

কুমিল্লা নগরীর বিসিক শিল্প এলাকায় ছিনতাইকারি সন্দেহে সায়েম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে । এ ঘটনায় রাতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় কয়েকজন ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে স্থানীয় যুবকরা পুলিশের গাড়ির উপর হামলা করে। পরে আরো সেনাবাহিনী ও পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আজ বৃহস্পতিবার ( ২১ আগষ্ট) বিকেলে বিসিক শিল্প নগরী এলাকার এস. আলম ষ্টীলের ব্যানারে জান্নাতুল ফুড প্রোডাক্ট মিলে গণপিটুনিতে তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত সায়েম সদরের দিদার মার্কেট এলাকার ভাড়াটিয়া অটো রিক্সা চালক আমিনুল ইসলামের ছেলে। তাদের মূল বাড়ি রংপুর জেলায়।
ঘটনার পর ওই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ পলাতক রয়েছে। কোম্পানির ভিতর শনপাপড়ি তৈরি করে বাজারে বিপণন করা হতো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শন পাপড়ি খাবার জন্য ওই মিলে গেলে তাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম হত্যার ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, সায়েম ও সাকিব এলাকায় চিহ্নিত ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (৩ এপ্রিল) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ মশিউর আলম ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাস্থ উপ-কর কমিশনারের কার্যালয় এর সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে কমলপুর রাস্তা থেকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: ১।
হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার (৩০), পিতা- মৃত মাসুদ পারভেজ, সাং- নতুন বাজার, গাবতলী (মাজদাইর গোরস্থান সংলগ্ন
তুহিন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
২। মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি(৩৫), পিতা- মৃত হায়দার আলী প্রকাশ হাসান আলী, স্থায়ী ঠিকানা:- সাং- বাহার পাড়া, রহিম মিয়ার বাড়ি, থানা- টঙ্গীবাড়ী, জেলা- মুন্সিগঞ্জ, বর্তমান সাং—ইসদাইর (কাপুড়িয়া পট্টি গাবতলী, উকিল টিটন মিয়ার ভাড়াটিয়া) থানা- ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ।
৩।
মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০), পিতা- আলমাছ ঢালী, সাং- পশ্চিম ইসদাইর, গাবতলী (দোহার ভিলা), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৪। সুফিয়ান হোসেন সজল(২৪), পিতা- আবুল খায়ের, সাং- করপাড়া (হাজী বাড়ী), থানা- রামগঞ্জ, জেলা- লক্ষীপুর, বর্তমান সাং- ই ব্লক, ০৫নং লাইন, ৪৪নং বিসমিল্লা হাউজ, মিরপুর, থানা- শাহআলী, ডিএমপি, ঢাকা।
৫। মোঃ ইব্রাহিম(২৬), পিতা- আব্দুল বাসেত মন্ডল, সাং- নোয়াপাড়া, থানা- ইসলামপুর, জেলা- জামালপুর, বর্তমান সাং- উত্তর মাসদাহর (গাবতলী), থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়নগঞ্জ।
৬।
রবিউল আলম পিয়াস(২৬), পিতা- মৃত শিহাবুল আলম মিলন, সাং- কমলপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায়
এজাহার দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য,
গ্রেফতারকৃত ১নং আসামী মোঃ রাকিব হাসান প্রকাশ রকি (৩৫) এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৫ টি মাদক মামলা
ও ০১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
২নং
আসামী হায়দার আহম্মেদ উৎসব প্রকাশ উৎসব শিকদার এর বিরুদ্ধে পূর্বের
৪ টি মাদক মামলা
ও ১ টি অন্যান্য
ধারায় মামলা।
৩নং আসামী মাহফুজুর রহমান প্রকাশ মুন্না (৩০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১ টি মাদক মামলা ও ১ টি গনধর্ষন মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার (২১ জুন)
সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমড়াতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোজাম্মেল
হোসেন অমি (২৭) এবং সাইমন হোসেন (২৩) নামক
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও মাদক
পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। মোজাম্মেল হোসেন অমি (২৭) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার শিমপুর গ্রামের মৃত
ফতে আলী এর ছেলে এবং ২। সাইমন হোসেন (২৩) একই গ্রামের শহিদ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা
দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য
গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


জাইকা প্রতিনিধি
দল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। গতকাল (৩ নভেম্বর) পরিদর্শনের অংশ হিসেবে
প্রকৌশল অনুষদের বিভিন্ন অবকাঠামো এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলি নিয়ে
অনুষদ সদস্যদের সাথে আলোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে সকাল ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী’র সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের, জাইকা বিশেষজ্ঞ শোজি আকিহিরো, কাতসুকি নাহু, সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মাহমুদুল হাছান, আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মোঃ মেহেদী হাসান।
মতবিনিময় সভায় একাডেমিক,
প্রশিক্ষণ, উদ্ভাবন এবং গবেষণা উদ্যোগে একসাথে কাজ করার জন্য পারস্পরিক আগ্রহ প্রকাশ
করেন এবং জাইকা ও আইসটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ‘Project for ICT Engineers
Development for the Promotion of the ICT Industry and New Innovations’ এর আওতায়
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষককে Software Engineering, Cloud Computing এবং
Information Security বিষয়ের উপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য মত পোষণ করেন। এই
৬ জন শিক্ষক পরবর্তিতে উক্ত ট্রেনিং প্রোগ্রামসমূহের প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন। কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ উক্ত প্রোগ্রাম থেকে উপকৃত হবেন। এছাড়াও ভবিষ্যতে
National Institute of Informatics, Japan এর সাথে MoU স্বাক্ষরের জন্য উপাচার্য মত
প্রকাশ করলে জাইকা প্রতিনিধি দল সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ঘটেছে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহাসড়কে বাসের চাপায় নারী-শিশুসহ চার পথচারী নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত ৮ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর মালিখিল এলাকায়
মহাসড়ক পার হওয়ার সময় একুশে পরিবহন নামে একটি বাস তাদের চাপা দিলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন, কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের কদমতুলী এলাকার দিলবাল নেছা (৫০), শাহিনুর আক্তার (২৪), রাইসা (১.৫), সায়মা (৩)।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল আলম জানিয়েছেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানতে পারি, সোমবার রাত ৮ টার দিকে মহাসড়কের পার হচ্ছিলেন যাচ্ছিলেন শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন সদস্য। এ সময় নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী একুশে পরিবহনের বেপরোয়া বাস তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিন জন। পরে, শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, বাসটি পালিয়ে গেলেও একই কোম্পানির অন্য একটি বাস আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার
জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে
সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important
Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।
২০২১ সালের এআইপি খেতাবে
ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার
আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত
কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।
২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭
জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের
সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ
সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে
এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়।
এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে-
মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন
জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার
পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে
Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি
হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার
সুবিধা পাবেন।
মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল
উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি
স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে
অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে
২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে
মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান
সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন
আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে
দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে
বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ
খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন
মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান
কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয়
দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।
বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের
পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার
টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন
করে দিয়েছেন।
এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী
পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি
প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম
ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি
উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ
তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশ, চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, লালমাই ও লাকসাম থানার সমন্বিত টিমের অভিযানে আন্তঃ জেলা ডাকাত চক্রের অন্যতম প্রধান নয়নসহ ৫ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র, সরঞ্জাম ও দুটি পিকআপ গাড়ি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি লাকসাম থানা এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া ৩টি গরু ও ২টি গরুর বাছুরও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় টহল জোরদার, অতিরিক্ত চেকপোস্ট স্থাপন ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ নভেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চান্দিনা থানার বরকরই নাথের বাড়ী এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস)-এর নেতৃত্বে অপারেশনাল টিম অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে নীল রঙের পিকআপ থেকে ৪/৫ জন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়। অপর একটি হলুদ রঙের পিকআপ পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া করলে ডাকাত নয়ন পুলিশ সদস্যদের ওপর গাড়ি তুলে মারার চেষ্টা করে। দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টার দুঃসাহসিক ধাওয়ার পর সদর দক্ষিণ থানার ফিরিঙ্গির হাট এলাকায় ডাকাত নয়ন কৌশলে পালানোর চেষ্টা করে পুকুরে লাফ দিলে ডিবি পুলিশের সদস্যরা পুকুরে নেমে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
গ্রেফতারকৃতরা সাম্প্রতিক সময়ের লাকসাম ও চান্দিনা এলাকায় গরু ডাকাতির ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: চান্দিনা থানার বরকড়ই গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ রায়হান (২০), তিতাস থানার দক্ষিণ নারান্দিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ নয়ন (৩৪), চান্দিনা থানার বরকড়ই গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে মোঃ শাহাদাত হোসেন (২৪), চান্দিনা থানার দেওকামতা গ্রামের মোঃ সিরাজ কাজীর ছেলে মোঃ নাছির (২৫), চান্দিনা থানার সুরিখোলা গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে মোঃ সজীব রানা (২৮)।
পুলিশ সূত্র জানায়, নয়নের বিরুদ্ধে ১১টি, সজীবের বিরুদ্ধে ৫টি এবং রায়হানের বিরুদ্ধে ১টি মামলা রয়েছে।
এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি রেজিস্ট্রেশনবিহীন পিকআপ, ১টি টোটো রিভাল বার, ১টি বোল্ট কাটার, ২টি কাঠের বাটযুক্ত ছুরি, লোহার চাপাতি, ১টি স্টিলের চাপাতি, ১টি হ্যাকসো ব্লেড কাটার, ৩টি গরু ও ২টি বাছুর উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে দেবিদ্বার ও দাউদকান্দি এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের এমন সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার সহযোগীকে পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২২ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। আবুল
কাশেম নামের দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১ টি পিস্তল,
১টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোঃ আল আমিন (৩৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সংরাইশ মধ্যপাড়া গ্রামের
মৃত ইদ্রিস মিয়া এর ছেলে এবং ২। আবুল কাশেম (৩৪) একই গ্রামের বাবুল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন এর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক বন্যায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।বন্যার পানি কমে এলেও এখনো দুর্ভোগ শেষ হয়নি সাধারণ অসহায় মানুষের।
তাইতো কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামের বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
বিবেক হচ্ছে একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে যে প্রতিষ্ঠানটি সার্বক্ষণিক কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম বুড়িচং এলাকায় হরিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যার্তদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
বন্যা
দুর্গতদের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-সিলেট
মহাসড়কের কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাস-ট্রাক ও লরির ত্রিমুখী সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত
হয়েছেন। আহতদের দেবীদ্বার উপজেলা সদর ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
আজ
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার চরবাকর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কের
যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
দুর্ঘটনার
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন মিয়া।
স্থানীয়দের
বরাত দিয়ে তিনি জনান, কুমিল্লাগামী একটি মালবাহী ট্রাক পাংচার হয়ে মাঝ রাস্তায় থেমে
যায়। এ সময় পেছন থেকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে দেবীদ্বারগামী রয়েল সুপার এসি নামে একটি বাস
ও দেবীদ্বারগামী একটি লরি ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি দুমরে-মুচরে যায়। অপরদিকে
বাস ও লরিটিও রাস্তার পাশে উল্টে যায়।
এতে
তিনটি যানবাহনের চালকসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির তথ্য
নেই বলে তিনি জানান।
তবে
তাৎক্ষণিক আহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেতে পারেননি ওসি।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদন:
কুমিল্লার সুপরিচিত সমাজসেবক ও দক্ষিণ চর্থার স্থায়ী বাসিন্দা মো. আবুল হোসেনের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক,দৈনিক আজকের জীবনের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি নেকবর হোসেনের বাবা মরহুম আবুল হোসেন ২০১৩ সালের ৩০শে নভেম্বর ৬৪ বছর বয়সে হঠাৎ করেই দুনিয়ার মায়া ছাড়েন। পরিবারের ভাষ্য মতে, মৃত্যুর সময় তিনি কোনো কষ্ট পাননি, কাউকেও কষ্ট দিয়ে যাননি—যা তাঁর সৎ, সরল ও শান্ত জীবনযাপনেরই প্রতিফলন।
জীবদ্দশায় তিনি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চর্থা এলাকায় শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক ও অবকাঠামোগত কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি নিজ কর্মজীবনে সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন এবং অবসর সময় সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত রাখতেন। তাঁর সাদামাটা জীবনযাপন ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা আজও এলাকাবাসীর মনে গভীরভাবে জায়গা করে রেখেছে।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর পরিবার দক্ষিণ চর্থা এলাকার বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় কোরআন খতম, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। পাশাপাশি তিনটি এতিমখানার ছাত্রদের জন্য দুপুরের খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সমাজসেবামূলক সংগঠন ‘মুভ ফর চেঞ্জ ফাউন্ডেশন’ এবং রক্তের বাঁধনে চর্থাবাসীর উদ্যোগে বাদ আসর দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রয়াত মো. আবুল হোসেনের রূহের মাগফিরাত কামনায় পরিবারের সদস্যরা, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। তাঁর রেখে যাওয়া সৎ পথের দৃষ্টান্ত ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন