

বিপিএলের
১৮ তম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বোলারদের সামনে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ব্যাটাররা
যেন দাঁড়াতেই পারেনি। মাত্র ১৬.৩ ওভারেই গুটিয়ে গেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলটি।
অথচ টানা ৩ ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস
নিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টস
জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাট করতে পাঠিয়ে ছিল ইমরুল কায়েসের কুমিল্লা।
তানভীর
ইসলাম, আলিস ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানদের দাপটে ৭২ রানেই গুটিয়ে গেছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স
দলটি। কুমিল্লার হয়ে দারুণ বোলিং করেন তানভির। ৪ উইকেটে নিয়েছেন তানভীর। আর আলিস নিয়েছেন ২ উইকেট।
মন্তব্য করুন


তিন দিনের সফরে ভারতের কলকাতায় পৌঁছেছেন বিশ্ব ফুটবলের সুপারস্টার লিওনেল মেসি। প্রথম দিনেই সল্টলেক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া ফুটবল ইভেন্টে চরম অব্যবস্থা তৈরি হয়। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকরা তাদের প্রিয় খেলোয়াড় মেসিকে স্পষ্টভাবে দেখতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালান।
ঘটনার পর কলকাতা পুলিশ অনুষ্ঠান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে আটক করে। কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল জায়েদ শামিম জানান, “এফআইআর দায়ের করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, এবং যারা এ বিশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত তারা আইনের আওতায় আনা হবে। ভক্তদের ক্ষুব্ধ হওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।”
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মেসির কাছে সরাসরি ক্ষমা চেয়ে বলেন, “সল্টলেক স্টেডিয়ামে যে অব্যবস্থাপনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি নিজেও ভক্তদের সঙ্গে প্রিয় খেলোয়াড় মেসিকে দেখার জন্য স্টেডিয়ামে যাচ্ছিলাম।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব থাকবেন। কমিটি ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করবে, দায় নির্ধারণ করবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধের সুপারিশ দেবে।
মমতা ব্যানার্জি শেষ করেন, “সব ক্রীড়াপ্রেমী ও মেসির ভক্তদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী সোমবার দুই দিনব্যাপী সিভিল
সার্জন সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা আগামী ১২ মে (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তাঁর তেজগাঁওস্থ
কার্যালয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্বখ্যাত প্রাণীবিদ, প্রাইমাটোলজিস্ট, নৃতত্ত্ববিদ ও পরিবেশ আন্দোলনের অগ্রদূত ড. জেন গুডলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এক শোকবার্তায় অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, আমার প্রিয় বন্ধু ড. জেন গুডলের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন এক অক্লান্ত সংগ্রামী। শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, ন্যায়বিচার এবং পৃথিবীর সকল জীবের পারস্পরিক সম্পর্কের পক্ষে তিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন। প্রাকৃতিক জগত তার এক মহান সমর্থককে হারালো, যা আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। আজ আমি তার অর্জন ও অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যা পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে জেন গুডলের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলাদেশ সফরে এসে গ্রামীণ ব্যাংকের নারীদের ক্ষমতায়নের অভিজ্ঞতা দেখেছিলেন এবং পরে আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তার নিজস্ব কাজে সেই নীতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তিনি আমাদের দেশের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জেন আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছেন এবং আমাদের কাজকে উচ্চভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি তার বহু বক্তব্যে গ্রামীণ কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন, এমনকি সম্প্রতি ২০২৫ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সোশ্যাল বিজনেস ডে সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যেও এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, তার সমর্থন ও প্রেরণার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। তিনি শুধু আমাকে নয়, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। শান্তিতে বিশ্রাম নাও জেন, পৃথিবী তোমাকে গভীরভাবে মিস করবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিখ্যাত প্রাণীবিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৃতিবিদ এবং পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত ৯১ বছর বয়সী ড. জেন গুডল গতকাল বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের নতুন
এক বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন কিছু গড়ার সক্ষমতা রাখি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
সমাবর্তন ভাষণে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, আমরা চাইলে আমাদের মতো
করে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি। তবে, তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকা দরকার-
কেমন পরিবেশ ও সমাজ তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সেই সম্পর্কে।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পটভূমি স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে যে সভ্যতা চলছে তা একটি ধ্বংসাত্মক অর্থনীতির সভ্যতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে অর্থনীতি তৈরি করেছি তা মানুষের জন্য নয়,
বরং ব্যবসার জন্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসাকেন্দ্রিক
এই সভ্যতা আত্মঘাতী এবং তা টিকবে না।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এসে আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালে চবিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চট্টগ্রামে
দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সহায়তা করতে গঠিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল চবির অর্থনীতি
বিভাগে।
অনুষ্ঠানে, চবি কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক
ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডি লিট) উপাধিতে ভূষিত করে।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার অধ্যাপক ইউনূসের
হাতে ডি লিট সনদ তুলে দেন।
সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজসহ অন্যান্যরাও বক্তব্য রাখেন।
চবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন
খান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চবি আজ দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবর্তনের আয়োজন করে, যেখানে
২২,৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাছ থেকে পাওয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে
যে সব এখনই বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো অন্তর্বর্তী সরকার অতিদ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেবে।
আজ শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন হস্তান্তরকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে যে সব এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো আমরা দ্রুত
বাস্তবায়ন করে ফেলতে চাই। সে জন্য আমি চাইবো সংস্কার কমিশন আশু করণীয় বা দ্রুত বাস্তবায়ন
করা যায় এমন সুপারিশগুলো তাড়াতাড়ি আলাদাভাবে আমাদের কাছে পেশ করুক।
সিনিয়র সাংবাদিক কামাল আহমেদের নেতৃত্বাধীন
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাজকে অমূল্য উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা এ প্রতিবেদন যেন
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য মানুষ পড়তে পারে সে লক্ষ্যে
কাজ করার পরামর্শ দেন।
দেশীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো একটি নির্দিষ্ট
স্যাটেলাইট ব্যবহারে বাধ্য বলে বিদেশ থেকে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দেখা যায়
না, কমিশনের পক্ষ থেকে এমন তথ্য পাওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের টেলিভিশন
চ্যানেলগুলো যাতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা এবং আগ্রহী বিদেশিরা দেখতে পারেন সেজন্য
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার।
কমিশন প্রধান কামাল আহমেদসহ অন্যান্য
সদস্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরীন, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের
সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের প্রতিনিধি শামসুল হক জাহিদ, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন ওনার্স
(অ্যাটকো) প্রতিনিধি মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, নিউজ পেপার
ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সচিব আখতার হোসেন খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের
সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের ট্রাস্টি ফাহিম আহমেদ, মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের
আহ্বায়ক সাংবাদিক জিমি আমির, ডেইলি স্টারের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা সবুজ, বিজনেস
স্ট্যান্ডার্ডের ডেপুটি এডিটর টিটু দত্ত গুপ্ত এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ
আল মামুন।
মন্তব্য করুন


খুলনায়
নিজ ঘরে শিউলী বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূ খুন হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে নগরীর ট্যাংক
রোডের রবিউল ইসলামের বাড়ি থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি এ বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
খুলনা
থানা পুলিশের ওসি-তদন্ত শাহজাহান আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওই নারীর মাথায় ভারী
বস্তু দিয়ে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।
ওই
গৃহবধূর প্রথম স্বামী নাম মোঃ সালাউদ্দিন খান। প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর মাত্র
এক মাস ১০ দিন আগে তিনি সাগর নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন বলে জানিয়েছে নিহত শিউলী
বেগমের বড় মেয়ে কেয়া। তিনি বলেন, “আমার বাবার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর মা সাগর নামে
একজনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর এই বাড়িতে ভাড়া থাকেন। এখানে মা, ছোট ভাই আর ওই বাবা থাকতেন।
সকালে ১০টার দিকে ওই বাবা ফোন করে আমাকে জানায় তোমার আম্মুকে ফোনে পাচ্ছি না, তুমি
একটু যাও। এরপর আমি মায়ের বাড়িতে আসি। কিন্তু ঘরে তালা দেওয়া ছিল। ভাবছি আম্মু কোথাও
গিয়েছে, পরে চলে যাই। ভেবেছিলাম নানু বাড়ি ডুমুরিয়া যেতে পারে, আমি বিকালে সেখানে যাই।
ছোট মামার কাছে জিজ্ঞেস করলে জানায় আসেনি। পরে আবার ফিরে আসি। নানু বাড়ি থেকে ফিরে
আসার সময় আমার স্বামীকে বলছিলাম আম্মুর জুতা ঘরের সামনে দেখেছি। পরে সন্ধ্যায় আমরা
আম্মুর বাড়িতে আসি। এখানে এসে উঁকি দিয়ে দেখি আম্মুর ঘরের গেটে তালা মারা। পরে বাড়িওয়ালাদের
ডাক দিলে তারা আসে। রাতে তালা ভেঙে দেখি ঘরের খাটের ওপর আম্মুর মরদেহ পরে আছে।
তিনি
বলেন, “সিসি ক্যামেরায় দেখা গেছে আমার ছোট ভাই রিয়াদ সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঘর থেকে বেরিয়ে
গেছে। ঘরে আম্মুর ৬ লাখের বেশি টাকা ছিল, ধারণা করছি সেটার জন্য ভাই মাকে মেরে ফেলেছে।”
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহেরের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সাক্ষাৎ করেছেন। জামায়াতের এ প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিং-এ বলেন, আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যেই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছি। জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আমরা বলেছি- এখন প্রয়োজন এটাকে আইনি ভিত্তি দিয়ে বাস্তবায়ন করা। এই সনদে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে আগেই পাশ করিয়ে তার ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেছেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন না হলে- তাহলে তো আমাদের সব পরিশ্রম বৃথা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ উনি বলেছেন, ‘আমি এটা বাস্তবায়নের যথাযথ উদ্যোগ নেব।’
আমরা আরও বলেছি, একটা আদেশের মাধ্যমে এটাকে সাংবিধানিক মর্যাদা দিতে হবে। ‘এটা কনস্টিটিউশন (সংবিধান) নয়। এটা হচ্ছে এক্সট্রা কনস্টিটিউশনাল অ্যারেঞ্জমেন্ট; যেটা কোনো সরকার এরকম একটা পরিস্থিতিতে পড়লে দেয়ার এখতিয়ার রাখে। উনি আমাদের সাথে একমত হয়েছেন যে, একটা আদেশের মাধ্যমেই এটা হবে। সকলেই এ পরামর্শ দিয়েছেন যে, একটি আদেশের মাধ্যমে এটাকে বৈধতা দিতে হবে। আর সেই আদেশের উপরই গণভোট হবে। আমরা এটা ক্লিয়ারলি বলেছি।
জুলাই সনদের বিষয়ে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ তাহের বলেন, অধ্যাদেশ খুব দুর্বল। এগুলোর সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়ার মতো স্ট্রেংথ (ক্ষমতা) অধ্যাদেশে নেই। কিন্তু আদেশ ইজ ইকুইভেলেন্ট (সমান) টু সাংবিধানিক পরিবর্তন পাওয়ার (ক্ষমতা) এবং অথরিটির দিক থেকে। আমরা আমাদের এক্সপার্ট কমিটির সঙ্গে বসেছি। আমাদের এক্সপার্ট কমিটি আবার ঐকমত্য কমিশনের এক্সপার্ট কমিটির সঙ্গে বসেছে। সবাই এই পরামর্শ দিয়েছেন যে একটি আদেশের মাধ্যম এটাকে বৈধতা দিতে হবে। আর সেই আদেশের ওপরেই গণভোট হবে। আমরা এটা ক্লিয়ারলি (পরিষ্কার) বলে আসছি। উনি আমাদের কথায় রাজি হয়েছেন বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। আমরা আশা করি, তিনি সেদিকেই যাবেন।
দ্বিতীয় কথা হলো- গণভোটের ব্যাপারে বিএনপি কোনভাবেই প্রথমত রাজী হচ্ছিল না। আমরা এটার উপর জোর দিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত বিএনপি গণভোটে রাজী হয়েছে। আমরা বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই। তারপরে বিএনপি একটা জটিলতা তৈরী করার চেষ্টা করছে। সেটা হলো গণভোট আর জাতীয় নির্বাচন একদিনে হতে হবে। দু’টো একেবারে আলাদা জিনিস। একটা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়ে দেশে কিভাবে সরকার চালাবে সেটার সিদ্ধান্ত। আর গণভোট হচ্ছে, আমাদের কতগুলো রিফর্মস; তাহলো কিভাবে সরকার পরিচালিত হবে, কিভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা থাকবে এসব মৌলিক বিষয়। এর সাথে জাতীয় নির্বাচনের কোন রিলেশন নেই। সেজন্য আমরা বলেছি গণভোটের মাধ্যমে রিফর্মস গুলো পাশ করাতে হবে। জনগণ যদি হ্যাঁ বলে পাশ হয়ে গেলো। জনগণ যদি না বলে পাশ হবে না। আর যদি হ্যাঁ হয় এর ভিত্তিতে নির্বাচন দিতে হবে। এটা যদি না হয় এটাকে মাইনাস করে নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে দু’টি গণভোট হয়েছে, একটি হয়েছে ১৭ দিনের ব্যবধানে, আরেকটি হয়েছে ২১ দিনের ব্যবধানে। আমরা বলেছি, নভেম্বরের শেষে দিকে গণভোট করার জন্য। তারপরে আরও আড়াই মাস থাকবে জাতীয় নির্বাচনের জন্য। সুতরাং এখানে সময়ের কোন সমস্যা নেই।
তিনি আরও বলেন, তৃতীয় জটিলতা হলো নোট অব ডিসেন্ট বা পয়েন্ট অব ডিসেন্ট। আমরা ৩১টি দলের সঙ্গে আলোচনা করেছি, যার মধ্যে ২৯টি দল প্রায় একমত হয়েছে- সেটাই মূল সিদ্ধান্ত। এখন যদি দুইটি দল বলে যে তারা মানছে না, তাহলে সেটি সিদ্ধান্ত বাতিল নয়; বরং এটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত বা নোট অব ডিসেন্ট। এক-দুটি দলের অমতকে কেন্দ্র করে রেফারেন্ডাম ডাকা বা নতুন সিদ্ধান্তের দাবি করা ঠিক নয়। এসবই অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরির প্রক্রিয়া, যেটি এড়িয়ে আমরা সঠিক পথে এগিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য এবং জনগণের অংশাগ্রহণমূলক নির্বাচন আমাদের জন্য জরুরি। দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা জটিলতা তৈরি করছে। এজন্য কোন ধরনের জটিলতা তৈরী না করে আমরা সবাই মিলে যেন ফেব্রুয়ারিত একটি আনন্দমুখর পরিবেশে নির্বাচনে যেতে পারি, সেইভাবে আচরণ করার জন্য আমি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, শাপলা প্রতীক পেতে এনসিপির আইনগত কোনো বাধা নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী যে নির্বাচন কমিশন এসেছে তারা অবশ্যই এ স্বেচ্ছাচারিতা করবে না। আমরা আশা করি অবশ্যই শাপলা প্রতীক পাব, এ প্রতীকেই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোনায় এনসিপির জেলা সমন্বয় সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক প্রীতম সোহাগ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য ফাহিম রহমান খান পাঠান। এছাড়াও নেত্রকোনা জেলার জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, হ্যাক হওয়া পোস্টের কারণে যদি কোনো
মা-বোন কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
তিনি
জানান, তার ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করে সেখান থেকে মায়েদের
নিয়ে অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য ছড়ানো হয়।
আজ
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) শেরপুরের শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী
জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডা.
শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি নিয়ে
হৈচৈ শুরু করে মিছিল করেছে। যারা প্রকৃত অর্থে মায়েদের সম্মান করে না, তারাই এই পরিস্থিতিকে
ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।
নারীদের
প্রতি অবমাননাকারীদের কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা নারীদের অপমান করে,
তারা মানুষ হিসেবে আচরণ করছে না। ‘মা’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, যারা নারীদের
অসম্মান করছে, তারাও কোনো না কোনো মায়ের সন্তান। তাদের প্রতি অনুরোধ—নিজেদের
মা, স্ত্রী ও বোনদের সম্মান করতে শিখুন।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বিয়ে করেছেন।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
হাসনাতের একাধিক বন্ধু ও বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা একাধিক সমন্বয়ক বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসনাত বিয়ে করেছেন, এটি নিশ্চিত করে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন অ্যাকটিভিস্ট আব্দুল্লাহ হিল বাকী, সমন্বয়ক
তারিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদারসহ অনেকেই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক
সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় হাসনাতের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে ঘরোয়া আয়োজনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। হাসনাতের স্ত্রীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।
সারজিস আলম হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে
ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেসবুকে। তিনি লিখেছেন, আল্লাহ পৃথিবীতে আমাদের জন্য
যা দিয়েছেন তার সবই নেয়ামত। তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম নেয়ামত হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী।
আজ থেকে তুমি তেমনই একজন স্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করছো।
হাসনাত আব্দুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক ছাত্র তিনি।
মন্তব্য করুন