

খাদিজা আক্তার (১৪) গত মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ চৌয়ারা ধনপুর হাজী সরবত আলী মুন্সী বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। খাদিজা আক্তার কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ২১ নং ওয়ার্ডের শাকতলা উওরপাড়া এলাকার মো. খোরশেদ এর মেয়ে।
নিখোঁজ এর ঘটনায় বুধবার ( ৬/১২/২৩) সদর দক্ষিণ থানায় জিডি করা হয়। উক্ত নিখোঁজ এর ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ইনচার্জ মোঃ আলমগীর হোসেন ভূইয়ার সার্বিক সহযোগীতায় কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির এস আই নিয়াজ মোঃ খান এর নেতৃত্বে আজ (৭/১২/২৩) সন্ধ্যায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে বুড়িচং থানা এলাকা থেকে খাদিজা আক্তারকে উদ্ধার করা হয়।
খাদিজা আক্তার এর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশ প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে একটি মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি)
১ হাজার ৪৪২ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করেছে প্রশাসন।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর বাজারে কাউসার নামের এক ব্যবসায়ীর দোকানে এই অভিযান চালানো হয়।
আজ বুধবার (২ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন।
ব্যবসায়ী কাউসার দাবি করেন, তিনি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার একটি বাজার থেকে এসব তেল কিনে বিক্রির জন্য দোকানে রেখেছিলেন।
অভিযানে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে তাকে ২ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয় এবং জব্দ
করা হয় তেলগুলো।
ইউএনও তানভীর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দোকান থেকে টিসিবির পণ্য মজুত ও বিক্রির জন্য সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৭৯ কার্টনে থাকা ১ হাজার ৪৪২ লিটার টিসিবির সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়। এসব তেলের বাজারমূল্য ১ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা।
ইউএনও তানভীর হোসেন আরও বলেন, টিসিবির এসব তেল কোনো ডিলারের কাছ থেকে এসেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে যথাযথভাবে জব্দ করা তেল বিতরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি কুমিল্লার উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার এর নেতৃত্বে ৭ ফেব্রুয়ারি বুড়িচং থানাধীন নিমসার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে হোমনাগামী একতা বাস তল্লাশি করে ১৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি মো: হোসেন মিয়া (২৯) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার শুভপুর গ্রামের নাছির মিয়ার ছেলে। অপর আসামী শারমিন আক্তার(২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানার আড়াইওড়া গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী।
আটককৃত আসামীরা প্রথমে ভুল তথ্য দিয়ে ডিএনসি টীমকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করে। এরপর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মাদক পাচার করছিলো। একপর্যায়ে প্রকৃত স্বামীকে মুখোমুখি করলে ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে আসে। আটকৃত আসামি শারমিন তার স্বামীর অগোচরে মোবাইলের মাধ্যমে আসামি হোসেন মিয়ার সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে তোলে। কথিত স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তার কৌশল হিসেবে লোকাল বাসে কুমিল্লা হতে গাঁজা নিয়ে প্রথমে দাউদকান্দি যাচ্ছিল। তারপর অন্যবাসে করে ঢাকা নিয়ে যেতো।
আসামীদের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক তমাল মজুমদার বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় সবজি ক্ষেতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুললেন কৃষক মিজানুর রহমান। জাতীয় পতাকার আদলে তার সবজি ক্ষেত ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। কৃষক মিজানুর রহমান কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া এলাকায় রাস্তার পাশে সবুজ পালং শাক ও লাল শাকের চারা দিয়ে তৈরি করেছেন জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি। জাতীয় পতাকার আদলে করা এ সবজি ক্ষেত দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন আশেপাশের মানুষজন। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহায়তা তিনি সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেন জাতীয় পতাকা।
তাছাড়া কৃষক মিজানুর রহমান মনেপ্রাণে ভালোবাসেন কৃষিকাজ। তেমনি ভালোবাসেন লাল-সবুজের পতাকাকেও। তার কৃষিকর্মের মাধ্যমে ফসলি মাঠে ফুটিতে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে কৃষকের এমন শিল্পকর্ম দেখে থমকে দাঁড়ান পথিক। আগ্রহ নিয়ে জাতীয় পতাকার সৌন্দর্য দেখেন।
স্থানীয়রা বলছেন, কৃষক মিজানুর রহমান সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা তৈরি করে যেমন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি সম্মান দেখিয়েছেন, তেমনি দেশের প্রতিও দেখিয়েছেন অকৃত্রিম ভালোবাসা।
কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে জাতীয় পতাকার আদলে সবজি ক্ষেতটি রোপণ করতে বলা হয়। পরে কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও উৎসাহে আমি সবজি ক্ষেতে জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলতে পালং ও শাল শাক দিয়ে এ চিত্রকর্মটি বানাতে সফল হই। দেশের প্রতি দেশপ্রেম উদ্ধুদ্ধ করতে আমি জাতীয় পতাকা ফুটিয়ে তুলেছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, সবজি চাষ থেকে শুরু করে মিজানুর রহমানকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসারের নির্দেশে সবজি ক্ষেত করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়। তার সবজি ক্ষেতে ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। সড়কের পাশে এমন দৃশ্যে যে কারও চোখ আটকে যাবে। বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকার প্রতিকৃতি তৈরি করে সাড়া ফেলেছিলেন তিনি। এতে করে যারা কৃষক রয়েছেন তাদের মাঝেও দেশপ্রেম জাগ্রত হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, মা, মাটি আর দেশকে মনেপ্রানে ভালেবাসেন সবাই। দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখে সম্মান জানিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে সবজি ক্ষেতেই ফুটিয়ে তুলেছেন জাতীয় পতাকা। এভাবে দেশের প্রতি দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে ভবিষতে আরো নিদর্শন বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও মুর্যালসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ন প্রতিকৃতি চিত্র ফুটিয়ে তুলতে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী গভর্নমেন্ট প্লিডার (এজিপি) এডভোকেট মোঃ আবু
মুছা ভূঁঞা ১৯৭৯ সালের ২৫ নভেম্বর কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বাগমারা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত
মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি
বাগমারা দাখিল মাদ্রাসায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে মুরাদনগর
বাঁশ কাইট পীতাম্বর জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ১ম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করেন।
তৎপর চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
হয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগে অর্নাস করেন।
পরে উক্ত বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়াকালীন সময়ে
বিএনসিসি ও স্কাউট এর সাথে জড়িত ছিলেন।
অ্যাড.
আবু মুছা ভূঁঞার দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তবে
দাদা মনিরুল ইসলাম মাষ্টার এর অনুপ্রেরণায় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হন তিনি। সেই
সুবাদে এডভোকেট মোঃ আবু মুছা ভূঁঞা ১৯৯৬-৯৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র দলের
রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে "ওয়াসিম-ছানাউল্লাহ পরিষদ" এর পাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখেন এবং ১৯৯৯ সালে কুমিল্লা আইন কলেজে অধ্যয়নরতকালে ছাত্র সংসদ "নাজমূল-মহান
পরিষদ" এর নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ
বার কাউন্সিল থেকে সনদ প্রাপ্ত হয়ে একই সালে ৩১ অক্টোবর কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে
যোগদান করে পেশাগত জীবনে আত্ম প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তরুণ আইনজীবী হিসেবে জাতীয়তাবাদী
আইনজীবী ফোরামের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য
হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লাস্থ দেবীদ্বার সমিতির নির্বাচন
কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দেবীদ্বার সমিতির "ক্রীড়া সম্পাদক"
হিসেবে মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এড. আবু মুছা ভূঁঞা ২০১০ সালে সর্ব সম্মতিক্রমে
দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়ন বিএনপির "সভাপতি" নির্বাচিত হয়ে বর্তমানেও
পুনরায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপি'র "মানবাধিকার বিষয়ক
সম্পাদক" হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। পরে ২০২২ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত কুমিল্লা উত্তর জেলার আহবায়ক
কমিটির "সদস্য" মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, কুমিল্লা
ইউনিটের "যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক" হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও জেলা
আইনজীবী সমিতির "লাইব্রেরী সেক্রেটারি" হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন।
তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আইনজীবী ও কুমিল্লা জেলা পিপি এডভোকেট কাইমুল হক রিংকু'র নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের
মামলা পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। অ্যাড. মুছা ভূঁঞা বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের
সকল প্রকার দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সরকারের পতনের পর যখন দেশের ক্রান্তিলগ্নে
অতিক্রম করে তখন ১৫নং বরকামতা ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও
তিনি জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ গেলো ৩রা জুন দেবীদ্বার উপজেলাধীন বাগমারা ইসলামিয়া
আলীম মাদ্রাসা'র গভর্ণিং বডির "সভাপতি" মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দেড় যুগেরও
বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে আইন পেশা পরিচালনা করে আসছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার (৮ মে) প্রথম ধাপের কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে সোমবার (৬ মে) রাত ১০টায় নির্বাচন পরিচালক-২ এর উপসচিব আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত চিঠিতে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাচন স্থগিত করা হয়।
গতকাল (৬ মে) রাত ১১টার দিকে কুমিল্লা
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান এ স্থগিত আদেশের
সত্যতা নিশ্চিত করেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সালেহা আক্তার পলি নামের এক প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। যাচাই বাছাই শেষে তার প্রার্থিতা বাতিল করেন জেলা নির্বাচন কমিশনার। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন। সোমবার (৬ মে) দুপুরে হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।
এ দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যালট পেপার ছাপাতে না পারার কারণে এ নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিনহাদুল হাসান রাফিকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ।
আজ শুক্রবার ( ১ আগস্ট) ভোর রাতে ফেনী জেলা থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মিনহাদুল হাসান রাফি গতকাল কলকাতা থেকে গোপনে কুমিল্লা এসেছিলেন। এ খবর পেয়ে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী চারটি মামলা রয়েছে।
কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ আব্দুল্লাহ তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাফিকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ মাদক কারবারিকে
আটক করা হয়েছে ।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম এর নির্দেশনা
মোতাবেক শুক্রবার (১৪ ই জুন) বিকাল আনুমানিক ৪টায় কুমিল্লা
সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের মিরপুর হাইওয়ে থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ৩৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা
হয়।
আটককৃতরা হলো রোজিনা বেগম (২৮) এবং আলা
আমিন মিয়া (৪২) ।
কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসডকের মিরপুর
হাইওয়ে থানাধীন ব্রাহ্মণপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কুমিল্লা গামী
নিউ সুগন্ধা যাত্রীবাহী একটি বাসে করে ২ জন
মাদক কারবারি ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে যাচ্ছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুর হাইওয়ে থানার এসআই বোরহান উদ্দিন তার ফোর্স সহ
উক্ত বাসটি থামিয়ে সে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের তল্লাশীর চেষ্টাকালে
তারা ২জন দ্রুত গাড়ি হতে নেমে পালানোর চেষ্টা
করলে এসআই বোরহান উদ্দিন ফোর্স সহ তাদের ২ জনকে আটক করে স্থানীয় মহিলা সাক্ষী দ্বারা
আসামি রোজিনা বেগমকে তল্লাশি করলে রোজিনা বেগম তার পরিহিত কালো বোরকার নিচে থাকা পরিহিত
পায়জামার কোঁছা হতে মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্তিতিতে উক্ত মাদক গননা করে মিনিটে ৩৫০ পিস ইয়াবা
ট্যাবলেট পাওয়া যায় যা বিকাল অনুমান ৩টা ৫০ এসআই বোরহান উদ্দিন জব্দ তালিকা মুলে জব্দ
করেন।
রোজিনা বেগমের সাথে থাকা অপর ব্যাক্তি আলা আমিন হচ্ছে তার স্বামী।
তারা স্বামী ও স্ত্রী ২জন পরষ্পর যোগসাজসে
উদ্ধারকৃত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট সমুহ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ক্রয় করে অধিক লাভে বিক্রয়ের
জন্য কুমিল্লাগামী বাস যোগে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছিলো।
উক্ত বিষয়ে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১টি
মামলা দায়ের করে আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন


শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে কুমিল্লা শহরে ভোরবেলায় শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বাংলাদেশ ইয়ংস্টার সোশ্যাল অর্গানাইজেশন।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের সরাসরি অংশগ্রহণে এ মানবিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাত ও খোলা স্থানে অবস্থানরত দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বলসহ প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শীতের সকালে ঠান্ডায় কাঁপতে থাকা মানুষদের জন্য এই উদ্যোগ স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসে।
সংগঠনের দায়িত্বশীলরা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। শীত মৌসুমে যেন কোনো মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করতে না হয়, সে লক্ষ্যেই তারা নিয়মিতভাবে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
তারা আরও জানান, ভবিষ্যতেও কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ সংগঠনের এই উদ্যোগকে প্রশংসা করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের খানসামায় অনুকূল পরিবেশে আশানুরূপ লাভজনক হওয়ায় চলতি বছর বেড়েছে পপকনের চাষ। পপকনকে ঘিরে কৃষক দেখতে শুরু করেছেন রঙিন স্বপ্ন। ধান, সরিষা, আলু ও ভুট্টার পাশাপাশি এ ফসল অধিক লাভজনক।
অন্য ফসলের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচ, উৎপাদন ভালো, লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য ও সরাসরি পাইকারি বাজার সৃষ্টি হওয়ায় পপকন চকষে ঝুঁকেছেন সাধারণ কৃষকরা। এছাড়া নিয়মিত কৃষি বিভাগ থেকে উদ্বুদ্ধকরণ, পরার্মশ প্রদান, সরকারি সহায়তার ফলে চাষিদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েই চলছে। সব মিলিয়ে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতি মৌসুমে বাড়ছে পপকন চাষ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৫২০ হেক্টর জমিতে পপকন চাষের লক্ষমাত্রা থাকলেও ১৬৬০ হেক্টর অর্জন হয়েছে।
গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পপকন চাষি মোস্তফা কামাল ডাবলু শাহ্ বলেন, আমি এ এলাকায় সর্বপ্রথম পপকন চাষ করি। আমাকে দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এখন চাষ করছেন পপকনের। প্রথমের দিকে ৬০ থেকে ৬৫ বিঘা চাষ করেছি। গতবার ও এইবার ২০ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। গতবার ২০ বিঘা জমিতে শুকনা দেড় টন পপকন পেয়েছি। আশা করছি এবার আরো বেশি পাবো।
একই এলাকার পপকন চাষি লতিফ হাজ্বী বলেন, পপকন চাষে বেশ লাভবান হয়েছি। গতবারের ন্যায় এবারো ৫ বিঘা চাষ করেছি। সব কিছু ঠিক থাকলে ভাল ফলন হবে বলে মনে করছি।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোপাল রায় বলেন, পুরো উপজেলার মধ্যে গোয়ালডিহি ইউনিয়নে ৭০ ভাগ ও বাকী ৫ ইউনিয়নে ৩০ ভাগ পপকন চাষ হয়। পপকন চাষে চাষিদের পাশে থেকে ভালো ফলন পেতে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার বলেন, দিনাজপুরের শস্যভান্ডারখ্যাত এ উপজেলা। ভুট্টার পাশাপাশি এ অঞ্চলের কৃষক পপকন চাষে বেশ আগ্রহী। পপকন চাষে উদ্ভুদ্ধকরণসহ সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন