

আজ সোমবার (১০ মার্চ) সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার এবং নিউ মার্কেট এলাকায় তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পবিত্র রমজানকে উপলক্ষ্য করে ইফতারি সামগ্রী, শসা, লেবু, মাছ, মাংস, ভোজ্যতেল ও নিত্যপণ্যের ওপর এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ব্যবসায়ীদের পণ্য ক্রয়ের ভাউচার ও বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়।
ভোজ্যতেলের সরবরাহ, মজুদ পরিস্থিতি ও সাপ্লাই চেইন ঠিক আছে কিনা তদারকি করা হয়। অভিযানে মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করায়, পাকা ভাউচার সংরক্ষণ না করা,বেশি দামে মুরগি বিক্রি করা মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি এবং BSTI এর অননোমুদিত ট্যাংক বা সফটড্রিংক পাউডার বিক্রি করাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৬ প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদের সতর্ক করা হয়। সকাল ১১:৩০ থেকে ২:০০ টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা প্রশানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তৌহিদুল ইসলাম (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) স্যারের নেতৃত্বে এ অভিযান চলে। এতে জেলা বিশেষ টাস্কফোর্স টিমের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন (মো: কাউছার মিয়া, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা, আবুল হাসনাত বাবু সাবেক সভাপতি কুমিল্লা প্রেস ক্লাব এবং আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, সহসভাপতি ক্যাব কুমিল্লা) ।
অভিযানে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২৭.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ।
১৫ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন জয়পুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ সাকিল (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ২৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাকিল (৩০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানার কৃষ্ণনগর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ছাত্র-জনতার
ওপর হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা সাহেব আলীকে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ।
আজ রোববার (১৮ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কোরপাই এলাকা থেকে
তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সাহেব আলী বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
এছাড়াও তিনি বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং মোকাম ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক
সভাপতি।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সাহেব আলীর বিরুদ্ধে গতবছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার
ঘটনায় মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাংলাদেশ
স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন ছাড়াই প্রসাধনী পণ্য
বিক্রি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে তিন প্রতিষ্ঠানকে
৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকালে উপজেলা
সদর ও সাহেবাবাদ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।
এতে পৃথকভাবে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স ম আজহারুল ইসলাম
এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ ফারহানা পৃথা।
এ সময় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড
টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরিদর্শক (কুমিল্লা) কাজী মো: শাহান ও থানা পুলিশের
একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ভারতীয়
ও পাকিস্তানি অবৈধ প্রসাধনী দোকানে রাখা ও বিক্রির দায়ে উপজেলার সদর বাজারের শরীফ কসমেটিকস
নামের এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা ও এমি কসমেটিকস অ্যান্ড গিফট সেন্টার নামের অন্য
এক প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অপরদিকে নোংরা-অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে
খাদ্যসামগ্রী উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ রিয়েজেন্ট কেমিক্যাল পাওয়ার অপরাধে সাহেবাবাদ
বাজারের আল বারিয়া বেকারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা (ইউএনও) স ম আজহারুল ইসলাম জানান, অবৈধ ভারতীয় ও পাকিস্তানি কসমেটিক্সের
বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় অভিযান চলাকালে সদর উপজেলার দুটি মার্কেটের দুটি দোকানে
অননুমোদিত কসমেটিক্স রাখা ও বিক্রয়ের দায়ে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও
উপজেলার সাহেবাবাদ বাজারের এক বেকারি মালিককে নানা অনিয়মের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
গত
এক মাসে কুমিল্লা জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে।
৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা
জেলায়ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি লক্ষ্য করা যায়। হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট, দখলবাজি
অহরহ ঘটতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত কুমিল্লা
জেলায় অপরাধ প্রবণতা প্রকট আঁকার ধারণ করে। এ সময়ে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঝটিকা মিছিল, অগ্নিসংযোগ করে । এসব অপরাধ দমনে বিগত সময়ে পুলিশের
অভিযান পর্যাপ্ত ছিল না বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসে নতুন পুলিশ সুপার
মোঃ আনিসুজ্জামানের যোগদানের পর দৃশ্যপট দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ফলে অপরাধ দমনে গ্রেপ্তার অভিযান বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। যা গত এক মাসের গ্রেফতার অভিযানের
পরিসংখ্যান দেখলেই সহজে অনুমান করা যায়। ফলে বিগত এক মাস ধরে জেলায় আওয়ামী লীগ ও এর
অঙ্গ-সংগঠনের কার্যক্রমও দেখা যায়নি।
কুমিল্লা
জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এর নির্দেশে গত এক মাসে জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে
বিভিন্ন মামলায় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদক
ও অস্ত্র-গুলিও উদ্ধার করে।
শুক্রবার
(৯ জানুয়ারি) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদক মামলায় ১৮৫ জন, ডেভিল হান্ট ফেজ টুতে-৪২৬
জন, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২১ জন, নিয়মিত মামলায় ৭৫০ জন আসামি রয়েছে। এ সময় পুলিশ ৮০১ কেজি গাজা, ৪৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে । এছাড়া মাদক পরিবহন
কাজে ব্যবহৃত ২টি পিকআপ, একটি বাস, দুটি ট্রাক, দুটি সিএনজি এবং ডাকাতির
কাজে ব্যবহৃত ৪টি পিকআপ ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ডাকাতদের কাছ থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণ
ও কৃষকের ৮ টি গরু উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তলসহ ৪ টি পিস্তল, ৪টি এলজি,
১টি পাইপ গানসহ বিপুল পরিমাণ গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশের
সক্রিয়তা জনমনে অনেকটাই প্রশান্তি এনে দিয়েছে। যদিও পুলিশের কাছে মানুষের চাহিদা আরো
অনেক বেশি। তারপরেও গত এক মাসে কিছুটা হলেও পুলিশে আস্থা ফিরেছে জনগণের। বেশ কয়েকজনের
সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
চকবাজার
এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ি কামাল হোসেন জানান, গত এক মাস ধরে শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
অনেকটাই কমে গেছে। পুলিশ সক্রিয় হয়েছে, কিশোর অপরাধিরাও আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশের
কাছে এমন সক্রিয়তাই মানুষ আশা করে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে।
কান্দিরপাড়ের
ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন জানান, বর্তমান পুলিশ সুপারের যোগদানের পর পুলিশের মাঝে এখন
সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরাধ কমছে। আশা করি পুলিশ আরো ভাল কাজ করবে।
ভিক্টোরিয়া
কলেজের বিএসএস শাখার শিক্ষার্থী ইয়াছিন রাফান
জানান, গত ২০/২৫ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। অপরাধ কর্মকান্ড কমতে শুরু করেছে।
অপরাধিরা ভয়ে আছে। পুলিশের কাছে মানুষ এমনটাই আশা করে।
নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক নাগরিক জানান, পুলিশের মাঝে কাজের গতি বেড়েছে, এটা
ভাল দিক। তবে পুলিশকে তাদের নিজের মত কাজ করতে দিতে হবে। পুলিশ অপরাধি আটক করবে আর
সেই অপরাধিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য রাজনীতিবিদরা তদবির করবে, তা হওয়া উচিত নয়। আবার জনগণ
যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও পুলিশকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই একটি সুন্দর সমাজ
গড়ে উঠবে। নতুন পুলিশ সুপার যোগদান করেই ভাল সফলতা দেখাচ্ছেন। তাকে আরো সময় দিতে হবে।
যাতে তিনি কুমিল্লার মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে পারেন।
কুমিল্লার
পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, পুলিশ জনগণের সেবক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ করতে এই অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টামণ্ডলীর চার সদস্য।
আর এই শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। আমরা গতকাল নতুন চারজন উপদেষ্টা শপথ গ্রহণ করেছি। আমরা আগামীকাল কাজে যোগদান করবো। আমাদের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার।
শুধু এটা না আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, আমরা এখানে আজকে এসেছিলাম আমাদের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। ৫২ থেকে ছাত্ররা আন্দোলন করে দেশের নতুন নতুন সূচনা ঘটিয়েছে। কিন্তু এবারের আন্দোলন সব আন্দোলনকে ছাপিয়ে গেছে। আর সেজন্যই আমাদের সামনে এখন বাংলাদেশকে পুনঃনির্মাণের বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে দেশটাকে গতিশীল করা এবং জনগণের সঠিক সেবা নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ (২৬ এপ্রিল) ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
গত সোমবার ৮৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা
পোপ ফ্রান্সিসের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আজ সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্প, প্রিন্স উইলিয়ামসহ বেশ কয়েকজন বিশ্বনেতা এবং বিশিষ্টজন সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে
এ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন।
অধ্যাপক ইউনূস বিশ্বের শীর্ষস্থানীয়
নেতা এবং বিশিষ্টজনদের মাঝে আসন গ্রহণ করেন।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা
ফন ডার লেইন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, স্পেনের রাজা ফিলিপ ষষ্ঠ
ও রানি লেতিজিয়া, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার, বিদায়ী চ্যান্সেলর
ওলাফ শলৎজ, ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেল্লা এবং প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিসহ
অন্যান্য ইউরোপীয় নেতা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত রয়েছেন।
ইতালির পুলিশ জানিয়েছেন, পোপ ফ্রান্সিসের
অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া উপলক্ষ্যে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ সেন্ট পিটার্স স্কয়ার ও এর
আশপাশের রাস্তায় জমায়েত হয়েছেন। অনুষ্ঠান শুরুর এক ঘণ্টা আগে ৪০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা
সম্পন্ন সেন্ট পিটার্স স্কয়ার প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভ্যাটিকানের দিকে যাওয়া ভিয়া দেলা
কনসিলিয়াজিওন সড়ক এবং আশপাশের রাস্তায় প্রায় ১ লাখ মানুষ আগেই উপস্থিত হন।
প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূসের কাজের দারুণ ভক্ত ছিলেন এবং তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসা করতেন। বিশেষ করে বিশ্বজুড়ে
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অধ্যাপক ইউনূসের কর্মযজ্ঞ এবং তাঁর ‘তিন শূন্য’ তত্ত্ব —যেখানে কোনো বেকারত্ব, দারিদ্র্য এবং কার্বন নিঃসরণ
থাকবে না, এর প্রশংসা করতেন। রোমের ভ্যাটিকানে তিনি ২০০৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর
সঙ্গে যৌথভাবে ‘তিন শূন্য উদ্যোগ’ও চালু করেছিলেন।
(সূত্র : বাসস)
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর উপজেলার শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ডে
চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব হত্যা মামলার চার জন আসামী গ্রেফতার করেছে
র্যাব। এসময় একটি বিদেশি পিস্তলসহ চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। বুধবার দুপুরে এ
তথ্য জানান র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানী অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার
মাহমুদুল হাসান।
র্যাব জানায়, কুমিল্লা সদর উপজেলার
শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লেগুনা ও সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডের দখল নিয়ে সংঘর্ষে
কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব (২৭) নিহত হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ ছয় জন। এ ঘটনায় কুমিল্লা
কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করে নিহতের পরিবার। এ মামলায় গত মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) রাতে
সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আদর্শ সদর উপজেলার
শাসনগাছা এলাকার মকবুল মিয়ার ছেলে মোঃ মোজাম্মল হোসেন জনি (২৫), আইয়ুব আলীর ছেলে ফয়সাল
আহমেদ রিমন (২০), আতিকুর রহমান খোকনের ছেলে সাইফ আলী রিয়াদ (২২) ও মোঃ আনু মিয়ার ছেলে মোঃ শুভ (২২)।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবিদ্বারে সর্বসাধারণের
গাড়ি ভেবে পুলিশের টহল গাড়িতে ডাকাতির করতে গিয়ে অস্ত্রসহ এক ডাকাতকে গ্রেফতার করা
হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ জুন) ভোর রাতে দেবিদ্বার-চান্দিনা
সড়কের উপজেলার নবিয়াবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় তার কাছে থাকা দুই রাউন্ড কার্তুজ ভর্তি ১টি
দেশীয় এলজি বন্দুক ও দুটি রামদা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামী মোশারফ হোসেন (৩৫) বুড়িচং
উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুল মতিন মিয়ার ছেলে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
মো. নয়ন মিয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
থানাসূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার
দিবাগত রাতদেড়টার দিকে দেবিদ্বার-চান্দিনা সড়কের নবিয়াবাদ এলাকার ভূইয়া বাড়ির সামনে
সর্বসাধারণের গাড়ি ভেবে থানার একটি টহল গাড়ি থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টা করে একটি সংঘবদ্ধ
ডাকাত চক্র। পরে টহল গাড়িতে থাকা এএসআই আবদুল কাদের ও এসআই মিশন বিশ্বাস ডাকাত মোশারফকে
অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও অন্তত ১০/১২জন ডাকাত
পালিয়ে যায়।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো: নয়ন মিয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মোশারফ অর্ধশতাধিক ডাকাতি করেছে
বলে জানিয়েছে। ডাকাতিকালে তার সঙ্গে আরও ১০/১২ ছিল, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ডাকাতির
অভিযোগে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। মোশারফের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায়
অস্ত্র ও ডাকাতির ১০টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে কার্তুজ ভর্তি দেশীয় বন্দুক উদ্ধার
করা হয়েছে। মোশারফসহ ৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত১ ০/১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার
থানায় অস্ত্র ও ডাকাতির দুটি মামলা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে কুমিল্লা জেলহাজতে
পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, কুমিল্লা :
কুমিল্লা জেলা বরুড়ার সাবেক সফল সংসদ সদস্য মরহুম এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুমিল্লাস্থ বরুড়া ছাত্র-ছাত্রী সংসদের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় কুমিল্লা শহরের প্ল্যানেট এসআর ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লাস্থ বরুড়া ছাত্র-ছাত্রী সংসদের উপদেষ্টা আবু নাসের মানিক। তিনি বলেন, “বরুড়া উপজেলার শিক্ষার্থীরা কুমিল্লায় পড়াশোনা করছে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে। কিন্তু অনেকে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যে পড়ে পিছিয়ে যায়। আমাদের এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সমস্যা শোনা এবং একে অপরকে সহযোগিতা করা। সংগঠনকে গতিশীল করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন কল্লোল। তিনি বলেন, “ছাত্র-ছাত্রী সংসদ কেবল নামেই নয়, কাজে যেন বরুড়ার গৌরব ধরে রাখে — এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সোহেল পারভেজ, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ওমর ফারুক রিপন, সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ ইমরান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন পন্ডিত ও বর্তমান সদস্য সচিব ডা. নাজমুল হাসান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন এনাম মজুমদার, মানিক হোসেন, নূর নাহার মুক্তা, জুথি আক্তার, শরিফ হোসেন ও মেহেদি হাসানসহ আরও অনেকে। তারা কুমিল্লায় অবস্থানরত বরুড়ার ছাত্র-ছাত্রীদের বাসস্থান, পড়াশোনা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ে নানা মতামত তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন