

বৈষম্য বিরোধী ২৪ শে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী সৈয়দ আজহারুল আমিনকে সভাপতি এবং এস. এন. রাসেলকে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, কুমিল্লা জেলা শাখার এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
৪ জুলাই স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।
নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সোহান খান সুজন। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পেয়েছেন বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকা থেকে উঠে আসা ছাত্রনেতারা। সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন আবু মুসা জুয়েল, এবং সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন হাসান মাহাদী, আমিন প্রধান ও মোঃ সাইফ হোসেন।
সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মোঃ মেহেদী হাসান (মুরাদনগর)। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়াজ মাহমুদ, বাবুল হোসেন তায়েফ ও তারেক হাসান চৌধুরী জাস্টিস দায়িত্ব পেয়েছেন। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন মেহেদী হাসান (আদর্শ সদর), সিহাব খান, আদনান আদি এবং মেহেদী হাসান আবির।
দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাইম জামান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন আবু বকর সিদ্দিক (আসলাম সিদ্দিকি) এবং উপ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন রাহাতুল হাসান।
অর্থ সম্পাদক হিসেবে মাহমুদুল হাসান সিফাত এবং সহ-অর্থ সম্পাদক হিসেবে আরিফুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করবেন। ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারেক হাসান এবং সহ-সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আজিজুল হক। সমাজসেবা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন নাজমুল হোসাইন এবং সহ-সমাজসেবা সম্পাদক সিফাত।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরিফুল হোসাইন এবং সহ সম্পাদক হিসেবে আছেন জুয়েল মিয়া। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে আছেন সাফায়েত মজুমদার এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জাহিদ সরকার দিপু।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি সংরক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন মোঃ ছায়িম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন সাইফুল ইসলাম এবং গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন জাহিদুল ইসলাম।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন সুমন সরকার। ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সায়মুন নেছা সায়মা। এ ছাড়া সহ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন শ্রাবন্তী ইসলাম ফারিয়া এবং নাহিদা চৌধুরী। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ তারেক রহমান।
স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আব্দুল কাদের, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন রায়হান আহমেদ এবং মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন কাইয়ুম হাসান।
কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন শহিদুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন বেলায়ত, সাজ্জাদুর রহমান সজীব, মেহেদী হাসান নাঈম, ইফতেখার আহম্মেদ তালুকদার এবং জুবায়ের আহমেদ মুন্সি।
নতুন কমিটির সভাপতি সৈয়দ আজহারুল আমিন বলেন, “আমরা যারা বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, তারা বিশ্বাস করি– একটি ন্যায্য ও সমঅধিকারের বাংলাদেশ গঠনে ছাত্রদের ভূমিকা অপরিহার্য। এই দায়িত্ব যেন সে লড়াইয়েরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।”
এদিকে কেন্দ্রীয় নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, কুমিল্লার নতুন নেতৃত্ব ছাত্র অধিকার আন্দোলনকে বেগবান করবে এবং সংগঠনকে সাংগঠনিকভাবে আরও সুসংগঠিত করে তুলবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
“থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কুমিল্লায় শুরু হয়েছে ৪র্থ পর্যায়ের ৩ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স।
“নির্বাচনি দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা সক্ষমতা বৃদ্ধি” শীর্ষক এই প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করা হয় এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করতে হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করবে এবং নির্বাচনকালীন যে কোনো পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন এবং নির্বাচন পরিচালনায় করণীয়, আচরণবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে
নিবেদিত সংগঠন “আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম” বরুড়া উপজেলা শাখার ১৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক
কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক- মোহাম্মদ
শাহাবুদ্দিন এবং সদস্য সচিব- ফয়সাল হোসাইন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় তারা সমাজসেবা, শিক্ষা প্রসার
এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের সম্পৃক্ত করে গঠনমূলক কাজ করতে চায়। অচিরেই একটি
পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
আহ্বায়ক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, “আমরা বরুড়া উপজেলায় আর্তমানবতার সেবায় কাজ
করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে
ভূমিকা রাখা।” সদস্য সচিব ফয়সাল হোসাইন বলেন,
“কমিটি গঠনের পরপরই আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য
কাজ শুরু করব।”
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-
যুগ্ন আহবায়ক আসাদ মিরাজ, যুগ্ন আহবায়ক
ফয়েজুন্নবী পাটোয়ারী ফাহাদ, যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ সামধানী, যুগ্ন আহবায়ক রাকিব উল্লাহ
জাহিদ, যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ সাঈদ, সদস্য মোহাম্মদ সোহান, সদস্য মোহাম্মদ জুনায়েদ,
সদস্য হোসাইন, শুভ, আরিফ, ফখরুল, জহির, জাহিদ, হাসান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলছিল।
অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়াটগঞ্জ দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন।
হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা ইসলাম।
আহতরা হলেন: দাউদকান্দির সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন ও দাউদকান্দি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহসীন হোসেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম বলেন, দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করি। এ সময় কয়েকজন এসে আমাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা করে। এতে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন ও দাউদকান্দি থানার একজন উপপরিদর্শক মহসীন হোসেন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েদ চৌধুরী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় দাউদকান্দি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলামসহ সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেদওয়ান ইসলামকে বাঁচাতে গিয়ে দাউদকান্দি থানার উপপরিদর্শক মহসীন হোসেন ও সহকারী ভূমি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন আহত হন। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা ইসলাম বলেন, দুর্বৃত্তরা সরকারি কাজে বাধা প্রদান করেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নাঙ্গলকোটে আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ০৯/০১/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন নুরপুর সাকিনস্থ সেবাখোলা বাজারের খোকন স’মিলের টিনের ঘরের ভিতর দুই নারীকে গনধর্ষণ এর ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিম লাকি বেগম (৪০) বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি গনধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ২৯ জানুয়ারী দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানাধীন ধামতী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষন মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী মোঃ খোকন (৪২), পিতা-আলী মিয়া, সাং-করের ভোমরা, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত
আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম মায়া খাতুন (২০) এর সাথে ১ নং আসামী
সহিদ (২৬) এর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। ঘটনার দিন সকালে আসামী সহিদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে
ভিকটিমকে দেখা করার জন্য আসতে বলে। তখন ভিকটিম মায়া খাতুন তার সাথে অন্য ভিকটিম লাকি
বেগম (৪০)’কে নিয়ে বাঙ্গড্ডা বাজারে গেলে আসামী সহিদ ভিকটিমদ্বয়কে নিয়ে অটোরিক্সাযোগে
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরা করে এবং একপর্যায়ে ভিকটিম মায়া খাতুন’কে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব
দেয়। ভিকটিম মায়া উক্ত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। পরবর্তীতে
আসামী সহিদ সুযোগ বুঝে ভিকটিমদ্বয়কে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় এবং তার পরিকল্পনা মোতাবেক
সেখানে পূর্ব থেকে ৭-৮ জন অবস্থান করছিল। ভিকটিমদ্বয়কে সেখানে নেয়ার পর আসামী সহিদ’সহ
অন্যান্য ৭-৮ জন আসামী মিলে ভিকটিমদ্বয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ
করে এবং কাউকে কিছু না বলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীসহ অন্যান্য আসামীরা
গ্রেফতার এড়াতে আত্নগোপনে চলে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ।
গতকাল (৮ মে) বিকালে কোতয়ালী মডেল থানার এসআই শেখ মফিজুর রহমান
ও সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী ইউনিয়নের
পাঁচথুবী পশ্চিমপাড়া রমিজ মিয়ার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপরে ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক
ব্যবসায়ী রাসেল ও জামাল কে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: কুমিল্লা
জেলার ইটাল্লা (পূর্ব পাড়া) এলাকার মৃত শাহ আলম এর ছেলে রাসেল(২২) এবং একই এলাকার আব্দুর
রহমান এর ছেলে জামাল(৪০)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা
দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ২৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদক ট্যাপেন ট্যাডল ট্যাবলেট আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোলাবাড়ী পোষ্টের টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানে সীমান্ত পিলার ২০৮১/৮-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেরানীনগর এলাকায় চোরাচালানকৃত মাদকদ্রব্যগুলো জব্দ করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটককৃত মাদকদ্রব্যের সংখ্যা ২,৪০০ পিস এবং বাজারমূল্য প্রায় ২৪ লাখ টাকা। এগুলো সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, যা সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আটককৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শিশু পার্ক এমন এক জায়গায় যেখানে আনাগোনা সব বয়সী মানুষের হয়, ছোট থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত।
শিশুরা এসে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এখানে অনেক রাইড,দোলনা সহ অনেক কিছু যেমন আছে বয়সী ব্যক্তিরা এসেও যেন এখানে দু'দন্ড গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে পারে তেমন পরিবেশ রয়েছে।
সারা দেশের দেয়ালগুলো শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতিতে সুন্দরভাবে সেজে উঠেছে।
কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই শিশু পার্কের দেয়ালগুলো এর ব্যতিক্রম নয়।
বর্ণিল ক্যালিগ্রাফি আর গ্রাফিতিতে ভরে উঠেছে শিশু পার্কের প্রবেশের তোরণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩১ কেজি ৫শত গ্রাম কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন শশীদল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ বিল্লাল ও মোঃ মেহেদী হাসান নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩১ কেজি ৫শত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ বিল্লাল (৩০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার রঘুরামপুর গ্রামের মোঃ জলিল এর ছেলে এবং ২। মোঃ মেহেদী হাসান (২০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার বায়েক গ্রামের মোঃ রশিদ আহম্মদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সেফটি ট্যাংক থেকে
প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
তিনি জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের
ধরে ২ লাখ টাকা চুক্তিতে খুন করা হয় ফেরদৌসী বেগমকে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে নিহতের
ঝা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আসামীরা আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- দক্ষিণগ্রামের জাহাঙ্গীর
আলমের স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৫০) একই গ্রামের মোঃ সোলাইমান ওরফে তনু মিয়ার ছেলে আনোয়ার
(৩০), মমতাজ উদ্দিনের ছেলে রুবেল আহমেদ মিন্টু (৩১), খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন
জিল্লু (২৭)।
ওসি জানান, রাজাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ
গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার সৌদি প্রবাসী শামসুল হক আলমের স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম নয়ন ও ঝা নুরজাহান
বেগম মধ্যে বাড়ির পাশের একটি জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে কোন প্রকার
সুরহা না হওয়ায় ফেরদৌসী বেগমকে হত্যার পরিকল্পনা করে ঝা নুরজাহান বেগম।
পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী এলাকার
মাদকসেবী আনোয়ার হোসেনের সাথে দুই লাখ টাকায় হত্যার চুক্তি করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী
আনোয়ার হোসেন সাথে মমতাজ উদ্দিনের ছেলে রুবেল আহমেদ মিন্টু ও খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ
মাইনুদ্দিন জিল্লু এই দুজনকে যুক্ত করেন। চুক্তি অনুযায়ী গত ২৭ জুন শুক্রবার সকালে
ফেরদৌসী বেগমকে বাড়ির পাশের একটি নির্জন বাগানে হত্যা করে মরদেহ সেফটি ট্যাংকে ফেলে
দেয়। ফেরদৌসী বেগম নিখোঁজের পর থেকেই পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজিসহ
থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরে মঙ্গলবার সকাল ৮টায় স্থানীয়রা বাড়ি
থেকে ২শ গজ দূরে একটি নির্জন বাগানের সেপটিক ট্যাংকে বস্তাবন্দি লাশের সন্ধান পেয়ে
বুড়িচং থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বুড়িচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে
সেফটি ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনার পর নিহতের ছেলে ইকরামুল হাসান
বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বুড়িচং থানা পুলিশ
প্রথমে নিহতের ঝা নুরজাহান বেগম আটক করে। পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে একপর্যায়ে হত্যার
ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে আরও তিন আসামিকে গ্রেফতার
করা হয়।এ সময় আসামিদের কাছ থেকে নিহতের কানের দুল, গলার চেইন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বুধবার দুপুরে কুমিল্লা
আদালতে পাঠালে আসামিরা হত্যার ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেন। পরবর্তীতে আসামিদের
কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় তদারকি অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়।
শনিবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর ও কাশিনাথপুর এলাকায় একটি শিশু খাদ্য প্রস্তুতকারক ও একটি খাদ্য পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান চলে।
উক্ত অভিযানে দেখা যায়, ধনপুর এলাকার মেসার্স টি জে ফুড প্রোডাক্টস নামের একটি প্রতিষ্ঠান শিশু খাদ্য জিওজিও ও ছুটি নামের দুটি ব্রান্ডের চিপস প্রস্তুত ও মোড়কজাত করছে। কিন্তু চিপসের প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ করছে না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ফ্লোরে বসেই উৎপাদন ও মোড়কীকরণ করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার বিরোধী এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটি ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অন্যদিকে কাশিনাথপুর এলাকায় মেসার্স হাফসা সুইটস এন্ড বেকারিতে দেখা যায়, রং মিশ্রিত করমচাকে চেরি ফল বলে কেকে ব্যবহার করা হচ্ছে, বার্থডে কেকে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণের মেয়াদ নেই, অনুমোদনহীন বিদেশী উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। বিএসটিআই এর অনুমোদন না থাকলেও প্যাকেটে বিএসটিআই এর লোগো ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার বিরোধী এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অনুমোদনহীন পণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ ও জেলা পুলিশের একটি টিম।
মন্তব্য করুন