

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে মোহাম্মদ আজাদ নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ আজাদ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ আজাদ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে।
এ দিকে রায় ঘোষণার পর আদালত প্রাঙ্গণে বাদীপক্ষের স্বজনদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ আজাদের সঙ্গে স্ত্রী তানিয়া বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে আজাদ তার স্ত্রী তানিয়া বেগমের হাত-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে বৈদ্যুতিক শক দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তানিয়ার মৃত্যু হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। নিহত তানিয়া বেগম তিন সন্তানের জননী ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা মায়া বেগম বাদী হয়ে তার জামাতা মোহাম্মদ আজাদকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে। তদন্তের পাশাপাশি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন আলামত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে তানিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি হত্যাকাণ্ড হিসেবে উঠে আসে।
পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও অন্যান্য নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত মঙ্গলবার মোহাম্মদ আজাদকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এনামুল হক সরকার বলেন, দীর্ঘদিন পর তারা আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তারা দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা জেলা পরিষদের বার্ষিক বাজেটের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার জেলা পরিষদের হলরুমে জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ মোস্তাক মিয়ার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম জাকারিয়া, নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা, কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, জেলার বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তরপ্রধানগণ ও জেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে
নিউইয়র্কে যাবেন । এ সফরে তার সঙ্গে থাকবেন ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
আগামী ২২-২৭ সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত এ সফর করবেন তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.
তৌহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সাত
সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে রয়েছেন- ড. ইউনূসের মেয়ে দিনা আফরোজ ইউনূস, এসডিজি
বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত বাংলাদেশের
বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য,
দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম,
প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব শাব্বীর আহমদ, বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা তিথি।
এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মো. তৌহিদ হোসেন জানান, প্রধান উপদেষ্টা
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যাচ্ছেন সেটার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ
অধিবেশনে যোগ দিতে সংক্ষিপ্ত সফরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে যাবেন। তবে তিনি খুব সংক্ষিপ্ত সফর করে চলে আসবেন।
ওয়াশিংটনে গেলে হয়ত আরও
কিছু কাজ হতে পারত কিন্তু তিনি অল্প সময়ে খুব তাড়াতাড়ি নিউইয়র্ক থেকে ফিরে আসবেন।
সেখানে কার সঙ্গে বৈঠক হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা তো
গেলে হবেই। কিছু কিছু কথা বার্তা হচ্ছে। কিছু বৈঠক হবে এটুকু বলতে পারি। তবে
স্পেসিফিক বলতে পারি না। সব ক্ষেত্রে সব হেড অব স্টেট যান এমনটা তো নয়। নিউইয়র্কে
যে ফরমেট সেভাবে হবে। ওয়াশিংটনে তো তিনি যাবেন না।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ
দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) হেলেন লাফেভ।
আজ বুধবার (অক্টোবর ২৩) রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়।
সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয় এবং সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি
ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের প্রধান পয়েন্টগুলো নিয়ে আলাপ করেন।
হেলেন লাফেভ প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন,
আগামী সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করবেন।
অধ্যাপক ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের
সংস্কার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এরই মধ্যে ছয়টি
প্রধান সংস্কার কমিশন তাদের কাজ শুরু করেছে এবং তারা অংশীজনদের সঙ্গে সংস্কার বিষয়ে
পরামর্শ করছেন।
মন্তব্য করুন


ডিসেম্বরে কায়রোতে
অনুষ্ঠিতব্য ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক দেশ মিশর।
আজ বুধবার (৩০ অক্টোবর)
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে
সেদেশের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।
রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি
জানান, অন্তত পাঁচটি দেশে—তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান এবং নাইজেরিয়ার
সরকার প্রধানগণ আগামী ১৬ থেকে ১৯ ডিসেম্বর কায়রোতে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণ
নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্মেলনের
একটি গুরুত্বপূর্ণ সাইডলাইন বৈঠকে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনকে সমর্থনের
উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান,
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রূপান্তর
প্রচেষ্টায় মিশর সরকার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
অধ্যাপক ইউনূস এই
সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন মিশর ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে,
যেমন ওআইসি এবং ডি-৮-এ হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান,
তিনি মিশরে ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন।
রাষ্ট্রদূত ফাহমি
আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও ডি-৮ সম্মেলনের সময় মিশর সফর করবেন।
তিনি বলেন, মিশর বাংলাদেশের
তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপকৃত হতে চায় এবং পাট চাষ সম্পর্কে
শিক্ষা নিতে আগ্রহী।
তিনি আরো উল্লেখ করেন,
উভয় দেশের মধ্যে কৃষি, টেক্সটাইল এবং ওষুধ শিল্পের চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ)
কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা উচিত।
রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত
করেন যে, ২০৩১-৩২ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য আসনে বাংলাদেশের
প্রার্থিতার প্রতি মিশর সমর্থন জানাবে।
মিশরের রাষ্ট্রদূত
ইউনেস্কোর মহাপরিচালক পদে কায়রোর প্রার্থিতার পক্ষে ঢাকার সমর্থন চান।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) পুনরায় শুরু
করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের
পার্বতীপুরে কালসোনা নদীতে গোসলের সময় শাপলা তুলতে গিয়ে ডুবে প্রাণ গেছে একই পরিবারের
৩ নারীর।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ভাদুড়ীর বাজারসংলগ্ন
এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
তিনজন হলেন- ভাবি আকলিমা খাতুন (১৮), ননদ দুলালী খাতুন (২১) ও সুরভি খাতুন (১০)।
স্থানীয়রা
জানান, দুপুরের দিকে দুই ননদকে নিয়ে ভাদুড়িয়া গ্রামের কাছে কালসোনা নদীতে গোসল করতে
গিয়ে নিখোঁজ হন আকলিমা। এরপর সেখানে তাদেরকে খুঁজতে গিয়ে ঘাটের একটু দূরে ভাসমান তিনজনকে
দেখতে পেয়ে ৯৯৯ নাম্বারে সংবাদ দেন স্থানীয়রা। নিকটস্থ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে
তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।
হরিরামপুর
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, বিষয়টি মর্মান্তিক। মৃতদের কেউই
সাঁতার জানতেন না বলে জেনেছেন তিনি। একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া
নেমে এসেছে।
মধ্যপাড়া
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উজ্জ্বল বলেন, আমরা ৯৯৯ নাম্বারের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়েছি। ইউডি মামলা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
মন্তব্য করুন


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের নিজ উপজেলা বা থানা (একই উপজেলা/থানার ভেতর) অনলাইন বদলি শুরু হয়েছে যা চলবে আগামী ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত।
শুক্রবার (২৯ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষকরা অনলাইনে আবেদন করবেন। ২ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক কর্তৃক যাচাই সম্পন্নকরণ এবং ৩ ও ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক যাচাই সম্পন্নকরণ হবে।
৫-৭ এপ্রিল পর্যন্ত উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক যাচাই ও অগ্রায়ন সম্পন্নকরণ, ৮-১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক সহকারী শিক্ষকের যাচাই ও অনুমোদন এবং প্রধান শিক্ষকের। যাচাই ও অগ্রায়ন সম্পন্নকরণ; ১৫-১৭ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগীয় উপপরিচালক কর্তৃক যাচাই ও অনুমোদন সম্পন্ন করবেন।
এতে আরও বলা হয়, শিক্ষকদের সর্বোচ্চ ৩টি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে পছন্দ করবেন। তবে কোনো শিক্ষকের একাধিক পছন্দ না থাকলে শুধুমাত্র ১ বা ২টি বিদ্যালয় পছন্দ করতে পারবেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বদলির আদেশ জারি হলে তা বাতিল করার জন্য পরবর্তীতে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
যাচাইকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর জারিকৃত সর্বশেষ 'সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা (সংশোধিত) ২০২৩ অনুযায়ী আবেদনকারীর আবেদন ও অন্যান্য কাগজপত্রাদি যাচাই করে অগ্রায়ণ করবেন।
যাচাইকারী কর্মকর্তা সতর্কতার সঙ্গে সংযুক্ত তথ্য ও কাগজপত্রাদি যাচাই করবেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বদলির আদেশ জারি হলে তা বাতিল করার জন্য পরবর্তীতে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদনকারীর পছন্দক্রম অনুযায়ী বদলি হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। একাধিক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে যোগ্য আবেদনকারীকে সফটওয়্যারের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনায় নির্বাচিত করা হয় বিধায় কোনো রকম হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের অন্যতম বৃহৎ ট্রেডিং ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান
মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর একটি প্রতিনিধিদল।
আজ
বুধবার (০৩ জুন ) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মিতসুই
বৈশ্বিক পর্যায়ে লজিস্টিকস, অবকাঠামো, ধাতু, জ্বালানি ও খাদ্য বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে
কার্যক্রম পরিচালনা করে।
বৈঠকে
খাদ্য, কৃষি, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগ
সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সরকার প্রতিনিধিদলকে জানায়, বর্তমান সরকার
বিনিয়োগবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ
সহযোগিতা দেবে।
পাশাপাশি
বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে সরকারের বিভিন্ন
সংস্থার সেবা ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’-এর আওতায় একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে বলেও জানানো হয়। এর ফলে বিনিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা সম্ভব
হবে।
সাক্ষাৎকালে
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা
উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম
খান এবং অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
মিতসুই
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (সিইও) ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকাতো সাতো।
প্রতিনিধি
দলে আরও ছিলেন, এশিয়া প্যাসিফিক বিজনেস ইউনিটের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার তাকানোবু মুরায়ামা,
মিতসুই বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারপারসন কেনইচিরো কাওয়ামোতো এবং ঢাকা শাখার ডেপুটি জেনারেল
ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহের
ঈশ্বরগঞ্জে জুলাই শহীদ ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে সোয়া ৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার কিনে
দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শেখ শাহরিয়ার বিন মতিনের
বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের (৫০) বিরুদ্ধে।
মোহাম্মদ
আব্দুল মতিন রাজধানীর মতিঝিলে একটি প্রতিষ্ঠানে সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। তার
প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫)। উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়াশসন গ্রামের এই দম্পতির
একমাত্র ছেলে ছিলেন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। এছাড়া তাদের ১০ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
অভিযোগ
উঠেছে, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এ অভিযোগ
অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। জানা
গেছে, ২০০৪ সালের ৭ নভেম্বর আব্দুল মতিন ও মমতাজ বেগমের বিয়ে হয়। দীর্ঘ ২২ বছরের দাম্পত্য
জীবনের পর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়।
উল্লেখ্য,
ছাত্রজনতার আন্দোলনে অংশ নিয়ে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর
এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। গুলি তার ডান চোখের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথা
ভেদ করে বেরিয়ে যায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুলাই তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্রে
জানা গেছে, জুলাই শহীদ ছেলের ভাতার অনুদানের টাকা থেকে ৭ লাখ টাকার কাবিন ও সোয়া ৫
লাখ টাকার স্বর্ণালংকার দিয়ে গত ২৯ মে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুল মতিন।
এ
ঘটনার খবর পেয়ে অভিমানে গত ২ জুন একমাত্র মেয়ে শেখ মুমতাহিনা বিনতে মতিনকে নিয়ে আত্মহত্যার
সিদ্ধান্ত নেন মমতাজ বেগম। তবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে আত্মহত্যা হাত
থেকে থামান।
এরপর
বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এছাড়া আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে জুলাই
শহীদ ছেলে শাহরিয়ারের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের
দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বেশ অর্থবিত্তের মালিক হয়ে যান।
শহীদ
শাহরিয়ারের মা মমতাজ বেগম গণমাধ্যমকে বলেন, সন্তান হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই আমার
অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। আমার জানামতে বিয়েতে সোয়া ৫ লাখ টাকার
স্বর্ণালংকার কেনার সামর্থ্য তার নেই। আমার শহীদ ছেলের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই সরকারের
দেওয়া অনুদানের টাকায় তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করছেন।
তিনি
বলেন, আমার ছেলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর থেকেই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য আমাকে
বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছিলেন। তিনি বারবার বলেছিলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য দ্বিতীয়
বিয়ে করতে হবে।
মমতাজ
বেগম অভিযোগ করেন, আবদুল মতিন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ একমাত্র ছেলে শাহরিয়ারের মৃত্যুকে
পুঁজি করে নানা ধান্ধাবাজি ও প্রতারণা শুরু করেন। বারবার নিষেধ করার পরেও তিনি কোনো
কথাই শুনতে চাননি। দুই বউয়ের ভরণপোষণের সামর্থ্য তার নেই। মমতাজ বেগম বলেন, আমি ২২
বছর তার সঙ্গে কাটিয়েছি। তার আর্থিক অবস্থা ভালো না।
তিনি
অভিযোগ করে আরও বলেন, শহীদ পরিবারকে দেওয়া সরকারি বরাদ্দের এককালীন ৩০ লাখ টাকা তিনি
আমার সই জালিয়াতি করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু আমি সচেতন থাকায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ
হয়। শুধু তাই নয়, আমার শহীদ ছেলের নাম ভাঙিয়ে আব্দুল মতিন বিভিন্ন সময় মানুষের কাছ
থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আমার এখন একটাই চাওয়া, মেয়েটাকে বড় করার আগে যেন আল্লাহ
আমাকে নিয়ে না যায়। এ ঘটনার আমি সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযোগ
অস্বীকার করে শহীদ শাহরিয়ারের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, আমার বংশ রক্ষার জন্য
আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। বিশেষ করে আমার মায়ের অনুরোধে আমি বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি।
এছাড়া বিয়ে করার আগে প্রথম স্ত্রী আমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করার অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু
তিনি এখন তা অস্বীকার করছেন।
তিনি
আরও বলেন, আমি আলফা গ্রুপের মতিঝিল শাখায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি। বিয়ে করার
মতো সামর্থ্য আমার আছে। ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে বিয়ে করতে হবে, বিষয়টি এমনও নয়। বিয়ে
করার পর আমি প্রথম স্ত্রীকে আনতে পাঁচবার বাসায় গিয়েছি। মেয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারিনি।
সবশেষ অন্য একজনের মাধ্যমে তাদের বাসায় প্রবেশ করি। কিন্তু আমাকে অসম্মান করে বাসা
থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছি।
এ
বিষয়ে জুলাই যোদ্ধা রুহুল আমিন রিপন গণমাধ্যমকে বলেন, একজন জুলাই শহীদের বাবা হয়ে মতিন
সাহেব যে কাজটি করেছেন তা মোটেও উচিত হয়নি। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী আল নূর আয়াস বলেন, জুলাই শহীদ শাহরিয়ার বিন মতিনের
বাবার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে, বিষয়টি মেনে নেওয়ার মতো না। ছেলেকে যদি সত্যিই
তিনি ভালোবাসতেন, তাহলে তিনি এমন একটি কাজ করতেন না। তাদের একটি মেয়েও রয়েছে। তিনি
চাইলেই মেয়েটাকে নিয়েই সংসার করে যেতে পারতেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে কোনোভাবেই উদ্বিগ্ন নয় বিশ্বব্যাংক। বরং বাংলাদেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকারকে সব বিষয়ে সহায়তা দিয়ে পাশে থাকতে চায় বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আইএফসির কান্ট্রি ম্যানেজারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক। তিনি জানান, আমরা বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জেনেছি। যার ফলে আমরা বাংলাদেশের অর্থনীতির সংস্কারে কীভাবে সহযোগিতা করবো সেটিও আলোচনা করেছি। কারণ জটিল কিছু সংস্কার বাংলাদেশের প্রয়োজন। এখানে আর্থিক খাতে সংস্কার প্রয়োজন, বাণিজ্যে সংস্কার প্রয়োজন- আমরা এগুলোতে বিনিয়োগে আগ্রহী।
পাশাপাশি তিনি এটাও বলেন, আমরা এখন এ দেশে বেসরকারি খাতে চাকরির বাজার সৃষ্টিতে কাজ করতে আগ্রহী। বিশেষ করে যুবকরা এখানে বড় সম্পদ। এছাড়া এখানে জলবায়ু পরিবর্তন অনেক বড় ঝুঁকি, সেখানে অন্তর্বর্তীমূলক বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক গড়তে কাজ করছি আর আমরা মোটেই বাংলাদেশের ঋণের কিস্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমি অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, এটি কখনোই আমাদের উদ্বেগের বিষয় নয়।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্থবির অর্থনীতিকে চালু করার জন্য যত রকমের সহযোগিতা দরকার বিশ্বব্যাংক তা দেবে। আইএফসি ও বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। তারা বলেছে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা যে কোনো কিছুই করতে পারে। নিয়মকানুন মেনে তারা বিনিয়োগ করবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থীদের জন্য শোক জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাশাপাশি এ সময়ে যা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা সংস্কারেও পাশে থাকবে সংস্থাটি।
মন্তব্য করুন


‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’এই প্রতিপাদ্য অমর একুশে বইমেলা-২০২৫ উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠান থেকে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টা।
এর আগে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। এছাড়াও বক্তব্য দেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী।
এ সময় আরও
অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন