

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচং এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে বুড়িচং থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
জানা গেছে, গত রোববার (২২ জুন) বিকেলে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কোরপাই এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ায় বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মিছিলের ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বুড়িচং উপজেলার আবিদপুর গ্রামের মৃত কবির হোসেনের ছেলে মো. সোহেল রানা, কাকিয়ারচর গ্রামের সেলিম মুন্সীর ছেলে মো. কামরুল হাসান, আবিদপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. সজিব, আবিদপুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম, কুমিল্লার বল্লভপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহীম ঠিকাদারের ছেলে মেহেদী হাসান রিমন এবং কুমিল্লার তৈতয়ারা গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ আহমেদ।
বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুল হক জানান, মহাসড়ক অবরোধ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় ২৩ বীর এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে র্যাব-১১ (সিপিসি-২) কর্তৃক আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, এই অভিযানটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের অধিনায়কত্বে ২৩ বীর কর্তৃক পরিচালিত একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও সফল অভিযান, যা কুমিল্লা অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুমিল্লা মহানগর শাখার নতুন সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে মো. সিরাজুল হককে প্রধান সমন্বয়কারী এবং ইঞ্জিনিয়ার মো. রাশেদুল হাসানকে যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব শেখ আখতার হোসেন এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এই কমিটির অনুমোদন দেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৪০ কেজি গাঁজাসহ একটি টয়োটা মাইক্রোবাস জব্দ করেছে বুড়িচং থানা পুলিশ।
আজ (২০ জুন) রাতে বুড়িচং থানায় কর্মরত এসআই মোঃ নূরুল ইসলাম ও সঙ্গীয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা বুড়িচং থানার ১নং রাজাপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত পাঁচোড়া দক্ষিণ পশ্চিম পাড়া নুর মসজিদের উত্তর পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর একটি টয়োটা মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দিলে পুলিশের উপস্থিতি টের পায়ে গাড়ী চালক ও গাড়ীতে থাকা দুইজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি গাড়ী থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় মেম্বার ও উপস্থিত লোকজনের সামনে গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর পিছনে থাকা ৭টি চটের বস্তায় ১৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় টয়োটা মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন ,কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় সাফরাত হোসেন সানভীর নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের আলকরা এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সানভীর উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কেন্দুয়া গ্রামের মোঃ বাহরাইন প্রবাসী রাজুর একমাত্র ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচা মোরশেদ আলম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া গ্রামের নুর হোসেন সুজন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে যায়। এর কিছুক্ষণ পর জেঠার খোঁজে বৈছামুড়া ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীর। নুর হোসেন সুজন মনে করেছিলেন, ভাতিজা সানভীর কিছু দূর গিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাবে। কিন্তু ভাতিজা সানভীর জেঠার কাছে যেতে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে। মুহুর্তের মধ্যেই চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সেপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় সানভীর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নুর হোসেন সুজন পিছনের দিকে ভাতিজা সানভীরের দিকে তাকালে তাকে রেললাইনের পাশে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এদিকে একমাত্র ছেলে সানভীরকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ বাবা-মা। এ ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহত সাফরাত হোসেন সানভীর চাচা মোরশেদ আলম বলেন, বাড়ি থেকে সামান্য দূরে রেললাইনের সাথে মাছ ধরা দেখতে তাঁর জেঠা বৈছামুড়া ব্রিজের পাশে যায়। জেঠার পিছনে পিছনে ভাতিজা সাফরাত হোসেন সানভীরও চলে যায়। জেঠা মনে করেছিলেন, সানভীর একটু গিয়ে আবার বাড়ির দিকে চলে গেছে। খেয়াল না করায় ট্রেনের ধাক্কায় ভাতিজা সানভীরের মৃত্যু হয়েছে।
তবে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি জানে না লাকসাম জিআরপি থানা ও গুণবতী রেলষ্টেশন কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজীকরণের উদ্দেশ্যে সারাদেশের মত কুমিল্লায়
ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার (১০
জুলাই) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জে অবস্থিত একটি কেন্দ্রের মাধ্যমে এ জেলার ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আমিরুল কায়ছার৷
কুমিল্লা জেলার ১৭ টি উপজেলায় প্রথম ধাপে ৩৪ টি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়। প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে৷
ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যঃ
১। ভূমি অফিসের বাইরে নাগরিকগণকে ভূমিসেবা গ্রহণে সহায়তা প্রদান।
২। ভূমিসেবাকে নাগরিকের হাতের কাছে নেওয়া।
৩। ডিজিটাল ভূমিসেবা গ্রহণ পদ্ধতি প্রচলন ও টেকসই করা।
৪। নাগরিকদের ভূমিসেবা গ্রহণ সহজীকরণ।
৫। ভূমিসেবা গ্রহণে সহায়তা/সহযোগিতা প্রদান ও তথ্য সুরক্ষায় বিধিগত কাঠামো তৈরি।
৬। দক্ষ, দায়িত্ববান ও নাগরিকবান্ধব সেবা সহায়তাকারী তৈরি।
৭। সঠিকভাবে নাগরিকের প্রোফাইল তৈরি ও আবেদন ফরম পূরণ করে দাখিল নিশ্চিত করা।
৮। ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট অভিযোগ শূন্যে নামিয়ে আনা।
ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত ফি এর বিনিময়ে নামজারির আবেদন, ভূমি উন্নয়ন কর জমাকরণ, খাসজমি বন্দোবস্তের আবেদন, অর্পিত সম্পত্তির লীজ নবায়নের আবেদনসহ ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করা যাবে৷
ভূমিসেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকারের এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক হবে বলে আশা করা যায়।
উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: তৌহিদুল ইসলাম, কুমিল্লা আদর্শ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর মো: শহীদুল ইসলাম, এসি (ল্যান্ড) তানজিনা জাহান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক দুইটি অভিযানে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১৬ বোতল বিদেশী মদসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পাঁচথুবী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ অন্তর নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে বিকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ আরিফ হাসান নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৬ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিশুক (অটো) গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ অন্তর (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ঝাকুনীপাড়া গ্রামের মনির হোসেন এর ছেলে এবং ২। মোঃ আরিফ হাসান (৩১) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিশুক (অটো) গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী মোঃ ওয়াসিম (৩০) এবং মোঃ সবুজ (৩৮) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ৩৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ওয়াসিম (৩০) বি.বাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার লালপুর গ্রামের মোঃ বিল্লাল হোসেন এর ছেলে এবং মোঃ সবুজ (৩৮) নওগাঁ জেলার সদর থানার দশপাইকা গ্রামের মোঃ আশরাফুল ইসলাম এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালালমুক্ত করার অভিযানে গিয়ে দালালের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান।
ঘটনার পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত আক্তার হোসেনকে (৩০) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং পুলিশ তাকে জেলহাজতে পাঠায়।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে। দণ্ডপ্রাপ্ত আক্তার দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, দেবীদ্বার উপজেলায় প্রায় ৩৭টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত দালালচক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালের রোগীদের টার্গেট করে প্রতারণা চালিয়ে আসছে।
বিভিন্ন সময়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অভিযানে এসব দালাল আটক হলেও জামিনে বেরিয়ে আবারও একই কাজে জড়িয়ে পড়ে।
সকালে নিয়মিত পরিদর্শনের সময় জরুরি বিভাগে দালাল আক্তারকে দেখে ডা. মহিবুস সালাম তাকে সরে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি উল্টো তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাকে আটকাতে গেলে আক্তার হোসেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ওপর হামলা করে শার্ট ছিঁড়ে ফেলে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে ধরে একটি কক্ষে আটকে রাখে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাৎক্ষণিক বিচার পরিচালনা করেন।
তিনি সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি ও সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অপরাধে আক্তারকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই হাসপাতালের ভেতরে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ডাক্তারদের হুমকি দেওয়া এবং ভর্তি রোগীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি পকেটে ব্লেড রেখে চিকিৎসকদের ভয় দেখাতেন বলেও জানা গেছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে ডা. মহিবুস সালাম খান বলেন, দালালকে বের হতে বললে সে অবাধ্য আচরণ করে। পরে জোর করে বের করতে গেলে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ও আমার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে।
অন্যদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম জানান, দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালালমুক্ত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা ও রোগীদের হয়রানির ঘটনায় অভিযুক্তকে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অটোরিকশা চালক মাঈন উদ্দিন (১৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি রফিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে বুড়িচং থানাধীন ষোলনল ইউনিয়নের ভান্তি এলাকায় গোমতী বেড়িবাঁধের সুইচগেটের পশ্চিম পাশে মাঈন উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত মাঈন উদ্দিন ১৫ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে সাতরা চম্পকনগর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। রাত ৮টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মোঃ রফিক (৪০) কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মোঃ রফিক (৪০) গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার মাঠের হাট এলাকার মৃত ফখর উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সে জানায়, ১৫ নভেম্বর রাতে অটোরিকশা চালানোর সময় সে ও তার সহযোগীরা মাঈন উদ্দিনের পথরোধ করে দুই হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গেঞ্জি দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তারা অটোরিকশা থেকে পাঁচটি ব্যাটারি নিয়ে পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন