

মাই টিভির ১৫ বছর পদার্পন উপলক্ষে কুমিল্লায় র্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
মাই টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আবু মুসার আয়োজনে আজ ১৫ এপ্রিল সোমবার সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
কুমিল্লা ফটো সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওমর ফারুকী তাপসের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. লুৎফুর রহমান, এটিএন নিউজ ও এটিএন বাংলার কুমিল্লা প্রতিনিধি খায়রুল আহসান মানিক, আরটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. গোলাম কিবরিয়া, টেলিভিশন, সাপ্তাহিক সীমান্ত সংবাদ ও ডেইলি অবজারভারের প্রতিনিধি মো. নজরুল ইসলাম দুলাল, রূপসী বাংলার প্রতিনিধি অশোক বড়ুয়া, জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হুমায়ুন কবির রনি, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি ও দৈনিক জনকণ্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি মীর শাহ আলম, দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার সাদিক হোসেন মামুন, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক বাহার রায়হান, মানবজমিনের কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. জাহিদ হাসান, বৈশাখী টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন, যমুনা টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, সমকালের কুমিল্লা প্রতিনিধি কামাল উদ্দিন, দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, দৈনিক যুগান্তরের কুমিল্লা ব্যুরো আবুল খায়ের, নাগরিক টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন আকাইদ, ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার মো. ফিরোজ হোসেন, যায়যায়দিনের কুমিল্লা প্রতিনিধি আব্দুল জলিল, চ্যানেল ২৪ এর কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. জাহিদুর রহমান, জাগরনী টিভির জেলা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, আরটিভির প্রতিনিধি মো. সোহরাব সুমন, এনটিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মাহফুজ নান্টু, আজকের পত্রিকা’র প্রতিনিধি জহিরুল হক বাবু, এশিয়ান টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, চ্যানেল এসের প্রতিনিধি রাজিব সাহা, ঢাকা ট্রিবিউনের কুমিল্লা প্রতিনিধি মহসীন কবির, রূপসী বাংলার নিজস্ব প্রতিনিধি সাইফুল সুমন, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদের প্রতিনিধি মো. জাকির হোসেন, ডাক্তার ও লেখক ডা. আব্দুল আউয়াল সরকার, দুর্নীতির সন্ধানের প্রতিনিধি ম্যাক রানা, ঢাকা মেইলের কুমিল্লা প্রতিনিধি সাকলাইন জুবায়ের, ইনডিপেনডেন্ট টিভির ক্যামারাপার্সন মো. আমলগীর হোসেন, সদর দক্ষিণ প্রেসক্লাবের সভাপতি হাজী দেলোয়ার মজুমদার, জাতীয় অর্থনীতির কুমিল্লা ব্যুরো মো. শাহিন হোসেন, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ কুমিল্লা প্রতিনিধি মারুফ কল্প, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান,ময়নামতি টোয়েন্টি ফোর টিভির গিয়াস উদ্দিন দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের কুমিল্লা প্রতিনিধি এনসি জুয়েল, বিজনেস বাংলাদেশর মহানগর প্রতিনিধি আয়েশা আক্তার, বাংলাদেশ সমাচারের প্রতিনিধি মো. সাফি, দৈনিক আলোকিত সকালের মহানগর প্রতিনিধি হাফেজ তামিম হোসেন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ইয়াছিন বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে দেশ একটি যোগ্য ও সুন্দর প্রজন্ম পাবে।
আজ সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে হাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে নেউরা এম. আই. উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাথমিক স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আল্লাহ ধন-সম্পদ দেওয়ার আগে মানুষের মনকে সমৃদ্ধ করেন। আয়োজক জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগ তার উদার মানসিকতারই প্রমাণ। তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি মহৎ কাজ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, সময় ও যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার ধরণ ও শিক্ষার্থীদের চাহিদাও বদলেছে। বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্কুল ব্যাগও একজন শিক্ষার্থীর জন্য বড় সহায়তা হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করে এবং সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
মন্ত্রী সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যার যার অবস্থান থেকে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। আজ যেসব শিক্ষার্থী সহায়তা পাচ্ছে, ভবিষ্যতে তারাই দেশের সম্পদ হয়ে সমাজের কল্যাণে অবদান রাখবে।
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য—এই তিনটি খাত দেশের অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারলেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
হাজ্বী মোঃ জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একাধিক কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের একটি টহল গাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে একজন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে দাউদকান্দি থানাধীন পুঠিয়া এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেইনে চলন্ত কাভার্ডভ্যান (নং- চট্টমেট্টো-ট-১১-৮৮৪২)-কে একই দিকে আসা আরেক কাভার্ডভ্যান (নং- চট্টমেট্টো-ট-১১-৪১১৬) পেছন থেকে ধাক্কা দিলে উভয় গাড়ি রাস্তার পাশে নিচে পড়ে যায়।
ঘটনার পর ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের মোবাইল টিম, যার নেতৃত্বে ছিলেন সার্জেন্ট নাদিম, সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেন। ঠিক সেই সময় ঢাকাগামী একটি দ্রুতগামী কাভার্ডভ্যান (নং- ঢাকামেট্টো-ট-২২-৩৫৮১) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশের দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপ ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দুইটি যানবাহনই রাস্তার নিচে পড়ে যায় এবং পুলিশের গাড়িটি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ দুর্ঘটনায় পুলিশের গাড়িতে থাকা কনস্টেবল সাগর ইসলাম গুরুতর জখম হন। তাঁর ডান পা ভেঙে গেলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী কাভার্ডভ্যানের চালককে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে রেকার দিয়ে উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে এবং বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জোনাইদ চৌধুরী জানিয়েছেন, পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত দুটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করতে গেলে অন্য একটি কাভার্ড ভ্যান পুলিশের গাড়িকে ধাক্কা দেয়। এতে একজন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে। গাড়িগুলিকে উদ্ধারসহ এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের চক্রকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ।
গতকাল (২৮
মার্চ) বিকেলে সুমন (৩৪) নামক ব্যক্তি কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হয়ে
জানান, তার
ভাই আলাউদ্দিন রং মিস্ত্রির কাজ করে। কাতার যাওয়ার জন্য (২৮
মার্চ) সকাল ১১ টায় তার নিজ বাসা থেকে রেইসকোর্সে
এলাকায় প্রবাসী জনশক্তি অফিসে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার জন্য বাহির হলে
কে বা কারা তাকে অপহরণ পূর্বক আটকে রেখে আটক ব্যক্তির নম্বর থেকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন
প্রকার হুমকি ধমকী দিয়ে ১,০০,০০০ (এক
লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে এবং চাঁদা না দিলে ভিকটিমের নামে
মিথ্যা মামলা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরাইয়া দিবে বলে হুমকী দিচ্ছে।
সংবাদ
পেয়ে সম্মানিত পুলিশ সুপার,
কুমিল্লার নির্দেশনায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ উক্ত ব্যক্তিকে উদ্ধারে কাজ
শুরু করে।
কোতয়ালী
মডেল থানার এস.আই জীবন রায় চৌধুরী তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আটক রাখার স্থান
সনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা
করে ভিকটিম আলাউদ্দিনকে রাতে উত্তর রেইসকোর্স,
ধানমন্ডি রোড(বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মজুমদার এর মাজেদা কুটির নামীয়
৬ষ্ঠ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলায় ২ নং আসামীর ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িত
চক্রের দুই নারী এবং একজন পুরুষ সদস্যকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো-
১।
পারভীন আক্তার @ হুমায়রা(২৮), পিতা-মৃত
শানু মিয়া, মাতা-মৃত
হাসেনা বেগম, সাং-চারিপাড়া(উত্তর পাড়া, হারুন মেম্বারের বাড়ী), থানা-ব্রাহ্মনপাড়া,
জেলা-কুমিল্লা, এ/পিসাং-নানুয়া
দিঘীর দক্ষিন পাড়(মনির হোসেন এর ৬ তলা ভবনের ৩য় তলার ভাড়াটিয়া), থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
২।
শাহেনা বেগম(৩৮), স্বামী-কবির
আহমদ, সাং-ধান্যদৌল(কাজী
বাড়ী), ৫নং
ওয়ার্ড, থানা-ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা-কুমিল্লা, এ/পি সাং-উত্তর
রেইসকোর্স, ধানমন্ডি
রোড(বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মজুমদার এর মাজেদা কুটির নামীয় ৬ষ্ঠ তলা
বিশিষ্ট বিল্ডিং এর ৪র্থ তলার ভাড়াটিয়া),
থানা-কোতয়ালী মডেল,
জেলা-কুমিল্লা।
৩।
মোঃ মশিউর রহমান টিপু(৪৫),
পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ,
মাতা-ফাতেমা বেগম,
সাং-কাপ্তান বাজার(বেপারী পুকুর পাড়,
বড় বাড়ী), থানা-কোতয়ালী
মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
পুলিশ
জানান, উক্ত চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ব্যক্তিকে টার্গেট করে
প্রলোভনের মাধ্যমে নিজেদের নির্ধারিত স্থানে নিয়ে ভয় ভীতি দেখিয়ে চাদা আদায় করে
আসছিলো।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লা এর কোতয়ালী মডেল থানায় প্রতারণামূলক চাদাবাজির মামলা দায়ের
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতের শব্দে অজ্ঞান হয়ে এক শিক্ষার্থী
প্রাণ হারিয়েছে। তার নাম সিয়াম । বয়স হয়েছিলো ১৪ বছর ।
শনিবার (১১ মে) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উত্তর ত্রিশ এলাকার বালুর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিয়াম মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ গ্রামের প্রবাসী
হুমায়ুন কবিরের ছেলে।
জানা যায়, সকালে সিয়াম বন্ধুদের সাথে নিয়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে ত্রিশ গ্রামের
বালুর মাঠে গিয়েছিলো। তাদের খেলা চলাকালিন সময়ে মাঠে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে সিয়াম
মাঠেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর কর্তব্যরত
চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক বলেন,
‘সকালে বাড়ির পাশের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে যায় সিয়াম। এ সময় আচমকা ঝড়-বৃষ্টি
ও বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে কিশোর সিয়াম গুরুতর আহত হয়। সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সিয়ামের শরীরে পুড়ে যাওয়ার মতো কোনো
চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ইসিজি) করার পর তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত
হয়েছি।’
১৫ নম্বর নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো.জাকির হোসেন বলেন,
‘সিয়াম কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। বজ্রপাতের শব্দে
ঘটনাস্থলেই সে জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলে। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা
করেন।’
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত সিসিএন শিক্ষা পরিবার তথা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সিসিএন মডেল কলেজের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুইদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দেয়া হয়েছে। দেশে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে দূর্গত অঞ্চলের মানুষের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ওই অনুদান প্রদান করা হয়েছে। জানা যায়, সিসিএন পরিবারের প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একদিনের বেতন বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রদান করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং এই বিষয়ে সিসিএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী কে অবহিত করেন। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে যোগ করার ঘোষণা দেন। এদিকে কুমিল্লায় বন্যা পরিস্থিতির শুরু থেকেই সিসিএন শিক্ষা পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীরাও বন্যা দূর্গতদের পাশে দাড়িয়েছে। তারা ত্রাণ সরবরাহ, বন্যা দূর্গতদের আশ্রয় কেন্দ্রে পৌছে দেয়া, জরুরী চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রক্টরিয়াল টিম ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে জেলার বন্যাদূর্গত উপজেলা চৌদ্দগ্রাম, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া এলাকা সহ অন্যান্য এলাকায় সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


বাঁচা-মরার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৮ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপে সুপার ফোরে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মাধ্যমে দেশের বাইরে প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে হারালো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে আফগানিস্তানকে ১৫৫ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেনার সেদিকুল্লাহ অটলকে শূন্য রানে এলবিডাব্লিউ করেন বাহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। ওই ওভার মেইডেন নেন নাসুম। উইকেট হারানোর পরেও চড়াও হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তবে পঞ্চম ওভারে এসে সেই জুটিও ভেঙেছেন নাসুম। তার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ৫ রানে ফিরেছেন ইব্রাহিম। অবশ্য আফগানিস্তান রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। আফগান ব্যাটার কাটা পড়েন আম্পায়ারর্স কলে।
পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট নেয়ার পাশাপাশি আফগানদের চেপে ধরে টাইগার বোলাররা। ৬ ওভারে আফগানদের সংগ্রহ মাত্র ২৭ রান।
৮ দশমিক ৩ ওভারে এসে গুলবাদিনকে বিদায় দিয়ে আফগানদের আরও চাপে ফেলেন রিশাদ। গুলবাদিনের ফিরতি ক্যাচ নেন এই লেগি। আফগান এই ব্যাটার ১৪ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন। গুরবাজ এক প্রান্ত আগলে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালেও ড্রিংকস ব্রেকের পর রিশাদের বলে সুইপ করতে গিয়ে ৩৫ রানে কাটা পড়েন। তার ৩১ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ২টি ছয়। এটি ছিল রিশাদের দ্বিতীয় উইকেট। আফগানরা চতুর্থ উইকেট হারায় ৬২ রানে।
১৩তম ওভারে পঞ্চম উইকেটও তুলে নেয় বাংলাদেশ। মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হন মোহাম্মদ নবী (১৫)। তাতে ৭৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে আরও বিপদে পড়ে আফগানিস্তান। তবে ক্যামিও ইনিংসে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ব্যবধান কমাচ্ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার ব্যাটে ১৫তম ওভারে স্কোর একশ ছাড়ায় আফগানদের। তবে এই ব্যাটারকে ৩০ রানে থামিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ওমরজাই ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন।
১৮ বলে যখন ৩১ রান দরকার ঠিক তখনই রান আউটের ফাঁদে করিম জান্নাত। সোহানের দুর্দান্ত থ্রোয়ে রান আউট হন তিনি। ১২৪ রানে পড়ে সপ্তম উইকেট। ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলার চেষ্টায় ছিলেন রশিদ খান। প্রথম বলে চার মারলেও ১৮ দশমিক ২ ওভারে মোস্তাফিজের বলেই ২০ রানে কাটা পড়েন তিনি। তাতে ১৩২ রানে অষ্টম উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
পরের বলে নতুন নামা গজনফরকেও গ্লাভসবন্দি করান কাটার মাস্টার। তাতে জয়ের আরও কাছে চলে আসে বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে সোহানের হাতে তালুবন্দি হন নুর। এতেই ৮ রানের পরাজয় ঘটে আফগানদের।
বাংলাদেশের হয়ে এই ম্যাচে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। তাসকিন, রিশাদ এবং নাসুম নিয়েছেন দুটি করে। তবে চার ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন নাসুম।
এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চার পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিমের সাথে ওপেনিংয়ে নামেন সাইফ হাসান। ভাগ্যের সহায়তা পান দুজনই। প্রথম ওভারে ক্যাচ তুলেও বেঁচে যান সাইফ হাসান। তৃতীয় ওভারে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় তানজিদ হাসানের। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশ তোলে বিনা উইকেটে ৫৯।
একসময় মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ ১৭০-১৮০ রানের দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু তানজিদ ছাড়া বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় দল ৫ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৫৪ রানের মাঝারি সংগ্রহ।
আফগান স্পিনার নুর আহমেদকে ছক্কা মারতে গিয়ে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যাচে পরিণত হওয়ার আগে ৩১ বলে ৫২ রান করেন ওপেনার তানজিদ। ২৮ বলে ৩০ আসে সাইফের ব্যাট থেকে। বাকিরা কেউই ত্রিশ পেরোতে পারেননি।
১৩ তম ওভারে তানজিদের বিদায়ের পর শেষ ৭.১ ওভারে বাংলাদেশ মাত্র ৫০ রান তুলতে পেরেছে। এ সময় হারিয়েছে মাত্র ২ উইকেট। জাকের আলি করেন ১৩ বলে ১২ এবং নুরুল হাসান ৬ বলে ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। আর ২০ বলে ২৬ রান করে আউট হন তাওহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশ এর আগে একবারই আফগানদের ১৫৫-এর বেশি লক্ষ্য দিতে পেরেছে। ২০২২ সালে মিরপুরে সেই ম্যাচে ১৫৬ রানের লক্ষ্য ছুঁতে নেমে ৯৪ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। সেই ম্যাচেও নাসুম আহমেদ ৪ উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন। এ ম্যাচেও প্লেয়ার অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন এই বোলার।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টি'র (এনসিপি'র) কেন্দ্রীয় সদস্য সালাউদ্দিন জামিল সৌরভ বলেছেন, বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিভাগ সংখ্যা বৃদ্ধি একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই প্রেক্ষাপটে কুমিল্লাকে বিভাগ ঘোষণা করার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। দেশের পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর হিসেবে কুমিল্লা একটি পূর্ণাঙ্গ বিভাগের মর্যাদা পাওয়ার উপযুক্ততা বহু আগে থেকেই অর্জন করেছে।
১. ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা দেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর আশপাশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও লাকসাম-নাঙ্গলকোট অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই অঞ্চলগুলো মিলে একটি স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বলয় তৈরি করে, যা একটি আলাদা বিভাগের প্রাকৃতিক কাঠামো উপস্থাপন করে।
২. জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়তা:
কুমিল্লা জেলা নিজেই বাংলাদেশের অন্যতম জনবহুল জেলা। কুমিল্লা অঞ্চল ও আশেপাশের জেলা মিলে জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। একটি বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় বিভাগগুলোর তুলনায় এই অঞ্চলকে একটি আলাদা বিভাগে উন্নীত করলে জনগণের ওপর প্রশাসনিক চাপ কমবে এবং সেবা পৌঁছাবে আরও দ্রুত।
৩. অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
কুমিল্লা প্রাচীন কালে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল। ময়নামতি, শালবন বিহার, এবং অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এই জেলার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে। কুমিল্লা শিল্প, কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়েও এগিয়ে রয়েছে। এখানকার ইপিজেড, রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প এবং কৃষিপণ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য। একটি বিভাগীয় শহর হিসেবে কুমিল্লার অর্থনৈতিক সক্ষমতা আরও বাড়বে।
৪. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এখানে। একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা হলে এই অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধি পাবে, উন্নয়ন প্রকল্প আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে।
৫. দূরত্ব ও প্রশাসনিক জটিলতা কমবে:
চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ হিসেবে বর্তমানে কুমিল্লা অনেক প্রশাসনিক কাজে চট্টগ্রাম নির্ভরশীল। কিন্তু কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ফলে সাধারণ মানুষকে বিভাগীয় কাজের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিভাগ স্থাপন হলে এই জটিলতা দূর হবে।
৬. জনআকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘদিনের দাবি:
কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবি অনেক পুরনো এবং জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। এই দাবি শুধু রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নয়, বরং এটি স্থানীয় মানুষের আত্মপরিচয়, মর্যাদা ও উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের এমন যৌক্তিক দাবি উপেক্ষা করা অনুচিত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর বিসিক শিল্প এলাকায় ছিনতাইকারি সন্দেহে সায়েম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে । এ ঘটনায় রাতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় কয়েকজন ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে স্থানীয় যুবকরা পুলিশের গাড়ির উপর হামলা করে। পরে আরো সেনাবাহিনী ও পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আজ বৃহস্পতিবার ( ২১ আগষ্ট) বিকেলে বিসিক শিল্প নগরী এলাকার এস. আলম ষ্টীলের ব্যানারে জান্নাতুল ফুড প্রোডাক্ট মিলে গণপিটুনিতে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত সায়েম সদরের দিদার মার্কেট এলাকার ভাড়াটিয়া অটো রিক্সা চালক আমিনুল ইসলামের ছেলে। তাদের মূল বাড়ি রংপুর জেলায়।
ঘটনার পর ওই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ পলাতক রয়েছে। কোম্পানির ভিতর শনপাপড়ি তৈরি করে বাজারে বিপণন করা হতো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শন পাপড়ি খাবার জন্য ওই মিলে গেলে তাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম হত্যার ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, সায়েম ও সাকিব এলাকায় চিহ্নিত ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকা থেকে দলনেতাসহ আট জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
গত ২৭ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের
নিকট হতে ২ টি চাকু, ৪ টি ক্ষুর ও ৭ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ নিলয় ইসলাম (২০), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-
অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ২। মোঃ ইমতিয়াজ মিনহাজ আকাশ (১৯), পিতা-
মোঃ গোলাম রাব্বানী মাসুম, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
বাপ্পি (১৯), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৪। পিয়াল খন্দকার (১৯), পিতা-মোঃ বশির খন্দকার, সাং- গাজীপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৫। মোঃ আব্দুল কাদির (১৯), পিতা-মোঃ সোয়াব আলী, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-
উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে গ্রেফতার এবং আইনের সাথে
সংঘাতে জড়িত শিশু ৬। শাহাদাত হোসেন মাহি (১৭), পিতা-মোঃ নাদের হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর,
থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৭। রাকিবুল হাসান (১৬), পিতা- মোঃ সোহেল রানা,
সাং- উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং ৮। মোঃ মুনতাছির মাহমুদ@
সামির (১৭), পিতা-মোঃ মীর হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের
ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং
এর সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়
ভীতির মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির
মাধ্যমে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে
আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের
বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা আজ কুমিল্লা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে।
শনিবার ১৭ই আগস্ট কুমিল্লা সদর হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে হাসপাতালে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কিছু অনিয়ম, লোকবল সংকট এবং রোগীদের থাকা নানা অভিযোগ নিয়ে এই আলোচনা করা হয়েছে।
কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এই অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে কিভাবে কি কি সমাধান আনা যাবে সে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়।
আজকের
আয়োজিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা: নাসিমা আক্তার,
কুৃমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার
ডা: আব্দুল করিম খন্দকারসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার এবং সিনিয়র স্টাফ নার্সবৃন্দ ।
সদর
হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান, ইব্রাহিম খালিদ হাসান এবং
মোঃ রফিকুল ইসলাম (রকি) উপস্থিত ছিলেন।
আজকের এই আলোচনা সভায় সমস্যার সমাধানে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান আনয়নে তারা কাজ করবেন।
মন্তব্য করুন