

কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন ফুলতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ মোবারক হোসেন নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মোবারক হোসেন
(৩৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দূর্গাপুর গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম এর
ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটর সাইকেলটি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় সাপের কামড়ে তানজিনা আক্তার নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি হোমনা উপজেলার গোয়ারি ভাঙ্গা এলাকার আলী আহমেদের স্ত্রী এবং দুই সন্তানের জননী।
আজ (২৬ জুন) সকালে তাদের নিজ বাড়িতে বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় তানজিনাকে সাপে কাটে। তবে সাপটিক কোন প্রজাতির তা জানাতে পারেনি কেউ।
হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সাপে কাটা তানজিনাকে এন্টিভেনম দেয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু তার পরিবার সেটি না মেনে তাকে এক কবিরাজের কাছে নিয়ে কাজ না হয় আবার হাসপাতালে ফেরার পথেই তার মৃত্যু হয়।
তানজিনার স্বামী আলী আহমেদ বলেন, সকাল আনুমানিক ৭ টায় নিজ
বাড়ির বিছানাতেই শুয়েছিল তানজিনা। এ
সময় তার বাম পায়ে আঙ্গুলে সাপের ছোবল টের পায়। উঠে খাটের নিচে তাকাতেই কালো রঙের একটি সাপকে চলে যেতে দেখে। পরে
তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সকাল ৮
টায় নিয়ে যাওয়া হয়। উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঔষধ দেওয়ার পর সেখান থেকে
স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে
'পানপড়া' খাওয়ানোর
জন্য নিয়ে গেলে সেখান থেকে তানজিনাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ফেরার
পথে তানজিনার শারীরিক অবস্থা আরো অবনতি ঘটলে তাকে আবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নেয়া হয়। হাসপাতালে
নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। তবে কি সাপে কেটেছে
বলতে পারছিনা। তবে সাপটি কালো রঙের ছিল।
হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার রাশেদুল ইসলাম বলেন, সাপে কাটা রোগী তানজিনা আসার পর তাকে অ্যান্টিভেনম এর ডোজ শুরু করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি মাঝামাঝি পর্যায়ে থাকাকালীন সময়ে তার পরিবারের লোকজন তাকে এক কবিরাজের কাছে নিয়ে যাবার জন্য জোরাজুরি করে এবং নিয়ে যায়। পরে শুনেছি তাকে মৃত অবস্থায় আবার হাসপাতালে আনা হয়েছে। সাপটি কি ধরনের সেটি তিনি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারেননি।
তবে তিনি জানান, তানজিনাকে কেটেছে তা বিষধর ছিল।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, তানজিনাকে যখন নিয়ে আসে তখন তার শরীরে বিষক্রিয়ার বিভিন্ন উপসর্গও দেখা গেছে। তার চোখের পাতা বারবার পড়ে আসছিল এবং গলা শুকিয়ে আসছিল। চিকিৎসকরা তাকে এন্টিভেনম দেয়ার মাঝামাঝি সময়ে তার পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে যায়। পরে আবার হাসপাতালে আনলে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -১১, সিপিসি-২।
১৮ এপ্রিল রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কোটেশ্বর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ রাশেদুল রিমন (২৪) ও ২। মোঃ ওয়াসিম আকরাম
(২১) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি
গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ রাশেদুল রিমন (২৪) কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানার সুহিলপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাব এর ছেলে এবং ২। মোঃ ওয়াসিম আকরাম
(২১) বি.বাড়িয়া জেলার সদর থানার সুলতানপুর গ্রামের শেখ ভানু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার
করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায়
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১
এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের
মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা: সৈয়দ আবদুল্লাহ মো: তাহের বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুলাই চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়ে জোট হবে।
সেখানে সকল ইসলামি দল,জুলাই চেতনাকে ধারন করে এসম সমমামনা দল নিয়ে এক বৃহৎ জোটের জন্য আমরা কাজ করছি। এ বিষয়ে আলেম-ওলামা ও ইসলামি রাজনীতিকদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচন যত কাছে আসবে, আমাদের এ প্রক্রিয়া তত দৃশ্যমান ও সুসংগঠিত হবে।
দিন দিন জামায়াতের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পক্ষান্তরে অন্য একটি দলের জনপ্রিয়তা কমছে। ওই দলটি গত কয়েকদিন আগেও হানিফ পরিবহনের কাউন্টার ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। দেশের জনগন কোন চাঁদাবাজ ফ্যাসিবাদকে আর চায় না।
শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা কেন্দ্র নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াত নেতা আবুল কালাম মজুমদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমীর এডভোকেট মু. শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমীর মাহফুজুর রহমান, বাতিসা ইউনিয়ন নির্বাচনের অঞ্চল পরিচালক মজিবুর রহমান ভুঁইয়া।
ডা: তাহের আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন চায়। যেখানে মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। যেন তেন উপায়ে কারো চাপিয়ে দেয়া নির্বাচন জনগণ মেনে নিবে না। জাতীয় নির্বাচন এই নির্বাচন হবে ভারতীয় আধিপত্যবাদ, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক ও ইসলামপ্রিয় জনগণের বিজয়ের নির্বাচন।
এই নির্বাচন হতে হবে সন্ত্রাস ও দখলদার মুক্ত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। প্রত্যেক ভোটারের কাছে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের আহবান পৌঁছে দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
জামায়াত নেতা মাস্টার কামাল উদ্দিন ও আবদুল কাইয়ুম মানিকের যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সাইয়েদ রাশীদুল হাসান জাহাঙ্গীর, এম ইউসুফ, ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন মিন্টু, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মহসিন মজুমদার। এরআগে প্রধান অতিথি ডা: তাহেরকে ফুলেল শুভেচছা জানান সমাজসেবক মহসিন মজুমদার, আবদুল হক, মো: লিটন।
এ সময় যুবনেতা নুরুল করিম মামুন, পেয়ার আহমেদ, হোসাইন মোহাম্মদ কাউসার, জাফর আহমেদ, রেজাউল করিম মিন্টু, ইব্রাহিম চৌধুরী অরুপ, ফরহাদ হোসেন, ওহিদুর রহমানসহ লুদিয়ারা, কুলিয়ারা, কালিকসার ও দুর্গাপুর গ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। এছাড়া একই সময়ে মহিলা সমাবেশে বিপুল সংখ্যক উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামে ময়লা ফেলার জেরে অন্তঃসত্ত্বা নারী ফাহিমা আক্তার কে হত্যা করে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টায় ভারতে পালানোর সময় সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- প্রধান আসামী মো. সাইদুর রহমান (২৪), ২ নং আসামী শাফিউল জান্নাত প্রকাশ সিয়াম (১৯) ও ৪ নং আসামী শাহারিয়ার নাজিম জয় (১৯)। তাদের মধ্যে সাইদুর রহমান ও সিয়াম জগতপুর (নাগরবাড়ি), বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা এবং শাহারিয়ার নাজিম জয় কুমিল্লা কোতোয়ালী থানার বাঁশমঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা।
বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় আসামিরা ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের পর তিনি নিজে এবং বুড়িচং থানার একাধিক পুলিশ সদস্য নিয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করেন। পরে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের সহযোগিতায় ভারতে পালানোর আগ মুহূর্তে আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।তিনি আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মামলার এজাহারনামীয় এক, দুই ও চার নম্বর আসামি রয়েছে।এর আগে রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বুড়িচং পৌরসভার জগতপুর (নাগরবাড়ি) গ্রামে ডায়পার ফেলা নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে ফাহিমা আক্তার আঁখিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হন।
বুড়িচং থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এবার বাজার মনিটরিংয়ে নেমেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কুমিল্লা নগরীর বাজার মনিটরিং কাজ শুরু করেছেন। এক্ষেত্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও দ্রব্যমূল্যের তালিকা পর্যবেক্ষণ করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছেন তারা। দাম বেশি নিলে করা হচ্ছে সতর্কও।
সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বিকালে নগরীর টমছমব্রীজ বাজার মনিটরিংয়ে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এসময় কাঁচামাল, মাছ, মাংস, পেঁয়াজ-রসুন, মসলাসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য যাচাই করেন। তাদের এ কাজে সহায়তা করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও।
অতিরিক্ত মূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি না করার আহ্বান জানান শিক্ষার্থীরা। কোনো পণ্যের দাম অযথা বাড়ানো হয়, তবে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থী বাবুল আহমেদ বলেন, আমাদের বাজার মনিটরিং এ প্রশাসনকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে হবে এবং নতুন বাংলাদেশের নির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা কাঁচাবাজার, মাছ বাজার, আড়ৎ, পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পণ্যের মূল্য পর্যবেক্ষণ করছি। সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় ভোগান্তির জায়গা হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। এ কারণেই আমরা কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে মনিটরিং চালাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


বন্যা দুর্গত অঞ্চলে ও কুমিল্লা মহানগরীর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করে যাচ্ছেন বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু।
উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, কুমিল্লা জিলা স্কুলের আশ্রয় কেন্দ্রে চাহিদা মত রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, মেডিসিন, ওরস্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী দিয়ে যাওয়ার কাজ করে যাচ্ছে বিবেক ।
কুমিল্লাতে এরই মধ্যে কুমিল্লা হাই স্কুল, সংরাইশ সালেহা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,ধর্মপুর মহিলা সরকারি কলেজর আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রত্যেকের চাহিদা অনুযায়ী উপহার সামগ্রী বন্টন করেছে আত্ম মানবতার সেবায় নিয়োজিত সংগঠন বিবেক ।
পাশাপাশি বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনেও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের কাজ করে আসছে সংগঠনটি ।
সহযোগিতা প্রদানের কাজ নিয়ে ইতিমধ্যেই ইউসুফ মোল্লা টিপু আশ্বস্ত করেছেন বন্য পরবর্তী সময়ে পুনর্বাসন সহ অনেক উদ্যোগ বিবেক হাতে নিয়েছে যার কার্যক্রম কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে।
এখানে
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিবেক সংগঠন থেকে যা কিছু করা হয় সেগুলোর আর্থিক অনুদান একমাত্র
বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু'র নিজ অর্থায়নে করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৮ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ময়নামতি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ মনিরুজ্জামান মনির এবং
২। মোঃ সজিব (২৭) নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ
থেকে ৩৪৭ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনিরুজ্জামান
মনির (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কালিকাপুর গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে
এবং ২। মোঃ সজিব (২৭) একই গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কাভার্ড ভ্যান যোগে দেশের
বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে
আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় নিখোঁজের একদিন পর রেল সড়কের পাশ থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার বিকেলে নিখোঁজ জামশেদ ভূঁইয়ার লাশ পালপাড়া রেললাইনে পাশে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। এ দিন সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার এর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম ।
নিহত জামশেদ ভূইয়া কুমিল্লা নগরীর ৩ নম্বর ওয়ার্ড কালিয়াজুরী ভূইয়া বাড়ি সাবেক কমিশনার মরহুম আব্দুল কুদ্দুস ভুইয়ার তৃতীয় পুত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় বাসা হতে মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য বের হওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই বিষয় কোতোয়ালি মডেল থানায় তার বড় ভাই একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, গত সপ্তাহে একই এলাকায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সুমাইয়া আক্তার ও তার মা তাহমিনা বেগম হত্যার শিকার হয়েছিলেন। সপ্তাহ না পেরোতেই আবারো একই এলাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ব্যবসায়ী।
এই বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় নিহত জামশেদ ভূঁইয়ার ভাই থানায় অভিযোগ করেছিলেন । তিনি বলেছিলেন মাগরিবের নামাজ পড়তে গিয়ে তার ভাই বাসায় ফেরেননি । রোববার সন্ধ্যায় আমরা লাশ উদ্ধার করেছি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে আমরা কাজ করছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক :
কুমিল্লা থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর আগে জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ১৩৯ প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। জেলা ও উপজেলায় মনোনয়ন দাখিল করেন মোট ১১৪ জন।
মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পর্যায়ক্রমে
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি–তিতাস) আসনে ১৪ জনের মধ্যে ১২ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-মেঘনা) আসনে ১৫ জনের মধ্যে ১১ জন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ১৩ জনের মধ্যে ০৯ জন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লা -৪ (দেবিদ্বার) আসনে ১৪ জনের মধ্যে ০৮ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং–ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে ১৬ জনের মধ্যে ১১ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাজি জসিম উদ্দিন।
কুমিল্লা-৬ (সদর- সদর দক্ষিণ - সিটি করপোরেশন - সেনানিবাস ) আসনে ১৪ জনের মধ্যে ১১ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন।
কুমিল্লা - ৭ (চান্দিনা) আসনে ০৯ জনের মধ্যে ০৯ জন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে ১০ জনের মধ্যে ১০ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া তাহের সুমন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন অধ্যক্ষ শফিকুল আলম হেলাল।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে ১৮ জনের মধ্যে ১৫ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি'র মনোনীত পার্থী কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো.আবুল কালাম। এ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সাবেক ডাকসু সদস্য ড. রশীদ আহমেদ হোসাইনী।
কুমিল্লা -১০ ( নাঙ্গলকোট - লালমাই) আসনে ০৯ জনের মধ্যে ০৭জন জমা দিয়েছেন। এই আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি'র মনোনীত পার্থী আলহাজ্ব আব্দুল গফুর ভুইঁয়া।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে ১০ জনের মধ্যে ০৯ জন জমা দিয়েছেন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কামরুল হুদা। এ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এছাড়াও সকল আসন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়ন দাখিল করেন ১১টি সংসদীয় আসনে ১১৪ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন । কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রেজা হাসান জানান, জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ১৩৯ প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
২০২৪ সালের ৪ ও ৫ আগস্ট, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এ কুমিল্লার দেবীদ্বার পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কর্মী ও পুলিশের হামলায় নিহত হন পৌর সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক বাদশা রুবেল (৪৩), স্কুলছাত্র আমিনুল ইসলাম সাব্বির (১৮) ও আব্দুস সামাদসহ মোট ১২ জন। আহত হন অর্ধশতাধিক, এদের মধ্যে স্কুলছাত্র আবুবকর মানসিক ভারসাম্য হারান।
৪ আগস্ট বানিয়াপাড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন রুবেল। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার তখন ছিলেন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত¦া। নিহতের এক মেয়ে ও পরবর্তীতে জন্ম নেওয়া এক ছেলে রয়েছে। রুবেল দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। রুবেল পেশায় বাস টালক ছিলেন।
৫ আগস্ট থানা ঘেরাওয়ের সময় পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন সাব্বির। ৪০ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে ১৪ সেপ্টেম্বর মারা যান। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাব্বির পরিবার চালাতেন ভ্যান চালিয়ে। সিএনজি চালক আমিনুল ইসলাম ছাব্বির দেবীদ্বার পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ি গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেনের পুত্র। একই ঘটনার জেরে গুলিবিদ্ধ হন আব্দুস সামাদ। তিনি দীর্ঘ সাত মাস চিকিৎসা নিয়ে ৪ মার্চ ঢাকা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে মারা যান।
আহত শিক্ষার্থী আবুবকর এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। তার পরিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের সহায়তা কামনা করছে।
দেবীদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ১২ শহীদের রক্তে লালিত গণআন্দোলন। সংগ্রামী ছাত্র জনতার আত্মত্যাগের করুণ ইতিহাস।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো কুমিল্লার দেবীদ্বারও জেগে উঠেছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে। কিন্তু সে জাগরণ থেমে গেছে গুলির আওয়াজে, রক্তাক্ত হয়েছে শহরের রাজপথ। এ পর্যন্ত দেবীদ্বার উপজেলার ১২ জন শহীদ গণআন্দোলনের অংশ নিয়ে শাহাদাৎ বরণ করেছেন। তাঁদের রক্তে লেখা হয়েছে আন্দোলনের করুণ ইতিহাস।
নিম্নে উল্লেখিত ৩ জন ছাড়া বাকী ৯ জনের শহীদদের নাম, পরিচয় ও শাহাদাতের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো:
দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর গ্রামের মো. সফিকুল ইসলাম সরকার’র পুত্র ফয়সাল সরকার (২৪)। সে ঢাকায় একটি পলিটেকনিক্যাল ইনিস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৯ জুলাই বিকেলে ঢাকা আব্দুল্লাহপুর এলাকায় পুলিশের গুলিতে ফয়সালের মাথার খুলি উড়ে যায়, পরে হসপিটালে চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান। তাকে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে ঢাকায় অজ্ঞাত স্থানে দাফন করা হয়।
উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মো. হানিফ মোল্লা’র পুত্র মো. সাগর মিয়া(১৯), তিনি পেশায় সবজি বিক্রেতা ছিলেন। ১৯ জুলাই ঢাকা মিরপুর ১০ নম্বরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ২০ জুলাই তার নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।
উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামের মো. মানিক মিয়ার পুত্র মোঃ হোসাইন মিয়া (১০), সে পেশায় পপকর্ন বিক্রেতা ছিলেন। ২০ জুলাই বিকেলে চিটাগং রোডে তলপেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ২২ জুলাই নিজ বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উপজেলার ভানী ইউনিয়নের সূর্যপুর গ্রামের মৃত: মোহাম্মদ আলীর পুত্র কাদির হোসেন সোহাগ (২২), তিনি পেশায় চাকরি জিবী(পাঠাও কুরিয়ার সার্ভিস)। ২০ জুলাই ঢাকা গোপীবাগে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ২২ জুলাই নিজ বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করা হয়। উপজেলার ইউছুফপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের মৃত শাহআলম সরকার’র পুত্র জহিরুল ইসলাম রাসেল। তিনি শিক্ষার্থী ছিলেন। ৪ আগস্ট ঢাকা গুলিস্তান এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ৬ আগস্ট নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।
উপজেলার ৪ নং সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর গ্রামের মোঃ ইদ্রিস মিয়ার পুত্র মোঃ রবিন মিয়া (৩৫)। পেশায় একজন ব্যবসায়ি ছিলেন। ৪ আগস্ট যাত্রাবাড়ি গুলিতে নিহত হন। ৬ আগস্ট নিজ বাড়িতে দাফন হয়।
উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের খয়রাবাদ গ্রামের ফজর আলীর পুত্র মোঃ রায়হান রাব্বি। তিনি শিক্ষার্থী ছিলেন। ৫ আগস্ট খিলগাঁও তালতলা মার্কেটে গুলিতে নিহত হন। ৬ আগস্ট নিজ বাড়িতে দাফন হয়। উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামের মো. সফিকুল ইসলাম রানার পুত্র সাইফুল ইসলাম তন্ময়। উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সৈয়দ আবুল কায়েসের ছেলে নাজমুল হাসান। ঢাকার মধ্য বাড্ডায় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চাকরি করতেন তিনি। গত ১৯ জুলাই দুপুরের বাড্ডা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। পরদিন মরদেহ মাদারীপুরে তার মামার বাড়িতে দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন