

ঢাকা
মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
দিবস উপলক্ষে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।
সোমবার
(১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নেওয়া নিরাপত্তা পরিকল্পনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি
কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, শহীদ মিনার এলাকা জুড়ে আমাদের বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা রয়েছে। ফুট পেট্রোলিং, ড্রোন পেট্রোলিং, মোবাইল পেট্রোলিং এবং সাইবার পেট্রোলিংয়ের
মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা ঝুঁকির কোনো
তথ্য নেই। তারপরও পুলিশ সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নিয়েছে। একুশে বইমেলায় আমাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে একটি
কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে, সিসি ক্যামেরার দিয়ে, সিকিউরিটি ইকুইপমেন্ট, সিকিউরিটি ইউনিট
সব সেখানে কাজ করছে। আর যে ছোটখাটো ব্যবস্থাগুলো হচ্ছে সেগুলো বইমেলা কর্তৃপক্ষ স্বাভাবিকভাবে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ হওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ সব সময়
সেখানে প্রস্তুত রয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি রাত থেকেই মানুষজন এখানে আসবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণের
জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শহীদ মিনার এলাকায় কিছু কিছু গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে৷
আমরা লিখিতভাবে জানিয়ে দেব। সাধারণত পলাশীর মোড় থেকে এখানে আসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এই এলাকা থেকে বের হওয়ার রাস্তাগুলো দেওয়া হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমরা সেটি
জানিয়ে দিয়েছি। এখানে আমাদের একটি ম্যাপ তৈরি করে দেওয়া আছে। যারা আসবেন তাদের প্রতি
আমাদের অনুরোধ, শৃঙ্খলা মেনে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এখানে রেখে আসবেন।
মন্তব্য করুন


উপদেষ্টাদের নামে চাঁদা, অবৈধ সুবিধা আদায় ও কাউকে হুমকির অভিযোগের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
একইসঙ্গে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, কেউ এ ধরনের কাজ করলে তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেবেন, মামলা করবেন। এগুলোর সত্যতা মিললে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক লাইভে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এ কথা জানান।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমি সরকারে আসার আগে এবং পরে বহু মানুষ আমার সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করেছে ও অনেকেই ছবি তুলেছে। এখন আমাকে অনেকেই জানিয়েছেন, এ ছবি দেখিয়ে কেউ কেউ অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ বিভিন্ন কথা বলে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছেন। আমি এগুলো শুনেছি, সত্য মিথ্যা কি না আমি জানি না। আমি এগুলোর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, কোনো অবস্থাতে আমার কথা বলে কেউ যদি চাঁদা আদায় বা অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে আপনারা তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেবেন, মামলা করবেন। মামলার কপি আমার ফেসবুকে পাঠিয়ে দেবেন। আমি অবশ্যই চেষ্টা করবো এটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। আমি বা আমার সরকারের কেউ কোনো রকমের অবৈধ কাজকে প্রশ্রয় দেবে না।
এ সমস্ত কাজ যারা করার চেষ্টা করছেন বা করেছেন তাদের কঠোর হুঁশিয়ারি জানিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে কোনো রকম অন্যায় করবেন না। আমাদের কারোর নাম ব্যবহার করবেন না। আমাদের নামে কোনো রকম চাঁদাবাজি, অবৈধ সুবিধা আদায়, কাউকে কোনো রকমের হুমকি দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এ ধরনের কিছু জানতে পারলে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সদ্য
সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিজয়ী জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, ‘আমাদের পুরো হাতিয়া যে ঐক্য দেখিয়েছে
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে- এটাই আমাদের জয়। আমি বলছি, সন্ত্রাস যা করার করে নিন, বেশি
দিন করতে পারবেন না। তারা মনে করেছে দল ক্ষমতায় এসেছে, তাই যা ইচ্ছা তা করতে পারবে।
তারা আমাদের চানন্দী ইউনিয়নের বাশার মাঝির কথা ভুলে গেছে। তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল,
বাশার মাঝি আওয়ামী লীগ করেও রক্ষা পায়নি। আজিম তাকে ছাড় দেননি। তাদের বলে দিতে চাই-
বাংলাদেশের সরকার তারেক রহমান হোক, হাতিয়ার সরকার আমরা।’
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে আয়োজিত এক বিজয়ী পথসভায় তিনি
এই বিস্ফোরক দাবি করেন।
পথসভায়
সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘হাতিয়াবাসী সন্ত্রাসীদের
জবাব দিয়েছে। হাতিয়ার মানুষ এমন তাণ্ডবের বিপরীতে দাঁড়িয়ে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে
এই প্রথম তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। মা–বোনেরা রাস্তা দিয়ে যেতে পারেনি, কিন্তু
জমি দিয়ে হেঁটে গিয়ে ভোট দিয়েছে। অনেক জায়গায় লাঠি দিয়ে তিনবার বাড়ি দিয়েছে, চতুর্থবার
আবার গিয়ে ভোট দিয়েছে। অনেক রিকশাওয়ালাকে পিটিয়েছে, সে আবার সেই রিকশা নিয়ে গিয়ে ভোট
দিয়েছে।
তিনি
আরও বলেন, ‘আমাদের পুরো হাতিয়া যে ঐক্য দেখিয়েছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে- এটাই আমাদের
জয়। আমি বলছি, সন্ত্রাস যা করার করে নিন, বেশি দিন করতে পারবেন না। তারা মনে করেছে
দল ক্ষমতায় এসেছে, তাই যা ইচ্ছা তা করতে পারবে। তারা আমাদের চানন্দী ইউনিয়নের বাশার
মাঝির কথা ভুলে গেছে। তখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, বাশার মাঝি আওয়ামী লীগ করেও রক্ষা
পায়নি। আজিম তাকে ছাড় দেননি। তাদের বলে দিতে চাই- বাংলাদেশের সরকার তারেক রহমান হোক,
হাতিয়ার সরকার আমরা।’
আমরা
কোনও সংঘাত চাই না উল্লেখ করে হান্নান মাসউদ বলেন, ‘আমরা হানাহানি চাই না। আমরা শান্তি
চাই। চাঁদাবাজি–ধান্দাবাজি যারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে
আমি আগে দাঁড়াবো- সে যে দলেরই হোক। চাঁদাবাজ–ধান্দাবাজদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধ
ঘোষণা করা হলো। আমাদের শান্তি দরকার।’
তিনি
আরও বলেন, ‘এই হাতিয়ার মানুষ অনেক বেশি লাঞ্ছিত হয়েছে, নিপীড়িত হয়েছে- আর হাতিয়ার মানুষকে
নিপীড়িত, নির্যাতিত, লাঞ্ছিত হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা হাতিয়ার মানুষকে বাঁচাবোই, বাঁচাবোই,
বাঁচাবোই- ইনশাআল্লাহ।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা ঘাট সিন্ডিকেট বন্ধ করেছি, ভবিষ্যতেও এই ঘাট সিন্ডিকেট বন্ধ থাকবে—
ইনশাআল্লাহ। আমি চেষ্টা করবো আগামী সাড়ে ৩ মাসের মধ্যে সাড়ে ১১ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন
করতে। আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আমার দেয়া ওয়াদা বাস্তবায়ন করতে পারি।’
প্রসঙ্গত,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেন। এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ ৯১ হাজার ৮৯৯
ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান
শামীম পান ৬৪ হাজার ২১ ভোট। বাকি ৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্টে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল রোববার ইতালির রোম সফরে যাচ্ছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রোমের উদ্দেশে যাত্রা করবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত
করেছেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিতে থাকা ২০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে। তালিকায় এনসিপির শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ডিজিএফআই, এনএসআই ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে যারা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন তাদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেককে গানম্যান দেওয়া হয়েছে, তবে অনেকে গানম্যান নিতে স্বেচ্ছায় রাজি হননি।
সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
এছাড়া নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহম্মেদ শেখের জন্যও।
জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের জন্য সার্বক্ষণিক গানম্যান এবং বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র পুলিশ সদস্য প্রেরণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে
হবে। সংবিধানে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সংস্কার পরিষদের শপথ বা অন্যান্য বিষয় আসবে।
তিনি বলেন, ‘গণভোটে জনগণের রায়কে সরকার সম্মান করে। তবে আদেশের মধ্যে এমন কিছু প্রশ্ন
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা জুলাই সনদের রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ ছিল না। চারটি ভিন্ন প্রশ্নের
জন্য একটি মাত্র ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’
ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল, যা যৌক্তিক ছিল না।’
আজ
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয়
নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার
পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জুলাই
জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে যে ‘আরোপিত আদেশের’
কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন,
‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন বা
সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, সংবিধান ও আইন মেনেই পরিচালিত হয়।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, সরকার ঐতিহাসিক ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তা
কোনো অবৈধ বা আরোপিত আদেশের মাধ্যমে নয়, বরং সাংবিধানিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই
বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি
বলেন, সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি
অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন সংক্রান্ত কোনো বিষয়
অধ্যাদেশের মাধ্যমে আনা যায় না। অথচ গত বছরের ১৩ নভেম্বর জারি করা ‘জুলাই জাতীয় সনদ
(সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ কোনো অধ্যাদেশ বা আইন নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘এই আদেশের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়া এবং রাষ্ট্রপতির
কাছে অধিবেশন আহ্বানের দাবি অসাংবিধানিক।
চলতি
অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল আনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিনেই সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ
উত্থাপিত হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সামনে দীর্ঘ ছুটি থাকায় এই অধিবেশনে সময় পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে কার্য উপদেষ্টা কমিটির
সিদ্ধান্ত হলে আগামী বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনের বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।
বিরোধীদলীয়
নেতাকে কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, আমরা জাতির কাছে অঙ্গীকার করেছি যে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয়
সনদের প্রতিটি শব্দকে সম্মান করব। আসুন, সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া
অনুসরণ করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিয়ে যাই। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ
অনুযায়ী ভাষণ দিয়েছেন। আমাদের বিরোধীদলীয় বন্ধুরা সেই ভাষণ শুনতে চাননি, তারা সংসদ
কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেছেন। কিন্তু সেই ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য তারা ৫০ ঘণ্টা বরাদ্দ
করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যদি রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হয়, তাহলে সংখ্যানুপাতে
সময় বরাদ্দ করা হবে।
এর
আগে ডা. শফিকুর রহমান অবিলম্বে প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের
অধিবেশন ডাকার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে উপনীত এবং ভোটার তালিকা তৈরি হলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনের ফাঁকে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস নির্বাচন, বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন ও সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশ করার জন্য তার অন্তর্বর্তী সরকার যে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, সে সম্পর্কে কথা বলেন।
তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশ নিয়ে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে। সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য এবং ভোটার তালিকা শেষে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনভিত্তিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বিষয়টি নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে ঢাকায় একটি দল পাঠিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভাকে বাংলাদেশের পূর্ববর্তী স্বৈরশাসন উৎখাত করা ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে ব্রিফ করেন। তখন ক্রিস্টালিনা তাকে বলেন, এটি একটি ভিন্ন দেশ। এটি বাংলাদেশ ২.০।
আইএমএফের প্রধান নির্বাহী অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগে তার সমর্থন জানিয়ে বলেন, আইএমএফ বাংলাদেশ সরকারের জন্য আর্থিক সহায়তা দ্রুততর করবে।
তিনি বলেন, তিনি বাংলাদেশে ‘দ্রুত’একটি আইএমএফ দল পাঠিয়েছেন এবং এ মুহূর্তে সেটি ঢাকায় অবস্থান করছে। দলটি আগামী মাসে আইএমএফ পরিচালনা পর্ষদের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জর্জিয়েভা বলেন, আইএমএফ বোর্ড টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ঋণদান কর্মসূচি শুরু করতে পারে, অথবা এটি গত বছরের শুরুর দিকে চালু হওয়া বিদ্যমান সহায়তা কর্মসূচির অধীনে আরও ঋণ দিতে পারে।
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পরিবহন উপদেষ্টা ড. ফাওজুল কবির খান এবং বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা
ফাওজুল কবির খান আইএমএফপ্রধানকে বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র এক সপ্তাহ সময়ে
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে
অপরাধের ‘দুর্গ’
গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
ড. দেবপ্রিয় দেশের অর্থ প্রদানের ভারসাম্য বাড়াতে আইএমএফের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বিনিময় হার স্থিতিশীল করতে আইএমএফের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
মন্তব্য করুন


ডিমের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে যশোরে আফিল অ্যাগ্রোসহ ৪ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স।
সোমবার (২১ অক্টোবর) এ অভিযান পরিচালনা করা হয় যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে।
ডিমের বাজার স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে যশোর শহরের বড়বাজার, চাঁচড়া চেকপোস্ট মোড় ও আরবপুর এলাকায় অভিযান চালায় বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স। এ সময় তারা প্রমাণ পান বিভিন্ন দোকানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ডিম বিক্রি করার।
দোকানদারদের দেওয়া তথ্য মতে, পাইকারি বাজারে অভিযান চালিয়ে বেশি মূল্যে ডিম বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় বড়বাজারের ২ পাইকার ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় পাইকাররা উৎপাদকের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে ডিম না পাওয়ার অভিযোগ করলে টাস্কফোর্স শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকায় আফিল অ্যাগ্রোর বিপণন কেন্দ্রে অভিযান চালায়। সেখানে গিয়ে উৎপাদককে খুচরা মূল্যে ডিম বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে শহরের আরবপুরে চাঁদ অ্যাগ্রোর বিপণন কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে মনোপলি ব্যবসার প্রমাণ পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম জানায়, যশোরের উৎপাদকরা নিজেরাই পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী হিসেবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। তাদের সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে উৎপাদক হিসেবে ১০ টাকা ৩৮ পয়সা দামে ডিম বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সোমবার ৪ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


খুব শিগগিরই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক
আলী রীয়াজ।
আজ রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদের
বিষয়বস্তু ও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এবিষয়ে ঐকমত্য
কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন,
ঐকমত্য কমিশন সকল রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া,
গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে।
কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড.
মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের সকল সদস্যদের ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানিয়েছেন। কমিশনের
কাজের চুড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁকে জানানোর নির্দেশ
দিয়েছেন।
আজকের বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে ঐকমত্য
কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড.
ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল ও আদিলুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নীলফামারীর চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের ২ জন সদস্যকে আটক করেছে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ।
রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার সময় আন্তঃনগর ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ১১টি আসনের ৫টি টিকিট ও নগদ অর্থসহ তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো- নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের আশরাফুল ইসলাম লিখন (৩২) এবং চিলাহাটির মিন্টু আলী (৪২)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিউল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চিলাহাটি স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের ২ সদস্যকে আটক করে।
এ সময় তাদের তল্লাশি করে আন্তঃনগর ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ১১টি আসনের ৫টি টিকিট, টিকিট বিক্রির নগদ ১ হাজার ৫শত টাকা ও ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। চিলাহাটি-ঢাকা রুটের এসব টিকিটের যাত্রার তারিখ ছিল ১২ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নূরুল ইসলাম।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নূরুল ইসলাম বলেন, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে
বৈঠকে করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস। বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ‘পূর্ণ সমর্থন’জানিয়েছেন জো বাইডেন।
মঙ্গলবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতিসংঘের
সদর দপ্তরের নির্ধারিত সভা কক্ষে বৈঠকটি হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড
ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারকে
‘পূর্ণ সমর্থন’
জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের
ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৈঠকে ড. ইউনূস বিগত সরকারের আমলে সকল
ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ
অবদানের কথা জো বাইডেনকে জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস জোর দিয়ে বলেন, দেশ
পুনর্গঠনে তার সরকারকে অবশ্যই সফল হতে হবে। এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন যেকোনো
সাহায্যে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তাকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব
অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
এদিকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনে যোগদান করায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে
জাতিসংঘ। প্রধান উপদেষ্টা এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ সফর করছেন যখন বাংলাদেশ জাতিসংঘের
সদস্য পদ লাভের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে
(সাবেক টুইটার) শেয়ার করা ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস এক বার্তায় বলেন,
এ বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। প্রধান উপদেষ্টা
ড. ইউনূস সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ায় আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু
হওয়ার পর ভাষণ দেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাপী এমন এক
চ্যাঞ্জেলের মুখে রয়েছি যা আগে কখনো দেখিনি। বৈশ্বিকভাবেই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে
হবে। যুদ্ধ বেড়েই চলছে এবং তা শেষ হওয়ার কোনো উপায় দেখছি না।
মঙ্গলবার শুরু হওয়া জাতিসংঘের ৭৯তম
সাধারণ অধিবেশনে বিশ্ব নেতারা এমন এক সময় জড়ো হচ্ছেন, যখন ইউরোপ, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে
সংঘাত বেড়েই চলেছে। এ ছাড়া রয়েছে গাজা যুদ্ধ এবং ইউক্রেন ও সুদানে সংঘাত। আশা করা হচ্ছে
এ অধিবেশনে বিশ্বনেতারা যুদ্ধ বন্ধে তাদের কণ্ঠ জোরালো করবেন।
জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো
বাইডেন মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। জাতিসংঘে এটি তার চতুর্থ এবং
শেষ ভাষণ। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ ভাষণে বাইডেন বর্তমান বৈশ্বিক সংকট তুলে ধরবেন।
ইউএনজিএতে অংশগ্রহণ উপলক্ষে ড. ইউনূস
এখন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হিসেবে এটি ড. ইউনূসের প্রথম
যুক্তরাষ্ট্র সফর।
মন্তব্য করুন