ্ছন্ন। সরকারি অফিসের একটি কক্ষে গবাদিপশু রাখা হয়েছিল। এছাড়া ওয়াশরুমের কল খোলা থাকায় পানি পড়ে অফিস কক্ষের একটি অংশ ভেজা ছিল।
সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ‘নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, প্রাক্কলনিক কর্মকর্তা কেউই ছুটি ছাড়াই অফিসে আসেননি। এমনকি বেলা ১১টায় দপ্তরে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দেখা যায়নি।’
সার্বিক অবস্থা তাৎক্ষণিক জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লার বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিউল হক বলেন, ‘প্রাক্কলনিক কর্মকর্তা তারেক মোল্লা ছুটিতে রয়েছেন। আমার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, এখানেও অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমি গাড়িতে কুমিল্লা অফিসে আসতেছি৷’
এছাড়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন বিভাগীয় প্রকৌশলী
মন্তব্য করুন


‘বেতার ও জলবায়ূ পরিবর্তন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে বিশ্ব বেতার দিবস ২০২৫। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার কুমিল্লার কেন্দ্রে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও বিনামূলে মেডিক্যাল ক্যাম্প সহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাইয়ে বাংলাদেশ বেতার কুমিল্লার কেন্দ্রের আঙ্গিণা থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বেতার কেন্দ্রের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ বেতার কুমিল্লার কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক নিতাই কুমার ভট্টাচার্য।
পরে বেতার কেন্দ্রের মিলনায়তনে কেন্দ্রের আঞ্চলিক পরিচালক নিতাই কুমার ভট্টাচার্য এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক মাহফুজার রহমান, উপ-বার্তা নিয়ন্ত্রক তাপস চন্দ্র বোস, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগর শাখার আহবায়ক আবু রায়হান, ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসান সহ অন্যান্যরা।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
২৬ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী ইউ.পির শাহপুর
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ সোহেল (২৪) এবং ২। মোঃ মিজানুর
রহমান আলীম (৪০) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে
২,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সোহেল (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানার জালুয়াপাড়া গ্রামের মোঃ মফিজ এর ছেলে এবং আসামী মোঃ মিজানুর রহমান আলীম
(৪০) একই গ্রামের নুরুল হক এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত খোকন (৫০) কে আটক করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ।
ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ জুন ভোররাতে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে শনিবার (৪ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনায় আসে।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের দিকে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক মধ্যবয়সী নারীর কাছে সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। কিছুক্ষণ পর বাজারের এক পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে নারীটিকে দেখতে পান।
ভিডিও বিশ্লেষণ করে পুলিশ সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারসংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে খোকনকে (৫০) অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি এলাকায় জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত এবং একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানায়, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করে। পরে শনিবার সন্ধ্যায় জেলার বরুড়া উপজেলার ঝলম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা শেষে তাকে রোববার কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হবে।
এদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস জানায়, ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় শনাক্ত, তার চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার
জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে
সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important
Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।
২০২১ সালের এআইপি খেতাবে
ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার
আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত
কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।
২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭
জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের
সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ
সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে
এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়।
এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে-
মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন
জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার
পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে
Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি
হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার
সুবিধা পাবেন।
মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল
উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি
স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে
অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে
২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে
মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান
সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন
আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে
দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে
বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ
খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন
মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান
কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয়
দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।
বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের
পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার
টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন
করে দিয়েছেন।
এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী
পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি
প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম
ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি
উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ
তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও মাদক বিক্রির
নগদ টাকাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের একটি চৌকস টিম।
কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মীর সিরাজুল ইসলাম, এএসআই(নি:) মোঃ ইলিয়াস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে (৩ডিসেম্বর) মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭ টার সময় কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন শাহপুর পূর্বপাড়া মো: সহিদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ বোতল বিদেশি মদ, ৪৮ বোতল ফেনসিডিল, ৯৩ বোতলের স্কাপসিরাপ, ৭৯ বোতল বিয়ার, ৭৭৫ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ১০,৮২,০৭০ টাকাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো, কোতয়ালী মডেল থানার শাহপুর গ্রামের মৃত আবেদ আলীর ছেলে মো: আব্দুল সাত্তার (৫২) ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার লালমাই দক্ষিণ কাছার গ্রামের আব্দুল হাই এর ছেলে মোঃ পারভেজ (১৫)।
চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামী আব্দুল সাত্তার ও মোঃ পারভেজ এর বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের উদ্যোগে ‘ম্যাথ ফেস্ট ২০২৫’অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(২২ মে) সকাল সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী’র নেতৃত্বে র্যালি ও কেক
কাঁটার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুরু হয়।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. প্রদীপ দেবনাথ, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড.
খলিফা মোহাম্মদ হেলাল, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এবং বিভাগের বিভাগীয়
প্রধান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিমসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় এবং ২০২৩-২৪ বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
প্রধান
অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, আমি বিদায়ীদের উদ্দেশ্যে
নয়, আমি ম্যাথ ফেস্টে এসেছি। সবার উদ্দেশ্যে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছে। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের
কথা শুনে মনে হলো তোমরা বেশ আবেগী। প্রতিটি মানুষেরই আবেগ রয়েছে। এই আবেগকে সৎ পথে
কাজে লাগিয়ে জীবনকে সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে হবে। তোমরা গণিতে অধ্যয়ন করেছো, তোমরা কম্পিউটার
সায়েন্স, পরিসংখ্যান, এআইসহ সবজায়গায় বিচরণ করতে পারবে।
গণিত
বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমেই
ম্যাথ ফেস্টের আয়োজন করেছি। বছরের একটি দিন যাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা একত্রে হয়ে আনন্দ
করতে পারে তাই এই বর্ণাঢ্য আয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, জীবনে অনেক বন্ধু-বান্ধব আসবে। তুমি কাকে বন্ধু বানাবে, কাকে বাদ দিবে সেটা
তোমাকে বিচক্ষণতার সহিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বন্ধু নির্বাচনে ফেল মানে তুমি ফেল। মা-বাবার
সেবা করবে, আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখবে। আর যখনই সুযোগ পাবে দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করবে তাহলে
বাস্তব অনেক কিছু শিখতে পারবে।
এছাড়াও
ম্যাথ ফেস্টের অংশ হিসেবে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার
আয়োজন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,কুমিল্লা:
গাজীপুরের চান্দুরাতে হাসনাত আবদুল্লাহ উপর আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলা ও হাফসা জাহান কে নিয়ে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক তথ্য প্রকাশ করার প্রতিবাদে কুমিল্লার পূবালী চত্তরে ৪ মে ( রবিবার) রাত ৯ টায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এনসিপি কুমিল্লা জেলা।
প্রতিবাদ মিছিল টি টাউন হল থেকে শুরু করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পড়ে পূবালী চত্তর এসে প্রতিবাদ সমাবেশ করে দলটি।
উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাফসা জাহান, এসবি জুয়েল,সৈয়দ আহসান টিটু, মাসুমুল বারী কাওসার, কাজী মো: জায়েদ, নাইম আলম, ইব্রাহিম খালিদ হাসান, আরিফুল ইসলাম, নাছির উদ্দীন,মো রাসেল ভূইয়া,মুজাহিদুল ইসলাম, ইফতেখার, জাহিদুল হক অনিক,মাসুদ আলম, মো:আমির,
আরিফুল ইসলাম বাশার,লতা, সাবিকুন নাহার,সহ জাতীয় নাগরিক পার্টির বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরের নেতা কর্মী ও বৈষম্যবিরোধী ছাএ আন্দোলনের সদস্যবৃন্দ সহ সাধারন জনগন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক ও দক্ষ স্বাস্থ্যসেবক অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসান অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করায় তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চিকিৎসক, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সততা, নিষ্ঠা, জ্ঞান, দক্ষতা এবং পেশাগত অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবে এই পদোন্নতি অর্জন করেছেন তিনি। চিকিৎসা সেবায় তাঁর অবদান এবং রোগীদের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে চিকিৎসক সমাজে একটি সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
কুমিল্লার চিকিৎসকরা মনে করেন, অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসান শুধু একজন দক্ষ চিকিৎসকই নন, তিনি হাজারো মানুষের আস্থা ও ভরসার প্রতীক। তাঁর সেবামূলক কর্মকাণ্ড, পেশাগত সততা এবং রোগীবান্ধব মনোভাব সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।
চিকিৎসক সমাজের নেতৃবৃন্দ বলেন, “অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসানের এই পদোন্নতি তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও সততার যথাযথ মূল্যায়ন। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের চিকিৎসা খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতেও তিনি মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”
তাঁর এই অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সর্বস্তরের মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনগুলোতে আরও সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করায় অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ মাছুম হাসানকে জানাই কুমিল্লার কর্মরত সকল চিকিৎসকরা আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই।
মন্তব্য করুন