

রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রুমা-থানচি-রোয়াংছড়ি মালিক সমিতির অফিস সহকারী মিলন দাশ বলেছেন বান্দরবান থেকে রুমা-থানচিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিক সমিতি ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন আগে বান্দরবান-থানচি সড়কে চলাচলকারী বাসগুলো থেকে বাৎসরিক চাঁদা দাবি করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। সে সময় প্রায় তিন-চার দিন বাস চলাচল বন্ধ ছিল। চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টায় রুমার রিঝুকপাড়ায় স্থানীয় যুবক উহ্লা চিং মার্মাকে (৩৫) গুলি করে আহত করে সন্ত্রাসীরা আর এ ঘটনায় উত্তেজিত হন স্থানীয়রা আর বর্তমানে এসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে মহড়া দিতে দেখা যাচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তার স্বার্থে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
রুমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ২ নম্বর রুমা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শৈমং মারমা (শৈবং) বলেন, রুমায় এখন রাস্তায় রাস্তায় কুকিচিন আর্মির সদস্যরা টহল দিচ্ছে। মানুষজনকে হুমকি ও মারধর করছে। এ কারণে রুমা থেকে বান্দরবান সড়কে কোনও বাস ও যানবাহন চলছে না।
বান্দরবান-রোয়াংছড়ি-রুমা-থানচি মোটরযান পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম বলেন, সকাল থেকে বান্দরবান, বাঘমারা ও রোয়াংছড়ি সড়কে বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে। তবে রুমা ও থানচি স্টেশন থেকে সকাল থেকে কোনও বাস ছেড়ে আসেনি। লাইনম্যানের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, কুকিচিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) বাস না চালানোর জন্য নিষেধ করেছে তাই বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান এ বিষয়ে বলেন, রুমা থেকে বান্দরবানে সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে শুনেছি। সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখনও এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন জানান, থানচি সড়কে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রসহ মহড়া দেওয়ার খবর শোনা যায়নি। তবে সম্প্রতি রুমায় এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে নিরাপত্তার জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।
মন্তব্য করুন


জমে উঠেছে দেশের সর্ববৃহৎ পাইকারী ফুলের বাজার যশোরের গদখালী,
দেশের ফুলের চাহিদার ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ফুল সরবরাহ হয় এই গদখালী থেকে। ফুলের ভালো দাম
পেয়ে খুশি ফুল চাষীরা।
গত বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের দাম অনেক বেশি। প্রাকৃতিক
দূর্যোগ আর বৃষ্টির কারণে ফুলের দাম বেশি বলে জানান গদখালী ফুল চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে তারা সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন। দাম
বেশি হওয়ায় ফুলের চাহিদা কমে গেছে, বিশেষ করে এই সময়ে ফুলের দাম বেশি হওয়ায়
দোকানদারেরা ফুলের অর্ডার দিচ্ছেন অনেক কম।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদেরর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে ফুলের বিক্রি বাড়ার
প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা ঘটছে না। ফুলের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারাও ফুল
কিনছেন অনেক কম। বিশেষ করে আগে রাজনৈতিক নেতাদের জন্য ফুলের চাহিদা থাকলেও, এখন
সেই চাহিদাও কমে গেছে।
আর দেড় মাস পরে বিজয় দিবস, সামনে শীত, বাগানে নতুন ফুল ফুটবে, আর রাজনৈতিক
স্থিতিশীলতা ফিরলে ফুলের চাহিদা আরও বাড়বে। তখন ফুলের বাজারে আবার প্রাণচাঞ্চল্য
ফিরে আসব।
গদখালীর সৈয়দপাড়া, নীলকন্ঠ নগর, পটুয়াপাড়া, নিমতলা, হাড়িয়া,
পানিসারা ও টাওরা গ্রামে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ফুলের চাষ হয়। মোহর আলী বলেন আমি দুই
বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করেছি, দাম বেশি হলেও চাষের খরচের টাকা উঠবে না, কারন হিসেবে
জানান অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ফুল পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে।
মিনারুল ইসলাম বলেন, এ বছর এক বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করেছি
দামে আমি অনেক খুশি।
মিলন হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে আমার গোলাপ ফুল, গাধা ফুল প্রায়
নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
গদখালী বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে প্রতি পিছ গোলাপ
বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত, প্রতি পিছ রজনীগন্ধা বিক্রি
হচ্ছে ১১ টাকা থেকে ১৬ টাকা পর্যন্ত। এক হাজার গাধা ফুল বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ৩০০ থেকে
৬০০ টাকা পর্যন্ত।
চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অতি মাত্রায় বৃষ্টি হওয়ার কারণে
বেশিরভাগ ফুলের ডাল পঁচে গেছে। তাদের আশা সামনে ফুলের দাম আরও বেশি হবে।
যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, গাছে ফুল না থাকলেও দামে চাষীরা খুশি। চাষীরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন খরচের টাকা তোলার জন্য।
উল্লেখ্য যশোরের গদখালী এলাকায় প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে প্রায় এগারো রকমের ফুলের চাষ হয়। এ এলাকার ৬ হাজার পরিবারের প্রায় দেড় লাখ মানুষ ফুল চাষের সাথে জড়িত। প্রতি বছর তিনশো কোটি টাকার বেশি ফুল উৎপাদন হয় এই অঞ্চলে।
মন্তব্য করুন


রোববার ও সোমবার একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৩।
রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির অভিপ্রায়
অনুযায়ী আপিল বিভাগে রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে কুমিল্লায় বদলি করা
হয়েছে। আর আপিল বিভাগের নতুন রেজিস্ট্রার হয়েছেন রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান।
জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে
পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে প্রেষণে নিয়োগে তাদের
চাকরি প্রধান বিচারপতির অধীনে ন্যস্ত করা হলো।
এদিকে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক
(জেলা জজ) মুহা. হাসানুজ্জামানকে আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার পদে, নওগাঁর অতিরিক্ত
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম ও বাগেরহাটের অতিরিক্ত চিফ
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুস সামাদকে হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে
বদলি করা হয়েছে।
সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে
পরামর্শক্রমে জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে
পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদে ও কর্মস্থলে নিয়োগ বা বদলি
করা হলো।
আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমানকে কুমিল্লার
জননিরাপত্তা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) পদে, কুমিল্লার
জননিরাপত্তা অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) বেগম মরিয়ম মুন মুঞ্জুরীকে
রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক (জেলা জজ) পদে,
হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.মিজানুর রহমানকে রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ
পদে, রাজশাহীর যুগ্ম জেলা জজ মো. আফাজ উদ্দিনকে রংপুরের যুগ্ম জেলা জজ পদে
এবং হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.শামীম সুফীকে আইন মন্ত্রণালয়ের
সংযুক্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রোহিঙ্গা
নাগরিকের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরীতে সহায়তাকারী আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ টি পাসপোর্টসহ
অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
গত
১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় রুজুকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট তৈরির
মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত মুল আসামী রোহিঙ্গা নাগরিক মোঃ ইয়াছির(১৯) কে বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে সে তাকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি
প্রদান করে। উক্ত জবানবন্দির সুত্র ধরে কুমিল্লা ডিবি ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে
অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬)কে সহ অত্র মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী
মোশারফ(৩৫) ও শরীফ(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এজাহারনামীয় আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬) কে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করা হয়। আসামী মোশারফ(৩৫)কে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা
হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্যুর এ্যান্ড ট্রাভেলস হতে ৬ টি ভুয়া পাসপোর্ট
ও পাসপোর্ট জমার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
এ
সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় পাসপোর্ট আইনে আলাদা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
ভুয়া পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তাকারী অপর আসামী কম্পিউটার অপারেটর শরীফ(২৫) কে মুরাদনগর
কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় নকিব ট্রাভেলস হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান হতে ৮ টি ভুয়া
পাসপোর্ট ও কিছু পাসপোর্ট জমার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক
নাসির উল্ল্যাহ(২৮) কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে মুরাদ নগর থানায় পাসপোর্ট আইনে অপর একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
আজ (২৬ এপ্রিল) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বানাশুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ এমরান (৪৬) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে আজ দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বানাশুয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সাইফুল (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ এমরান (৪৬) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার ফুলদি গ্রামের মোঃ সিরাজ এর ছেলে এবং ২। সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বানাশুয়া গ্রামের শাহজাহান এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন সুয়াগাজী এলাকা হতে ১১ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১১ ডিসেম্বর সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন সুয়াগাজী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১১ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: চট্টগ্রাম জেলার খুলশী থানার আমবাগান গ্রামের আলমাছ হক পাটোয়ারী @ দুলাল এর ছেলে মোঃ আরমান (৩০)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সোমবার
বিকেলে কুমিল্লা আদালত প্রাঙ্গণে আম রূপালী ও নারিকেল গাছসহ
বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করেন সদ্য যোগদানকৃত কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও
দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ।
বৃক্ষ
রোপনকালে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোসতাক আহমেদ বলেন- এ বিশ্বকে
সুশীতল ও বাসযোগ্য করে রাখাসহ মানুষের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেসব মৌলিক
চাহিদা রয়েছে তার অধিকাংশই পূরণ করে বৃক্ষ। তাই মানব জীবনে বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা
অপরিসীম।
তিনি
আরও বলেন- গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছপালা ব্যতীত পৃথিবীতে আমাদের অস্তিত্ব কল্পনা
করা কঠিন। দেশের অর্থনীতিও জনজীবনে স্বাচ্ছন্দ আনার জন্য আমাদের প্রত্যেকের অন্তত
দুটি করে বৃক্ষরোপণ করা দরকার।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান সহ জেলা
জজশীপ ও ম্যাজিস্ট্রেসির অন্যান্য বিচারকগণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
আজ (১৫ জানুয়ায়ী) সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) আবু তাহের ভুইয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ রহমানিয়া হোটেল এর সামনে চট্টগ্রাম—ঢাকাগামী মহাসড়ক এর উপর পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২ জন ব্যক্তি তাদের হাতে থাকা ২টি চটের বস্তার নিয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু ও শ্রী সুমন চন্দ্র দে সরকার কে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: শেরপুর জেলার শেরপুর থানার চকপাটর এলাকার মোঃ মজিবুর রহমান এর ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু এবং একই থানার লছমনপুর এলাকার শ্রী প্রভাত চন্দ্র দে সরকার এর ছেলে শ্রী সুমন চন্দ্র দে সরকার।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সাজু (৪০) এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কন্টেইনার ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।
১৯ নভেম্বর রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় এ ঘটনাটি ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন আউটার এলাকায়।
ওই স্টেশনের কর্তব্যরত সহকারী স্টেশন মাস্টার শাকির জাহান বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ৬০৭ নম্বর কন্টেইনার ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করে ঢাকার দিকে যাওয়ার পথে ৩ নম্বর লাইনে পেছন দিকের একটি বগির ৪টি চাকা লাইনচ্যুত হয়।
বগিটি লাইনচ্যুতির হওয়ার কারণে রেললাইনের পাত বাঁকা হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে খবর দেওয়া হয়েছে দুর্ঘটনাকবলিত বগি উদ্ধারে রিলিফ ট্রেন আসার জন্য।
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরে পরকীয়া প্রেমের বলি হলো দুই সন্তানের জননী
তাসলিমা বেগম। পরকীয়ার ঘটনার প্রতিবাদ করায় রাতের আঁধারে শ্বাসরুদ্ধ ও অতর্কিত হামলা
চালিয়ে স্ত্রীকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে স্বামী। এই ঘটনায় চাঁদপুর আদালতে মামলা হওয়ার
পর অবশেষে মূল হোতা পাল বাজারে ব্যবসায়ী মোঃ সরোয়ার হোসেন সেলিমকে আটক করেছে চাঁদপুর
মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্ত্রী হত্যা মামলার
আসামি স্বামী সেলিমকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
এই ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকা বাবুরহাট রয়েল তাইবা ট্রাবলস
গ্রুপের অ্যাকাউন্ট অফিসার সালমা মিয়াজি প্রেমিক মায়া এখনো পলাতক রয়েছে।
গত ৮ জুলাই বুধবার গভীর রাতে চাঁদপুর শহরের জে.এম.
সেনগুপ্ত রোড সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির বাসার চতুর্থ তলায় ভাড়াটিয়া বাসায় পাল বাজারের
ব্যবসায়ী সেলিম তার স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে ও অতর্কিত হামলা চালিয়ে হত্যা করে।
পরবর্তীতে তার বাবা মোঃ ইদ্রিস মিয়া বাদী হয়ে আদালতে
সরোয়ার হোসেন সেলিম তার পরকীয়া প্রেমিকা সালমা মিয়াজি মায়াকে আসামি করে মামলাটি দায়ের
করেন।
অবশেষে পুলিশ মামলার প্রধান আসামি সেলিমকে আটক করতে
সক্ষম হয়।
মামলার বাদী ইদ্রিস মিয়া জানান, কচুয়া থানার প্রসন্নকাপ
এলাকার কলিম উদ্দিনের ছেলে সরোয়ার হোসেন সেলিমের সাথে ১১ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে
তাসলিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সেলিম বিভিন্ন মেয়েদের সাথে পরকীয়ায়
জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন পূর্বে শহরের মিতালী নামের একটি মেয়ের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক
করলে সেই মেয়ের পেটে অবৈধ সন্তান জন্ম হয়। সেই ঘটনায় সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা হলে
২৭ দিন জেল খেটে বেরিয়ে আসে।
পরবর্তীতে সেলিম রয়েল তাইবা গ্রুপের অ্যাকাউন্ট অফিসার
সালমা মিয়াজি মায়ার সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনা প্রতিবাদ করলে ঘটনার
দিন রাতে সেলিম তার স্ত্রী সালমা বেগমকে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে ফেলে। অবশেষে ঘটনাটি ধামাচাপা
দেওয়ার জন্য তারা চেষ্টা করে ও মামলা না দেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে।
পরবর্তীতে আদালতে মামলা হওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার
করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় সেলিম ও তার পরকীয়া প্রেমিক মায়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণ করা জোর দাবি জানান পরিবারের স্বজনরা।
মন্তব্য করুন


কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরীতে ঘুমন্ত স্ত্রীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী সত্য চন্দ্র শীল (৫৫)কে লালমনিরহাট জলার আদিতমারী থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার ভোররাতে স্ত্রী লতা রাণী শীলকে (৩৮) কে নিজ বাড়িতে কুপিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পর থেকে আলোচিত এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং আসামি ধরতে তৎপরতা শুরু করে।
সোমবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মোঃ মাহফুজুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার জানান, উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়ে ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে প্রকাশ্য ও গোপন অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখে। অভিযানের একপর্যায়ে নাগেশরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপ কুমার সরকার, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সরোয়ার পারভেজ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) প্রভাত রঞ্জন রায়সহ একটি চৌকস টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে আসামী লালমনিরহাটের সীমন্তবর্তী এলাকা লোহাকুচি বর্ডার হয়ে পালানোর চেষ্টা করছে। পুলিশ সাড়াশি অভিযান চালিয়ে পলাতক ঘাতক স্বামী সত্য চন্দ্র শীলকে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন পলাশী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বড়াইবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গতকাল (২১ জানুয়ারি) রাত ১০ টায় গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও হত্যাকান্ডে আসামী কর্তৃক ব্যবহৃত কাঠের হাতলযুক্ত রক্তমাখা ধাঁরালো কুড়াল ও আসামীর পরিহিত সাদার রংয়ের রক্তমাখা সুইটার ঘটনাস্থল হইতে উদ্ধার করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া চলে আসছিলো। গতকাল রোববার (২১ জানুয়ারি) ভোরে স্বামী সত্য চন্দ্র শীল তার ঘুমন্ত স্ত্রী লতা রাণী শীলকে কুড়াল দিয়ে ঘারে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত লতা রাণী শীলের পিতার বাড়ি চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের মহাদেব পাট এলাকার শীলপাড়ী গ্রামে। নিহতের স্বামী সত্য চন্দ্র শীল নাগেশ্বরী পৌরসভার হেলিপোর্ট, কবিরের ভিটা গ্রামের বাসিন্দা।
মন্তব্য করুন