

তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
কুমিল্লায় রান্না ঘরে ঢুকে গৃহবধূ শানু বেগম (৫০) কে গলাকেটে হত্যা দায়ে প্রতিবেশী মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। আজ রবিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার বিজ্ঞ জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত একমাত্র আসামি মোঃ দেলোয়ার হোসেন হলেন কুমিল্লার সদর উপজেলাধীন ১নং কালীর বাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণাকালে আসামি দেলোয়ার হোসেন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানাযায়- গোয়াল ঘরের জায়গার সীমানা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর ভোরবেলা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের শানু বেগম (৫০) তেলের পিঠা বানানোর সময় প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন রান্না ঘরে প্রবেশ করার কারণ জানতে চাইলে দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে বটি দা দিয়ে শানু বেগমের গলার কন্ঠনালী কেটে কুপিয়ে হত্যা করে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রত্যক্ষদর্শী রেহেনা ও জুবায়ের শোর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসিলে তাহাদের সহযোগিতায় দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রেখে থানাপুলিশকে খবর দেয় এবং ভিকটিম শানু বেগমকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর মৃতা শানু বেগম এর স্বামী কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন হাতিগাড়া গ্রামের মৃত বসত আলীর ছেলে মোঃ ফরিদ (৬০) বাদী হয়ে প্রতিবেশী মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩৬) কে একমাত্র আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ১৯ মে দঃ বিঃ আইনের ৩০২ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে আসামি দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৭জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত। সেই সাথে আরো ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ ইউসুফ আলী বলেন- আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।
এদিকে, আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোঃ মাসুদ সালাউদ্দিন। তিনি বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ ক্ষুদ্ধ। আসামিপক্ষ রায়ের কপি হাতে পেলে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
আজ
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী
হয় পথচারীরা। চট্টগ্রামমুখী একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ করেই রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে
পড়ে—কোনো নির্ধারিত স্টপেজ
কিংবা সংকেত ছাড়াই।
বাসটির
দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বাস থেকে নামতে শুরু করেন। অনেকে
প্রাণ ভয়ে ডিভাইডারের ওপর লাফিয়ে উঠেন। একজন যুবক নিরাপদে পার হলেও তার ঠিক পেছনে থাকা
দুই মাদ্রাসাছাত্র ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান রাস্তায়।
ঠিক
তখনই সামনে দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসে একটি মোটরসাইকেল। মুহূর্তের মধ্যে সবাই শ্বাসরুদ্ধ
হয়ে চেয়ে থাকেন সেই ভয়ংকর দৃশ্যের দিকে।
তবে
সৌভাগ্যক্রমে, মারাত্মক দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হন মোটরসাইকেল চালক এবং রক্ষা পান ওই
দুই ছাত্রও।
স্থানীয়রা
জানান, সেই মুহূর্তে পুরো এলাকা থমকে গিয়েছিল। আতঙ্ক আর বিস্ময়ে অনেক পথচারীর মুখ ফ্যাকাশে
হয়ে যায়। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "মনে হচ্ছিল, সবাই যেন মৃত্যুর খুব কাছ থেকে
ফিরে এল।"
ঘটনাটি
যানবাহনের নিয়ম না মানা এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ রোডে অব্যবস্থাপনার একটি উদাহরণ বলে
মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। এ নিয়ে প্রশাসনের আরও কড়া নজরদারি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সারের সভাপতিত্বে সভার শুরুতে কার্যপত্র পাঠ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্র্যাট মো. জাফর সাদিক চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার নজির আহমেদ খান, কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অ্যাডভোকেট কাইউমুল হক রিংকু, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোতালেব হোসাইন, জামায়াতে ইসলামীর মহানগরী নায়েবে আমীর অধ্যাপক এমদাদুল হক মামুন, এনসিপির কুমিল্লা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান, যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম হানিফ, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি জামিল খন্দকার, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারগন সহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রধানরা।সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা করা হয়। কুমিল্লা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ঠিক থাকে সে দিকে সভায় উপস্থিত সকলকে নজর রাখার জন্য জোর তাগিদ দেয়া হয়। যেন জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে এবং কোন কারণে তার অবনতি হয়ে জনসাধারণের জান-মালের ক্ষতি সাধন না হয়। এই বিষয়ে সভার সকলকে সজাগ থাকার বিশেষ তাগাদা দেয়া হয়েছে।সভার কার্যপত্রে জানানো হয়, কুমিল্লায় সেপ্টেম্বর মাসে চাঁদাবাজি, চুরি, নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক ও অপমৃত্যু মতো অপরাধের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে ডাকাতির পরিমান বেড়েছে। স্থিতি রয়েছে ছিনতাই, খুন ও চোরাচালান। অপরদিকে কিছু অপরাধ প্রবণতায় সামান্য হলেও কমতির ধারা লক্ষ্য করা গেছে। জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার নজির আহমেদ খান বলেন, কার্যপত্রে দেখলাম আইনশৃঙ্খলা সূচক কিছু ক্ষেত্রে কমেছে, কিছু ক্ষেত্রে বেড়েছে। জেলা পুলিশ ডাকাতি প্রতিরোধে গত মাসরমে বেশ কয়েকটি অভিযান করেছে। আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ১৪ জনের একটি ডাকাতের টিম আটক করেছি। মাদক নিয়ে জেলা পুলিশ কাজ করছে।
বিজিবি কুমিল্লার সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত অপারেশন অব্যাহত আছে। গোমতী নদীকে ব্যবহার করে অনেকে মাদক চোরাকারবার করছে। আমরা এমন কয়েকটি চালান সনাক্ত করে ধরতে পেরেছি।
সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনউদ্দিন চিশতী বলেন, পলিথিন ব্যবহারে সর্বত্র সয়লাব। আপাতত ব্যবহৃত পলিথিন সংগ্রহ করে ডাম্পিং করা হয়। কিন্তু যেসব পলিথিন ড্রেনে বা খালে ফেলা হয় সেগুলো ডাম্পিংয়ের সুযোগ থাকে না।
সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা কাজ করছি, আগামী তিনদিনের মধ্যে সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা হবে বলে আশা করছি। মহাসড়কে ইউটার্নগুলো নিয়ে আমরা পরিকল্পনা গ্রহন করেছি। ডিসেম্বরের মধ্যেই সুফল আসবে বলে আশা করছি। উল্টোপথে গাড়ি চলাচল রোধে কাজ করছি, অনেকাংশে কমে এসেছে। বর্ষায় মোটামুটি অনেক রাস্তাই বেহাল দশা। বর্ষায় মেরামত করলে টেকসই হয় না। এখন বর্ষার মৌসুম শেষের দিকে, এখন অনেক রাস্তাই মেরামত শুরু হয়েছে। কিছু রাস্তায় নতুন টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়সার বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সকল শ্রেণীপেশার মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ওঠানামা নিয়ে আমাদেরকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা বেড়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এসব প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও সক্রিয় করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সর্বমোট ৪১,১৯,২৬০ টাকা (একচল্লিশ লক্ষ ঊনিশ হাজার দুইশত ষাট টাকা) মূল্যমানের অবৈধ ভারতীয় শাড়ি, কম্বল, বিভিন্ন ধরনের পোশাক ও কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করেছে।
বিজিবি জানায়, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে আজ ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে (২৪ ঘণ্টায়) চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিবের বাজার বিওপি এবং আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার বিওপি–এর আওতাধীন কটকবাজার পোস্ট এবং গোলাবাড়ী পোস্টের বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় পৃথক মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চালায়।
অভিযানকালে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নোয়াপাড়া চাঁনপুর ব্রিজ এবং বিষ্ণুপুর এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় শাড়ি, কম্বল, বিভিন্ন ধরনের পোশাক ও কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, আটককৃত পণ্যের সর্বমোট মূল্য ৪১ লাখ ১৯ হাজার ২৬০ টাকা। জব্দ করা সব মালামাল বিধি মোতাবেক পরবর্তী সময়ে কাস্টমসে জমা করা হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কুকে ডেকে পাটিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে মহাসচিবের বাসায় তাকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে সাক্কুকে নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। বৈঠকে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা-৬ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশ মির্জা ফখরুলকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি কুমিল্লার আদি লোক। আদি বিএনপি। এখন যারা সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে মাঠে হইচই করছেন তারা বিএনপিতে আমার জুনিয়র। আগামী নির্বাচনে সদর আসনের সঠিক চিত্র কি হতে পারে, তা আমি মহাসচিবকে অবহিত করেছি। এ ছাড়াও কুমিল্লার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার সঙ্গে আলাপ হয়েছে।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে বিএনপি থেকে মনিরুল হক সাক্কু আজীবনের জন্য বহিষ্কার হন। এরপরও তিনি দল থেকে দূরে না সরে সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লার ভোটের রাজনীতিতে সাক্কু বড় ধরনের ফ্যাক্টর বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
আদর্শ সদরে, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে কালির বাজার ইউনিয়নের কালির বাজার মডেল
হাসপাতালটি পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক
লিটন দেবনাথকে ক্লিনিকটিতে অবৈধভাবে ফার্মেসি, অপারেশন, রোগী ভর্তি, রক্ত সঞ্চালন,
অনুমোদন বিহীন রক্ত পরীক্ষা, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোন
চিকিৎসক বা নার্সের নিয়োগ না থাকা এবং নিজেই
চিকিৎসক সেজে রোগীদের প্রেসক্রিপশন প্যাডে চিকিৎসা প্রদান করার কারণে তৎক্ষণাৎ
তাকে গ্রেফতার করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
মোবাইল
কোর্টটি পরিচালনা করেন, আদর্শ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
রোমেন শর্মা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইউএইচএফপিও ডাঃ আহমেদ মঞ্জুরুল ইসলাম, কুমিল্লা
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, মোঃ আমিরুল ইসলাম, (উপ-পুলিশ
পরিদর্শক) ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ি, জীবন চক্রবর্তী (হেলথ ইন্সপেক্টর), আবুল কালাম
আজাদ (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর)।
উপজেলা
স্বাস্থ্য অফিস, গ্রামীন কল্যাণ জাগুল ঝুলি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিদর্শনের আবেদনের
ভিত্তিতে পুনঃ পরিদর্শনে গিয়ে, সেখানে পরিচালিত ফার্মেসিটির নিবন্ধন না থাকায় তা বন্ধ
করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রোমেন শর্মা জানান, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। বড় রকমের কোন অসঙ্গতি পেলে উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হচ্ছে। আমরা আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিচ্ছি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহমেদ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, মানসম্মত
স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে, মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সকল আদেশ বাস্তবায়নে
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সদা প্রস্তুত। কুমিল্লার আদর্শ সদরে প্রতি মঙ্গলবার জনসাধারণের
স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি বিষয়ক অভিযোগ সমূহ উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসে সরাসরি দাখিল এবং
গন শুনানির ব্যবস্থা রয়েছে। বিধি মোতাবেক
সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং বেসরকারি পর্যায়ে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের
লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত অভিযানসহ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং কুমিল্লার উন্নয়ন-অভিমুখী ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জনগণের হাতে পৌঁছে দিতে বর্ণাঢ্য মিছিল ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে কান্দিরপাড়স্থ বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এক বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর চর্থা চৌমুহনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এই গণসংযোগ-মুখী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল নগরবাসী, নতুন ভোটার, ব্যবসায়ী-শ্রেণি, শিক্ষার্থী, কর্মজীবী নাগরিক—সকলের মাঝে রাষ্ট্র মেরামত সংক্রান্ত ৩১ দফা এবং বিশেষভাবে কুমিল্লার উন্নয়নে হাজী ইয়াছিনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরা। নেতৃবৃন্দের মতে—এটি ছিল জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির একটি ক্ষেত্রভিত্তিক প্রয়াস।
মিছিলে অংশ নেন কুমিল্লা মহানগর, সদর দক্ষিণ ও আদর্শ সদর উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান বিএনপি নেতা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ বারী সেলিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, কুমিল্লা মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মিছিল চলাকালে নেতারা জনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বার্তা লিফলেটের মাধ্যমে তুলে ধরেন। লিফলেটগুলোতে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফার প্রতিটি পয়েন্টের বাস্তবিক প্রভাব তুলে ধরা হয়। এলিট রাজনীতি থেকে জনগণের রাজনীতিতে ফেরার যে স্লোগান বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে উচ্চারিত হয়েছে—এই কর্মসূচিও ছিল তারই ধারাবাহিকতা।
সমাবেশে বক্তারা কুমিল্লার অতীত-বর্তমান সামাজিক–অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন—কুমিল্লা মহানগর একটি ঐতিহ্যবাহী শহর হলেও এখনো নাগরিক সেবা, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, তরুণদের কর্মসংস্থান, ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষা সুবিধা উন্নয়নে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে সুশাসন, জবাবদিহিতা, এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল দরকার। সমাবেশে হাজী ইয়াছিনের কুমিল্লার জন্য প্রস্তাবিত পরিকল্পনার তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে কুমিল্লা–০৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা হাতেহাতে লিফলেট নিয়ে অংশ নেন এবং নাগরিকদের মাঝে সরাসরি বিতরণ করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ঘটনায় মূলহোতা সিফাত ও আবরারসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, কোতয়ালী থানার পুলিশ ও র্যাব। রবিবার ও সোমবার পুলিশের অভিযানে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকা ও বুড়িচং উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এই সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মো: আব্দুল্লাহ।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে দেখা যায় কয়েকজনের হাতে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয় চারজন। পরে তাদেরকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন, মোস্তাফিজুর রহমান, অনয় দেবনাথ, মো. মাহিন ও মো. রিজভী। তারা কুমিল্লার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, রোববার সকালে কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শাখার ব্যবসা শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থী জিসান ও তাহফিদের সঙ্গে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী তানভীন সিফাতের কথাকাটি হয়। এঘটনার সময় সিপাত ফাহাদকে হামলা করে এবং জিসানকে মারধরের হুমকি দেয়। পরে ফাহাদ ও সিফাতের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে সিফাত তার বিভিন্ন কলেজে থাকা বন্ধুদের কল দিলে তারাও তার সঙ্গে এসে যোগ দেয়। বেলা ১২ টার কিছু সময় পর কলেজের শিক্ষার্থীরা বের হওয়া শুরু হলে সিফাত ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করে। এঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক তরুণ হাতে ধারলো রামদা নিয়ে অন্য তরুণদের দৌড়াচ্ছে। এসময় এক তরুণের হাতে পিস্তল দেখা যায়। তবে তার চেহারা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিলো না। ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে হাতে অস্ত্রসহ দেখা যাওয়া ঐ তরুণ সিফাত বলে জানা গেছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ আবুল বাসার ভূঁঞা বলেন, এঘটনায় পর কলেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এঘটনায় যতটুকু জেনেছি আহতদের কেউ ভিক্টোরিয়া কলেজের নয়। তবে ভিক্টোরিয়া কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী এঘটনার সঙ্গে জড়িত। আমরা এঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ইতোমধ্যেই আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং এঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জানানোর ব্যবস্থা করছি।
এই বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মো: মহিনুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের সময় একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে এসময় আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র কয়েকজনের হাতে দেখা যায়। ঘটনার পরপরই অভিযানে নামে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যাব। রবিবার রাতে ও সোমবার সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ও বুড়িচং উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে মূলহোতাসহ ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ১৫ জন এবং র্যাব ২ জনকে গ্রেফতার করে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাটি ঘটেছে লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।
বুধবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামি জানু মিয়াকে আদালতে পাঠানো হয়।
লাকসাম থানার ওসি সাহাবুদ্দিন খান জানান, গত ২৮ এপ্রিল বেলা আড়াইটায় ওই গ্রামের মৃত বন্দে আলী মিয়ার ছেলে জানু মিয়া (৭০) তার নাতনির খেলার সাথী ওই শিশু কন্যাকে একা পেয়ে ঘরে নিয়ে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার মুরাদনগরে গোমতী নদীর পাড় থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ তার পরিচয় জানাতে পারেনি।
আজ শুক্রবার (২৫ জুলাই) বেলা ১১ টায় উপজেলার মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের ভিতরে শ্মশানের পাশে ওই ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোমতী নদীর পাড় থেকে বাতাসে পচা গন্ধ ভেসে আসলে প্রথমে স্থানীয়রা ভেবেছিল কোন মরা পশুর গন্ধ হবে। কাছে গিয়ে দেখে অর্ধগলিত অবস্থায় একটি যুবকের লাশ পড়ে আছে। পরে স্থানীয়রা মুরাদনগর থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) এ কে এম কামরুজ্জামান ও মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান ঘটনাস্থলে যান।
ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তার বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত যুবকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, গোমতী নদীর পাড় থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগরে নিখোঁজের ২০ দিন পর মাটি খুঁড়ে মেহেদী হাসান (১৮) নামে এক যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মুরাদনগর থানা ও বাঙ্গরা বাজার থানার সহযোগীতায় নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ এলাকা থেকে মাথার খুলি ও হাড়গোর উদ্ধার করে কুমিল্লা সিআইডি পুলিশের একটি বিশেষ টিম। নিহত মেহেদী হাসান বাঙ্গরা বাজার থানার দীঘিরপাড় গ্রামের মৃত মোস্তফা’র ছেলে। সে পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলো।
গত ১১ আগস্ট রাতে মেহেদী হাসান বাঙ্গরা বাজার থেকে তার অটোরিকশায় ভাড়া নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ যাওয়ার সময় অটোরিক্সাসহ নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর দিন পরিবারের পক্ষ থেকে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি জিডি করা হয়।
মন্তব্য করুন