পপকন চাষে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা

পপকন চাষে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা
ছবিটি দিনাজপুরের খানসামার গোয়ালডিহি ইউনিয়ন থেকে তোলা

দিনাজপুরের খানসামায় অনুকূল পরিবেশে আশানুরূপ লাভজনক হওয়ায় চলতি বছর বেড়েছে পপকনের চাষ। পপকনকে ঘিরে কৃষক দেখতে শুরু করেছেন রঙিন স্বপ্ন। ধান, সরিষা, আলু ও ভুট্টার পাশাপাশি এ ফসল অধিক লাভজনক।


অন্য ফসলের চেয়ে তুলনামূলক কম খরচ, উৎপাদন ভালো, লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য ও সরাসরি পাইকারি বাজার সৃষ্টি হওয়ায় পপকন চকষে ঝুঁকেছেন সাধারণ কৃষকরা। এছাড়া নিয়মিত কৃষি বিভাগ থেকে উদ্বুদ্ধকরণ, পরার্মশ প্রদান, সরকারি সহায়তার ফলে চাষিদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েই চলছে। সব মিলিয়ে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতি মৌসুমে বাড়ছে পপকন চাষ।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৫২০ হেক্টর জমিতে পপকন চাষের লক্ষমাত্রা থাকলেও ১৬৬০ হেক্টর অর্জন হয়েছে।


গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পপকন চাষি মোস্তফা কামাল ডাবলু শাহ্ বলেন, আমি এ এলাকায় সর্বপ্রথম পপকন চাষ করি। আমাকে দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে এখন চাষ করছেন পপকনের। প্রথমের দিকে ৬০ থেকে ৬৫ বিঘা চাষ করেছি। গতবার ও এইবার ২০ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। গতবার ২০ বিঘা জমিতে শুকনা দেড় টন পপকন পেয়েছি। আশা করছি এবার আরো বেশি পাবো।


একই এলাকার পপকন চাষি লতিফ হাজ্বী বলেন, পপকন চাষে বেশ লাভবান হয়েছি। গতবারের ন্যায় এবারো ৫ বিঘা চাষ করেছি। সব কিছু ঠিক থাকলে ভাল ফলন হবে বলে মনে করছি।


উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোপাল রায় বলেন, পুরো উপজেলার মধ্যে গোয়ালডিহি ইউনিয়নে ৭০ ভাগ ও বাকী ৫ ইউনিয়নে ৩০ ভাগ পপকন চাষ হয়। পপকন চাষে চাষিদের পাশে থেকে ভালো ফলন পেতে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।


এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাবিবা আক্তার বলেন, দিনাজপুরের শস্যভান্ডারখ্যাত এ উপজেলা। ভুট্টার পাশাপাশি এ অঞ্চলের কৃষক পপকন চাষে বেশ আগ্রহী। পপকন চাষে উদ্ভুদ্ধকরণসহ সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ৫ সমঝোতা ও চুক্তি সই

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ৫ সমঝোতা ও চুক্তি সই
সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে পাঁচটি কূটনৈতিক দলিলে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক এবং একটি লেটার অব ইনটেন্ট বা অভিপ্রায়পত্র রয়েছে।


শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা তাভিসিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ব্যাংককে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল হাই এবং থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. প্রাণপ্রী বাহিদ্ধা নুকারাসহ প্রমুখ।

বৈঠকের আগে থাই প্রধানমন্ত্রী জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এরপর থাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গভর্নমেন্ট হাউসে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এসব দলিলে স্বাক্ষর করেন সংশ্লিষ্টরা।


এছাড়া অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত চুক্তি, জ্বালানি, পর্যটন ও শুল্ক সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক তিনটি সমঝোতা স্মারক এবং মুক্তবাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরুর জন্য একটি লেটার অব ইন্টেন্ট সই হয়।

দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানীর গভর্নমেন্ট হাউজে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসকল তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৈঠক নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা তাভিসিনের অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে। প্রথমে তারা একান্তে কথা বলেন, এরপর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বর্ণনা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ১০০টি ইকোনমিক জোন ও আইটি ভিলেজে থাই বিনিয়োগের আহ্বান জানান। থাইল্যান্ডের ব্যবসায়ীরা চাইলে প্রয়োজনে বাংলাদেশে তাদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা প্রায় ১.৩ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে। তাদের জন্য বাংলাদেশে যেসব সমস্যা হচ্ছে বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান ড. হাছান।

তিনি বলেন, থাইল্যান্ডেও অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন। এখনো অনেকে আসছেন। থাইল্যান্ডও এই পালিয়ে আসা মানুষদের ভারে জর্জরিত। এ সমস্যা সমাধানে উভয় প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার ব্যাংককে পৌঁছান। বৃহস্পতিবার ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসকাপ) ৮০তম অধিবেশনে যোগ দেন শেখ হাসিনা। সফর শেষে ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

১০ টাকার জিনিস এখন আর ১০০ টাকা দিয়ে কেনা যাবে না : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা

১০ টাকার জিনিস এখন আর ১০০ টাকা দিয়ে কেনা যাবে না : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা
সংগৃহীত

ত্রাণ ও পুনর্বাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে হুঁশিয়ারি দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম বলেছেন, ‘ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি সমন্বয় কমিটি প্রতিনিয়ত মনিটরিং করবে। সেটি আবার মানুষের কাছে প্রকাশ্য তুলে ধরা হবে। তাই ১০ টাকার জিনিস এখন আর ১০০ টাকা দিয়ে কেনা যাবে না।’

পরিবর্তিত নতুন বাংলাদেশে আর অতীতের মতো কিছু করা যাবে না বলে তিনি আজ রোববার বিকালে কুমিল্লা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে বন্যার্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে করণীয় বিষয়ে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান। 

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা জানান, সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে নিয়ে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটি হবে। এই কমিটিতে যাদের প্রয়োজন হবে তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের প্রতিনিধিরা কুমিল্লার বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেন। 

প্রচলিত ধারার পুনর্বাসন কর্মসূচি বর্জন করে মেধা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের মাধ্যমে পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বন্যাকবলিতদের সহযোগিতায় শুধু আমরাই কাজ করছি এমন নয়— সারা বিশ্ব এতে যুক্ত হচ্ছে। তাই আমরা অনন্য দৃষ্টান্ত রাখতে চাই, যা আগে আমাদের কাছে এ সুযোগ আসেনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আর কোনো দোহাই দিতে পারবেন না, আপনাদের সামনে কোনো বাধা নেই। তাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা সবকিছু নিরঙ্কুশভাবেই করতে পারবেন।’

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সেনানিবাসের কর্নেল স্টাফ কর্নেল আব্দুল আজিজ, কুমিল্লা পুলিশ সুপার আশফিকুজ্জামান আক্তার, সিভিল সার্জন ডা. নাসিমা আক্তার, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং এলজিআরডি নির্বাহী প্রকৌশলী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তারা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র সমন্বয়করা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হলো ‘প্রত্যয় স্কিম’

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হলো ‘প্রত্যয় স্কিম’
সংগৃহীত

বুধবার (২০ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই ও তারপরে নতুন যোগদান করবেন তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৭-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে নতুন যোগদান করবেন, তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।


এছাড়া ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৮-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যয় স্কিম চালুর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না এবং তাদের বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে।


তবে, যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবসর জীবনে মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান দেওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।  


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় খুব কম সংখ্যক স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পেনশন স্কিম চালু রয়েছে। এ ধরনের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা আনুতোষিক স্কিমের আওতাভুক্ত এবং তাদের জন্য সিপিএফ ব্যবস্থা প্রযোজ্য। উক্ত ব্যবস্থায় কর্মচারীরা চাকরি শেষে অবসর সুবিধা হিসাবে এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন, কিন্তু মাসিক কোনো পেনশন প্রাপ্য হন না।


ফলে অবসরোত্তর জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হন। কর্মচারীদের অবসরোত্তর জীবনের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে সরকার ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রবর্তন করেছে। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর প্রাপ্ত মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা, যাহা কম হয় তা কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তন করা হবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রদান করবে।


এরপর উভয় অর্থ ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওই কর্মকর্তা/কর্মচারীর কর্পাস হিসাবে জমা করবে। এ প্রক্রিয়ায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেনশন ফান্ড গঠিত হবে এবং ওই ফান্ড জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাভজনক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্য মুনাফা এবং চাঁদা হিসাবে জমা করা অর্থের ভিত্তিতে পেনশন প্রদান করা হবে।


অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান সিপিএফ ব্যবস্থায় কর্মচারী মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠান মূল বেতনের ৮.৩৩ শতাংশ প্রদান করে থাকে। প্রত্যয় স্কিমে প্রতিষ্ঠান প্রদান করবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ যা সিপিএফ ব্যবস্থা থেকে ১.৬৭ শতাংশ বেশি। প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা প্রদান করলে তিনি অবসর গমনের পর অর্থ্যাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন প্রাপ্য হবেন।


তবে এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন এক কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০  টাকা। যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২.৪৭ গুণ।  

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ
সংগৃহীত ছবি

দেশে আবারও পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।

চলতি জুন মাস থেকেই নতুন দর কার্যকর হবে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী, গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য হার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

তবে নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।

গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

রমজানে চিনি ও খেজুরের দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার

রমজানে চিনি ও খেজুরের দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার
সংগৃহীত

সরকার রোজার শুরুতেই খেজুর ও চিনির দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে । 


সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফুয়ারা খাতুনের সই করা এক সার্কুলারে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, নিম্নমানের খেজুরের দাম ধরা হয়েছে কেজিতে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর বহুল ব্যবহৃত জাইদি খেজুরের কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।


প্রতি কেজি অতি সাধারণ খেজুরের দর ঠিক করা হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। এছাড়া কেজিপ্রতি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। 


পাশাপাশি প্রতি কেজি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ঠিক করা হয়েছে। তাছাড়া প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ দর ধার্য করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। এসব দামে খেজুর ও চিনি বিক্রি করতে ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নিম্নমানের খেজুরের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দামি খেজুরের দাম ঠিক করে দেয়া হয়নি। ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পিঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি, শিগগিরই তা দেশে আসবে। এতে মসলাজাতীয় পণ্যটির দরও কমে যাবে।


প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার নিত্যপণ্যের দাম কমানোর চেষ্টায় করছে। বাজারে কোনো পণ্যের স্বল্পতা নেই। চালের দরম নিয়েও অস্বস্তি নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মনিটরিং হচ্ছে।


global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ
সংগৃহীত

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।

সোমবার (৩ মার্চ) বিকেলে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মূল্য ১ টাকা ৩১ পয়সা কমিয়ে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৭ টাকা ৭৪ পয়সা।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ৪ দফা কমানো হয়েছিল এবং ৭ দফা বাড়ানো হয়েছিল। 

এর মধ্যে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বাড়ানো হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে দাম কমানো হয়েছিল। তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
সংগৃহীত

পৃথিবীকে জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্যশূন্য বর্জ্য শূন্য কার্বন-এর ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন জীবনধারা গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ওয়ার্ল্ড লিডারস ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি আহ্বান করেন।

একটি নতুন পৃথিবী গড়ার লক্ষে তিনটি শূন্যভিত্তিক তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্নের কথাও উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বেঁচে থাকার জন্য, আমাদের আরেকটি সংস্কৃতি গঠন করতে হবে। একটি ভিন্ন জীবনধারার ওপর ভিত্তি করে আরেকটি পাল্টা সংস্কৃতি গড়তে হবে। এটি হবে শূন্য বর্জ্যের ওপর ভিত্তি করে। সংস্কৃতি নিত্য পণ্যের ব্যবহারকে সীমিত করবে, কোন বর্জ্য অবশিষ্ট রাখবে না। জীবনযাত্রাও হবে শূন্য কার্বনের ওপর ভিত্তি করে যেখানে কোনো জীবাশ্ম জ্বালানি থাকবে না, শুধুমাত্র পুনঃনবায়নযোগ্য শক্তি থাকবে। এতে এমন একটি অর্থনীতি হবে যা প্রাথমিকভাবে সামাজিক ব্যবসার মতো ব্যক্তিগত পর্যায়ে শূন্য মুনাফার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। সামাজিক ব্যবসার একটি বিশাল অংশ পরিবেশ মানবজাতির সুরক্ষায় মনোযোগ দেবে। সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের জীবন কেবল সুরক্ষিতই হবে না, গুণগতভাবে উন্নত হবে। এটি যুবকদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সহজতর করবে। উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন শিক্ষার মাধ্যমে তরুণরা প্রস্তুত হবে। চাকরিপ্রার্থী তৈরির শিক্ষা উদ্যোক্তা-কেন্দ্রিক শিক্ষা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।

পরিবেশের সুরক্ষার জন্য একটি নতুন জীবনধারার প্রয়োজন উল্লেখ করে . ইউনূস বলেন, নতুন জীবনধারা চাপিয়ে দেয়া হবে না, এটি হবে পছন্দ বেছে নেওয়া। তরুণরা সে জীবনধারাকে পছন্দ হিসেবে বেছে নেবে। প্রতিটি যুবক তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে। এগুলো হচ্ছে- শূন্য নেট কার্বন নির্গমন, শুধুমাত্র সামাজিক ব্যবসা গড়ে তোলার মাধ্যমে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে পরিণত করার মাধ্যমে শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেক মানুষ তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে বেড়ে উঠবে এবং সারাজীবন তিন শূন্য ভিত্তিক ব্যক্তি হিসেবে থাকবে। এটি নতুন সভ্যতা গড়ে তুলবে। এটা করা যেতে পারে আমাদের যা করতে হবে তা হল গ্রহের নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নতুন জীবনধারা গ্রহণ করা যেখানে সবাই বসবাস করে। আজকের তরুণ প্রজন্ম বাকিটা করবে। তারা তাদের আমাদের গ্রহকে ভালোবাসে। আমি আশা করি আপনারা স্বপ্ন দেখায় আমার সাথে যোগ দেবেন। আমরা যদি একসাথে স্বপ্ন দেখি তবে তা সম্ভব হবে। জলবায়ু সংকট তীব্রতর হচ্ছে এবং সে কারণে মানব সভ্যতা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানুষ আত্ম-বিধ্বংসী মূল্যবোধের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আত্ম-রক্ষাত্মক আত্ম-শক্তিবর্ধক একটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপনের জন্য আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক, আর্থিক যুব শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা, এই গ্রহের মানব বাসিন্দারা এই গ্রহের ধ্বংসের কারণ। মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করছে এবং তারা এমন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছে যা পরিবেশের বিরুদ্ধে কাজ করে। তারা এটিকে একটি অর্থনৈতিক কাঠামো দিয়ে ন্যায্যতা দেয়, যা গ্রহ ব্যবস্থার মতো প্রাকৃতিক হিসেবে বিবেচিত হয়। অর্থনৈতিক কাঠামো সীমাহীন খরচের ওপর ভিত্তি করে চলছে। আপনি যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি প্রবৃদ্ধি পাবেন। যত বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবেন, তত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন। সর্বাধিক মুনাফা অর্জনকে সিস্টেমের সবকিছুকে আমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভূমিকা পালনের শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

নতুন বাজেটে বাড়ছে বিয়ের খরচ

নতুন বাজেটে বাড়ছে বিয়ের খরচ
ফাইল ছবি

বিয়ের আয়োজনেও যোগ হচ্ছে নতুন খরচ। শহর এলাকায় বিয়ের আয়োজন করতে প্রয়োজন হয়  কমিউনিটি সেন্টার। আর এখন থেকে সে বিয়ের জন্য কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া নিতে লাগবে আয়কর রিটার্ন জমার রসিদ।

আজ নিজের প্রথম বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে তিনি নতুন অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করা শুরু করেন।

সাধারণত বিয়ে, বিবাহবার্ষিকী, জন্মদিন, গায়েহলুদ, সুন্নতে খাতনাসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সভা, সেমিনার, পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করতে কমিউনিটি সেন্টার ও মিলনায়তন ভাড়া করা হয়। এখন থেকে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমার রসিদ ছাড়া মিলনায়তন ভাড়া করা যাবে না।

বর্তমানে ৪৩ ধরনের সেবা পেতে রিটার্ন জমার কপি লাগে। এই তালিকায় মিলনায়তন ভাড়া নিতে রিটার্ন জমার এই বাধ্যবাধকতা যুক্ত হচ্ছে।

আগামী অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ছে না। এখনকার মতো বার্ষিক করমুক্ত সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকাই থাকছে। তবে করহার পুনর্বিন্যাস হচ্ছে। এখন ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ শতাংশ করহারের সঙ্গে ৩০ শতাংশের আরেকটি স্তর আসছে। বছরে আয় সাড়ে ৩৮ লাখ টাকার বেশি হলে করদাতাকে বাকি অর্থের ওপর ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত এ বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

এর আগে, এ বাজেট মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়, পরে ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
ছবি: সংগৃহীত

বুধবার সকাল ১১টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর উপকণ্ঠ পূর্বাচল নতুন শহরের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। মানুষের কাজই হলো নিজের মন মতো কাজ করা। বাণিজ্যমেলা মানুষকে নিজের উদ্যোগকে ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরার সুযোগ দেয়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী এই মেলা হচ্ছে এ নিয়ে চতুর্থবার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ মেলার যৌথ আয়োজক। দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি ৭ দেশের ১১ প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নেবে।

অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং মালয়েশিয়া।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০

এক জেলাতেই তরমুজ উৎপাদন দুই হাজার কোটি টাকার

এক জেলাতেই তরমুজ উৎপাদন দুই হাজার কোটি টাকার
সংগৃহীত

পটুয়াখালীতে ২৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। এসব তরমুজের বাজার মূল্য দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে দাবি করছেন জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

উৎপাদিত এসব তরমুজ উচ্চমূল্যে বিক্রি করতে পেরে খুশি কৃষক। গত বছরের বৃষ্টিতে তরমুজ চাষের ক্ষতি পুষিয়ে এবার লাভবান চাষিরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ তরমুজ ক্ষেত। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তরমুজ। ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে জড়ো করে রেখেছেন বিক্রির জন্য। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাপারীরা তরমুজ কিনতে ক্ষেতে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে দরদাম করে কিনে নিচ্ছেন। এই তরমুজ ট্রাক-ট্রলি ও ট্রলারে বোঝাই করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন শ্রমিকরা। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ক্ষেত থেকে তুলে বাজারজাতে ব্যস্ততা দেখা গেছে চাষিদের মাঝেও।

এসব দৃশ্য দেখা গেছে পটুয়াখালীর গলাচিপা, দশমিনা, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার তরমুজ ক্ষেতে। চাষিরা জানান, জেলার গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীতে প্রচুর তরমুজ চাষ হয়েছে। তবে বরি মৌসুমে অল্প সময়ে তরমুজ আবাদ ও লাভজনক হওয়ায় পটুয়াখালীর চাষিদের মধ্যে আগ্রহ অনেক বেড়েছে।

একই এলাকার চাষি সেলিম হাওলাদার (৪২) বলেন, তরমুজ চাষের জন্য অন্যের কাছে থেকে এক বছরের চুক্তিতে দুই একর জমি লিজ নিয়েছি। এর মধ্যে চাষযোগ্য ১৬০ শতাংশ জমিতে তরমুজ আবাদ করেছি। এতে বীজ ও সার-ওষুধসহ মোট খরচ হয়েছে এক লাখ টাকার মতো। আর বিক্রি করেছি চার লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, আমি গত বছরগুলোতে তরমুজ চাষ করে তেমন লাভ করতে পারিনি। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজ ভালো হয়েছে এবং লাভবান হয়েছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে, এ বছর জেলায় ২৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে গলাচিপা উপজেলায়। এ উপজেলায় আট হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে রসালো ফলটির চাষ হয়েছে। এ ছাড়াও রাঙ্গাবালীতে ছয় হাজার ৩৫০ হেক্টর, বাউফলে তিন হাজার ৫২০ হেক্টর, কলাপাড়ায় এক হাজার ৭৫০ হেক্টর, দশমিনায় এক হাজার ৭২০ হেক্টর, সদর উপজেলায় ৮০৫ হেক্টর, দুমকি উপজেলায় ৩৫০ হেক্টর ও মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ১৫৫ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। উৎপাদিত এসব তরমুজ বাজারে বিক্রি দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। 

এদিকে গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ও গোলখালী ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, ক্ষেতের পর ক্ষেতে তরমুজ। চাষিরা এখন বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আমখোলা ইউনিয়নের বাউরিয়া গ্রামের তরমুজ চাষি ইউনুচ হওলাদার (৪০) ১৩ বছর ধরে রবি মৌসুমে তরমুজ চাষ করছেন। এ বছর নিজের ও অন্যের জমি মিলিয়ে দুই একর জমিতে ফলটি চাষ করেছেন। তিনি বলেন, আমার ক্ষেতের কিছু তরমুজ গাছ মারা গেছে, তবুও যা ছিল ফলন ভালো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তরমুজ আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। ক্ষেত থেকে ব্যাপারীরা এখন পর্যন্ত তরমুজ কেটে নেয়নি।

বৌবাজার এলাকার কৃষক তাসলিমা বেগম মাঝেরচর এলাকায় আট একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, দুই একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ উৎপাদন করে সাত লাখ টাকা বিক্রি করেছি। এখনও ছয় একর জমিতে তরমুজ রয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে প্রায় ১৫ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।তিনি আরও বলেন, প্রথমে দাম ভালো ছিল- এখন কিছুটা কম। আজকে রোদের তাপ অনেক, আবহাওয়া এভাবে থাকলে তরমুজের বাড়বে।

সুহুরী ব্রিজ এলাকার কৃষক আলআমিন জানান, মৌসুমের আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যাপারীরা অগ্রিম দাদন দিতে এলাকায় চলে আসেন এবং ফলনের পর তরমুজ সংগ্রহ করতে এলাকায় অবস্থান করেন। তিনি ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি শুরু করেছেন।

মৌসুম শুরুর আগেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আড়তদার ও ব্যাপারীরা এখানকার চাষিদের লাখ লাখ টাকা দাদন দিয়ে রেখেছেন। এখন আড়তদাররা এলাকায় এসে চাষিদের কাছ থেকে তরমুজ সংগ্রহ করছেন। ক্ষেত থেকে তরমুজ কিনে ট্রলার কিংবা ট্রলি বোঝাই করে এনে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ঢাকাগামী লঞ্চগুলোতে তরমুজ চলে যাচ্ছে রাজধানীতে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম মল্লিক বলেন, জেলায় ২৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এতে সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদন হবে। প্রায় সবগুলোই অধিক ফলনশীল হাইব্রিড জাতীয়। জেলার আগাম উৎপাদিত তরমুজ বাজারে ভালো দাম পেয়েছে। সেগুলো দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলে যাচ্ছে। উৎপাদিত তরমুজের বাজার মূল্য  দুই হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আবাদের পর আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। এ অঞ্চলে দোআঁশ মাটিতে তরমুজের ফলন ভালো হয়। বৃষ্টির কারণে মাটিতে প্রচুর রস থাকায় তরমুজ আকারে বড় ও উৎপাদন বেড়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। এ ছাড়াও দিনের বেলা প্রখর রোদে তরমুজের রং উজ্জ্বল ও সুস্বাদু হয়। ফলে এ অঞ্চলের তরমুজ খুব সুস্বাদু এবং ক্রেতাদের কাছেও জনপ্রিয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ

ওসির প্রত্যাহারের খবর পাওয়া মাত্রই পাওনাদাররা ভিড় জমালো থানায়

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে পাশে থাকবে জাতিসংঘ : আন্তোনিও গুতেরেস

কুমিল্লায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান

কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর মনিটরিং

রমজানে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখার নতুন সময়সূচি

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

কুমিল্লায় যৌথ অভিযান

মার্চে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

এক সপ্তাহের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

১০

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

১১

জাপানের সঙ্গে প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১২

কোনো ব্যাংক বন্ধ করব না: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

১৩

পৃথিবীর সুরক্ষায় ‘জিরো কার্বন’ ভিত্তিক জীবনধারার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

১৪

ঋণ সুবিধা মানুষের অধিকার: প্রধান উপদেষ্টা

১৫

পেঁয়াজের কেজি মাত্র ৩ টাকা !

১৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরায় ৭ দিনে ১২৯ জেলের কারাদণ্ড

১৭

মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ ড. ইউনূসের

১৮

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ‘হার্ডলাইনে’ যেতে হবে: উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

১৯

চিনির দাম কমাতে শুল্ক কমালো এনবিআর

২০