

গাজীপুরে ডাকাতির মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই মহিষবোঝাই দুইটি ট্রাক উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এক ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার কিছু আগে গাজীপুর সদরের হারিনাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা, পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার বিষয়টি জানান। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হারিনাল বাজার এলাকায় এক পথচারী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সিলেট থেকে রাজশাহী যাওয়ার পথে দুটি ট্রাকের চালককে মারধর করে ফেলে রেখে ডাকাতরা ট্রাক নিয়ে পালিয়েছে। ফোন করার সময় দুটি চালকই ওই ব্যক্তির সামনে কান্না করছিলেন।
কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯-এর কনস্টেবল মোহাম্মদ আকবর হোসেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুর সদর থানা পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ডিসপ্যাচার এসআই মোহাম্মদ আব্দুল বারী ঘটনাটি সমন্বয় করেন।
পুলিশ খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযান শুরু করে। প্রায় এক কিলোমিটার ধাওয়া করে মানবকল্যাণ যুবসংঘের সামনে থেকে মহিষবোঝাই দুইটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়। এসময় এক ডাকাতকে আটক করে পুলিশ। তার নাম শামীম আহমেদ (৩২); স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মুরগী শামীম’ ও ‘গোল্ডেন শামীম’ নামে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, ট্রাক দু’টি সিলেট থেকে রাজশাহীর পথে ছিল। গাজীপুর এলাকায় আসার পরই সেগুলো ডাকাতির শিকার হয়। এ ঘটনায় ট্রাকচালক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে গাজীপুর সদর থানায় মামলা করেছেন। পলাতক অন্যান্য ডাকাতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকারী এসআই মিজানুর রহমান ৯৯৯ কর্তৃপক্ষকে উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উপাসনা, পুঁথি পাঠ, সংগীত পরিবেশন ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় বড়দিন উদযাপন করা হয়।
নগরীর বাদুরতলা রিভাইভ্যাল ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের সম্পাদক মি এন্থনি বিশ্বাসের নেতৃত্বে উপাসনা পাঠ ও সংগীত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে শিশুদের সাথে কেক কাটেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়া, মহানগর বিএনপির আহবায়ক উৎবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা মহানগর নাগরিক কমিটির হাফসা জাহান সহ আরো অনেকে।
এদিকে বড়দিন উপলক্ষে আওয়ার লেডী অফ ফাতিমা ক্যাথলিক চার্চ ও বাদুরতলার রিভাইভ্যাল ব্যাপ্টিস্ট চার্চ বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। আলপনা আঁকা, যিশু জন্ম দৃশ্য, বৃক্ষসহ বড়দিন উদযাপনের নানা সামগ্রী তৈরি করা হয়। বড়দিনের উৎসবে সকলের সম্মিলিত উপাসানলয় থেকে বিশ্ববাসীর জন্য শান্তি প্রার্থনা করা হয়।
বড়দিনকে ঘিরে কুমিল্লায় ব্যাপটিস্ট ও ক্যাথলিক চার্চগুলোতে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
নানা
কর্মসূচী পালনের মধ্যদিয়ে কুমিল্লায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে। দিবসটিতে
এবছরে প্রতিপাদ্য বিষয়ছিলো গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসনের জন্য সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের
স্বাধীনতা জরুরী। এর মূলবিশ্লেষন হচ্ছে স্বাধীন ও বহুমুখী সাংবাদিকতা চর্চার নিশ্চয়তা
দেওয়া। এই ঘোষণার মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জাতির গণতন্ত্র বিকাশের
জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা জরুরি। মূলত ৩ মে এই 'উইন্ডহক ডিকলারেশন' ঘোষিত হওয়ায় প্রতি
বছর বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়।
কুমিল্লাতে
নানা কর্মসূচী পালনের মধ্যদিয়ে সাংবাদিক কল্যাণ
পরিষদ, কুমিল্লা দিবসটি পালন করেছে। ৩ মে শনিবার সকালে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাও রোটারী
ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মাননার
আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লার সভাপতি ওমর ফারুকী তাপসের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- প্রবীণ সাংবাদিক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের
সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও কালবেলা পত্রিকার
কুমিল্লার ব্যুরো প্রধান মাসুক আলতাফ চৌধুরী, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও
দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ লুৎফুর রহমান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বর্তমান
সভাপতি ও একাত্তর টিভির নিজস্ব প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক, দেবিদ্বার প্রেসক্লাবের
সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।
এই
বছর গণমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক
প্রতিবেদনের জন্য কুমিল্লার ৬জন সাংবাদিককে সম্মননা ক্রেষ্ট ও ফুলের মালা গলায়দিয়ে
শুভেচ্ছা জানানো হয়। যারা সম্মননা পেয়েছেন তারা হলেন- এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান
খালেদ সাইফুল্লাহ, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার কুমিল্লার ব্যুরো রিপোর্টার মুহাম্মদ আবুল
খায়ের, দৈনিক সমকাল পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মোঃ কামাল উদ্দিন, দৈনিক মানব জমিন পত্রিকার
স্টাফ রিপোর্টার ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, অনলাইন পোর্টাল
কুমিল্লার জমিন এর সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, ও সাপ্তাহিক গোমেতি সংবাদ পত্রিকার প্রকাশক মোবারক হোসেন।
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, দিবসের ওপর বক্তব্য রাখেন যমুনা টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক পূর্বাশার প্রতিনিধি মোঃ সহিদুল্লাহ, সমতট পত্রিকার সম্পাদক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পাঠাগার সম্পাদক জামাল উদ্দিন দামাল, সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান কাশেম, ডেইলী প্রেজেন্ট টাইমস পত্রিকার প্রতিনিধি অধ্যাপক মাসুদ মজুমদার, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি শাহ আলম সফি, পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির সভাপতি বাবর হোসেন, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, ব্রাহ্মণপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আহমেদ লাভলু, সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ, কুমিল্লার সহ সাধারণ সম্পাদক রবিউল বাশার খান ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অটোরিকশা চালক মাঈন উদ্দিন (১৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি রফিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ সকালে বুড়িচং থানাধীন ষোলনল ইউনিয়নের ভান্তি এলাকায় গোমতী বেড়িবাঁধের সুইচগেটের পশ্চিম পাশে মাঈন উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত মাঈন উদ্দিন ১৫ নভেম্বর বিকাল ৫টার দিকে সাতরা চম্পকনগর এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন। রাত ৮টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেফতারে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্ত শুরু করে।
গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি মোঃ রফিক (৪০) কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও থানায় আত্মগোপনে রয়েছে। পরে ১৫ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মোঃ রফিক (৪০) গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার মাঠের হাট এলাকার মৃত ফখর উদ্দিনের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সে জানায়, ১৫ নভেম্বর রাতে অটোরিকশা চালানোর সময় সে ও তার সহযোগীরা মাঈন উদ্দিনের পথরোধ করে দুই হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গেঞ্জি দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তারা অটোরিকশা থেকে পাঁচটি ব্যাটারি নিয়ে পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া করিম ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক মিলে করিম ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার আমলী আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন চার ঘাতক।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের একমাস পাঁচদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ির একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত করিম ভূঁইয়া উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রীবাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি গত ১৩ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গ্রেপ্তারদের জবানবন্দী সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেন শ্যালক ইসরাফিল। সেখানে প্রথমে তিন ভাই মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্ত্রী তাছলিমা সেই রক্ত মুছে ফেলেন। পরে বড় ভাইয়ের বিল্ডিংয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে মরদেহ ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় প্রথমে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। সকালে মরদেহ ভেসে উঠলে আবারও স্ত্রী এবং ভাইয়েরা মিলে খাল থেকে তুলে এনে হাত-পা বেঁধে বড় ভাইয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তারা শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।
দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, স্ত্রী তাছলিমার পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে ভালো ব্যবহার করে ডেকে নিয়ে তিন ভাইসহ চারজনে মিলে করিম ভূঁইয়াকে হত্যা করে। নিহতের ভাই আমির হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। পরে সন্দেহভাজন আসামিদের ওপর নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ভিত্তিতেই মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়। নিহত করিম ভুইয়া প্রায় স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতেন। এতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে এ হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
মন্তব্য করুন


আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা নদীর শাখা কীর্তিনাশা নদীর ওপর নির্মিত ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে পশ্চিম পাড় থেকে একটি ছোট ট্রলার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নদী পার হচ্ছিল। এ সময় পাশ দিয়ে একটি বাল্কহেড যাওয়ার ফলে সৃষ্ট ঢেউ ও স্রোতের কারণে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এতে প্রায় (২০–২৫) জন যাত্রী নদীতে পড়ে যান। পরে আশপাশের নৌকা ও স্পিডবোটের সহায়তায় স্থানীয়রা সবাইকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) “মো. আব্দুল কাইউম খান” বলেন, ‘নদীতে স্রোত থাকায় একটি ছোট নৌকা ডুবে যায়। এতে শিশু ও নারীসহ প্রায় ( ২০–২৫ ) জন যাত্রী পানিতে পড়ে যান। স্থানীয়দের সহায়তায় সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে নড়িয়া-জাজিরা রুটে কীর্তিনাশা নদীর ভাষাসৈনিক গোলাম মাওলা সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে পুরনো সেতুটি ভেঙে ফেলার পর থেকে এ রুটে যাত্রী পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে ট্রলার।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার খাতা দেখা শেষ হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবরের আগেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এ তথ্য বলেছেন, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।
তিনি জানান, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডেই খাতা মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ফল প্রস্তুতের কারিগরি কাজ চলছে। ১৮ অক্টোবর ৬০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা এর আগেই ফল প্রকাশ করব। তবে ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে ১৯ আগস্ট। এরপর ২১ থেকে ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এবার মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে তিনজনকে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে কুমিল্লার ১১ টি আসনের বিএনপির প্রার্থী দেওয়া হবে । কুমিল্লা- ৭ (চান্দিনা) রেদোয়ান আহমেদকে বিএনপি'র দলীয় প্রার্থী ঘোষণা ।
বিএনপি'র চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা ৪ (দেবিদ্বার) সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, কুমিল্লা -৬ আসনে (আদর্শ সদর উপজেলা ,সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও কুমিল্লা সেনানিবাস) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী ।
বিএনপি'র চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি'র কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া দৈনিক আমার দেশ কে বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। আমি খুবই আনন্দিত। এই আসনটি আমি বিএনপি উপহার দেব। বাকি আসনগুলোতে আজকে দেওয়া হবে।
কুমিল্লা সদর আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমি ধানের শীষের বিজয় দলকে উপহার দেব।
কুমিল্লা সদর আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। বুধবার এগারোটায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন তিনি।
মন্তব্য করুন


মো. আজিজার রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের খানসামায় রমজানের শুরুতেই সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপণ্যের
দাম লাগামহীন। বিশেষ করে ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহৃত বেগুনি, শসা ও লেবু দ্বিগুণের বেশি
দামে বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি টাকা না দিলে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। সেই সঙ্গে পেঁয়াজ,
কাঁচা মরিচ ও মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, চার -পাঁচ দিনের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলেও এ
ক্ষেত্রে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়নি। মূলত প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে বিক্রেতারা
খেয়ালখুশিমতো দাম বৃদ্ধি করছেন।
জানা যায়, রমজানে ইফতার সামগ্রী
তৈরিতে ছোলা, বেগুনি, শসা, কাঁচা মরিচ, লেবু ও ভোজ্যতেলের চাহিদা বেশি থাকে। এর মধ্যে
বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও বেগুনি, শসা ও লেবুর দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
খানসামা উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখানে প্রকারভেদে বেগুন কেজিপ্রতি ৬০-৭০
টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ২৫-৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো। তবে বাজারে স্থিতিশীল
রয়েছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম।
শসা কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি
হচ্ছে, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২৫-৩০ টাকায়। লেবুর হালি গত সপ্তাহে ১৫-২০ টাকায় বিক্রি
হলেও এখন তা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ২৫-৩০ টাকা বৃদ্ধি
পেয়ে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ছোলা প্রতি কেজি ১১০-১২০ টাকা, বেসন কেজি মানভেদে
৮০-১২০ টাকায়, চিনি ১২০ টাকা ও খেসারির ডাল ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
জানা যায়, রমজান ঘিরে পর্যাপ্ত
আমদানি হলেও বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। অধিকাংশ দোকানে বোতলজাত তেল পাওয়া
যাচ্ছে না। যাদের দোকানে পাওয়া যায় সেখানেও নির্ধারিত দামের তুলনায় বেশি রাখা হচ্ছে।
বোতলজাত সয়াবিন তেল সংকটে দাম বাড়িয়ে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে খোলা সয়াবিন
তেল।
অন্যদিকে উপজেলার পাকেরহাট বাজার ঘুরে জানা যায়, ব্রয়লার মুরগি কাটা কেজিপ্রতি ২৭০-২৮০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৭০-৩৮০ টাকা ও লেয়ার কাটা প্রতি কেজি
৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পাল্পা
দিয়ে বাড়ছে মাছের দামও।
দিনমজুর রাসেল রানা জানান, রাজনৈতিক
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভেবেছিলাম এ বছর রমজানে বাজার স্বাভাবিক থাকবে। কিন্তু চাহিদা
বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গরুর মাংস ৭০০ টাকা দরে
বাজারে বিক্রি হচ্ছিল। সে কারণে মুরগিও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। বাজারে কোনো মনিটরিং
ব্যবস্থা নেই। সাধারণ মানুষকে বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হয়।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার (৩ মার্চ)দুপুরে খানসামা
উপজেলার পাকের হাট, চেহেলগাজী বাজার, ও খানসামা
বাজারে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)
কামরুজ্জামান সরকার, দিনাজপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক
মোঃ বোরহান উদ্দিন,পুলিশ ও আনছারসহ মনিটরিং অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন দোকানে পণ্যের দাম,
মান, মূল্য তালিকা, পণ্যের সরবরাহ ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়। তবে ধারাবাহিক মনিটরিং
না থাকায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন ভুক্তভোগীরা।
দিনাজপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক
মোঃ বোরহান উদ্দিন বলেন, রমজানে সিন্ডিকেটে যেন পণ্যের দাম বৃদ্ধি করা না হয় সে জন্য
নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফে পাহাড় ধসে মাটির দেয়াল চাপায় মা ও ৩ ছেলে-মেয়ে নিহত হয়েছে।
শুক্রবার
ভোর ৪ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা
হলেন, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড মৌলভীবাজার মরিচ্যাঘোনার ফকির আহমদের
স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলে সাইদুল মোস্তফা (২০) ও ২ মেয়ে সাদিয়া বেগম (১১) ও নিলুপা
বেগম (১৮)।
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ।
চেয়ারম্যান
রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে থেমে থেমে হালকা
ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এরই মধ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসের
ঘটনা ঘটে। মাটির দেয়াল চাপা পড়ে পাহাড়ের খাদে বসবাস করা একই পরিবারের ৪ জন নিহত হন।
পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানের মাটি সরিয়ে ৪জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
টেকনাফ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী জানান, পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বাড়ির পাশে
পড়লে দেয়াল ধসে ওই পরিবারের সবাই মাটি চাপা পড়েন। এতে ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ঝালকাঠিতে
প্রেমিকার রান্না করা নুডুলস খাওয়ার পর সজল দেবনাথ (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের রহস্যজনক
মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(১১ নভেম্বর) সকালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজলের মৃত্যু হয়। সজল
দেবনাথ ঝালকাঠি সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও ঝালকাঠি সদরের জেলেপাড়া এলাকার
বাসিন্দা সনাতন দেবনাথের ছোট ছেলে।
সজলের
পরিবার জানায়, রবিবার রাতে জগদ্ধাত্রী পূজার উৎসবে অংশ নিয়ে সজল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষে গিয়ে
দেখেন, সজলের পা বাঁধা অবস্থায় এবং তার কথিত প্রেমিকা তিথি খাটের নিচে লুকিয়ে আছেন।
দ্রুত তাকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও
তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
সজলের
বড় বোন অভিযোগ করেন, তিথি তার বাসা থেকে সজলের জন্য নুডুলস নিয়ে আসেন, যা খাওয়ার পরই
সজলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিবারের ধারণা, নুডুলসে কোনো বিষাক্ত পদার্থ থাকতে
পারে, যা সজলের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
এ
বিষয়ে প্রেমিকা তিথি জানান, তাদের দু’বছরের সম্পর্ক রয়েছে এবং জগদ্ধাত্রী পূজার দিন
তারা কিছুক্ষণ সময় কাটান। তবে সজলের আচরণ নিয়ে মতবিরোধের কারণে তাদের মধ্যে তর্ক হয়
এবং তিথি অভিযোগ করেন, সজল তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনার দিন রাতে সজলের সঙ্গে
কাটালেও তিনি ঘটনাটি আড়াল করেন।
ঝালকাঠি
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এটিএম মেহেদী হাসান সামি বলেন, গভীর রাতে হাসপাতালে
আনার পর দীর্ঘক্ষণ চিকিৎসা করা হলেও সজলকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর
সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
ঝালকাঠি
সদর থানার পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন