

কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনিছুর রহমান,উভয় সিটিতে সব কেন্দ্রে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ।
ময়মনসিংহ সিটিতে এবার দ্বিতীয়বারের মতো ভোটগ্রহণ হবে। অন্যদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক ওরফে রিফাত (৬৬) গত ১৩ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন বিধি অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করতে হয়।
ইসি আরো জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ সিটির সাধারণ নির্বাচন ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচন আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিনে বেশ কয়েকটি পৌরসভায় নির্বাচন হবে। এছাড়া উপজেলা, জেলা পরিষদ উপনির্বাচন হবে। এর বাইরেও মৃত্যুজনিত কারণে শূন্য হওয়া কিছু ইউনিয়ন পরিষদেও নির্বাচন হবে। এই সবগুলো নির্বাচন একই দিনে অর্থাৎ ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। দ্রুতই এসব নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করা হবে। পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন ছাড়া অন্য নির্বাচনগুলোর ভোটগ্রহণ হবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে।
২০১৯ সালের ৫ মে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ হয়। সেবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেয়র নির্বাচিত হন ইকরামুল হক টিটু। ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। সিটি করপোরেশটির আয়তন ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গকিলোমিটার। সিটি করপোরেশনের মোট জনসংখ্যা চার লাখ ৭১ হাজার ৮৫৮ জন।ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে বয়ড়া ও আকুয়া ইউনিয়নের পুরোটা এবং খাগডহর, চর ঈশ্বরদিয়া, দাপুনিয়া, ভাবখালী, সিরতা ও চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের আংশিক এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে এই সিটি করপোরেশনের এলাকা নির্ধারণ করা হয়। এ সিটিতে প্রথম ভোটেও নগরবাসী ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়েছিলেন। আর এবারও সেখানে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করবে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।
এদিকে ৯ মার্চ যে ৯টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে সেগুলো হলো- জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ পৌরসভা, পটুয়াখালী পৌরসভা, রাজশাহী জেলার কাটাখালী পৌরসভা, সাতক্ষীরা পৌরসভা, ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল পৌরসভা, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা, সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর পৌরসভা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ পৌরসভা ও বরগুনা জেলার আমতলী পৌরসভা।
তিনি বলেন, উপজেলার যে তালিকগুলো আমরা পেয়েছি, সেগুলো যাচাই-বাছাই করছি। ঈদুল ফিতরের আগে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই কিছু সংখ্যক নির্বাচন করবো। প্রায় ১০০ উপজেলার নির্বাচনের জন্য এই সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত হতে পারে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আমরা এখনো পর্যালোচনা করছি এবং দেখছি। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে এবং ১২ মার্চ শেষ হবে। আবার ১০ বা ১১ মার্চ শুরু হবে রমজান। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হচ্ছে। উপজেলা পরিষদের প্রথম ধাপে যে নির্বাচনগুলো করতে হবে, সেগুলো ৩০ এপ্রিলের মধ্যে কিছু হবে। বাকিগুলো কয়েক ধাপে মে মাসে হবে। কারণ, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা। এজন্য আমরা এই সময়টাকে কাজে লাগাতে চাই।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংরক্ষিত আসনের ভোট নিয়ে যাচাই-বাছাই হচ্ছে। সহসাই হয়ে যাবে। সংসদ নির্বাচনের এক মাসের মধ্যে এ ভোট করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার মিরপুরে গুলিবিদ্ধ তাহের মোক্তার হোসেন এর ছেলে মোঃ রাফি হোসেন (১৪) এর ঢাকা সিএমএইচে সফল অস্ত্রপ্রচার করা হয়।
রাফি হোসেন গত ১৯ জুলাই ডান কাঁধে গুলিবদ্ধ হন এবং তার ডান কাঁধের হাড় ও ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এপ্রেক্ষিতে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে কিছু জটিলতা দেখা দিলে হৃদরোগ ইনিস্টিউট ও ঢাকা সিএমএইচ এর চিকিৎসকগণের আলোচনার ভিত্তিতে তাকে গতকাল (২৫ আগস্ট ২০২৪) দিবাগত রাতে ঢাকা সিএমএইচ এ আনা হয় এবং দ্রুততার সাথে দীর্ঘ ৬ ঘন্টা সময় ধরে সিএমএইচের ভাস্কুলার টিম কর্তৃক সফলভাবে কৃত্রিম রক্তনালী সংযোজনের মাধ্যমে অস্ত্র প্রচার করা হয়। বর্তমানে মোঃ রাফি হোসেন আশঙ্কা মুক্ত।
অপরজন মিরপুর কলেজের ছাত্র হারুন মিয়া এর ছেলে মোঃ মমিন হোসেন (২৩) গত ১৯ জুলাই ২০২৪ তারিখে গুলিবিদ্ধ হয় এবং গুলিটি তার মেরুদণ্ডের পিছনে আটকে যায়। পরবর্তীতে ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এবং ল্যাপারস্কপির মাধ্যমে ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে অপারেশন করে গুলি বের করা হয়। বর্তমানে মোঃ মমিন হোসেন ভালো আছে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৭ নভেম্বরের গুরুত্বকে
দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। দলটি ১০ দিনের কর্মসূচিও
ঘোষণা করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৭ নভেম্বরের গুরুত্বকে দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য
ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। আমরা এর গুরুত্ব এ প্রজন্মের কাছে
পৌঁছে দিতে চাই। সেজন্য আমরা ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করছি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে,
৬ নভেম্বর আলোচনা সভা, ৭ নভেম্বর সকাল ৬টায় সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা
উত্তোলন, সকাল ১০টায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফাতিহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক
অর্পণ। ৮ নভেম্বর বিকেল ৩টায় রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র্যালি। প্রতিটি সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠন
স্ব স্ব উদ্যোগে আলোচনা সভা আয়োজন করবে। এ দিবস উপলক্ষে পোস্টার, লিফলেট ও ক্রোড়পত্র
প্রকাশ করা হবে। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় জাসাসের উদ্যোগে শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
হবে। এ অনুষ্ঠান বিভাগীয় শহরগুলোতেও করা হবে। পাশাপাশি জেলাগুলো যে ধরনের কর্মসূচি
নিতে চায়, তা কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করে নিতে পারবে।
পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোতেও
যে র্যালি অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান
মির্জা ফখরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত
ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার
অফিসকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে
দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের অনুকূলে ভিসা
ইস্যুকরণ সহজতর করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা
হয়।
সাক্ষাৎকালে
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সার্বভৌম রাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তৎকালীন
সময়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে জোরালো জনমত ও সমর্থন আদায়ে
অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের এই
নীতিগত ও নৈতিক সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
আলোচনায়
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। তিনি ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশে আগমন ও পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ
সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সর্বাত্মক
সহযোগিতা করার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ
জানান।
রাষ্ট্রদূত
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের কোনো
নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে, তা যথাযথ যাচাইয়ের লক্ষ্যে
আবেদনের একটি অনুলিপি ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসে প্রেরণের অনুরোধ করেন।
এ
সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটি মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে
অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি ও বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের নাগরিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ
সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থি
মুসলিম রাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে আমাদের দেশকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে
দমন করা হবে।
সাইবার
অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে
আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
বৈঠকে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইন চার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের
প্রথম সচিব নূর এইচ. ও. আলাইদি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং
তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ রোববার (১১ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে
এই খসড়া অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ
এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার
নিমিত্ত সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী
কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন
দ্বারা, ঐ ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে
তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে
কোন বিধান নেই।
এই বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাস বিরোধী
আইন, ২০০৯ কে সময়োপযোগী করে আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।
বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের
বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৃতীয় দিনের মতো সোমবার(২০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছে। আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩৩৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। এতে দলের আয় হয়েছে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা।
এই সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৫টি, চট্টগ্রামে ৮২টি, ময়মনসিংহে ২৯টি, সিলেটে ১৫টি, খুলনায় ৪৫টি, বরিশালে ৪০টি, রাজশাহীতে ২৯টি এবং রংপুর বিভাগে ৪০টি ফরম বিক্রি হয়।
এছাড়া বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে মোট ৫৮টি ফরম বিক্রি হয়েছে। অনলাইনে বিক্রি হয় মোট ২৯ লাখ টাকার ফরম।
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ফরম বিক্রি শেষ হওয়ার পর দলের মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই শেষে ৩০০ আসনে নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত করবে আওয়ামী লীগ।
গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। মনোনয়নপত্র বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রথমদিনেই আওয়ামী লীগ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এক হাজার ৭৪টি । এতে পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হয় ।
মনোনয়ন ফরম বিক্রি এবং জমা নেওয়ার কার্যক্রম চলবে ২১ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি
গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সচিব সভায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এ নির্দেশনা দেন।
উপদেষ্টার
নির্দেশনাগুলো হলো:
১. সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি
গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ দিয়েছেন।
২. সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়নে প্রয়োজন
অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করতে হবে।
৩. জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা
বৈষম্যহীন মানবিক দেশ গড়ার যে প্রত্যয়, যে ভয়হীন চিত্ত আমাদের উপহার দিয়েছে, তার ওপর
দাঁড়িয়ে বিবেক ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা
নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।
৪. নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য গৎবাঁধা
চিন্তা-ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে, চিন্তার সংস্কার করে, সৃজনশীল উপায়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিয়ে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
৫. দুর্নীতির মূলোৎপাটন করে, সেবা সহজীকরণের
মাধ্যমে জনগণের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।
৬. সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার
নিশ্চিত করতে হবে।
৭. সরকারি ক্রয়ে যথার্থ প্রতিযোগিতা
নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো দুর
করতে হবে।
৮. সৃষ্টিশীল, নাগরিক-বান্ধব মানসিকতা
নিয়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কর্মসূচির সময়াবদ্ধ
কর্মপরিকল্পনা দাখিল করবে, যা নিয়মিত মূল্যায়ন/পরিবীক্ষণ করা হবে।
৯. ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সৃষ্ট
নতুন বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে আগ্রহ, ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, দেশের স্বার্থে
তা সর্বোত্তম উপায়ে কাজে লাগাতে হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার ও সুয়াগাজী এলাকার মাঝামাঝি স্থানে ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
রোববার (৭ জুন) দুপুরে কয়েক মিনিটের এ মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে অভিযান চালিয়ে ৪৫ জনকে আটক এবং পাঁচটি যানবাহন জব্দ করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে হঠাৎ করেই শতাধিক নেতাকর্মী মহাসড়কে জড়ো হয়ে মিছিল শুরু করেন। এ সময় তাদের হাতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেখা যায়। মিছিলকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে মহাসড়কের একটি অংশ প্রদক্ষিণ করেন। প্রায় তিন মিনিটের সংক্ষিপ্ত এ কর্মসূচি শেষে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করার চেষ্টা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল পিয়াসের নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
এদিকে মিছিলের খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলা যুবদল নেতা এরশাদ এবং ২৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা রবিউলের নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে মিছিলকারীদের ধাওয়া দিলে তারা বিভিন্ন দিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে মিছিলে অংশগ্রহণের অভিযোগে ৪৫ জনকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে মিছিলকারীদের বহনে ব্যবহৃত তিনটি মাইক্রোবাস ও দুটি বাসসহ মোট পাঁচটি যানবাহন জব্দ করা হয়।
সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪৫ জনকে আটক করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


খবর ছড়িয়েছে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের তরুণ রাজনীতিবিদ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয় মানবিক ব্যক্তিত্ব ফারাজ করিম চৌধুরী। এ বিয়ের গুঞ্জন সবদিকে দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে।
তবে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠলেও বিশেষ কোনা কারণে মুখ খোলেননি কেউ। এমনকি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ পেলেও এ বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফারাজ করিম চৌধুরী'র পক্ষ থেকেও কেউই সাড়া দেননি।
জানা যায়, অনলাইন ফ্ল্যাটফর্মে দেশের বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ফারাজ করিম চৌধুরীর সাপোর্টার ও ফলোয়ার্স। কদিন আগেই একটি বিয়ের কার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে তার বিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহল অনেক বেশি বেড়েছে। গত বছরও একই কাণ্ড ঘটেছিলো।
ছোটবেলা থেকে মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ানো এই তরুণকে ঘিরে দেশবাসীর কৌতুহলের শেষ নেই। কেননা, দেশজুড়ে বিভিন্ন দূর্যোগকালীন মুহুর্তে সাহসিকতার সাথে মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে কোটি কোটি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি।
১৯৯২ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে জন্মগ্রহণ করা ফারাজ করিম চৌধুরীর পিতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী টানা ৫ বারের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হতে জানা যায়, ইতোপূর্বে বিয়ে প্রসঙ্গে ফারাজ করিম চৌধুরী বিভিন্ন মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়েছিলেন সাদামাটাভাবে মসজিদে শরীয়াহ নিয়ম মেনে বিয়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
সত্যিই কি এমন কিছু ঘটতে থাকে এ জন্য আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে বলে ফারাজ করিম চৌধুরীর ঘনিষ্টদের অনেকেই জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিয়ারপুরে মৃত প্রায় ধরার খাল (বৈলর খাল)
পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন।
তারেক
রহমান আজ শনিবার (২৩ মে) দুপুরে ঢাকা থেকে সড়কপথে ত্রিশালে এসে পৌঁছান। ঝড় বৃষ্টির মধ্যে প্রথমে তিনি ধরার খালের ফলক উন্মোচন
করেন। পরে খালের পাড়ে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খনন কাজের সূচনা করেন। এরপর তিনি খালের
পাশে একটি তালগাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
শরীফুল আলম, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান লিটন এবং ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৩.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি ১৯৭৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
খনন করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি প্রায় মরা খালে রূপ নেয়। গাছ রোপণ ও খননস্থল পরিদর্শনের
পর প্রধানমন্ত্রী খালের পাশে স্থাপিত মঞ্চে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে
দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে উষ্ণ করতালিতে স্বাগত জানান।
স্থানীয়
নারী, প্রান্তিক কৃষক ও শিশুরাও কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন
এবং বারবার করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান।
মন্তব্য করুন


দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে জাতীয় স্বার্থে
সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে সেজন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের
ব্রিফিংকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ কয়েকজন উপদেষ্টা বৈঠকে ছিলেন। তাদের
সঙ্গে বিদ্যমান পরিস্থিতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দেশ কীভাবে শান্তিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে
আগামীতে একটা কার্যকর নির্বাচনের দিকে এগোতে পারে, সে বিষয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতি-ধর্ম, দল-মত নির্বিশেষে
এ দেশ আমাদের সবার। সবাই মিলেমিশে জাতীয় ঐক্য আরও কীভাবে সংহত করা যায়, প্রশাসনকে আরও কীভাবে গুছিয়ে আনা যায়, এসব বিষয়ে
আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, যেটাতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে, সেটাকে
লাঘব করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীতে রমজান মাস আসছে, এটাকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা
যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে, সেসব নিয়েও কথা হয়েছে। আমরা পরামর্শ করেছি।
পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অনেক আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু
বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। এসব আলোচনায় আমরা একমত হয়েছি যে—দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়েই দেশকে সামনে
এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আর দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে যারাই জড়িত থাকবে,
তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এর মাধ্যমে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে দিতে হবে। এরজন্য
প্রয়োজন সর্বোত জাতীয় ঐক্য। দল-মত-ধর্মের ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে আমরা
যেন ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি। আপনাদের মাধ্যমে আমরা সে আহ্বান জানাই। আমরা বৈঠকেও এ কথা
বলেছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ন্যূনতম যে
সংস্কার দরকার, সেটা দ্রুত করে তারপর নির্বাচন আয়োজনের কথা বলে এসেছি আমরা।
বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত
ছিলেন, দলটির দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, আব্দুল হালিম এবং
নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
মন্তব্য করুন