

কুমিল্লা
মুরাদনগরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমপাল গ্রামবাসীর কাছে
আতঙ্কের আরেক নাম ছিল সুমন সরকার । সেই সুমন সরকারকে স্ত্রী হত্যা মামলার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে।
শুক্রবার যাত্রাবাড়ী প্রথম স্ত্রীর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁও থানা পুলিশ।
কুমিল্লা
মুরাদনগর আমপাল গ্রামের মৃত আলিম সরকারের ছেলে সুমন সরকার। নিহত রিমা সুমনের দ্বিতীয়
স্ত্রী, তার দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রহমান বলেন, মামলার প্রধান আসামী নিহতের স্বামী সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত
১৯ জুন সোনারগাঁও থানাধীন সাদিপুর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে নিহত রিমার লাশ
একটি পলিথিন মোড়ানো বস্তা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ শামসুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাবাডি খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে। কিন্তু এই খেলাটি আমাদের জাতীয় খেলা। অথচ কাবাডি হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির খেলার তালিকা থেকে। এই কাবাডিকে রক্ষা করতে হবে। গ্রাম-বাংলার জনপ্রিয় কাবাডি খেলার ঐতিহ্য রক্ষায় আমাদেরকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে, এগিয়ে আসতে হবে।
শনিবার (২৪মে) সকাল ১০টায় কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের আয়োজনে আন্তঃকলেজ কাবাডি প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। কুমিল্লা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে আন্তঃকলেজ কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ক্রীড়া নৈপুন্যে গড়বো দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ”ক্রীড়াঙ্গন’ স্লোগানে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড আয়োজিত আন্তঃকলেজ কাবাডি প্রতিযোগিতার ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক আবু সালেহ মোঃ তারিক মাহমুদ,জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সুমন কুমার মিত্র। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের উপ-সচিব (একাডেমি) ও ক্রীড়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাফায়েত মিয়া।সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মোঃ নূরুন্নবী আলম।
উপস্থাপনায় ছিলেন সাংবাদিক আবুল হাসনাত বাবুল ও ক্রীড়া সংগঠক দরুল হুদা জেনু।
আন্তঃকলেজ কাবাডি প্রতিযোগিতায় ৯টি কলেজ অংশগ্রহণ করে। কলেজগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ, সোনার বাংলা কলেজ,কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজ, শশীদল আলহাজ মুহাম্মাদ আবু তাহের কলেজ,ক্যান্টনমেন্ট কলেজ,মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রী কলেজ, কুমিল্লা রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজ ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। একই দিনে বিকেলের পর্বে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের উপ-সচিব (একাডেমি) ও ক্রীড়া কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাফায়েত মিয়া।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদন:
কুমিল্লার চান্দিনায় নকল কোমল পানীয় ও জুস তৈরির আড়ালে যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরিসহ বাজারজাত করে চলছে ‘ইহান ফুড’ নামের অনুমোদনহীন নাম সর্বস্ব একটি ফ্যাক্টরী। স্থান পরিবর্তন করে বিভিন্ন বাড়ি ভাড়া নিয়ে ওই ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করে আসছে হাসান গাজী নামের এক ব্যক্তি।
চান্দিনায় ওই ফ্যাক্টরীতে বিএসটিআই এর সীল ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুস, কোমলপানীয় ও যৌন উত্তেজক সিরাপের নাম ও মোড়ক হুবহু নকল করে পণ্য তৈরি ও অবাধে বাজারজাত করে আসছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার হারং ভূইয়া বাড়িতে ওই ফ্যাক্টরীতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর। এসময় সেনাবাহিনী ও পুলিশের একাধিক টিম ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করে। অভিযানে পাঁচ হাজার নকল স্টিকার যুক্ত কোমলপানীয়, চার হাজার বোতল নকল জিনসিন প্লাস যৌন উত্তেজক সিরাপ জব্দ করা হয়। এছাড়াও ওইসব তৈরীর কাঁচামাল ও মেশিন জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- কুমিল্লা সদর থানার বাগিচাগাঁও এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম অপু (৩৩) ও মজিবুর রহমানের ছেলে মো. আল-আমিন (৩০)।এই ঘটনার সাথে জড়িত দুই জনকে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমান আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আল নুর জানান- হাসান গাজী নামের এক ব্যক্তি অবৈধ ভাবে ওই ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করে আসছে। ওই ফ্যাক্টরীতে মানহীন অস্বাস্থ্যকর শিশুদের ফলের জুস, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল জুস ও কোমল পানীয় তৈরী করছে। পাশাপাশি ‘জিনসিন প্লাস’ নামের একটি কোম্পানীর মোড়ক হুবহু নকল যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি করে আসছে। বেশ কয়েকদিন যাবৎ আমরা খোঁজ নিয়ে ওই ফ্যাক্টরীর সন্ধান পাই। অভিযান চালিয়ে অনেক অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পণ্য ও কাঁচামাল ধ্বংসসহ জব্দ করা হয়েছে। দুইজনকে আটক করে সাজা প্রদান করা হয়েছে। ফ্যাক্টরীর মালিকের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা:
প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে একজন নিবেদিত প্রাণ রোটারিয়ান হিসাবে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক ও জনকল্যাণমুখী কাজ করে চলেছেন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লার প্রাক্তন সভাপতি প্রফেসর ডাঃ তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ। তাঁর এই নিঃস্বার্থ সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ রোটারি ইন্টারন্যাশনাল তাঁকে "সার্ভিস এবাভ সেল্ফ অ্যাওয়ার্ড" এ ভূষিত করেছে। গেলো ১৯ এপ্রিল ঢাকায় কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ এ অনুষ্ঠিত হলো রোটারি বাংলাদেশের ইনকামিং লিডারস্ ট্রেনিং সেমিনার।
ওই অনুষ্ঠানে রোটারিয়ান প্রফেসর ডাঃ তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষের কাছে সম্মাননা স্মারক হস্তান্তর করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে রোটারি বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর রোটারিয়ান পি.ডি.জি ডঃ ইশতিয়াক এ জামান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতজ্ঞ শচীন দেববর্মন এর ১১৮ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের
আয়োজেন নগরীর চর্থাস্থ শচীন দেববর্মনের বাড়ীতে শিল্পীর মূর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদন করা
হয়।
শুরুতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ
থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়ছার। পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা
কালচারাল কমপ্লেক্স, জাসাস কুমিল্লা, বাংলা সংস্কৃতি বলয়, কুমিল্লা জিলা স্কুলসহ বিভিন্ন
সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শিল্পীর মূর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক
(সার্বিক) পষ্কজ বড়ুয়া, জেলা কালচারাল কর্মকর্তা আয়াজ মাবুদ, কবি নজরুল ইন্সটিটিউট
কেন্দ্র কুমিল্লার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলামিন, জাসাস কুমিল্লার আহবায়ক সিরাজুল
ইসলাম মিলন, কালচারাল কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক
শেখ ফরিদ আহমেদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে জেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।এর আগে সকালেই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লার সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন রুবেল, মুক্তিযুদ্ধকালীন কমান্ডার আব্দুল মতিন, দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকার সম্পাদক শাহজাদা এমরান, টাউনহলের সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসনাত বাবুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক দুলাল, এ্যাডভোকেট গোলাম ফারুকসহ জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো অত্যন্ত জরুরি। তাঁদের অবদান স্মরণ করে একটি মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে অটো মিশুক চালক সৈকত হত্যার ঘটনা জড়িত অন্যতম আসামি তুহিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২ সদস্যরা।
গ্রেফতার হওয়া তুহিন মজুমদার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের বাবুল মজুমদারের ছেলে। ৭ আগস্ট রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গত ৩ জুলাই রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে সৈকত (১৯) নামে এক অটোমিশুক চালক নৃশংসভাবে খুন হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ভিকটিম তাফরুল ইসলাম সৈকত (১৯) অটো মিশুক চালানোর উদ্দেশ্যে গত ০২ জুলাই বিকাল ৫ টায় বাড়ী থেকে বের হয়। রাত ১১ টা অতিবাহিত হওয়ার পরও সৈকত বাড়ীতে না ফেরায় তার পরিবার তাকে বিভিন্ন স্থানে খোজ করতে থাকে। পরবর্তীতে বিকাল সাড়ে ৫ টায় চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল পাড়ে ভিকটিম সৈকত (১৯) এর লাশ পাওয়া যায়।
উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-০৭। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা নজরদারী ও ছায়াতদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদার (৩২) এর অবস্থান চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ০৭ আগষ্ট রাতে র্যাবের অভিযানে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বসন্তপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্যতম আসামী তুহিন মজুমদারকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে ভিকটিমের সু-সম্পর্ক ছিল। সে সূত্র ধরে গত ০১ জুলাই রাতে গ্রেফতারকৃত আসামী সহ তার অন্যান্য সহযোগী আসামীরা একত্রে মিলিত হয়ে ভিকটিমকে হত্যা করে তার অটো মিশুকটি ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ০২ জুলাই রাত ১১ টায় আসামীরা অটো মিশুকসহ ভিকটিমকে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাহেরগড়া এলাকার নাঙ্গলিয়া খাল এলাকায় গিয়ে সবাই মিলে বসে গল্প করে। এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত আসামীর নির্দেশে ঘটনাস্থলের পাশে লুকিয়ে রাখা চাপাতি দিয়ে অন্যান্য আসামীরা ভিকটিমকে কুপিয়ে হত্য করে ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ভিকটিমের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল এবং অটো মিশুকটি নিয়ে লাশ খালে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে।
গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি ২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঈদুল ফিতরের আনন্দে যখন সারা দেশ উচ্ছ্বাসে ভাসছে, তখন তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি দেখা গেল কুমিল্লা শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে। ঈদের দিন সকাল গড়াতেই নগরীর ধর্ম সাগর পাড় সহ বিনোদন স্পটগুলোতে নেমে আসে মানুষের ঢল।
শনিবার (২১শে মার্চ) বিকালে নগরীর ধর্মসাগর পার্কে গিয়ে দেখা যায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা মানুষের ভিড়ে হাঁটার জায়গাও সংকুচিত হয়ে পড়ে। শিশুদের উচ্ছ্বাস, কিশোরদের হৈ-হুল্লোড় আর বড়দের স্বস্তির হাসি সব মিলিয়ে এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে শিশুদের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। নানা ধরনের রাইড, ট্রেন, নৌকা ভ্রমণ এবং খেলার সরঞ্জাম ঘিরে ছিলো তাদের উপচে পড়া ভিড়।
নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও ছিলো বাড়তি নজর। বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের চাপ সামাল দিতে কর্মীদেরও বাড়ানো হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কিছু জায়গায় সাময়িক বিশৃঙ্খলার কথাও শোনা গেছে।
অন্যদিকে, খাবারের স্টলগুলোতেও ছিলো ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। ফুচকা, চটপটি, আইসক্রিম থেকে শুরু করে ফাস্টফুড সবকিছুর চাহিদা ছিল তুঙ্গে।
বিক্রেতারা জানান, ঈদের দিন তাদের বছরের অন্যতম ব্যস্ত সময়, আর এবার সেই ব্যস্ততা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
নগরীর ধর্মসাগর পাড় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী ইসরাত জাহান ঐশী বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের দিনটা এমন সুন্দর পরিবেশে কাটাতে পেরে দারুণ লাগছে। ভিড় থাকলেও আনন্দটা অন্যরকম।”সুমাইয়া আক্তার বলেন, “বাচ্চাদের আনন্দ দেখতেই এখানে আসা। তারা খুব খুশি, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।”
আব্দুল করিম বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা মোটামুটি ভালো। পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে স্বস্তি পাচ্ছি।”
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক চৌধুরী বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (১৯ নভেম্বর) দুপুরে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন জাগুরজুলি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী
মোঃ রেজাউল ইসলাম নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৩৯৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ রেজাউল ইসলাম (৪০) শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানার জুলগাঁও গ্রামের মৃত মফিজুল হক
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে জব্দকৃত মাইক্রোবাস যোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ
২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ।
বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত
১১টায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করে।
উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের
ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ৫নং পাঁচতুবি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ডুমুরিয়া
চাঁনপুর ব্রীজের দক্ষিণ পার্শ্বে রাস্তার উপর
হতে ৫২(বায়ান্ন) কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মামুন মিয়া (৫২) ও মোঃ সুজন
মিয়া (৩৩)কে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লার কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ক্লুলেস শরীফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে
ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ।
গত
২৭ মার্চ সকালে বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ শালুকিয়া এলাকায় শরীফ হোসেন(৩৫) এর মৃত
দেহ তার ঘরে মাটিতে পড়া অবস্থায় ছিলো।
মৃত
শরীফ হোসেন এর মা রৌশন আরা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই(নিঃ)
নাজিম উদ্দিন।
ভিকটিম
শরীফ হোসেন(৩৫) এর লাশ পাওয়ার পর হতে পুলিশ সুপার, কুমিল্লার সার্বিক দিক নির্দেশনায়
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ,কে,এম এমরানুল হক মারুফ, সদর দক্ষিণ সার্কেল, কুমিল্লার
তত্ত্বাবধানে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, এসআই(নিঃ) নাজিম
উদ্দিনসহ বরুড়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তবে
নিহতের পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে হত্যাকান্ডের কোন যোগসূত্র পাওয়া যাচ্ছিল
না। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
শনাক্তের জন্য বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ টীম বরুড়া বারবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও
জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কার্যক্রমের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডে জড়িত
আসামী ১। আরিফ হোসেন(২২), ২। মোঃ নাছির উদ্দিন(৪৩), ৩। মিসেস খুকী আক্তার(৩৫) কে গ্রেফতার
করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ১নং আসামী মৃত
শরীফ হোসেন এর ছোট ভাই, ৩নং আসামী মৃত শরীফ হোসেনের বড় বোন এবং ২নং আসামী ৩নং আসামীর
স্বামী।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, মৃত শরীফ হোসেন উচ্ছৃঙ্খল
জীবন যাপন করত। সে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল। এলাকার লোকজন তাকে
ভয় পেতো। মৃত শরীফ হোসেন তার মাকে প্রায় সময়ই গালিগালাজ ও মারধর করত। ছোট ভাই আরিফ
হোসেনের সাথেও তার ঝগড়াঝাটি ছিল। কিছুদিন আগে আরিফ হোসেন এর একটি অটোরিক্সা শরীফ হোসেন
জোরপূর্বক বিক্রি করে। ইহাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া
মৃত শরীফ হোসেন এলাকার লোকজনের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন তার বড় বোন
খুকি আক্তার এর নিকট বিচার প্রার্থী হলে বড় বোন শরীফ হোসেনকে শাসন করার জন্য বিভিন্ন
কথাবার্তা বলত। ফলে মৃত শরীফ হোসেন বোনকে শক্র মনে করত। এমনকি বোনকে বিভিন্ন রকম হুমকি
দিতো। মৃত শরীফ হোসেনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বড় বোন খুকি আক্তার, বোনের স্বামী মোঃ
নাছির উদ্দিন ও ছোট ভাই আরিফ হোসেন তাদের একজন প্রতিবেশীকে নিয়ে পরিকল্পনা করে যে,
শরীফ হোসেনকে মারপিট করে পঙ্গু করে ঘরে বসিয়ে খাওয়াইবে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামীগন
গত ২৬/০৩/২০২৪খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাত ১টায় ঘটিকার সময় বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ
শালুকিয়া সাকিনের শঙ্কু ডাক্তারের পুকুর পাড়ে নির্জনস্থানে শরীফ হোসেনকে একা পেয়ে আসামীদের
হাতে থাকা রড, দা ও টর্চ লাইট দিয়ে শরীফ হোসেনের মাথা, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে
পিটিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত ও ফুলা জখম করে। তারপর শরীফ হোসেনের হাত পা বেধে আসামী
নাছির উদ্দিনের বাড়ির উঠানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর শরীফ হোসেনকে আবারও মারপিট
করে। তারপর শরীফ হোসেন দুর্বল হয়ে গেলে আসামীগন হাত পা বাঁধা অবস্থায় শরীফ হোসেনকে
তার ঘরে মাটিতে ফেলে আসে। সকালে আসামীরা জানতে পারে শরীফ হোসেন মারা গেছে। সংবাদ পেয়ে
আসামীরা শরীফ হোসেনকে দেখতে যায়।
হত্যাকান্ডে
আসামীদের ব্যবহৃত দা, রড, টর্চ লাইট উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ
জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী ১।
আরিফ, ২। নাছির এর ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন