

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মো. ইমাম হোসেন বাচ্চু (৪৪) নামের এক রাজনৈতিক নেতার মৃত্যু হয়েছে। তিনি কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং নগরীর মোগলটুলি এলাকার বাসিন্দা।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩১ মে) সকালে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, ইমাম হোসেন বাচ্চুর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা এবং হত্যা চেষ্টার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা ছিল। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পাঁচটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান ও তমালিকা পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
ইটভাটাগুলো হলো: ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকস।
জানা গেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত উপজেলার ফাতেমা ব্রিকস, একতা ব্রিকস, মিরাজ ব্রিকস, সিটি ব্রিকস ও ইসলামিয়া ব্রিকসে অভিযান পরিচালনা করেন। এরমধ্যে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী তিনটি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এছাড়া ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২টি ইটভাটা থেকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহযোগিতায় ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লার পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস, জুবায়ের হোসেন, বিএসটিআই কুমিল্লার পরিদর্শক কাজী মোহাম্মদ শাহান, চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান ও থানা পুলিশের একটি টিম।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জেপি দেওয়ান বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অবস্থিত পাঁচটি ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইটভাটাগুলোতে অনিয়ম রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ব্যবসায়ী থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় নামে সাবেক ছাত্রদলের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ৮ নং ওয়ার্ড গুনাই ঘরের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলেও দেবিদ্বার পৌর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দেবিদ্বার সুজাত আলী কলেজে ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।
দেবিদ্বার পৌর এলাকার ব্যবসায়ী ফতেয়াবাদ গ্রামের মৃত আব্দুস সোবানের ছেলে আমির হোসেনের দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত পাঁচ আগস্ট পরিবর্তনের পর থেকে ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় আমির হোসেনের কাছে দৈনিক ৫০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দিলে তার স্ত্রী সুমি আক্তার ও মেয়ে সামিয়া আক্তার কে অপহরণসহ হত্যার ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ী আমির হোসেন এর কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল। সম্প্রতি ওই ছাত্রদল নেতা হৃদয় ওই ব্যবসায়ীর নিকট ১৫০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। স্ত্রী ও কন্যার জীবন রক্ষার্থে ১৫ হাজার টাকা ও চাঁদা হিসাবে ছাত্রদল নেতা হৃদয়কে দেয়া হয়। ওই ব্যবসায়ী এ অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে দেবিদ্বার থানায় সাবেক ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম হৃদয় সহ অজ্ঞাত দুই তিন জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার দেবিদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস মামলার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় ওই সাবেক ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম হৃদয়কে শুক্রবার গ্রেফতার করে বিকালের দিকে আদালতে চালান দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলায় অপারেশন ডেভিল হান্টে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আরাফাতুল।
গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলেন: ছাত্রলীগের সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি ইউনিয়নের সদস্য ফয়সাল তানভীর তামিম (১৭), মুরাদনগর উপজেলার ৫ নম্বর পূর্বধইর
(পশ্চিম) ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক জীবন মিয়া (৪৫) ও দাউদকান্দি উপজেলার
সুন্দলপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সদস্য আলাউদ্দিন অজি (৪৮)।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে তামিমকে শিশু আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জীবন মিয়ার বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। আর আলাউদ্দিন অজি হত্যার মামলায় এজাহারনামীয় আসামি।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
কুমিল্লার চান্দিনায় ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি শাখায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। আজ বুধবার সকাল পৌঁনে ৮টায় উপজেলা সদরের মধ্য বাজার জয়নাল সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ব্র্যাক ব্যাংকের সার্ভার কক্ষ থেকে ওই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। এতে দিন ব্যাপী গ্রাহক সেবা বন্ধ।
এতে আইটি শাখার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ, বৈদুতিক তার ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অন্যান্য কক্ষ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ব্যাংকের লকার অক্ষত রয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- ব্যাংক খোলার আগে কর্তব্যরত নিরাপত্তা প্রহরী হঠাৎ ব্যাংকের ভিতরে আগুনের সূত্রপাত টের পেয়ে কর্মকর্তাদের ও ফায়ার সার্ভিসে ফোন করেন। খবর পেয়ে ব্যাংক কর্মকর্তারা এসে ব্যাংক খোলেন এবং সকাল সোয়া ৮টা থেকে চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় চার ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নির্বাপন হয়।
ব্যাংকটির ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম খাঁন জানান- আমাদের ব্যাংকের সার্ভার কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ওই কক্ষে থাকা বৈদ্যুতিক তাঁর সহ যন্ত্রাংশগুলো পুরে প্রচন্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষনিক ভাবে ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। খুব কম সময়ের মধ্যে আগুন নির্বাপন করা সম্ভব হলেও ধোঁয়া বের করতে অন্তত চার ঘন্টা সময় লাগে। এতে ওই সার্ভার কক্ষের কিছু যন্ত্রাংশ ও বৈদ্যুতিক তার নষ্ট হলেও বড় ধরণের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছি। অগ্নিকান্ডের ফলে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসেন পাটোয়ারী জানান- প্রাথমিক ভাবে বৈদ্যুতিক সক সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে অগ্নিকান্ডের মূল ঘটনা, ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত
এক্সপ্রেস ট্রেনে মা-মেয়েকে জুস খাইয়ে অচেতন করেন এক অজ্ঞান পার্টির সদস্য। তাদের কানের
দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার সময় পাশের এক যাত্রী বিষয়টি আঁচ করতে পারেন। পরে সেই সদস্যকে
আটক করে তার ব্যাগে থাকা জুস পান করানো হলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনিও।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে বিরামপুর-সৈয়দপুর
রেলপথে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ফুল মিয়া (৫৫) রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর
এলাকার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী যাত্রী দুজন ঠাকুরগাঁওয়ের
পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই গ্রামের কৌশিলা রায় (৫০) ও তার মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিরামপুর
থেকে ট্রেনে ওঠেন কৌশিলা ও তার মেয়ে। তাদের পাশের আসনে ছিলেন ফুল মিয়া। আলাপের একপর্যায়ে
তিনি জুস খেতে দেন মা-মেয়েকে। জুস খাওয়ার পরপরই তারা অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় তাদের অলংকার
খুলে নেন তিনি। পাশের আসনের যাত্রী অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বিষয়টি
বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে আটক করেন। অভিযোগ অস্বীকার করলে যাত্রীরা তাকে তার ব্যাগে থাকা
জুস পান করান। কিছুক্ষণ পর ফুল মিয়া নিজেও অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশকে
খবর দেওয়া হলে রেলওয়ে পুলিশ ভুক্তভোগী মা-মেয়েসহ ফুল মিয়াকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে
ভর্তি করে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহমুদ-উন নবী বলেন, ভুক্তভোগী ও আসামির জ্ঞান এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। ভুক্তভোগীর
ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে
থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মো. মনিরুল হক সাক্কুকে ডেকে পাটিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশানে মহাসচিবের বাসায় তাকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে সাক্কুকে নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি মহাসচিব। বৈঠকে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা-৬ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশ মির্জা ফখরুলকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে।
পরে বিকেলে মো. মনিরুল হক সাক্কু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি কুমিল্লার আদি লোক। আদি বিএনপি। এখন যারা সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে মাঠে হইচই করছেন তারা বিএনপিতে আমার জুনিয়র। আগামী নির্বাচনে সদর আসনের সঠিক চিত্র কি হতে পারে, তা আমি মহাসচিবকে অবহিত করেছি। এ ছাড়াও কুমিল্লার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উনার সঙ্গে আলাপ হয়েছে।
এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে বিএনপি থেকে মনিরুল হক সাক্কু আজীবনের জন্য বহিষ্কার হন। এরপরও তিনি দল থেকে দূরে না সরে সব কর্মসূচি পালন করছেন। কুমিল্লার ভোটের রাজনীতিতে সাক্কু বড় ধরনের ফ্যাক্টর বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার সীমান্ত থেকে এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, মোবাইলের ডিসপ্লেসহ বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
আজ বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) নিয়মিতভাবে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার বিওপি’র কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সীমান্ত থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কামারখাঁ জোড়া ব্রিজ এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় একটি মিনি কাভার্ড ভ্যানসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৯০১ টি ভারতীয় উন্নত মানের শাড়ি এবং এক হাজার ৪৯৭ টি বিভিন্ন প্রকার মোবাইলের ডিসপ্লে। এসব পণ্যের বাজারমূল্য আনুমানিক এক কোটি ৭৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা।
তিনি বলেন, চোরাচালান প্রতিরোধে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে বিজিবির নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকায় চোরাচালানকারীদের কার্যক্রম অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জব্দকৃত পণ্যসমূহ বিধি মোতাবেক কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক, স্বর্ণ, মোবাইল, পোশাক ও অন্যান্য ভারতীয় পণ্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সুশৃঙ্খল সুরক্ষিত মহাসড়ক - এ লক্ষ্যকে নিয়ে দিনরাত কাজ করে যায় হাইওয়ে পুলিশ কারণ মূল উদ্দেশ্য থাকে একটাই দিনশেষে সুরক্ষার সাথে বাড়ি ফেরার নিশ্চয়তা সুনিশ্চিতকরণ ।
শনিবার (২০ এপ্রিল ২০২৪) সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলমের নেতৃত্বে কুমিল্লায় হাইওয়ে পুলিশ কর্তৃক কুমিল্লা রিজিয়নের ২২টি হাইওয়ে থানা পুলিশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট ডিউটি, অভিযান পরিচালনা এবং স্পিড গান বা স্পিড ডিটেক্টর ব্যবহার সহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় ।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, সাব-ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট সহ সকল পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্স মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বডি ওয়ার্ন ক্যামেরায় সজ্জিত হয়ে সারাক্ষণ লাইভ স্ট্রিমিংয়ে থেকে চেকপোস্ট ডিউটি, অভিযান পরিচালনা ও স্পিড গান ব্যবহার করাসহ আজ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘন কারী গাড়ির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় গাড়ি আটক ও গ্রেফতার করা হয়।
আজকের এই বিশেষ অভিযানের সময় কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নে ফিটনেস বিহীন বাস, ফিটনেস বিহীন পণ্যবাহী ট্রাক সহ সকল ফিটনেস বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
শুধু তাই নয়, পণ্যবাহী গাড়িতে যাত্রী পরিবহন করার অপরাধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
পাশাপাশি মহাসড়কে অবৈধভাবে এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে থ্রি হুইলার চালানোর অপরাধে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৩টি থ্রি হুইলার আটক, ফিটনেস বিহীন ১টি পিকআপ আটক, দুর্ঘটনায় জড়িত ১টি সাউদিয়া বাস আটক ও গাড়ি ১ ড্রাইভারকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ছাড়াও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘনের অপরাধে বিভিন্ন ধারায় মোট ১৭৩টি প্রসিকিউশন দেওয়া হয় এবং একই সাথে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৬৬ ধারায় ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত মোটরযান ও গণপরিবহন চালানোর অপরাধে ২৮টি, ৭৫ ধারায় ফিটনেস সনদ ব্যতীত বা মেয়াদ উত্তীর্ণ ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে মোটরযান চালানোর অপরাধে ০৬টি, ৮৭ ধারায় নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে মোটরযান চালানো বা স্পীড ডিটেক্টরের সাহায্যে মোটরযানের গতি চিহ্নিত অপরাধে ৫৯টি, ৮৯(১) ধারায় কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী মোটরযান নিষিদ্ধ হর্ণ স্থাপন/ব্যবহার ইত্যাদির অপরাধে ০৭টি, ৮৯(২) ধারায় ঝুঁকিপূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষিত মহাসড়কের চলাচলের অনুপোযোগী যান চালনা ইত্যাদির অপরাধে ৫১টি, ৯২(১) ধারায় মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলী সংক্রান্ত (১ম অংশ) অপরাধে ২০টি এবং ৯২(২) ধারায় (২য় অংশ) অপরাধে ০২টি সহ কুমিল্লা রিজিয়ন কর্তৃক বিভিন্ন অপরাধে সর্বমোট ১৭৩টি প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়।
হাইওয়ে পুলিশ প্রধান এবং বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কুমিল্লা রিজিয়ন জোরদার ভাবে স্পিড গান বা স্পিড ডিটেক্টর ব্যবহার করা হচ্ছে ।
জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে হাইওয়ে পুলিশের বডি ওয়ার্ণ ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অভিযান সংক্রান্ত এ কার্যক্রম কুমিল্লা রিজিয়নে অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৮০ কি:মি গতিসীমার মধ্যেই যানবাহন সমূহ চালানোর নির্দেশনা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি সদা সর্বদা থাকবে কুমিল্লা হাইওয়ে পুলিশ এর । এসময় কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম উল্টোদিকে গাড়ি চালানো এবং মহাসড়কে থ্রি হুইলার ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল অফিসার ইনচার্জদের নির্দেশ প্রদান করেন।
পাশাপাশি তিনি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নের্তৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সকল গাড়ির ড্রাইভারদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি পরিহার এবং ফিটনেস সার্টিফিকেট থাকা গাড়ি গুলোকেই গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানোর জন্য অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন