

কুমিল্লা
সদর উপজেলার বিষ্ণপুর সীমান্তে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচারকালে নগদ ২৮ লক্ষ টাকা সহ
একজন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি’র কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০
বিজিবি) এর অধীন বিবিরবাজার বিওপি’র
আওতাধীন কটকবাজার পোস্টের একটি বিশেষ টহল দল গতকাল শুক্রবার (১৩ জুন ২০২৫) সন্ধ্যা
৬টা নাগাদ সীমান্ত এলাকার বিষ্ণপুর নামক স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃত
ব্যক্তির হলেন- কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন তেতাভূমি গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে ফোরকান উদ্দিন (৩৫)
বিজিবি
সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত শূন্য রেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সন্দেহজনকভাবে
ঘোরাফেরা করার সময় ফোরকানকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ ও সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে
উদ্ধার করা হয় ২৮ লক্ষ নগদ টাকা এবং দুটি মোবাইল ফোন।
বিজিবি
জানায়, আটক ব্যক্তি এ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল। জব্দকৃত অর্থ
ও মালামালের মোট মূল্য ২৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।
আটক
ফোরকান উদ্দিনকে নগদ টাকা ও জব্দকৃত আলামতসহ কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা
হয়েছে।
বিজিবি
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব
রক্ষা ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
চোরাচালান ও হুন্ডি প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লার সাংবাদিকতা অঙ্গনে এক উজ্জ্বল নাম মাসুক আলতাফ চৌধুরী। নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্ববোধকে মূল মূল্যবোধ হিসেবে ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে যাচ্ছেন। পেশাগত দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির এই সমন্বয় তাঁকে কুমিল্লা অঞ্চলের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়ে পরিণত করেছে।
নেতৃত্ব ও পেশাগত যাত্রা
দীর্ঘ কর্মজীবনে মাসুক আলতাফ চৌধুরী কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে প্রেস ক্লাব আরও ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা কুমিল্লার সাংবাদিক সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।
এছাড়া তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান হিসেবেও দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনার মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও পাঠকদের আস্থা অর্জন করেছেন।
নতুন অধ্যায়ে পদার্পণ
সম্প্রতি তিনি আয়কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন— যা তাঁর কর্মজীবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি আইনি জ্ঞান অর্জনের এই প্রয়াস তাঁর অধ্যবসায় ও আত্মউন্নয়নের প্রতিফলন।
জীবন দর্শন ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
মাসুক আলতাফ চৌধুরীর জীবন দর্শনের মূলমন্ত্র—
“দায়িত্বের জায়গা থেকে সততার সঙ্গে কাজ করাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।”
তিনি বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকতা শুধু পেশা নয়; এটি সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম। তাই তিনি সবসময় ন্যায়, সত্য ও মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে অবস্থান নেন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়। মানবিক সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তিনি তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছেন।
সহকর্মীদের চোখে একজন অনুপ্রেরণার মানুষ
সহকর্মীরা তাঁকে একজন সহৃদয়, পরামর্শদাতা ও নৈতিকতার প্রতীক হিসেবে দেখেন। তরুণ সাংবাদিকদের পাশে থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া ও পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করা তাঁর নিত্যদিনের অংশ।
মাসুক আলতাফ চৌধুরী শুধু একজন সাংবাদিক নন
তিনি কুমিল্লার গণমাধ্যম অঙ্গনের এক অনন্য প্রেরণা।
তাঁর জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে ফুটে ওঠে দায়িত্ববোধ, সততা ও সমাজের প্রতি ভালোবাসা।
তিনি প্রমাণ করেছেন— পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধই একজন সত্যিকারের সফল মানুষের পরিচয়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে
নিবেদিত সংগঠন “আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম” বরুড়া উপজেলা শাখার ১৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক
কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক- মোহাম্মদ
শাহাবুদ্দিন এবং সদস্য সচিব- ফয়সাল হোসাইন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় তারা সমাজসেবা, শিক্ষা প্রসার
এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের সম্পৃক্ত করে গঠনমূলক কাজ করতে চায়। অচিরেই একটি
পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।
আহ্বায়ক মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, “আমরা বরুড়া উপজেলায় আর্তমানবতার সেবায় কাজ
করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে
ভূমিকা রাখা।” সদস্য সচিব ফয়সাল হোসাইন বলেন,
“কমিটি গঠনের পরপরই আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য
কাজ শুরু করব।”
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-
যুগ্ন আহবায়ক আসাদ মিরাজ, যুগ্ন আহবায়ক
ফয়েজুন্নবী পাটোয়ারী ফাহাদ, যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ সামধানী, যুগ্ন আহবায়ক রাকিব উল্লাহ
জাহিদ, যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ সাঈদ, সদস্য মোহাম্মদ সোহান, সদস্য মোহাম্মদ জুনায়েদ,
সদস্য হোসাইন, শুভ, আরিফ, ফখরুল, জহির, জাহিদ, হাসান।
মন্তব্য করুন


শরীফ প্রধান, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি ও চক্ষু হাসপাতাল কুমিল্লার পরিচালনায়, ফ্রেড হোলস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষুচিকিৎসা সেবা, লেন্স ছানি অপারেশন, চশমা প্রদান সচেতনাতা লিফলেট বিতরণ ও স্কুল আঙ্গিনায় গাছের চারা রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল মাঠে শুক্রুবার দিন ব্যাপী চলে এসব কার্যক্রম। চক্ষু সেবার এই মানবিক কার্যক্রমটির ১৪তম বছরের আসর বসলো এবার।
সেবাকার্যক্রমে বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক এস এম মিজানের সঞ্চালনায়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সাবেক সচিব ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আনোয়ার ফারুক, উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি এডভোকেট আ হ ম তাইফুর আলম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক আহমেদ। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর সহনির্বাহী পরিচালক উজ্জল হোসেন রানা, প্রোগ্রাম সমন্বয়ক সাংবাদিক শরীফ প্রধান ও নাসির আহমেদ শিশু। এসময় সদস্য ময়নাল, বিল্লালসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলো।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী সেবা কার্যক্রমে দাউদকান্দি, চান্দিনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, তিতাস ও কচুয়া উপজেলা থেকে আগত প্রায় ৬শতাধিক রুগীকে বিনামূল্য চক্ষু পরীক্ষা ও বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রায় দেড় শতাধিক রুগীকে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করানোর জন্য মনোনীত করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
গণঅভ্যুত্থানের
শহীদদের স্মরণে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে চাঁদপুর থেকে পদযাত্রা শুরু করে দুপুরে কুমিল্লা শহরে এসে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দলের নেতারা।
দুপুরে
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার হোটেল নুরজাহানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে
মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন এনসিপির উত্তরের সমন্বয়ক সারজিস আলম। পরে সেখানে এক ঘরোয়া
মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায়
উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, মূখ্য
সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী,
সিনিয়র মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা,
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন,
যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির এবং সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল
হান্নান মাসুদ। এছাড়া কুমিল্লা জেলার এনসিপি নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
পরে
শহীদ মাছুম মিয়ার কবর জিয়ারত শেষে বিকাল ৫ টায় নগরীর টাউন হল মাঠে সভায় যোগদান করেন তারা।
দলের
নেতারা জানান, শহীদদের
আত্মত্যাগকে স্মরণ করতেই এই পদযাত্রা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, শহীদের রক্ত
বৃথা যেতে দেওয়া হবে না—গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার জন্য এনসিপি দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
মন্তব্য করুন


পাওনা
৩৬ হাজার টাকা না দেওয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের হাতে খুন হয় কুমিল্লা হোমনা উপজেলার বড় ঘাগুটিয়া
ইউনিয়নের ঘাগুটিয়া গ্রামের শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে
সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
হত্যাকাণ্ডের
পরই রহস্য উদঘাটনে এবং খুনিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ।
এর একদিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হোমনার শ্রীমদ্দি চরেরগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মূলহোতা আক্তার হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আক্তার হোসেন (২৭) হোমনা শ্রীমদ্দি চরের গাঁও এলাকার হক মিয়ার ছেলে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর হত্যাকারী আক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নিহত মাহমুদার সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর মাহমুদা তার পরকীয়া প্রেমিক আক্তার হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতো। সর্বশেষ আক্তার হোসেনের নিহত মাহমুদার কাছে ৩৬ হাজার টাকা পাওনা ছিল। আক্তার সেই টাকা মাহমুদার কাছে ফেরত চাইলে টাকা ফেরত দেব-দিচ্ছি করে আক্তারকে ঘোরাতে থাকেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কয়েক দফা বাগবিতণ্ডা হয়।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আক্তারকে তার পাওনা টাকা ফেরত দেবেন বলে বাড়িতে ডাকেন মাহমুদা। পরে রাতে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন মাহমুদা, হত্যাকারী আক্তার, মাহমুদার ছেলে সাহাত এবং মাহমুদার ভাতিজি তিশা।
খাওয়া শেষে তিশা ও সাহাত ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আক্তার তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে মাহমুদা রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ফের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মাহমুদাকে মাথায় আঘাত করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন আক্তার। আর ভাবতে থাকেন তিশা ও সাহাত তো সন্ধ্যায় তাকে দেখেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা যদি আক্তারের কথা বলে দেয় সেই আশঙ্কা থেকে তাদের দুজনকেও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে মরদেহ তিনটি এক খাটের ওপর রেখে পালিয়ে যান তিনি।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় নিহত মাহমুদার বাবা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করার পর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে নামে পুলিশ। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ হত্যাকারী আক্তারকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার রাতে আক্তারকে তার নিজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে আদালতে তোলা হলে ঘটনার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লার হোমনার বড় ঘাগুটিয়া এলাকায় শাহপরানের ঘরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর আগে, বুধবার রাতের কোনো একসময় তিনজনকে হত্যা করে মরদেহ একটি খাটের ওপর ফেলে রাখা হয়।
নিহতরা হলেন বড় ঘাগুটিয়া এলাকার মো. শাহপরানের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার (৩৫), তাদের ৯ বছরের ছেলে সাহাত এবং প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের মেয়ে তিশা (১৪)।
এ
ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতেই নিহত মাহমুদার বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি
হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে তোলা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য আনওয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলাসহ আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম।
এসময় তিনি সামিরা আজিম দোলাসহ আহত অন্যন্যদের খোঁজ নিয়ে সকলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পাশাপাশি হামলায় জড়িত সকল দুষ্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এসময় আবুল কালামের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান আমিরসহ দক্ষিণ জেলা, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে লাকসামের ছনগাঁও এলাকায় গণসংযোগকালে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সামিরা আজিম দোলার গাড়িবহরে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এতে অন্তত ১০জন আহত হন। এদিন সন্ধ্যায় এই হামলার নিন্দা জানিয়ে ভিডিও বার্তা দেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম। তিনি বলেন, এটি নির্বাচন বানচাল করতে একটি ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রকারীদের ৭২ ঘন্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনকে অনুরোধ করেন বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লে ও বাজি উদ্ধার
করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য এক কোটি
৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সোমবার
(২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির
মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক ৩টা ৫০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
উপজেলা যশপুর বিওপির আওতাধীন লক্ষ্মীপুর সীমান্ত এলাকার প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে
‘বলের ডেপা’ নামক স্থানে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল
ডিসপ্লে ও কিং কোবরা ব্র্যান্ডের আতশবাজি পড়ে থাকতে দেখা যায়। যা অবৈধভাবে ভারত থেকে
দেশে আনা হয়। পরে বিজিবির দায়িত্বরত টহলটিম সেগুলো জব্দ করে।
কুমিল্লা
ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মীর আলী এজাজ জানান, জব্দকৃত মালামালের
আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এ ধরনের চোরাচালান দেশের অর্থনীতির
জন্য ক্ষতিকর এবং জননিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে।
বিশেষ
করে অবৈধ বাজি মজুদ ও পরিবহন অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। উদ্ধারকৃত
মালামাল বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। সীমান্ত এলাকায়
চোরাচালান রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবির এ অফিসার।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
আদর্শ সদর উপজেলায় বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআই-এর
অভিযানকালে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ
বুধবার দুপুর থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা
প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আক্তার শিফা, সালমান ফার্সি
এবং মো. আনিসুল হক।
এ
সময় বিএসটিআই কুমিল্লার মাঠ কর্মকর্তা ইকবাল আহাম্মদ, পরিদর্শক (মেট) আরিফ উদ্দিন প্রিয়,
পরীক্ষক (রসায়ন) মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লায়
বিএসটিআই-এর উপ-পরিচালক কে এম হানিফ জানান, মানসনদ গ্রহণ ব্যতীত পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড
মার্ক (মান চিহ্ন) ব্যবহার, বিস্কুট, পাউরুটি ও কেক পণ্য উৎপাদন এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর
তথ্য প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নগরীর দেশয়ালিপট্টির মেসার্স বিক্রমপুর শশী ভান্ডারকে
২৫ হাজার টাকা, বিক্রমপুর ঘি স্টোরকে দুই হাজার টাকা এবং রাজগঞ্জ বাজার এলাকার মেসার্স
নিউ প্রিমিয়াম সুইটসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১২ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বাশঁমঙ্গল চৌমুহনী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ পাভেল মিয়া কে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আমড়াতলী গ্রামের মোঃ জামাল মিয়া এর ছেলে মোঃ পাভেল মিয়া (২৯)।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে
চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ছাদ বেয়ে নকল সরবরাহের দায়ে ইমরান হোসেন (১৯) নামের এক যুবককে
ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭
এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে পেরিয়া ইউনিয়নের ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান এ দণ্ডাদেশ দেন।
এ সময় উপজেলার আরও
চারটি কেন্দ্র থেকে নকলের অভিযোগে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি দায়িত্বে
অবহেলার অভিযোগে মৌকারা মাদ্রাসার চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা
যায়, ইংরেজি ২য় পত্র চলাকালে ডা. যোবায়েদা হান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র
পরিদর্শনে যান ট্যাগ অফিসার শহীদুল ইসলাম।
এদিকে ইমরান হোসেন
ভবনের তৃতীয় তলা চাদ বেয়ে নকল দিতে যান আত্মীয়কে। যা নজরে আসে ট্যাগ অফিসার শহীদুল
ইসলামের। সঙ্গে সঙ্গে তাকে একই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আটক করা হয়। ইমরানকে উপজেলা নির্বাহী
অফিসে আনা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে নাঙ্গলকোট
দারুল আফসারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ৪ জন, ধাতিশ্বর স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২ জন, জোড্ডা
আলিম মাদ্রাসা ৫ জন ও জোড্ডা উচ্চ বিদ্যালয় ৪ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
রাফিদ খান বলেন, নকল সরবরাহের সময় ইমরান হোসেনকে হাতে-নাতে ধরা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী
পরীক্ষা আইন ১৯৮০ (১১-ক) ধারায় ৬ মাসের মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরীক্ষা সুষ্ঠু রাখতে
প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে।
মন্তব্য করুন