

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের আপনজনের মঙ্গল কামনায় মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ২০২৩) দ্বিতীয়দিনে কুমিল্লা মহানগরীর লাকসাম রোডস্থ মহেশাঙ্গণে লোকনাথের আরাধনায় নিমগ্ন থেকে এই ব্রত পালন করেন জেলার বিভিন্ন উপজেলা হতে আগত প্রায় সাড়ে ৮ শতাধিক লোকনাথ অনুসারী ভক্ত ও পূর্ণ্যাথী। এ সময় প্রদীপ, ধুপ, ফল, ফুল সামনে নিয়ে একাগ্রচিত্তে নারী-পুরুষ, শিশু-তরুণ-বৃদ্ধ নির্বিশেষে মগ্ন থাকেন আরাধনায়।
জানা যায়- প্রাণঘাতী রোগ কলেরা-বসন্তের হাত থেকে বাঁচার জন্য কার্তিক মাসে উপবাস পালন এবং আশ্রম প্রাঙ্গণে ঘিয়ের প্রদীপ ও ধূপ-ধুনা জ্বালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবা লোকনাথ। সেই থেকে বিপদ-আপদ, রোগবালাই থেকে মুক্তি পেতে ও আপনজনের কল্যাণ কামনা করে লোকনাথ অনুসারী ও ভক্তরা পালন করে থাকেন ‘রাখের উপবাস’। কার্তিক ব্রত কোন কোন স্থানে ‘গোসাইর উপবাস’ নামেও পরিচিত এই ব্রত। প্রতি বছরের ১৫ কার্তিকের পর মাসের বাকি সময়ের প্রতি শনি ও মঙ্গলবার লোকনাথ অনুসারীরা এই ব্রত পালন করেন। প্রতিবছর ঘটা করে এ উৎসব পালিত হয়। বিকেল ৩টা হতেই দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তরা মহেশাঙ্গণে এসে জড়ো হন।
কুমিল্লা মহেশাঙ্গণ লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক হারাধন ভৌমিক ও লোকনাথ যুব সেবা সংঘের সাধারণ সম্পাদক লিটন চন্দ্র দাস এর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই ব্রতের আগের দিন সংযম করতে হয়। তারপর উপবাস থেকে সন্ধ্যায় আগে ধূপ-প্রদীপ ইত্যাদি নিয়ে বসতে হয়। আরাধনায় বসে প্রদীপ জ্বালানোর পর কথা বলা বন্ধ করে দিতে হয়। সংযম, মনোব্রতের মাধ্যমে একাগ্রচিত্তে লোকনাথকে ডাকতে হয়। প্রদীপ আলো নিভে গেলে মন্দির থেকে ফলফলাদি ও চড়ুই প্রসাদ দেওয়া হয় পূণ্যার্থীদের। তারা বলেন- আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি লোকনাথ যুব সেবা সংঘের প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
মহেশাঙ্গণে আসা একজন ব্রতী/পূর্ণ্যাথী ইতি রাণী ভৌমিক বলেন, আমি আজকে উপবাস থেকে আমার পরিবারের সকলের মঙ্গল কামণাসহ আপনজনের মঙ্গল কামনায় এখানে এসেছি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করতে।
ওই অনুষ্ঠানে বাবার লোকনাথের পাঁচালী পাঠ করেন অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য।
এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘের সভাপতি ননী গোপাল পাল, সহ-সভাপতি প্রলয় সিংহ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ রায় চৌধুরী পার্থ এবং লোকনাথ যুব সেবা সংঘের সিনিয়র সদস্য এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার প্রমুখ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, লোকনাথ স্মৃতি তর্পণ সংঘ ও লোকনাথ যুব সেবা সংঘের সদস্যবৃন্দসহ হাজার হাজার দর্শণ্যার্থী।
মন্তব্য করুন


বিপ্লব চক্রবর্ত্তী:
প্রতিনিয়তই কেউ না কেউ চলার পথে কিংবা হঠাৎ করেই সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে দুঃচিন্তায় ভুগতে হচ্ছে দিনের পর দিন। দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি দিতেই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সকল হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য যে, গতকাল (২ ডিসেম্বর ) শনিবার কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম গত দুইবছর আগে অশোকতলার বাসিন্দা নারায়ণ চক্রবর্ত্তীর ছোট ছেলে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি জিডি মূলে উদ্ধার করে হস্তান্তর করেন।
দুই বছর পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়ে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
সদ্য স্নাতক পাশকৃত ছাত্র গোবিন্দ চক্রবর্ত্তী বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি ফেরত পেয়ে আমি প্রথমে সৃষ্টিকর্তার কাছে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ও কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। শিক্ষাবস্থায় টিউশনির টাকা জমিয়ে এই মোবাইলটি ক্রয় করেছিলাম। টিউশনি করিয়ে কান্দিরপাড় হয়ে বাসায় এসে দেখি আমার শখের ও কষ্টের জমানো টাকা দিয়ে কিনা মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আমি সাথে সাথে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হারানো জিডি করে আসি।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে এ এস আই মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে প্রতিদিনেই অনেক মোবাইল হারানোর জিডি আসে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান স্যার এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আমার কাছে আসা প্রতিটা জিডিই গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং প্রতিনিয়ত প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করছি।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা নগরীর মুন্সেফবাড়ি এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর পর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি ও নিহতের স্বামী মেহেদি হাসান হৃদয়ের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক অমর্ত্য মজুমদার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে এই আবেদন পেশ করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাফসীরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, আগামী ২০ মে বুধবার এই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
নিহত ফারিহার বাবা ও মামলার বাদী মো. হানিফ মজুমদার মুঠোফোনে জানান, তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে সরাসরি কোনো তথ্য না পেলেও আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি রিমান্ডের আবেদন এবং শুনানির তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। এদিকে তদন্ত কর্মকর্তা অমর্ত্য মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আবেদনের সঠিক তারিখ এবং শুনানীর সময় তাৎক্ষণিকভাবে মনে করতে পারেননি। তিনি জানান, কয়েকদিন আগে আবেদনটি করা হয়েছে এবং নথিপত্র দেখে নিশ্চিত হতে হবে।
এদিকে, গত ১০ মে রবিবার, মামলার পাঁচজন আসামি কুমিল্লার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে চারজনকে জামিন দিলেও আদালত প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন, মেহেদি হাসান হৃদয়ের বাবা আবদুর রহিম, মা আফরোজা বেগম, ভগ্নিপতি মো: জাকারিয়া ও বোন রীমা আক্তার।
গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামক ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জান্নাতুন নাঈম ফারিয়া সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামে। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে মেঘনা উপজেলার আবদুর রহিমের ছেলে মেহেদি হাসান হৃদয়ের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ফারিয়ার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। এই টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং ফারিয়াকে একাধিকবার শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। পরিবারের দাবি, যৌতুকের জের ধরে চলা ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলাফল হিসেবেই এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে অভিযুক্ত হৃদয় কারাগারে রয়েছেন এবং পুলিশ রিমান্ডের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানাধীন শ্রী বল্লভপুর এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ।
শুক্রবার
( ৮/১২/২৩) রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই(নিরস্ত্র) মোঃ আহসান হাবিব, সঙ্গীয়
অফিসার এএসআই(নিঃ) মোঃ হারুন-অর-রশিদ, এএসআই(নিঃ) মাসুদ রানা, মুর্শিদ আলম, হানিফ মিয়া,
ফয়সাল আকন্দ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটিতে নিয়োজিত থাকা অবস্থায়
সংবাদ পান সদর দক্ষিণ মডেল থানার একাধিক মামলায় অভিযুক্ত (সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা
নং- ২৩) ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী মোঃ সবুজ সদর দক্ষিণ থানাধীন শ্রী বল্লভপুর এলাকায় তার
নিজ বসত ঘরে অবস্থান করিতেছে। অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ সবুজ (২৪), পিতা- মোঃ আবুল হোসেন মিয়া, মাতা- মোছাঃ পারভীন, সাং- শ্রী
বল্লভপুর (পূর্ব পাড়া), পোঃ- আহাম্মদনগর, ২২নং ওয়ার্ড, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, থানা-
সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
তার কাছ থেকে একটি ছয় চেম্বার বিশিষ্ট রিভলবার, একটি স্টীলের সুইস গিয়ার, একটি লোহার চাপাতি,
একটি স্টীলের তৈরী তলোয়ার সদৃশ সামুরাই উদ্ধার করেন।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, এই মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় অবশ্যই আছে, আমরা তা অস্বীকার করছি না।
শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যেসব ভাই-বোন স্বজন হারিয়ে এসেছেন, তাদের ক্ষতি কোনো রাষ্ট্রই পূরণ করতে পারবে না। এই মৃত্যুর জন্য রাষ্ট্রের ব্যর্থতার দায় অবশ্যই আছে, আমরা তা অস্বীকার করছি না। নিহতদের পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে রাষ্ট্র সজাগ থাকবে। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে নিহতদের পরিবার যাতে অগ্রাধিকার পায়, সেটি সরকার নিশ্চিত করবে।
কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে সাম্প্রতিক সড়ক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আট লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পদুয়ার বাজার এলাকায় আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।
জেলা প্রশাসন কুমিল্লা ও বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেল যৌথ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক।
আরও উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয় এবং সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় আলোচনা সভা কেক কাটাসহ বর্ণাঢ্য আয়োজনে ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১লা ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে । অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলোয়াতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। পরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা শেষে কেক কাটা হয়। এ সময় সকলে দেশের জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক প্রেজেন্ট টাইমসের ১০তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান। সকলে ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের জন্য শুভ কামনা জানান।
ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের নিজস্ব প্রতিবেদক অধ্যাপক মাসুদ মজুমদার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার শ্রী রতন কুমার দত্ত,প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য এবং কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের প্রধান সম্পাদক ওমর ফারুক জালাল ও প্রকাশক শাহ্ জামান হৃদয়।
ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমসের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মো.তৌহিদ হোসেন সরকারের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরীর এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী কামারুজ্জামান সোহেল, সাংবাদিক সহিদ উল্লাহ মিয়াজি, দৈনিক ইনকিলাবের জেলা প্রতিনিধি সাদেক মামুন,
দৈনিক কালবেলার ব্যুরো প্রধান অধ্যাপক দিলীপ মজুমদার,মুক্তির লড়াই সম্পাদক কামরুজ্জামান জনি
শ্রমিক নেতা এডভোকেট জিল্লুর রহমান, আমার বাংলাদেশ (এবিপার্টি) কুমিল্লা মহানগরীর আহবায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার, বরুড়া:
কুমিল্লা জেলা বরুড়া উপজেলায় ১০০ জন প্রান্তিক মাছ চাষীকে দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে ১০০০ কেজি কার্প মিশ্র মাছের পোনা।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার (১৭ ও ১৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা মৎস্য দপ্তর আয়োজনে উপজেলার পরিষদ ও পয়ালগাছা স্থানে মোট ১০০০কেজি কার্প মিশ্র পোনা (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) ১০০ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মাছ চাষিদের মাঝে এ পোনা বিতরণ করা হয়।
উপজেলা মৎস কর্মকর্তা সুরাইয়া জাহান নিতু নেতৃত্বে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ হাছানের সভাপতিত্বে দুইদিন ব্যাপি প্রান্তিক মাছ চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে পোনা মাছ বিতরণ করা হয়।
প্রান্তিক মাছ চাষীদেরকে পোনামাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসার বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৪ সালের বন্যায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অনেক মৎস্য চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই সময় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়েছিলাম। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ মৎস্য চাষিকে প্রণোদনার অংশ হিসেবে ১০০০ কেজি পোনা বিতরণ করা হয়েছে।
প্রান্তিক মাছ চাষী হেলেনা আক্তার বলেন, পোনা পেয়ে অনেক খুশি। বন্যার কারনে পুকুরের সব মাছ চলে যায়। আজ মাছ নিয়ে পুকুরে মাছ পেলে চারপাশে বাঁধ তৈরি করি।
অন্য আরেকজন মাছ চাষী মিজানুর রহমান বলেন, লাখ লাখ টাকার মাছ চলে গেছে, সেখানে কি আর ১০কেজি পোন মাছে পৌষবে?
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পরিচালক (জেলা মৎস্য অফিস) অশোক কুমার দাস, উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য অফিসার (রিজার্ভ) জনাব সুদীপ্ত মিশ্র, লালমাই উপজেলা মৎস্য অফিসার হাবিবুর রহমান ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া অভিযান চালানোর অধিকার কারও নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।
রমজানে বাজার অস্থিতিশীল না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘রমজান ও ঈদ ঘিরে ডাকাতি আর ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব হচ্ছে এটা অস্বীকার করব না। জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মব প্রতিরোধে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অধিকার নেই অভিযান চালানো।’
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গু’লিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে বায়োজিত হোসেন শুকতা (৩৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় ভোররাত ৩টায় কেপটাউনের কিং ভ্যালি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত শুকতা কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পৌর এলাকার কিং শ্রীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মমিন ড্রাইবারের ছেলে।
নিহতের ভাই জাবেদ হোসেন ও বোন সুমি আক্তার জানান, গত ৮-৯ বছর আগে সে দক্ষিন আফ্রিকায় পাড়ি জমান। পরে সেখানে একটি সুপার শপের ব্যবসা শুরু করেন।
গত রবিবার রাত ৯টায় দোকানে ক্যাশে বসা অবস্থায় (আফ্রিকান সময়) সন্ত্রাসীরা বায়োজিত আহমেদ শুকতার উপর ৫ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়।
পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় কিং ভ্যালি হাসপাতালে নেয়া হলে টানা তিনদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর রাতে তার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ময়নামতির উদ্যোগে অসহায় দুঃস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার রাতে কুমিল্লা রেলওয়ে ষ্টেশনের অসহায় দুঃস্থ ও পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ময়নামতির সভাপতি রো. মো. নাজমূল হুদা, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ময়নামতির সেক্রেটারি রো. হাসান মাহমুদ তারেক সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


বন্যার পানি কমে এলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ, মানুষের কষ্ট।
গৃহহীন মানুষগুলো আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
এ মানুষগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্বাসনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
কুমিল্লায় স্মরণকালের ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যায় অনেক পরিবার গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিবেক যেটি হলো মানবতার তরে কাজ করা সামাজিক সংগঠন মানুষদের আশ্রয়স্থল পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ১১সেপ্টেম্বর বিবেক এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু এর নেতৃত্বে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের নমষোদ পাড়া ও ইন্দ্রবতি গ্রাম এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের বালেশ্বর গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তের মাঝে গৃহ পূর্ণনির্মাণের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয় ।
অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস নিয়ে বিবেকের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন