

রাজধানীর মিরপুরে একটি পোশাক কারখানা ও কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন।
আজ , মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেনেন্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগুনের ঘটনায় বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। গার্মেন্টসের দ্বিতীয় তলা থেকে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। এর আগে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আগুন লাগে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা “ তালহা বিন জসিম”। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ১১টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। একে একে যোগ দেয় ১২টি ইউনিট।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এরপর তাদের সঙ্গে সহায়তায় যোগ দেন আশপাশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরে যাত্রী ছদ্মবেশে ২ নারীকে নিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই করে আসা ১টি চোর চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে ওই চোরচক্রের ৬ সদস্যকে।
আটককৃতরা হলো: শহরের টেপাখোলা এলাকার আকরাম শেখের ছেলে তূর্য ওরফে রায়হান শেখ (২৫), ছনেরটেক এলাকার সুমাইয়া (২৫), সদরের চরমাধবদিয়া এলাকার আব্দুর রাজ্জাক শেখ (৫৫), দিনাজপুরের ডাসমারী এলাকার শাকিলা (৩০), ফরিদপুরের সালথার বালিয়াগট্টি এলাকার রায়হান মাতুব্বর (২৫) ও সালথার আটঘর এলাকার মনসুর সরদার (৪৪)।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ জানুয়ারি রাতে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের সামনে থেকে চোর চক্রের মূলহোতা তূর্য রায়হান ও শাকিলা এবং সুমাইয়া নামে ২ নারীকে আটক করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১টি চোরাই অটোরিকশা জব্দ করা হয়। তাদের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী রাতেই জেলার সালথা উপজেলার আটঘর এলাকা থেকে জব্দ করা হয় আরেকটি চোরাই অটোরিকশা। পরে অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের ওই ৬ জনকে বিভিন্ন এলাকায় থেকে আটক করে পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান জানান, আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে বুধবার দুপুরে আটককৃতদের ফরিদপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
“জুলাই জাগরণ, নব উদ্যামে বিনির্মাণ” এই শ্লোগানে কুমিল্লায় পালিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফতেহ গণভবনের বর্ষপূর্তি দিবস।
আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালীটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূবালী চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন কুমিল্লা মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আহমেদ,সেক্রেটারি নাজমুল পঞ্চায়েত।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর ছাত্রশিবিরের সংগঠনিক সম্পাদক আকিব আব্দুল্লাহ, ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মনির হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
র্যালী শেষে শহীদদের স্মরণে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “জুলাই জাগরণ কেবল একটি আন্দোলনের নাম নয়; এটি বৈষম্য, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের দৃপ্ত শপথ। নব উদ্যামে দেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমাদের এই সংগ্রাম চলমান থাকবে।”
এছাড়া কুমিল্লায় জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের আয়োজনে পালিত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’। শহিদ স্মরণ, আলোচনা সভা, সংবর্ধনা ও বিজয় র্যালীতে মুখর ছিল পুরো জেলা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা,কচুয়া :
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল চাঁদপুরের কচুয়ার দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা- চট্রগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া পাখির ব্রীজের উপর উঠার সময় মালবাহী লরীর চাপায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন- কচুয়া উপজেলার পালগিরি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে তানভীর আহমেদ রনি (২৬) এবং দুলাল মিয়ার ছেলে জাহিদ হাসান জিপু (২৫)। তারা দুইজনই ঢাকা কলেজের মেধাবী ছাত্র এবং খালাতো ভাই ।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের পালগিরি গ্রামের দুই খালাতো ভাই তানভীর হোসেন রনি ও জাহিদ হাসান জিপু মোটর সাইকেল যোগে ঢাকা থেকে কচুয়া আসার সময় পথিমধ্যে মহাসড়কের গজারিয়া এলাকার পাখির মোড় ব্রীজের উপর উঠার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরী মোটর সাইকেলটিকে চাপা দেয়। লরীটি রনির পেটের উপর দিয়ে এবং জিপুর পায়ের উপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই রনি মারা যায়। অচেতন অবস্থায় অন্য মোটর বাইক চালকগন তাদেরকে পিকআপে করে গৌরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার সময় পথিমধ্যে জিপুও মারার যায়। দুজনের জানাজা শেষে শুক্রবার কচুয়ার পালগিরি গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের লাশ দাফন করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্থিতিশীল পেঁয়াজের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়েছে কুমিল্লা জেলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার সকালে কুমিল্লা নগরীর নিউ মার্কেট, টমছমব্রিজ, রানীর বাজারে তদারকি অভিযান অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলার সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম।
অভিযানে এক মাংস ব্যবসায়ী ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করার কারণে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আজকে ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বলে জানান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম
মন্তব্য করুন


আর দশজন সাধারণ গৃহবধূর মতই জীবন ছিল মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সুবিধপুর গ্রামের রেজিয়া খাতুনের। কিন্তু হঠাৎ তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহতা।
৩০ বছর আগে এক রাতে নির্যাতনের পর তাকে অচেতন অবস্থায় সীমান্ত পার করে ভারতে বিক্রি করে দেয়া হয় ।
আর এই দীর্ঘ সময় পরিবার ও গ্রামবাসী জানতেন, রেজিনা মারা গেছেন।
কিন্তু এখন হঠাৎ তিনি ফিরে আসায় তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ।
গত ১০ নভেম্বর ৫০ বছর বয়সী রেজিয়া বাড়ি ফিরে জানতে পারেন মা-বাবা মারা গেছেন। ভাই-বোনরা বৃদ্ধপ্রায়; সন্তানরা সংসার পেতেছেন।এরপর সোমবার তিনি মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। তারা হলেন- রেজিয়ার দ্বিতীয় স্বামী আজগর আলী এবং তার সহযোগী জয়নাল।
শুনানি শেষে আদালত দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে থানা থেকে বলা হয়েছে।
এদিকে রেজিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৫ বছর বয়সে গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের সাত্তার আলীর সঙ্গে তার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সেই সংসারে এক ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। পরে সাত্তারের সঙ্গে রেজিয়ার বিচ্ছেদ হয়।
এরপর রেজিয়া নিজ গ্রামের আজগর আলীকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর শুরু হয় রেজিয়ার উপর আজগরের নির্যাতন।
১৯৯৩ সালের এক রাতে নির্যাতনের পর তাকে প্রতিবেশী জয়নালের সহযোগিতায় আজগর সীমান্তের কাঁটাতার পার করে ভারতের কাশ্মিরে নিয়ে যান এবং কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই ফারুক হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেন।
রেজিয়া বলেন, ৩০ বছর সীমাহীন কষ্টে বন্দিজীবন পার করেছি। ছেলেমেয়েরা তাদের মায়ের আদর- ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হয়ে বড় হয়েছে। নিখোঁজ অবস্থায় মা-বাবাকে হারিয়েছি। তাদের মরা মুখটাও আমি দেখতে পাইনি।
আমি চাই না আর কারো জীবন যেন এভাবে ধ্বংস হোক সেজন্য মামলা করেছি। আদালত আমার মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
যদিও রেজিয়ার দ্বিতীয় স্বামী আজগর আলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তিনি বলেন, বিয়ে হওয়ার পর কয়েক বছর আমরা সংসার করি। তারপর সামাজিকভাবে রেজিয়ার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। পাচারের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
এদিকে জয়নালের দাবি, যড়যন্ত্র করে রেজিয়ার হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাকে জড়ানো হচ্ছে।
দেশে কীভাবে ফিরে আসলেন সে বিষয়ে জানতে চাইলে রেজিয়া জানান, তিন মাস আগে তিনি ভারতের জম্মু-কাশ্মির থেকে ভারতের নদীয়া জেলার পণ্ডিতপুর গ্রামে পায়ের চিকিৎসা নিতে আসেন। সেখানে কথা হয় সুবিধপুরের পাশের কসবা হিন্দি গ্রামের আমিরুল ইসলাম বাবলুর সঙ্গে।তখন রেজিয়া তাকে পুরো ঘটনা জানান এবং গ্রামে পরিবারের কাছে তার বেঁচে থাকার খবর পৌঁছে দিতে বলেন। পরে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাকে কাশ্মির থেকে মেহেরপুর ফিরিয়ে আনেন।
কসবা হিন্দি গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বাবলু বলেন, রেজিয়ার মুখে সব শুনে মেহেরপুর ফিরে তার ভাইদের সন্ধান করে ঘটনাটি জানান তিনি। পরে রেজিয়ার দেওয়া মোবাইল নম্বর ও কাশ্মিরের ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে গিয়ে ফারুকের কাছ থেকে রেজিয়াকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে তার পরিবার।
রেজিয়ার বড় ভাই আনারুল ইসলাম বলেন,রেজিয়ার স্বামী আজগর এতদিন বলেছে, আমার বোন ওই রাতে কাউকে না বলে নিখোঁজ হয়ে যায়। দেশের প্রায় সব জেলায় বোনের সন্ধান করেছি। কিন্তু কোথাও হদিস না পেয়ে ভেবেছি, বোন হয়ত মারা গেছে। তিন মাস আগে পাশের গ্রামের আমিরুলের মাধ্যমে বোনের সন্ধান পেলে আমরা ভারতের কাশ্মিরে গিয়ে বোনকে ফিরিয়ে আনি।
রেজিয়ার মেয়ে সালেহা খাতুন বলেন, মাকে ফিরে পেয়ে জীবন ফিরে পেয়েছি মনে হচ্ছে। যারা আমার মাকে এতদিন আমার কাছ থেকে দূরে রেখেছিল আমি তাদের কঠিন বিচার চাই।”
কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুমিতপুর গ্রামের ওয়ার্ড সদস্য আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতাম রেজিয়া মারা গেছে। তার ফিরে আসার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কয়েক গ্রামের মানুষ রেজিয়াকে দেখতে ভিড় করছে। আমরা রেজিয়ার পাশে আছি। তাকে সব ধরনের আইনি সহায়তা করা হবে।
রেজিয়ার দায়ের করা মামলার বিষয়ে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম আছাদুজ্জামান জানান, ঘটনাটি মানবপাচার প্রমাণ হলে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


নেকবর
হোসেন,
কুমিল্লা
প্রতিনিধি:
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।
তিনি বলেন, ‘গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সামাজিক বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক জাগরণে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপক ভূমিকায় তিনি (খালেদা জিয়া) নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য। গ্রাম বাংলার মা-বোনদের সংস্কৃতির যে বিবর্তন তার একমাত্র কারণ খালেদা জিয়া।’
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন।
বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। উপবৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তখন অনেকে আমাকে বলেছিলেন ‘মেয়েদের ফ্রি লেখাপড়া হচ্ছে, ছেলেদের কী হবে?’ তখন আমি খালেদা জিয়াকে বিষয়টি বললাম, এর উত্তরে তিনি বলেন- ‘আজকে যেসব মেয়ে লেখাপড়া করছে তারাই একদিন মা হবেন। যে পরিবারে মা শিক্ষিত সেই পরিবারের সন্তান শিক্ষিত হয়।’ তার এ যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত মা-বোনদের সামাজিক ও সংস্কৃতিক বিবর্তনে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছিল। সেই অভ্যুত্থানের পর চাইলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা ক্ষমতা নেয়নি। কারণ আমাদের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের বাহিনী। তারপর ১৯৯১ সালে একটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। যে নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাকশাল বহাল না রেখে কেউ কোনো নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদন করার কথা বলেন। এরপরই আব্দুল মালেক উকিল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে আওয়ামী লীগকে পুনরায় গঠন করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চান। সেই আ.লীগ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুদানে প্রাপ্ত দল। সেদিন যদি মালিক উকিলের আবেদনে জিয়াউর রহমান সাড়া না দিতেন তাহলে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকত না।’
আগামী নির্বাচন বিএনপির জন্য সহজ নয় উল্লেখ করে বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, দেশি-বিদেশি অনেক শক্তিই বিএনপির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক কারণে সারা বিশ্বের অনেক ঈগল পাখির চোখ বাংলাদেশে। সেই চোখ উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। এর জন্য বিএনপির বিকল্প নেই। আমরা উগ্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিশ্বাস করে না, তাদের বাংলাদেশে ভোট চাওয়ার ও রাজনীতি করার অধিকার নেই।
নেতাদের উদ্দেশ্যে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না, যে কারণে বিএনপি, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তারেক রহমানকে নিয়ে কথা উঠে। আর কেউ যদি এমন আচরণ করেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো হাইব্রিড যেন বিএনপিতে স্থান না পায় সে বিষয়ে সতর্ক নজর রাখতে হবে বলেও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর মাহমুদ ওয়াসিম, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জসিম উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ কুমিল্লার সাব্বির হোসেন ৪০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে মারা গেছেন।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দেবিদ্বার ভিংলাবাড়ি এলাকায় তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত সাব্বির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল এলাকার হলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই নানাবাড়ি দেবিদ্বারের ভিংলাবাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
সাব্বিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো: শাহিনুল ইসলাম।
পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুল ইসলাম বলেন, সাব্বিরের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আমরা তার বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে তার মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু স্থানীয় লোকজন আমাদের বাধা সৃষ্টি করে বলেন- তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করবেন। পরে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সাব্বিরের মরদেহ দাফনের অনুমতি দিয়ে থানায় ফিরে আসি।
নিহত সাব্বির হোসেন(১৯) তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। বছর তিনেক আগে তার বাবার মৃত্যুর পর সাব্বির সংসারের হাল ধরতে অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। তার মৃত্যুতে পরিবারটি এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সির বরাত দিয়ে উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান তামিম বলেন, নিহত সাব্বির আমাদের দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। দলীয় পদ-পদবি না থাকলেও তিনি আমাদের দলীয় প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশ নিতেন। আমাদের কাছে তার ছবি আছে। সে ছাত্র আন্দোলনের সময় সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিল। আমরা তার হত্যার বিচার চাই। দলীয়ভাবে আমরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


মোঃ জামাল হোসেন, শাহরাস্তি প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা যায়, গেলো শনিবার ভোরে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্যরা পৌরসভার উত্তর ঠাকুর বাজারে মোঃ আব্দুল কাইয়ূমের দোকান ঘরের স্যাটার ও থাই গ্লাসের তালা ভেঙে দোকানে প্রবেশ করে। ওই সময় চোরেরা দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ টাকা, স্মার্ট টিভি, কম্পিউটারসহ ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫ শত টাকার মালামাল চুরি করে।
এ ঘটনায় দোকানের মালিক অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করে।
রোববার বিকেলে থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ রোকন উদ্দিন, ইমাম হাসান ও মহসিন ভুঁইয়ার নেতৃত্বে পৌরসভার কাজিরকামতা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ চুরির ঘটনায় জড়িত ওই গ্রামের মৃত আঃ সালামের ছেলে মোঃ রিপন (৩৫) ও আবদুল হকের ছেলে আতিকুর সবুজকে (২৭) গ্রেফতার করে।
তাদের দেয়া তথ্য মতে ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে চুরি যাওয়া কম্পিউটার, ১টি ডেল মনিটর, ১টি মাউস, ১টি কী-বোর্ড ও ২টি সাউন্ড বক্স জব্দ করা হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, চুরির ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চুরি যাওয়া কিছু মালামাল জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটককৃত রিপনের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। সে আগে থেকেই মাদক কারবারের সাথে জড়িত ছিলো। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামী এবং চোরাই যাওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কবিরহাট চাপরাশিরহাট পশ্চিম বাজারে নৈশপ্রহরীকে হত্যা করে দুটি স্বর্ণের দোকান লুট করেছে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।
ঘটনার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ৭ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে লুন্ঠিত ৬০ ভরি স্বর্ণ, ১৬০ ভরি রুপা, স্বর্ণ বিক্রির ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, একটি দেশীয় তৈরী পাইপগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ, একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি পাইপ।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এসপি মো.শহীদুল ইসলাম। এর আগে, গত শুক্রবার ৮ ডিসেম্বর ভোর রাতের দিকে কবিরহাট ডাকাতির ঘঠনা ঘটে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন,গত শুক্রবার ১০-১৫ জনের একটি ডাকাত দল রাত ৩টার পর চাপরাশিরহাট পশ্চিম বাজারে প্রবেশ করেন। ওই সময় অস্ত্রের মুখে নৈশপ্রহরীসহ অন্যান্য চলাচলকারী লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এরপর প্রায় দুই ঘন্টা ডাকাতি সংঘটন করে। এ সময় ডাকাত দলকে বাধা দিলে নৈশ প্রহরী শহীদুল্লাহকে মাথায় আঘাত করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী মোট ৪টি বিভাগে হচ্ছে বৃষ্টিপাত। এ কারণে আরও কমে যেতে পারে সারা দেশে তাপমাত্রা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে।
আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানান, বৃষ্টি হচ্ছে দেশের ৪ বিভাগে। বিশেষ করে দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গায় ১৯ ও যশোরে ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান আরও জানান, বৃষ্টির কারণে কুয়াশা কমবে। এতে হয়ত সূর্য দেখা যেতে পারে। তবে আগামীকাল শুক্রবার থেকে সারা দেশেই তাপমাত্রা কমে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার দেশে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রংপুর বিভাগের সব জেলায়, ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ এবং রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ হচ্ছে। চলতি মাস পুরোটাই দেশে বেশ শীত অনুভূত হবে।
আগামী রোববার থেকে দেশে আবহাওয়া পরিস্থিতি সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন